বিশেষ খবর



Upcoming Event

দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা সবার দায়িত্ব -প্রধানমন্ত্রী

ক্যাম্পাস ডেস্ক সংবাদ

দেশের বিমানগুলো সুরক্ষিত রাখার পাশাপাশি যাত্রীসেবার মানোন্নয়নের তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্প্রতি দেশের বিমানবহরে নতুন যোগ হওয়া ড্যাশ ৮-কিউ৪০০ মডেলের দুটি উড়োজাহাজ আকাশতরী ও শ্বেতবলাকার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের মোট এখন ২১টি উড়োজাহাজ আছে। এগুলো যেন সুরক্ষিত থাকে এবং যাত্রীসেবায় বিশেষ নজর দেওয়ার জন্য আমি সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সঙ্গে যাঁরা জড়িত সকলকে আমি অনুরোধ করব -এটা আমাদের দেশ, লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে এ দেশ আমরা স্বাধীন করেছি। তাই এ দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা সকলেরই দায়িত্ব ও কর্তব্য।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশটা যত উন্নত হবে বা অর্থনৈতিকভাবে আমরা যত বেশি স্বাবলম্বী হতে পারব, যাত্রীসেবা যত বেশি উন্নত করতে পারব, তাতে দেশের লাভ হবে, দেশের মানুষের লাভ হবে এবং আমাদের দেশটাও তত বেশি সামনে এগিয়ে যাবে। কাজেই সেদিকে লক্ষ্য রেখে আপনাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব আপনারা পালন করবেন -সেটাই আমি চাই।

প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত মূল অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন। আমাদের নতুন বিমানগুলোয় ওয়াইফাই প্রযুক্তি সংযোজন করা রয়েছে উল্লে­খ করে তিনি বলেন, বিমানে যাঁরা যাতায়াত করেন, তাঁদের বেকার বসে থাকা লাগবে না, সেখানে বসেই ব্যবসা-বাণিজ্যের কাজটাও চালাতে পারবেন, সে সুযোগ আমরা তৈরি করে দিয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস যখন সারা বিশ্বে ঘোরে, বিদেশে যখন যায়, তখন বাংলাদেশেরই প্রতিনিধিত্ব করে। সেজন্য সব সময় আমাদের প্রচেষ্টা ছিল যে এই বিমান যেন ভালোভাবে, সুন্দরভাবে আমরা গড়তে পারি।

বিমানের সক্ষমতা বাড়ানোর কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, হজযাত্রীরা যখন যান, আগে বাইরে থেকে প্লেন নিয়ে আসতে হতো। এখন আমরা আমাদের নিজস্ব প্লে­নেই হাজিদের খুব ভালোভাবে পাঠাতে পারি এবং ফেরত আনতে পারি। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্মাণাধীন অত্যাধুনিক টার্মিনালের কথা উল্লে­খ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হযরত শাহজালালে অত্যন্ত আধুনিক টার্মিনাল আমরা নির্মাণ করে দিচ্ছি। যাতে প্লে­নসেবাটা আরো উন্নতমানের হয়।

আকাশপথে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল সব বিমানবন্দর যেমন চালু করা হয়েছে, পাশাপাশি কক্সবাজার বিমানবন্দরকে উন্নত ও আন্তর্জাতিকমানের বিমানবন্দর হিসেবে গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ