সার্টিফাইড মানুষদেরকে কোয়ালিফাইড করছে ক্যাম্পাস

মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া, রিসোর্স পার্সন, ইংলিশ কোর্স

ক্যাম্পাস একটি ব্যতিক্রমী নাম, একটি নতুন কনসেপ্ট। ক্যাম্পাস অদম্য, এক উদ্যমী প্রয়াস ও অফুরন্ত অনুপ্রেরণা। ক্যাম্পাস কান্ডারীরূপ এক আলোর দিশারী, স্বপ্নদ্রষ্টা। ক্যাম্পাস আমাদের আশা-জাগানিয়া অভিভাবক; সমাজে ও জাতিতে ইতিবাচক চিন্তা-চেতনা, দৃষ্টিভঙ্গি ও কর্ম সাধনে দৃঢ় প্রত্যয়ের উৎসস্থল। ন্যায়ভিত্তিক ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে পথিকৃৎ হিসেবে উচ্চশির এই ক্যাম্পাস। সেই ১৯৮৪ সালে ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার পর থেকে অদ্যাবধি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে। ক্যাম্পাস’র পরিবেশ-প্রতিবেশ আর পারিপার্শ্বিকতায় শুধুই ইতিবাচকতা। এর সব কার্যক্রমে প্রবল স্বচ্ছতা, প্রচন্ড জবাবদিহি সুস্পষ্টরূপে দৃশ্যমান। সাদৃশ্যে বৈচিত্র্য কিংবা বৈচিত্রে সাদৃশ্যের এক বিরল সমাহার ক্যাম্পাস। ক্যাম্পাস’র নানা কর্ম এবং জীবনমুখী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাদি ক্রমান্বয়ে একজন মানুষকে তার চিন্তা-চেতনায় কৃত্রিমতা থেকে প্রাকৃতিকতার দিকে চালিত করে; মেকি কিংবা মিথ্যা থেকে খাঁটি কিংবা সত্য ও ন্যায়ের ভুবনে নিয়ে আসে। ইতিবাচক আলোর দিশারী আমার এ ক্যাম্পাস অঙ্গন সর্বদাই যেন এক প্রভা বিকিরণ করে। এই জাজ্বল্যমান প্রভা একজন মানুষকে করে তোলে নেতিবাচক চিন্তা ও কর্মের প্রভাবমুক্ত। প্রাতিষ্ঠানিক গতানুগতিক সনদভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা আর বাস্তব প্রতিযোগিতামূলক কর্মক্ষেত্রের মাঝে বিরাজমান শূন্যতায় সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছে ক্যাম্পাস। ভিন্নার্থে বলা যায়, দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের Certified ছাত্র-যুবকদেরকে প্রকৃত অর্থে Qualified করে তোলার দুরূহ কাজটি নিষ্ঠার সাথে পালন করে যাচ্ছে ক্যাম্পাস। ক্যাম্পাস’র এই ব্যাপক কর্মযজ্ঞ মূলতঃ যুব সমাজকে ঘিরে সম্ভাবনায় আবর্তিত। ফলে প্রশিক্ষণার্থীগণ ক্যাম্পাস’র সংস্পর্শে আসার পর নিজের ভেতরকার অমিত সম্ভাবনা অনুভব করে পুলকিত এবং আশাবাদী হয়ে ওঠেন। ক্যাম্পাস শুধু স্বপ্ন দেখায় না বরং সেই স্বপ্ন পূরণের পথে স্বপ্নদ্র্রষ্টার কাঁধে নির্ভরতার হাত রেখে তা বাস্তবায়নে উৎসাহিত করার মাধ্যমে পথ চলে পাশাপাশি। ক্যাম্পাস’র নিরলস প্রচেষ্টায় আজ দেশব্যাপী সর্বক্ষেত্রে এক দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তনের ভিত রচিত হয়েছে। কিন্তু এই যাত্রা গন্তব্য-নির্ভর না হয়ে পথ-নির্ভর হওয়া দরকার; দরকার ক্যাম্পাস’র প্রয়াসসমূহের ব্যাপক প্রচার, প্রসার ও চর্চা। প্রয়োজন সরকারি-বেসরকারি প্রাতিষ্ঠানিক এবং ব্যক্তি পর্যায়ে সহমর্মিতা আর সহযোগিতার হাত প্রসারিত করা। অলাভজনক ও অবাণিজ্যিক মনোভাব নিয়ে ক্যাম্পাস’র এই পথচলা অদম্য গতিতে এগিয়ে চলেছে। বিস্তৃত হচ্ছে এর পরিসর, বাড়ছে গ্রহণযোগ্যতা। সময় এসেছে ক্যাম্পাস কার্যক্রমে একই সাথে আরও বেশি সংখ্যক আগ্রহীদেরকে সম্পৃক্ত করার। ‘ক্যাম্পাস স্টাডি সেন্টার’ নির্মাণ উদ্যোগ তাই সময়েরই দাবি। বিশ্বাস রাখতে কষ্ট হয় না যে, শীঘ্রই সু-নাগরিক তৈরির সফল ও নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠবে এই নির্মিতব্য ক্যাম্পাস স্টাডি সেন্টার। ক্যাম্পাস কার্যক্রম প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে যারা ভেতর কিংবা বাহির থেকে চালিয়ে নিচ্ছেন, তারা ধন্যবাদ কিংবা কৃতজ্ঞতা পাওয়ার অনেক ঊর্ধ্বে। অন্যকে সন্তুষ্ট করতে পারার আনন্দের মাধ্যমে নিজে সুখী হওয়ার দুর্লভ বৈশিষ্ট্য তাদের মনকে আলোকিত করে; স্বপ্œ দেখায় অচিরেই এক সমৃদ্ধ-আলোকিত উন্নত আর ইতিবাচক বাংলাদেশ বিনির্মাণের। জয় হোক ক্যাম্পাস’র বেঁচে থাক ক্যাম্পাস নিরন্তর।