বিশেষ খবর

বার বার ব্যর্থ হচ্ছেন কেন?

ক্যাম্পাস ডেস্ক আত্মোন্নয়ন
img

নানা কারণে মানুষ কোনো কাজে বা উদ্যেগে ব্যর্থ হতে পারে। তবে অনেকেই হয়তো জানেন না যে তাদের কয়েকটি বদভ্যাস-ই ব্যর্থতার জন্য দায়ী। এসব বদভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসতে পারলেই কারো পক্ষে সফল হওয়া সম্ভব। নিচে বিশেষজ্ঞদের মতে ব্যর্থতার তেমনই কয়েকটি বদভ্যাস নিয়ে আলোচনা করা হলো : পরিকল্পনা প্রণয়নে ব্যর্থতা : জীবনের যেকোনো লক্ষ্য হাসিলে পরিকল্পনা থাকা চাই। পরিকল্পনা তৈরি করতে পরিস্থিতি মনের মতো হতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। কারণ, প্রকৃতি নাকি নিখুঁত পরিকল্পনাকারীদের পছন্দ করে না। তাই গন্তব্যে পৌঁছতে মনের জোর থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ। তবে পরিকল্পনার লক্ষ্য-উদ্দেশ্যটা মোটামুটি পরিষ্কার থাকতে হবে। নইলে ব্যর্থতা নিশ্চিত। চেষ্টা করতে গিয়ে ভীত : সফলতার পথে একটু হলেও এগিয়ে যাবেন যদি অন্তত এক পা আগে বাড়ান। যদি ব্যর্থ হই—এই ভয়ে আমরা অনেকেই পা বাড়ানোর সাহস পাই না। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্ভাবনা নিশ্চিত না হয়েও অনেক সময় চেষ্টা করে দেখতে হয়। কারণ, জীবনে অনেক কিছুই আছে, চেষ্টার আগে যার সম্ভাবনা চোখে পড়ে না। দ্রুত গা ছাড়া ভাব : অধ্যবসায় কিভাবে স্বপ্ন পূরণ করে, এর নজির চারপাশে বহু আছে। কিন্তু অনেকেই আত্মবিশ্বাসের অভাবে একটা কাজের শুরুতেই হাল ছেড়ে দেন। এ কারণে তাঁরা সহজেই ছিটকেও পড়েন। লক্ষ্যে পৌঁছতে ছোটখাটো ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা হতেই পারে। কিন্তু এর ভিত্তিতে চূড়ান্ত ব্যর্থতা মেনে নেওয়া দুর্বল মনের পরিচায়ক। অাত্মবিশ্বাসের অভাব : যা করছেন তার জন্য নিজের ওপর বিশ্বাস না থাকলে সেখানেই ক্ষান্ত দিন। যে কাজে ঘাম ঝরাচ্ছেন, তা অর্জন করতে পারবেন বলে প্রত্যয় না থাকলে ব্যর্থতা সামাল দেওয়া অসম্ভব। অবচেতন মনে এক ধরনের বিশ্বাস কাজ করে, যা প্রাণশক্তি জোগায়। আর এই অনুভূতির আলোতেই সফলতার পথ খুঁজে পায় সবাই। অজুহাত দেখানো : এটা একটা বাজে অভ্যাস। ব্যর্থতা মেনে নিতে হয়। কারণ এ থেকে বাস্তবিক শিক্ষা পায় মানুষ। যার মধ্যে ব্যর্থতা মেনে নেওয়ার মানসিকতা নেই, সে সফলতা আশা করতে পারে না। অজুহাত দেখানোর অর্থ আপনি বলতে চাইছেন, আপনি আসলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিলেন। অপারগতা স্বীকার প্রতিশ্রুতিশীল মানুষের লক্ষণ।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ