বিশেষ খবর

বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহারে সাবধানতা

ক্যাম্পাস ডেস্ক টিপস
img

গরমের সময় বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের পরিমান যেমন বেড়ে যায়, ঠিক তেমনি গরমে লোডশেডিংয়ের সমস্যাও বৃদ্ধি পায়। বার বার লোডশেডিংয়ের কারনে এসকল যন্ত্রগুলোর নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেহেতু গরম থেকে পরিত্রাণ পাবার জন্য বৈদ্যুতিক সামগ্রীর ব্যবহার একটু বেড়ে গেছে, সেহেতু আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যে, কোন কিছুর অতিরিক্ত ব্যবহার ভালো নয়।
যেকোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রেখে ব্যবহার করতে হবে, নতুবা নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। বৈদ্যুতিক লাইন, সকেট, ফিল্টার, এসবের লোডটা ঠিকমতো পরীক্ষা করতে হবে। এবং লোডশেডিংয়ের পর বৈদ্যুতিক শক্তি যে পরিমাণ আসার কথা, সে পরিমাণ না এসে যদি কম আসে, সেক্ষেত্রেও বৈদ্যুতিক যন্ত্র নষ্ট হয়ে যাবার সম্ভবনা থাকে। তাই এসকল সামগ্রীর যত্নের ব্যপারে সচেতন হতে হবে,
এসিঃ এসির তাপমাত্রা সবসময় নিম্নে ১৭ আর সর্বোচ্চ ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রাখা উচিত। একই তাপমাত্রায় দীর্ঘসময় থাকলে ভিতরে বরফ জমে, বাতাস বের হতে বাঁধা দিতে পারে। যার কারনে এসিতে শব্দ হয়, আর সেই সাথে এসি বন্ধ করার সাথে সাথে অনবরত পানি পড়তে থাকে। তাই এসি ব্যবহারে প্রথমে চালু করে ঘর ঠাণ্ডা করে নিতে হবে। এরপর প্রয়োজনমত তাপমাত্রা পরিবর্তন করা যায়। কিন্তু দীর্ঘসময় একই তাপমাত্রায় রাখা জেবে না, এতে যান্ত্রিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।
রেফ্রিজারেটরঃ গরমের সময় আমরা সাধারনত রেফ্রিজারেটরের তাপমাত্রা কমিয়ে রাখি। মনে করি ঠাণ্ডা বেশী হিলে খাবার আর পানি বেশী ঠাণ্ডা থাকবে। কিন্তু এটা ভুল। আর কারনে অনেকসময় ফ্রিজের বাইরের অংশ ঘেমে যায়। এবার যদি কখনও অসাবধানতা বশত ফ্রিজের দরজা খোলা থেকে যায়, তাহলেও ফ্রিজের সমস্যা দেখা দিতে পারে। ফিজের জন্য একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রা নির্ধারণ করতে হবে। খাদ্যবস্তু অনেক হলে তাপমাত্রা সামান্য কমিয়ে দেয়া যায়। তাবে ফ্রিজের তাপমাত্রা সাধারণত ৩-এ থাকাই ভালো।রেফ্রিজারেটরের দরজার পাশে যে গ্যাসকেট থাকে, অনেক সময় এটা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ফলে ফ্রিজের ভেতরের বাতাস বের হয়ে তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। সেদিকে লক্ষ্য রেখে, নষ্ট গ্যাসকেট পরিবর্তন করে ফেলতে হবে দ্রুত।
ডিপ ফ্রিজঃ সাধারণত ২ মাস পর পর ডিপ ফ্রিজ পরিষ্কার করতে হবে। ডিপ ফ্রিজের নিচে জমে থাকা পানি সবসময় পরিষ্কার করে নিতে হবে, তা না হনে ফ্রিজ সহজেই নষ্ট হয়ে যায়।
জুসারঃ গরমের সময় জুসারের ব্যবহার একটু বেড়েই যায়। জুসারের নির্দেশনা ও ধারণক্ষমতা অনুযায়ী যন্ত্রটির ব্যবহার করতে হবে। একসাথে অনেক ফল না দিয়ে পরিমানমত ফল দিয়ে জুস তৈরি করতে হবে। নির্দেশনা ঠিকমত মেনে না চললে জুসার সহজেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
ওভেনঃ সারাদিন বার বার ওভেনে খাবার গরম না করে, নির্দিষ্ট সময়ে খাবার গরম করে নিতে হবে।
ফ্যানঃ অনেক্ষন আক্তানা ফ্যান চালালে, ফ্যানের রেগুলেটর গরম হয়ে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাও ব্যবহারের ঘন্টা খানিক পর ফ্যান বন্ধ করতে হবে।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ