বিশেষ খবর

ডায়নামিক কম্পিউটার কোর্স সনদ বিতরণে রিয়েল্টা হোমস্ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আনোয়ারুজ্জামান

ক্যাম্পাস ডেস্ক ক্যাম্পাস’র অনুষ্ঠান
img

৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয় ক্যাম্পাস পরিচালিত ফ্রি ডায়নামিক কম্পিউটার কোর্সের ১৪০তম ব্যাচের সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান। ক্যাম্পাস অডিটোরিয়ামে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষার আলোয় উদ্ভাসিত, প্রোএকটিভ ও পজিটিভ এটিচিউডের বাস্তববাদী, আদর্শিক ব্যক্তিত্ব, নির্মাণ শিল্পে মানুষের আস্থাশীল বিশেষ অনুকরণীয় ও বরণীয়, রিয়্যাল এস্টেট সেক্টরে অত্যন্ত ব্যতিক্রমী, ন্যায়নিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব, বহুমুখী প্রতিভায় ভাস্বর বর্ণিল গুণাবলির কর্মযোগী, দেশপ্রেমী ও মানবপ্রেমী মোঃ আনোয়ারুজ্জামান।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক এবং ক্যাম্পাস সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (সিএসডিসি) এর মহাসচিব ড. এম হেলাল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সরকারের যুগ্মসচিব, রাজউক’র পরিচালক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোকন উদ-দৌলা; সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বিশ্বব্যাংক বিষয়ক কনসালটেন্ট এবং ওয়ার্ল্ডওয়াইড ফ্যামিলি লাভ মুভমেন্টের চেয়ারপার্সন তাজকেরা খায়ের; ক্যাম্পাস’র ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস কোর্স এর রিসোর্স পারসন এডভোকেট মোঃ গোলাম কিবরিয়া; কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলার উপদেষ্টা মোহাম্মদ মোস্তফা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথিকে পুষ্পমাল্যে বরণ করে নেয়া হয় এবং তাঁকে উপহার হিসেবে অর্পণ করা হয় ক্যাম্পাস’র জ্ঞানমেলা সিরিজে প্রকাশিত সৃজনশীলতা বৃদ্ধি, আত্মোন্নয়ন ও জাতি জাগরণমূলক বিভিন্ন বইয়ের সেট; ক্যাম্পাস’র নিজস্ব গবেষণায় প্রকাশিত ২টি মডেল, বিভিন্ন সিডির সেট ও স্যুভেনির। দেশপ্রেমে উজ্জীবিত, সততা ও নীতিনিষ্ঠায় প্রোজ্জ্বল, গুণগতমানের আধুনিক নির্মাণ শিল্পের পথিকৃৎ, বর্ণিল গুণাবলির কর্মযোগী মোঃ আনোয়ারুজ্জামানকে ক্যাম্পাস’র সম্মাননা ক্রেস্ট অর্পণ করেন সিএসডিসি’র মহাসচিব ড. এম হেলাল।
কম্পিউটার কোর্স সম্পন্নকারীরা যেন স্মার্ট এন্ড গ্লোবাল ইয়থ জেনারেশনরূপে দেশ ও জাতির অন্ধকার দূরীকরণে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারে, সে কামনায় প্রধান অতিথির হাতে আশা-জাগানিয়া মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বলন করা হয়। এরপর প্রধান অতিথি কম্পিউটার কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদ বিতরণ করেন। সনদ বিতরণ শেষে শুরু হয় বক্তৃতাপর্ব।
মোঃ আনোয়ারুজ্জামান
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মোঃ আনোয়ারুজ্জামান বলেন ক্যাম্পাস’র কর্ণধার ড. এম হেলাল দেশকে অনেক দিয়েছেন, দেশ ও সমাজের কল্যাণে অনেক কিছু করেছেন। তিনি যুব সমাজের প্রেরণা। তাঁকে দেখে আমরা উজ্জীবিত হই। দেশের জন্য, মানবতার জন্য কাজ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ড. হেলালের মতো প্রত্যেকে তার নিজ দায়িত্বটুকু পালন করলেই দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। এক্ষেত্রে আমাদের নেতিবাচক কালচার পরিবর্তন করতে হবে, আগামী দিনের জন্য কাজ ফেলে রাখা যাবে না; দিনের কাজ দিনেই শেষ করতে হবে। ছাত্র-যুবকদের উদ্দেশ্যে আনোয়ারুজ্জামান বলেন, আমাদের যুব সমাজকে কৃত্রিমতা ছেড়ে রিয়েলিটিকে বেছে নিতে হবে; মেনে নিতে হবে বাস্তবতাকে। তাদেরকে ঋষবীরনষব হতে হবে; Rigidity আঁকড়ে ধরে থাকলে সফল হতে পারবে না। তিনি বলেন, হিংসা-বিদ্ধেষ মানুষকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। নিজেকে বড় কিছু ভাবলে মনে করতে হবে, তার পতনের ঘন্টা বেজে উঠেছে। Life is a journey by train. নির্দিষ্ট গন্তব্য অভিমুখে এটা চলে; কেউ আসবে, কেউ যাবে। তবে জীবন থেকে বিদায় নিলেও মানুষ বেঁচে থাকে তার সুকর্মের জন্য। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন ক্যাম্পাস’র প্রশিক্ষণ তোমাদেরকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যাবে যেখান থেকে তোমরা শুধু আমার পজিশনেই নয়, আমাকেও ছাড়িয়ে যাবে; তোমরা দেশের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী হবার যোগ্যতা অর্জন করবে।
যুগ্মসচিব রোকন উদ-দৌলা
সরকারের যুগ্মসচিব, রাজউক’র পরিচালক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোকন উদ-দৌলা বলেন, ক্যাম্পাস এ আসি প্রাণের টানে। তাদের কর্মসূচি আমাকে মুগ্ধ করে। ক্যাম্পাস’র প্রতিটি পরিকল্পনা সুদূরপ্রসারী। প্রোএকটিভ ও পজিটিভ এটিচিউডের মানুষ গড়ার অগ্রণী প্রতিষ্ঠান ক্যাম্পাস। ড. এম হেলালের নেতৃত্বে ক্যাম্পাস এগিয়ে চলেছে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার সহায়ক শক্তি হিসেবে।
তাজকেরা খায়ের
ওয়ার্ল্ড-ওয়াইড ফ্যামেলি লাভ মুভমেন্টের চেয়ারপার্সন, বিশিষ্ট সমাজসেবী তাজকেরা খায়ের বলেন ক্যাম্পাস হচ্ছে আলোকিত মানুষের সম্মিলন কেন্দ্র। এখানে আসলে মানুষ আলোকিত হয়ে যায়। ক্যাম্পাস’র বিচরণ সর্বত্র- টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া। দেশ ও জাতির উজ্জীবনে বিভিন্ন স্টিকার-লিফলেট-ক্যালেন্ডার সারা দেশব্যাপী প্রচার করে সমাজ সচেতনতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে ক্যাম্পাস।
এডভোকেট এম জি কিবরিয়া
ক্যাম্পাস পরিচালিত ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস কোর্সের রিসোর্স পার্সন এডভোকেট এম গোলাম কিবরিয়া বলেন ক্যাম্পাস’র মাল্টিডায়মেনশনাল বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে কম্পিউটার ট্রেনিংয়ের যাত্রা শুরু সেই ২০০৪ সালে। আজ ১৪০ তম ব্যাচের সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান। এ পর্যন্ত ৪ হাজারের অধিক প্রশিক্ষণার্থী ক্যাম্পাস থেকে বিনামূল্যে কম্পিউটার ট্রেনিং গ্রহণ করেছে। তারা বিভিন্ন কর্মে নিজেদের নিয়োজিত করেছে। তিনি বলেন ক্যাম্পাস’র কম্পিউটার ট্রেনিং কর্মসূচিতে ছাত্র-যুবকদের শুধু কম্পিউটার শিক্ষাই দেয়া হয় না। জীবনমুখী নানা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সার্টিফাইড ছাত্র-যুবকদেরকে কোয়ালিফাইড করে গড়ে তুলছে ক্যাম্পাস। এখানেই অন্যান্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে ক্যাম্পাস’র মৌলিক পার্থক্য। অন্যরা শুধু প্রশিক্ষণই দেয়, কিন্তু ক্যাম্পাস শিক্ষার্থীদেরকে পরিবর্তিত মানুষরূপে গড়ে তোলে। ক্যাম্পাস’র উন্নয়ন ও কল্যাণমুখী নতুন প্রকল্প ক্যাম্পাস স্টাডি সেন্টার নির্মাণে দেশের দানশীল উদারপ্রাণ ব্যক্তিত্বগণ এগিয়ে আসবেন বলে আমার বিশ্বাস। গোলাম কিবরিয়া বলেন, আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি একজন সফল মানুষ, অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব; তিনি ছাত্র-তরুণদের প্রেরণা। তিনি বিবিএ পড়ার জন্য স্বপ্নপুরী আমেরিকায় গিয়েছিলেন, র্কোসশেষ করে ভালো চাকরিতে যোগদানও করেছিলেন। কিন্তু সেদেশের জৌলুস, চাকচিক্য তাকে বেশিদিন আটকে রাখতে পারেনি। শিকড়ের টানে তিনি দেশে ফিরে এসে লেগে গেলেন দেশ গড়ার কাজে। প্রধান অতিথি কর্মসাধনা ও কঠোর পরিশ্রম করে সাফল্যের শীর্ষে উঠেছেন, ছাত্র-তরুণদের জন্য যা অনুকরণীয়।
ড. এম হেলাল
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক এবং সিএসডিসি’র মহাসচিব ড. এম হেলাল বলেন আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শিক্ষার আলোয় উদ্ভাসিত, অভিজাত পরিবারের সুসন্তান, প্রোএকটিভ ও পজিটিভ এটিচিউডের বাস্তববাদী, আদর্শিক, ন্যায়নিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। তিনি সব পরিস্থিতিতে ফ্লেক্সিব্যল থাকার আহবান জানিয়েছেন। সব পরিস্থিতিতে যারা ফ্লেক্সিব্যল থাকে, তারা সফল হবেই। ড. হেলাল বলেন ক্যাম্পাস হচ্ছে নিত্য-নতুন আইডিয়ার কারখানা। নিত্য-নতুন আইডিয়া জেনারেট করে তা ছড়িয়ে দিচ্ছে সমাজে-জাতিতে ও বিশ্বপরিসরে। ক্যাম্পাস মানুষের চিন্তার ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটায়। ক্যাম্পাস’র কম্পিউটার ট্রেনিং কর্মসূচিতে শুধু কম্পিউটার শিক্ষাই দেয়া হয় না। কম্পিউটার থেকে যেমনি খারাপ প্রোগ্রাম ডিলিট করে ভালো প্রোগ্রাম ইনসার্ট করা যায়; তেমনি জগতের সকল কস্পিউটারের সম্মিলিত শক্তির চেয়েও মহাশক্তিধর মানুষের মস্তিষ্করূপী কম্পিউটার থেকেও খারাপ প্রোগ্রাম অকার্যকর এবং ভালো প্রোগ্রাম সংযোজন করা কঠিন নয়। কম্পিউটার ট্রেনিংয়ের আওতায় সে কৌশলও ক্যাম্পাস শিখিয়ে থাকে। ক্যাম্পাস’র লক্ষ্য জ্ঞানভিত্তিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ এবং আলোকিত জাতি প্রতিষ্ঠা করা। ক্যাম্পাস’র এ লক্ষ্য অর্জনে সকলের অংশগ্রহণ কামনা করছি।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ