ইউরোপের উচ্চশিক্ষার একটি অবিছেদ্য শর্ত হলো আপনি আর্থিক সাবলম্বী কি না। আপনি আপনার পড়াশুনা চালিয়ে যেতে পারবেন কি না। ভিসা আবেদনের আগে আপনাকে একটা নির্দিষ্ট পরিমান টাকার ব্যাঙ্ক সলভেনসি সার্টিফিকেট ...
পছন্দের তালিকায় কোন কলেজ রাখবে এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীর জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ভালো কলেজে ভর্তির আসন পূর্ণ হয়ে যাবে নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী দিয়েই।...
উচ্চশিক্ষায় গবেষণাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করেছে রুয়েট।
-অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক উপাচার্য, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
-তারেক রহমান
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের মধ্য থেকে কিছু সংখ্যককে পুলিশে চাকরি দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে
-লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
এ ফোরামের মেম্বার হয়ে ছাত্র-যুবকরা বিভিন্ন বিষয়ে বাস্তব জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি কর্ম-অভিজ্ঞতালাভ করছে, পাচ্ছে পকেটমানি। সমাজে নিজেদের চৌকস-ও দক্ষ কর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পারছে। এদের জন্য রয়েছে ক্যাম্পাস’র বিভিন্ন কার্যক্রম, সেমিনার ও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সুযোগ।
বিশ্বে অপ্রতিদ্বন্দ্বীরূপে গড়ে ওঠা চীনের সাথে শিল্প-ব্যাবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুযোগলাভে চীনাভাষা শেখা অপরিহার্য -এ বিবেচনা থেকেই ক্যাম্পাস পরিচালনা করছে ফ্রি চায়নিজ ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স।
দেশীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি লালনে ক্যাম্পাস’র রয়েছে নিজস্ব কালচারাল টিম। এ টিমের সদস্যগণ বিভিন্ন সঙ্গীত, নৃত্য, আবৃত্তি, নাটক প্রভৃতির মাধ্যমে সমাজে বিরাজমান অন্যায়-অনাচার ও বৈষম্যের বিরূদ্ধে ক্যাম্পাস’র ন্যায়-নীতি ভিত্তিক দর্শন তুলে ধরে। এছাড়াও সুর ও সঙ্গীতের মূর্ছনায় জনমনের হতাশা ও নেতিবাচক চিন্তা-চেতনার পরিবর্তন ঘটাতে উদ্দীপনামূলক নিজস্ব Theme Song রয়েছে ক্যাম্পাস’র।
শিক্ষা-সংশ্লিষ্টদের মাঝে সুস্থ প্রতিযোগিতা সৃষ্টির মাধ্যমে বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে এ কর্মসূচি প্রবর্তন করেছে ক্যাম্পাস। এর আওতায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্য থেকে বছরে ৩টি সেরা বিশ্ববিদ্যালয়, শ্রেষ্ঠ একজন ভিসি/প্রো-ভিসি, শিক্ষা-উদ্যোক্তা, শিক্ষক বা ট্রেজারার/রেজিস্ট্রারকে পুরস্কৃত করার ব্যবস্থা রয়েছে। এ কর্মসূচির জন্য পৃথক ব্যাংক একাউন্ট রয়েছে।
নিরুদ্দেশ আড্ডায় কিংবা Unconstructive activityতে অবসর সময় না কাটিয়ে পাঠ্যাভ্যাসে মনোনিবেশ করতে ছাত্র-তরুণদেরকে উদ্বুদ্ধ করছে ক্যাম্পাস’র লাইব্রেরি আন্দোলন। শাশ্বত বাংলা ও বাঙালি জাতির ইতিহাস-ঐতিহ্য-সম্ভাবনার ওপর রচিত বিভিন্ন পুস্তক, জার্নাল, পত্রিকা, গবেষণাপত্র প্রভৃতির সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠিত ক্যাম্পাস লাইব্রেরি, যা ৬ হাজারের অধিক পুস্তক-পুস্তিকায় সমৃদ্ধ।
ক্যাম্পাস আইটি নির্মিত ওয়েব www.dailyneeds.com.bd, এটি বাংলাদেশের প্রথম ডাটাবেজ ওয়েব। শিক্ষা সংক্রান্ত ও দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োজনীয় সকল বিষয়ের তথ্য, সংবাদ ও ডাটাবেজ রয়েছে ওয়েবের এ বন্দরে।
নিরোগ, সুস্থ-সুখী-সমৃদ্ধ জীবনযাপনে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে সভা, সেমিনার, স্টিকার, ব্যানার, ফেস্টুন প্রচারণার মাধ্যমে ক্যাম্পাস দীর্ঘদিন থেকে কাজ করে আসছে। রাসায়নিক ঔষধের পরিবর্তে হারবাল ঔষধ ও পথ্য ব্যবহার এবং মাংসজাত খাদ্যের পরিবর্তে উদ্ভিদজাত খাদ্য গ্রহণের জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করছে ক্যাম্পাস।
ছাত্র-যুবকসহ সাধারণ মানুষকে ডিজিটাল বাংলাদেশের উপযুক্ত নাগরিকরূপে গড়ে তুলতে ক্যাম্পাস পরিচালনা করছে এ কর্মসূচি। এর মাধ্যমে কম্পিউটার ও তথ্য-প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা দেয়ার পাশাপাশি হার্ডওয়্যার-সফটওয়্যার-ট্রাবলশুটিং শেখানো হয় হাতে-কলমে।
সহজ ও বিজ্ঞানসম্মত প্রাকৃতিক চর্চা ও চিকিৎসার সুফল মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার প্রয়াস থেকে ক্যাম্পাস পরিচালনা করছে এ প্রোগ্রাম। এর আওতায় বিভিন্ন সেমিনার ও প্র্যাকটিসের আয়োজন করা হয়।
এটি সহজ চিকিৎসা পদ্ধতি; যার মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ও নিরাময় ক্ষমতা বৃদ্ধি সম্ভব। প্রাকৃতিক এই সেবা সাধারণকে সহজে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে ক্যাম্পাস পরিচালনা করছে এ প্রোগ্রাম।
তথ্য-প্রযুক্তির জ্ঞানের পাশাপাশি ছাত্র-যুবকদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা দিতে ক্যাম্পাস’র ব্যতিক্রমী পরিচালনা ফ্রি ইয়োগা। সুস্থ দেহে সজীব মন নিয়ে ছাত্র-যুবকরা আগামীর বাংলাদেশ পুনর্গঠনে তৈরি হবে -সে চিন্তা থেকেই ক্যাম্পাস নিয়মিত আয়োজন করে চলেছে ফ্রি ইয়োগা কর্মসূচি।
এটি ক্যাম্পাস’র প্রকাশনা প্রকল্প। এর অধীনে ক্যাম্পাস’র জ্ঞানমেলা সিরিজে প্রকাশিত হয় সৃজনশীল ও ব্যতিক্রমী বই। এসব বই অধ্যয়ন, অনুশীলন ও চর্চার মাধ্যমে স্বশিক্ষিত, চিন্তাশীল, সুস্থ ও সমৃদ্ধ জীবন লাভ করতে পারে যে কেউই। ক্যাম্পাস’র জ্ঞানমেলা সিরিজে এ পর্যন্ত ১৩টি বই প্রকাশিত হয়েছে, যা পাঠক মহলের মন জয় করেছে।
মেধাবী ও অস্বচ্ছল শিক্ষার্থী এবং দুর্গত ও অসহায়দের সহায়তা করছে এ কর্মসূচি। ২০০৮ সালে ভয়াবহ সিডর আক্রান্তদের সহায়তাসহ বিভিন্ন ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে অত্যন্ত দ্রুততা, দক্ষতা ও স্বচ্ছতার পরিচয় দিয়েছে ক্যাম্পাস। অর্থসংশ্লিষ্ট এরূপ স্পর্শকাতর বিষয়ক কাজে সততা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে রয়েছে পৃথক ব্যাংক একাউন্ট।
এর আওতায় ক্যাম্পাস’র নিজস্ব অডিটোরিয়ামে নিয়মিত আয়োজিত হয় সময়োপযোগী ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠান। ক্যাম্পাস’র নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও সাহসী ভূমিকার কারণে এসব আয়োজনে দল-মত নির্বিশেষে সকলেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ ও খোলামেলা আলোচনা করেন। শিক্ষা উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে এখানে শিক্ষা বিষয়ক সেমিনার ও আলোচনা সভা সবসময়ই প্রাধান্য পায়।
সর্বস্তরে মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা ৩৪ বছর ধরে নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে আসছে। শিক্ষাঙ্গনে বিশৃঙ্খলা ও অবক্ষয় রোধ, সন্ত্রাসমুক্ত-সুশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি, শিক্ষা-প্রশাসনের দুর্বলতা চিহ্নিত করা এবং তার সমাধানে দিক-নির্দেশনা এ পত্রিকার অন্যতম কাজ। পরীক্ষায় নকল, শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস, দুর্নীতি, ধূমপানের বিরুদ্ধে জনমত গঠনে এ পত্রিকার সাহসী ও সংগ্রামী ভূমিকা সর্বজন প্রশংসিত।
২০২০ সালের মধ্যে অর্থনৈতিক স্বয়ম্ভর ও সুখী-সমৃদ্ধ জাতি গঠনে ক্যাম্পাস নিরন্তর জ্ঞান অনুসন্ধান ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সাম্প্রতিক গবেষণা কর্মের উল্লেখযোগ্য দু’টি হচ্ছে- ১। বাংলাদেশের সকল সমস্যার স্থায়ী সমাধানঃ ইউনিয়নভিত্তিক উন্নয়নের অত্যাধুনিক মডেল; ২। দুর্বিষহ যানজট, অর্থ-শ্রম ও সময়ের অপচয়, মৌলিক শিক্ষায় ত্রুটি, ড্রপ-আউট, শ্রেণিবৈষম্যসহ জাতীয় বহু সমস্যার একক সমাধানঃ এলাকাভিত্তিক স্কুলিং।
সমাজে ও জাতিতে পজিটিভ এটিচিউড জাগ্রত করার মাধ্যমে প্রোএকটিভ বাংলাদেশ গড়তে ক্যাম্পাস’র এ কর্মসূচি। এর আওতায় বিভিন্ন ওয়ার্কশপ ও সেমিনার আয়োজন করা হয়, যেমন- রাগ নিয়ন্ত্রণের কৌশল, সফল ও জনপ্রিয় হওয়ার কৌশল, পজিটিভ চিন্তা করার কৌশল, নিজেকে জানো, সম্পর্ক উন্নয়নের কৌশল, সুখী দাম্পত্য জীবন ইত্যাদি।
সমাজের সৎ ব্যক্তিদের যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বীকৃতি প্রদান করলে যেমন সামাজিক দায়বদ্ধতা পালন হয়, তেমনি এর মাধ্যমে অন্যদের সৎ হতে উদ্বুদ্ধ করা হয়। তাই ক্যাম্পাস এ কর্মসূচি পরিচালনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে সৎ ব্যক্তিদের পুরস্কৃত করা, সৎকর্মে সবাইকে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করা, সেমিনার ও পথসভা আয়োজন, স্টিকার-স্যুভেনির-লিফলেট-ডেস্কস্লিপ- ক্যালেন্ডার প্রকাশ ও প্রচারসহ বিভিন্ন কর্মসূচি।
অত্যাধুনিক ও ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ক্যাম্পাস’র এ কর্মসূচি। এর আওতায় ছাত্র-যুবকদেরকে জীবনমুুখী ও কর্মমুখী নানা বিষয়ে নিবিড় প্রশিক্ষণ ও নিত্য-নতুন চিন্তা-চেতনায় সমৃদ্ধ করে তাদেরকে গড়ে তোলা হয় ডিজিটাল স্টাররূপে। সফল ও চৌকস ডিজিটাল স্টারদেরকে এওয়ার্ড হিসেবে দেয়া হয় পারসোনাল কম্পিউটার ও ল্যাপটপ।
আন্তর্জাতিক ভাষা ইংরেজিতে পারদর্শিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে স্মার্ট এন্ড গ্লোবাল ইয়থ জেনারেশন গড়ে তুলতে ক্যাম্পাস এরূপ কোর্স পরিচালনা করছে। ইংরেজি শিক্ষার পাশাপাশি যেকোনো বিষয়ের বোধগম্যতা ও দ্রুত উত্তর দানের ক্ষমতা বৃদ্ধি তথা কমিউনিকেশন স্কিল বাড়ানো এবং জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষে মানুষে ভেদাভেদ দূরীকরণের মাধ্যমে মানবিক গুণাবলী ও স্মার্টনেস বৃদ্ধির বিভিন্ন কলাকৌশলও হাতে কলমে শেখানো হয় এ কোর্সে।
কম্পিউটার থেকে যেভাবে খারাপ প্রোগ্রাম ডিলিট এবং ভালো প্রোগ্রাম ইনসার্ট করা যায় ঠিক সেভাবে মানুষের মস্তিষ্ক থেকেও খারাপ চিন্তা ডিএক্ট এবং সুচিন্তা ইনসার্ট করা যায়। উন্নততর মানুষ হিসেবে গড়ে উঠার এরূপ কৌশল শেখানোর পাশাপাশি ছাত্র-যুবকদেরকে তথ্য-প্রযুক্তির জ্ঞানে সমৃদ্ধ করতে ক্যাম্পাস ২০০৪ সাল থেকে পরিচালনা করছে এ কর্মসূচি এবং তা বিনামূল্যে। এ পর্যন্ত ১৩৫টি ব্যাচে প্রায় ৫ হাজার ছাত্র-যুবক ক্যাম্পাস থেকে কম্পিউটার ও আইটি বিষয়ে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ নিয়েছে।
নেতিবাচক চিন্তা পরিহারের মাধ্যমে হতাশামুক্ত, উচ্ছল-উজ্জ্বল, কর্মঠ জাতি গড়ে তুলতে ক্যাম্পাস পরিচালনা করছে ফ্রি মেডিটেশন তথা ধ্যান কর্মসূচি। এ বিষয়ে নিয়মিত সেশন আয়োজনের পাশাপাশি সহজে মেডিটেশন শেখার সুবিধার্থে ২ দিনের কোর্সও বিনামূল্যে পরিচালনা করা হয়। গাড়িতে-বাড়িতে, যখন-তখন ধ্যানচর্চার সুবিধার্থে রয়েছে ক্যাম্পাস’র নিজস্ব গবেষণায় প্রকাশিত ধ্যানের সিডি।
এর মাধ্যমে ছাত্র-যুবকদের মধ্যে দেশপ্রেম, কর্মদক্ষতা ও মানবিক গুণাবলী বৃদ্ধি করে সাহসী ও বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্ত্বের রাষ্ট্রনায়কোচিত নেতৃত্ব গড়ে তুলছে ক্যাম্পাস। এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ছাত্র-যুবকরা জ্ঞানার্জনের অবসরে অর্থ উপার্জন এবং কর্মজীবনের ব্যবহারিক জ্ঞানলাভ করে; তন্মধ্যে অফিস-আচরণ, নিয়মানুবর্তিতা ও ন্যায়নিষ্ঠা, নেতৃত্বের গুণাবলী, দলভিত্তিক কার্যক্রম (Sharing & Caring; Adjustment & Matching capacity, Accept ability), সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন-পর্যবেক্ষণ ও কাজের রিপোর্টিং সম্পর্কিত জ্ঞান অন্যতম।
সমাজের সর্বক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, সুশাসন ও সুবিচার প্রতিষ্ঠায় ক্যাম্পাস পরিচালনা করছে এ কর্মসূচি। এর আওতায় জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ইস্যু যেমন ঘুষ-দুর্নীতি প্রতিরোধ, পরিবেশ-প্রতিবেশ সুরক্ষা, প্রকৃতি ও মনুষ্য সৃষ্ট দুর্গতি মোকাবেলা, নাগরিক অধিকার ও দায়িত্বশীলতা, ভেজাল ও বিষমিশ্রিত খাদ্যে জাতীয় স্বাস্থ্যহানী ইত্যাকার জনগুরুত্বপূর্ণ বার্তা সংবলিত স্টিকার, লিফলেট, ক্যালেন্ডার প্রকাশ ও প্রচার করা হয় সচিবালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, কোর্ট-কাচারী থেকে শুরু করে দেশের সর্বত্র।