ক্যাম্পাস শিক্ষানবিশ কর্মসূচির
সফল অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদ ও পুরস্কার বিতরণ

জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও আলোকিত জাতি গঠনে নিবেদিত ক্যাম্পাস’র একটি কল্যাণধর্মী প্রকল্প হচ্ছে ‘শিক্ষানবিশ কর্মসূচি’। ছাত্র-যুবকদের মধ্যে জ্ঞানার্জনের অবসরে সমাজসেবা এবং শৃঙ্খলা ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির নিমিত্তে ক্যাম্পাস কর্তৃক এ সেবামূলক কর্মসূচি পরিচালিত হয়ে আসছে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষা জীবনেই ছাত্র-যুবকরা অফিস আচরণ, নিয়মানুবর্তিতা ও ন্যায়নিষ্ঠা, নেতৃত্বের গুণাবলী অর্জন, দলভিত্তিক কার্যক্রম বা টিম ওয়ার্ক, সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ, সম্পাদিত কাজের রিপোর্টিং ইত্যাকার বিষয়ে সম্যক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন করতে সমর্থ হচ্ছে। এছাড়া দৈনিক পকেটমানি প্রাপ্তির মাধ্যমে অসচ্ছলরা স্বাবলম্বী হতেও প্রয়াসী হচ্ছে। ক্যাম্পাস পরিচালিত শিক্ষানবিশ কর্মসূচি ২০০৮-এ অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যারা সফল হয়েছেন তাদেরকে ১ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস অডিটোরিয়ামে সার্টিফিকেট ও পুরস্কার প্রদান করা হয়।
এবারের সফল শিক্ষানবিশ হিসেবে সার্টিফিকেট গ্রহণ করেন- মো: আল আমিন, সুমন দেওয়ান, মো: আনিস উদ্দিন, তরিকুল হক, ইয়াছির আরাফাত, এস এম আনিস উদ্দিন (জয়), মো: তারেক, বিশ্বজিৎ মিত্র, মো: শফিকুল ইসলাম, নূর জাহান আক্তার, মো: মেহেদী শরীফ, স্বর্না শারমিন, মো: সাইফুল ইসলাম, সিদ্ধার্থ ভৌমিক (রাকেশ), মাহমুদা আক্তার মিরা, মো: আফতাব হোসেন, মো: রাকিবুল ফেরদৌস (রোকন) এবং মো: আবুল খায়ের।
তাছাড়া অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বেস্ট পার্টিসিপেন্ট, বেস্ট কো-লিডার এবং বেস্ট লিডারকে পুরস্কার ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। বেস্ট লিডারের গৌরব অর্জন করেন ফাতেমা রিমি ও রোকেয়া আক্তার রেখা। বেস্ট কো-লিডারের পুরস্কার গ্রহণ করেন মো: ইকবাল ও মাসউদা ফেরদৌসী এবং বেস্ট পার্টিসিপেন্টের পুরস্কার লাভ করেন কামরুল হাসান আকাশ। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন স্কটল্যান্ডে বাংলাদেশের অনারারী কনসাল জেনারেল, বাংলাদেশ-ব্রিটিশ চেম্বার অব কমার্স-এর সভাপতি ও বাংলা-স্কট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন জেপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ-ব্রিটিশ চেম্বার অব কমার্স (বিবিসিসি)-এর মেম্বার আরজু মিয়া এমবিই।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস-এর সম্পাদক ও সিএসডিসি’র মহাসচিব এম হেলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শহীদ উদ্দিন আহমেদ, স্টেট ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. ইলিয়াস ধামী, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক-এর প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম আর কবির, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আতাউর রহমান, সুপ্রীম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার মোঃ বদরুদ্দোজা ও ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, অর্থনীতিবিদ ও বিআইডিএস’র রিসার্চ ফেলো ড. নাজনীন আহমেদ, সুপ্রীম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সাবেক সেক্রেটারী এডভোকেট বশির আহমেদ, এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, লন্ডনস্থ বাংলা মিরর পত্রিকার প্রধান সম্পাদক এম এ আজীজ, যুক্তরাজ্যস্থ গ্রেটার নোয়াখালী এসোসিয়েশন-এর ভাইস-প্রেসিডেন্ট সহিদ উল্লাহ খান, ইনস্পায়ার্ড’র পরিচালক মইনুল চৌধুরী ও পরিচালক (হিউম্যান রিসোর্স) এসলে ব্যালেন্টিন, জ্যোতি নারী ও শিশু উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী প্রধান সৈয়দা হাবিবা, হক প্রিন্টার্সের স্বত্বাধিকারী মাহফুজুল হক এবং যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী বেশ কয়েক ব্রিটিশ-বাংলাদেশী।
প্রথমেই প্রধান অতিথি ড. ওয়ালী তসর উদ্দিনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান ক্যাম্পাস’র সিনিয়র এক্সিকিউটিভ উম্মে সালমা রনি এবং বিশেষ অতিথি জনাব আরজু মিয়া এমবিইকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান সোনিয়া সুলতানা বন্যা। এরপর প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিকে ক্যাম্পাস’র সুভ্যেনির অর্পণ করেন ক্যাম্পাস সমাজ উন্নয়ন কেন্দ্র (সিএসডিসি)-এর মহাসচিব এম হেলাল। ক্যাম্পাস’র বিভিন্ন কার্যক্রম উপস্থাপন করেন ক্যাম্পাস’র উপ-সহকারী পরিচালক লুৎফুন্নাহার কনিকা। তিনি ক্যাম্পাস’র আদর্শ, উদ্দেশ্য ও গবেষণা কার্যক্রম বর্ণনা করেন। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস-এর সম্পাদক এবং সিএসডিসি’র মহাসচিব এম হেলাল অতিথিদের স্বাগত ও কর্মসূচির সফল অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, প্রশিক্ষণার্থীদের অভিজ্ঞতার সঞ্চয়নই এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য। মেধাবী ও অসচ্ছল ছাত্র-যুবকরা পড়াশোনার পাশাপাশি এ কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজ সেবামূলক কার্যক্রমে নিজেদের সম্পৃক্ত, বাস্তব জ্ঞানার্জন ও কাজের রিপোর্টিং তৈরির অভিজ্ঞতা লাভে সমর্থ হচ্ছে। এছাড়া নিজেরা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতেও অনুপ্রাণিত হচ্ছে। এম হেলাল বলেন, আগামী এপ্রিল মাস থেকে আত্মউন্নয়নমূলক দু’টি কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। তন্মধ্যে একটি হচ্ছে ‘অনর্গল বিশুদ্ধ ও সুন্দর কথা বলা’। প্রত্যেক মাসের প্রথম রবিবার এ সেশন অনুষ্ঠিত হবে। অন্যটি হচ্ছে ‘মেধা ও চিন্তাশক্তির উন্নয়ন করবেন কিভাবে?’ এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ ক্লাস হবে প্রতিমাসের প্রথম শনিবার ২-৩০ মিনিটে। এটিও ১ঘন্টার সেশন।
বেস্ট লিডার ফাতেমা রিমি তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, এই শিক্ষানবিশ কর্মসূচির মাধ্যমে আমি ছাত্রাবস্থায় অনেক অভিজ্ঞতা অর্জনে সক্ষম হয়েছি। আশা করি, এ অর্জন আমার কর্মজীবনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। অপর বেস্ট লিডার রোকেয়া আক্তার রেখা তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ক্যাম্পাস’র শিক্ষানবিশ কর্মসূচির মাধ্যমে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি তা নিঃসন্দেহে আমাদের কর্মজীবনে সুফল বয়ে আনবে। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ড. ওয়ালী বলেন, ছাত্র-যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের মাধ্যমে ক্যাম্পাস যে সমাজসেবামূলক কাজ করিয়ে নিচ্ছে, তাতে সেবামূলক বহুমুখী উদ্দেশ্য সাধিত হচ্ছে। কারণ একদিকে ছাত্র-যুবকরা দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দৈনিক পকেটমানি পাচ্ছে, অন্যদিকে তাদের মধ্যে দেশ ও জাতির জন্য সেবামূলক কাজ করার মানসিকতা বা সংস্কৃতি গড়ে উঠছে। জ্ঞানভিত্তিক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রয়াসে অন্যান্য কার্যক্রমের পাশাপাশি ক্যাম্পাস’র এরূপ জাতি গঠনমূলক কাজ শুধু বাংলাদেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও খুঁজে পাওয়া ভার। ড. ওয়ালী বলেন, শিক্ষা গ্রহণ করে যদি মানুষকে কিছু না দেয়া যায় তবে সে শিক্ষার কোন মূল্য নেই। তিনি বলেন, স্কুল, মাদ্রাসা বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দলীয় রাজনীতি থাকা উচিৎ নয়। কারণ শিক্ষাকে যদি সঠিকভাবে পরিচালনা করা না যায় তবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া কষ্টকর। তাছাড়া শিক্ষাই জীবন গড়ার মূল ভিত্তি। ক্যাম্পাস থেকে যারা প্রশিক্ষণ লাভ করবে বিদেশে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকবে। ড. ওয়ালী বলেন, ক্যাম্পাস ছাত্র-যুবকদের মধ্যে যে লিডারশীপ মনোভাব গড়ে তুলছে তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। এর মাধ্যমে তারা ভবিষ্যতে যোগ্য নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হবে। ড. ওয়ালী বলেন, বাংলাদেশ আমাদের শেকড়। আমরা দেশের কাছে দায়বদ্ধ। এদেশের সুখ-দুঃখে আমরা আন্দোলিত হই। বাংলাদেশের দুর্যোগ কবলিত এলাকায় আমরা ৫ হাজার আশ্রয়-কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছি। আমরা ভারতেও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করছি।
অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি জনাব আরজু মিয়া এমবিই বলেন, আজকে যারা সফলতার স্বীকৃতি স্বরূপ সার্টিফিকেট ও পুরস্কার লাভ করেছে তারা সত্যিই ভাগ্যবান। ক্যাম্পাস’র শিক্ষানবিশ কর্মসূচির মাধ্যমে তারা পড়াশোনার পাশাপাশি অভিজ্ঞতা লাভেরও সুযোগ পেয়েছে। এটি তাদের কর্মজীবনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, আমি ক্যাম্পাস’র কাজে মুগ্ধ। তাই আমি ক্যাম্পাস’র সমাজ সচেতনতামূলক স্টিকার স্পন্সর করব। জনাব আরজু বলেন, সিলেট মহিলা মেডিক্যাল কলেজ আমাদের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি বলেন সঠিক নেতৃত্ব পেলে এদেশের নারীরা সফল হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শহীদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ইতোমধ্যে সংবাদপত্র জগতে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছে। দীর্ঘ ২৫ বছর একটি পত্রিকার নিয়মিত প্রকাশনা বিশাল ব্যাপার। তাছাড়া পত্রিকা প্রকাশনার পাশাপাশি সমাজসেবামূলক বিভিন্ন ব্যতিক্রমী ও সুদূর প্রসারী কার্যক্রমও করে যাচ্ছে এরা।
বিআইডিএস’র রিসার্স ফেলো ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সমাজসেবামূলক মনোভাব জাগ্রত করার জন্য ক্যাম্পাস ছাত্র-যুবকদের শিক্ষানবিশ প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে। শুধু এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্যই বছরে ক্যাম্পাস’র প্রয়োজন সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা। তিনি আশা করেন, সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তিগণ ক্যাম্পাস’র কার্যক্রমে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসবেন। সুপ্রীম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সাবেক সেক্রেটারী এডভোকেট বশির আহমেদ বলেন, নিজকে, সমাজকে ও জাতিকে আলোকিত করার জন্য ক্যাম্পাস ছাত্র-যুবকদের শিক্ষা প্রদান করে আসছে। তিনি বলেন, ক্যাম্পাস’র এসব সমাজসেবামূলক কাজে বিত্তবানদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।
ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশনের লিডার এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী বলেন, মানুষের জীবনে যে ধরনের ফাউন্ডেশন প্রয়োজন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সেই ধরনের প্রতিষ্ঠান। তিনি ক্যাম্পাস’র কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তার জন্য ১০ হাজার টাকা অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেন। লন্ডনস্থ বাংলা মিরর পত্রিকার প্রধান সম্পাদক এম এ আজীজ বলেন, যুক্তরাজ্যে আমরা ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি সমাজসেবা করে আসছি। মাটির টানে প্রতিবছরই দেশে ফিরে আসি এবং দেশের মানুষের সেবায় কাজ করার চেষ্টা করি। কোম্পানীগঞ্জ থানায় আমার ছেলের নামে একটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেছি। তিনি বলেন, ক্যাম্পাস’র কার্যক্রম সম্পর্কে ইত:পূর্বেই আমি অবগত হয়েছি। পত্রিকা প্রকাশনার পাশাপাশি মানবসম্পদ উন্নয়ন ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায়ও ক্যাম্পাস কাজ করে আসছে। ক্যাম্পাস’র কার্যক্রমের আমি উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।
দি ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক-এর প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. এম আর কবির বলেন, আমাদের দেশে এখনও কোয়ালিটি এডুকেশন নিশ্চিত হয়নি। আমাদেরকে কোয়ালিটি এডুকেশন ও কোয়ালিটি নেতৃত্ব সৃষ্টি করতে হবে, যাতে করে নতুন প্রজন্ম দেশকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে অনুপ্রাণিত হয়। সেই নেতৃত্ব নতুন প্রজন্মের মাঝে সৃষ্টির জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস কাজ করে আসছে। তিনি আশা করেন, ক্যাম্পাস’র এ আয়োজন সার্থক হবে। যুক্তরাজ্যস্থ গ্রেটার নোয়াখালী এসোসিয়েশন-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট সহীদ উল্লাহ খান বলেন, ক্যাম্পাস’র জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। আজকের এ আয়োজন তারই প্রতিফলন। তিনি ক্যাম্পাস’র এ উদ্যোগের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন। জনাব সহীদ বলেন, দেশের দুর্গত মানুষের সেবায় আমরা যুক্তরাজ্য প্রবাসীরা বরগুনা জেলায় ১৫৫টি ঘর, ১টি স্কুল ও ২টি মসজিদ নির্মাণ করে দিয়েছি।
কুষ্টিয়াস্থ জ্যোতি নারী ও শিশু উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী প্রধান সৈয়দা হাবিবা বলেন, মায়ের আদরে শিশুদের লালন-পালনের জন্য ‘স্নেহধারা’ নামে একটি শিশু পালন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছি। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস কার্যালয়ে এসে দেখি- আমার মতো এখানেও মানব সেবামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। আমি ক্যাম্পাস’র কার্যক্রমে অভিভূত, ক্যাম্পাস কার্যক্রমের অগ্রগতি কামনা করি। তিনি ক্যাম্পাস’র এরূপ অনন্য ও ব্যতিক্রমী কার্যক্রমে সরকার ও দেশী-বিদেশী সমাজ হিতৈষী ব্যক্তিদের পৃষ্ঠপোষকতায় এগিয়ে আসার আহবান জানান। যুক্তরাজ্যস্থ ইনস্পায়ার্ড’র পরিচালক মইনুল চৌধুরী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস-এর সমাজ সেবামূলক কাজ আমার ভাল লেগেছে। ক্যাম্পাস’র জাতি গঠনমূলক এসব কর্মসূচিতে সহযোগিতার চেষ্টা করবো। আলোচনা পর্বের পূর্বে মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করা হয় এবং আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে চা-চক্রের মধ্য দিয়ে শিক্ষানবিশ কর্মসূচি ২০০৮-এর সার্টিফিকেট ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।