বিশেষ খবর

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বছর আমরা স্মরণীয় করে রাখতে চাই -বাণিজ্যমন্ত্রী

ক্যাম্পাস ডেস্ক সংবাদ
img

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, স্বাধীনতার সময় ভারত বন্ধুর মতো পাশে ছিল, তাই স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে আমরা একটা উদাহরণ রাখতে চাই। বছরটা আমরা স্মরণীয় করে রাখতে চাই। সম্প্রতি সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর অফিস কক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য বিভাগের সচিব অনুপ ধাওয়ানের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ভারতের সচিব বলেছেন, তিনি অত্যন্ত পজিটিভ মুড নিয়েই বাংলাদেশে এসেছেন। আমরা স্বাধীনতার ৫০ বছর পালন করছি, সেটাকে মাথায় রেখে আমরা চাই আমাদের পুরোনো সমস্যাগুলো যেন সমাধান হয়। আমরা যেন সেই সমস্যাগুলো সমাধানে কাজ করতে পারি এবং নতুন চিন্তা-ভাবনাগুলো নিয়ে যেন কাজ করতে পারি। তিনি বলেন, কাস্টমসের যে সমস্যা রয়েছে সেদিকে দৃষ্টি দেয়া দরকার সেটা তারা বলেছে। বেনাপোল সীমান্তে কিছু সমস্যা রয়েছে, সেটাও তারা লিখেছে। আখাউড়া ও আগরতলায় যে বর্ডার রয়েছে সেগুলো যাতে আরও কার্যকর করা যায়, সেগুলো ঢাকা থেকে মাত্র দুই ঘণ্টার পথ। এর কমিউনিকেশন আরও সুবিধাজনক হলে আরও ভালো হবে, সেটার দিকে দৃষ্টি দেয়ার জন্য তারা বলেছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের বিষয়ে তারা কথা বলেছেন। কয়েকটি সেক্টরের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ফুড প্রসেসিং, মোটরযানসহ আরও দু’একটি সেক্টর যেগুলো তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সেখানে তারা ইনভেস্ট করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ভারতের সঙ্গে এখন আমাদের অনেকগুলো ট্রেড-ম্যাটেরিয়ালের সুবিধা রয়েছে। আজকে আমাদের সেসব বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, হয়তো ২০২৬ সালে আমাদের গ্রাজুয়েশন হয়ে যাবে, তারপরে হয়তো আরও তিন বছর আমরা জিএসপি প্লাস পেতে পারি। কিন্তু আমরা আরও চিন্তা করলে লম্বা সময়ের জন্য আমাদের প্ল্যান করা জরুরি।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এই সুবর্ণ জয়ন্তীর সময়টিতে তারাও চায় আমরাও চাই ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ভারত আমাদের স্বাধীনতার সময় বন্ধুর মতো পাশে ছিল, এই সময়টা আমরা একটা রেফারেন্স রাখতে চাই। যে আমরা এই বছরটিতে অনেক কিছু করতে পেরেছি। আজকেও আমি ইন্ডিয়ান হাইকমিশনারকে বলেছি- আপনি এমন একটি সময়ে আমাদের দেশে আছেন যে সময় আমরা স্বাধীনতার ৫০ বছর উদযাপন করছি। এখন আমরা বাণিজ্য চাই। আমাদের বিশেষ করে অর্থনৈতিক অঞ্চল সেখানেও আমরা তাদেরকে ডাকছি। বছরটা আমরা স্মরণীয় করে রাখতে চাই।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ