বিশেষ খবর

যুগোপযোগী ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি ও আমদানি-রপ্তানিতে ভারসাম্যের মাধ্যমে দিন বদলের সনদ বাস্তবায়নে দুর্নিবার অগ্রযাত্রায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

ক্যাম্পাস ডেস্ক প্রচ্ছদ প্রতিবেদন
img

এক সময়ের দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র্যপীড়িত বাংলাদেশ আজ বিস্ময়ের বিস্ময়, বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো এক নতুন শক্তির নাম। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা ধীরে ধীরে যেন অনির্বাণ শিখার মতো জাগ্রত রূপ নিচ্ছে আজ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুনির্দিষ্ট নির্দেশনায়, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় উন্নয়নের সুপার হাইওয়েতে দ্রুত গতিতে এগুচ্ছে দেশ। বর্তমান সরকার কর্তৃক ঘোষিত রূপকল্প অনুযায়ী বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীতকরণ, ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে সরকারের মন্ত্রণালয়গুলো গুরুদায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ ও অগ্রগতির দিকে বিবেচনা করলে যে মন্ত্রণালয়কে প্রথম সারির দিকে রাখতে হয়, সেটি হচ্ছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন দপ্তর/সংস্থাসমূহ প্রয়োজনীয় আইন, বিধি, নীতি প্রণয়নসহ উন্নয়নমূলক প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখা, ভেজালমুক্ত খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করা, দেশে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা, অপ্রচলিত পণ্যসমূহকে রপ্তানি পণ্যের তালিকাভুক্ত করে তা রপ্তানিযোগ্য পণ্যে পরিণত করা, বর্হির্বিশ্বে নতুন নতুন দেশে বাণিজ্য সম্প্রসারণ করা, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের অংশ হিসেবে ই-কমার্সকে জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে তরুণ উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা এবং রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে সার্বিক সহায়তা প্রদান বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। এ সকল কর্মকা- দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ, বাজার সম্প্রসারণ, তীব্র প্রতিযোগিতাপূর্ণ বিশ্ব বাণিজ্যের সমান্তরাল রপ্তানি নীতি প্রণয়ন, রপ্তানি নীতিতে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, রপ্তানিকারক ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি এবং প্রতিযোগিতার মাধ্যমে রপ্তানি বাণিজ্যকে অধিকতর গতিশীল করায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা প্রশংসনীয়। কোভিড-১৯ এর কারণে প্রথম দিকে রপ্তানি বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়লেও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে জুলাই ২০২০ থেকে রপ্তানি আয় বৃদ্ধি পেয়েছে, যা এই দুর্যোগময় পরিস্থিতিতেও সচল রেখেছে দেশের অর্থনীতির চাকা।

সাফল্যের এ ধারাবাহিকতা রক্ষা করে প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত, বৈষম্যহীন ও জ্ঞানভিত্তিক সোনার বাংলা গড়াই মুজিববর্ষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অঙ্গীকার। আসুন জেনে নিই, দেশের অর্থনীতি সচল রাখার অন্যতম প্রধান হাতিয়ার, সরকারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কে।

ইতিহাস
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর মন্ত্রণালয়। স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যাত্রা শুরু হয়। ১৯৮১ খ্রিস্টাব্দে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে বাণিজ্য বিভাগ ও বৈদেশিক বাণিজ্য বিভাগ নামে দু’টি বিভাগে বিভক্ত করা হয়। ১৯৮২ খ্রিস্টাব্দে শিল্পের সাথে একীভূত হয়ে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। সেসময় বাণিজ্য বিভাগ, শিল্প বিভাগ এবং পাট বিভাগকে এ মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত করা হয়। ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হিসেবে পুনঃকার্যক্রম শুরু করে। উল্লেখ্য যে, ১৯৫৬-৫৭ খ্রিস্টাব্দে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সাথে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

কার্যাবলি
সরকারি কার্যপ্রণালী বিধিতে বাণিজ্য এবং বাণিজ্যর সাথে সম্পর্কিত ৩১ ধরণের কাজকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত করা হয়েছে। এ কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো- অভ্যন্তরীণ ব্যবসা-বাণিজ্য চলমান রাখা এবং সম্প্রসারণে সহায়তা, আমদানি বাণিজ্যকে নিয়ন্ত্রণ করা, দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও সহনীয় পর্যায়ে রাখা, পণ্য ও সেবা রপ্তানির বাজার সম্প্রসারণ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সাথে যোগাযোগ ও রপ্তানির স্বার্থে দরকষাকষি করা, ব্যবসা সংক্রান্ত দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক চুক্তি সম্পাদন, পণ্যের ট্যারিফ নির্ধারণ, বাণিজ্য সংক্রান্ত গবেষণা কার্যক্রম, তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণ, বিসিএস (ট্রেড) ক্যাডার কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওপর অর্পিত এ সকল কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বেশ কয়েকটি অধীনস্থ দপ্তর/সংস্থা রয়েছে। এগুলো হচ্ছে-
-রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো
-বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন
-আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তর
-জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর
-যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্ম সমূহের নিবন্ধকের পরিদপ্তর
-বাংলাদেশ চা বোর্ড
-ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ
-বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন
-বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল
-কম্পিটিশন কমিশন
-বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট
-দি ইনস্টিটিউট অব কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট এ্যাকাউন্টস অব বাংলাদেশ
-দি ইনস্টিটিউট অব চার্টাড এ্যাকাউন্টস অব বাংলাদেশ


রূপকল্প
বিশ্ব বাণিজ্যে উল্লেখযোগ্য প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান সৃষ্টি ।

অভিলক্ষ্য
ব্যবসা বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, বাণিজ্য পদ্ধতির সহজীকরণ, রপ্তানি বৃদ্ধিতে সহায়তা প্রদান, রপ্তানি পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণ, বৈদেশিক বাণিজ্যে সক্ষমতা বৃদ্ধি, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নে ভূমিকা রাখা।

করোনা মহামারীর প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষাপটে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ ও কার্যক্রমসমূহ
১। ২০২০ সালের শুরুতে বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লে ইউরোপ ও আমেরিকার ক্রেতারা বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের ক্রয়াদেশ স্থগিতসহ বাতিল করা শুরু করে। পরবর্তীতে মার্চ ২০২০ থেকে বাংলাদেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণ দেখা দিলে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। এ পরিস্থিতিতে তৈরি পোশাকের রপ্তানি অনেকাংশে হ্রাস পায়। সরকার এ পরিস্থিতি উত্তরণে তৈরি পোশাকের বড় রপ্তানি বাজার ইউএস এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে পণ্য সরবরাহে বিদ্যমান বিশেষ সুবিধা অব্যাহত রাখা, চলমান কোভিড-১৯ মহামারীর সংকটকালে শিল্পখাতের সুরক্ষা এবং বিপুল শ্রমিকদের জীবনমান অক্ষুন্ন রাখার বিষয়ে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার জন্য মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের ট্রেড কমিশনারকে ব্যক্তিগত অনুরোধ জানিয়ে মাননীয় বাণিজ্যমন্ত্রী কর্তৃক পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। চলমান কোভিড-১৯ মহামারীর প্রেক্ষাপটে বিদেশের বাজারে তৈরি পোশাক খাতের বাজার ধরে রাখা এবং উদ্ভূত যে কোনো সমস্যা নিরসনের জন্য বাণিজ্য সচিবের নেতৃত্বে একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। টাস্কফোর্স পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছে এবং প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা নির্ধারণ ও বাস্তবায়নে কাজ করছে। বিভিন্ন দেশে কর্মরত কমার্শিয়াল উইং নিয়মিতভাবে বিদেশি ক্রেতা, ক্রেতাসংগঠন ও সে দেশের সংশ্লিষ্ট সরকারি অফিসের সাথে যোগাযোগ/নেগোশিয়েসনের মাধ্যমে রপ্তানি অক্ষুন্ন এবং প্রসারে কাজ করছে। তাছাড়া, এ খাতের চলতি মূলধনের সরবরাহ অব্যাহত রাখা এবং শ্রমিক/কর্মচারিদের বেতন-ভাতাদি পরিশোধে স্বল্পসুদে ঋণ প্রদান করা হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ১২.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অধিক বা লক্ষাধিক কোটি টাকার প্রণোদনায় তৈরি পোশাক শিল্পের বেতন পরিশোধের সুবিধার্থে কারখানা মালিকদেরকে স্বল্পসুদে ঋণ প্রদান করা হয়েছে, যা দিয়ে তারা চার মাসের বেতন পরিশোধ করতে পারবে;
২। কোভিড-১৯ এর প্রেক্ষিতে রপ্তানি সমস্যা নিরসন ও রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের নিমিত্তে বাণিজ্য সচিব এর সভাপতিত্বে গঠিত টাস্কফোর্স প্রতি সপ্তাহে সভা আয়োজন করে থাকে। বাণিজ্যমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে বাণিজ্য সচিবের নেতৃত্বে কোভিড-১৯ এর প্রেক্ষিতে রপ্তানি সমস্যা নিরসন ও রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে গঠিত টাস্কফোর্স কমিটির সভা প্রতি সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ সভাতে রপ্তানি বৃদ্ধি, রপ্তানি বাজার প্রসার ও অন্যান্য উদ্ভূত সংকট মোকাবেলার নিমিত্ত যথাযথ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়ে থাকে। ইতোমধ্যে এই কমিটির পর্যবেক্ষণের আলোকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে বিশ্বব্যাপী চাহিদা সংকোচনের ফলে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্রিল, মে ও জুন মাসের রপ্তানি আয় যথাক্রমে ৪.২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, ৩.৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, ৩.৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, ০.৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, ১.৪৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২.৭১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্জিত হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ৩১ দফা নির্দেশনার ২৯ নং নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনে কল-কারখানা চালু রাখার বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ফলশ্রুতিতে কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে রপ্তানি আয়ের প্রবণতা নিম্নমুখী থাকলেও সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের ফলে রপ্তানি আয়ের প্রবণতা ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করেছে। অর্থাৎ কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে সামগ্রিকভাবে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ব্যাহত হলেও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিকল্প রপ্তানি পণ্য প্রসারে উৎসাহ প্রদানসহ সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের কারণে রপ্তানি আয় বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে রপ্তানি আয় এসে দাঁড়ায় ৩৩.৬৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। এ প্রেক্ষাপটে ১৬ জুলাই ২০২০ তারিখে ২০২০-২০২১ অর্থবছরের রপ্তানি লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (পণ্য খাতে ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং সেবা খাতে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার);
৩। কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে বিশ্বব্যাপী Medical Equipment and Personal Protective Equipment (MPPE) এর চাহিদা তৈরি হওয়ায় এর উৎপাদন ও রপ্তানির বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা করেছে এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে সার্বিক সহায়তা প্রদান করছে। এর ফলে গচচঊ রপ্তানি বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে;
৪। কোভিড-১৯ এর বাস্তবতায় রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণ এবং প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রপ্তানি প্রণোদনার অন্তর্ভুক্ত রপ্তানি পণ্য বা খাতে বিদ্যমান প্রণোদনার হার যৌক্তিকরণ ও সহজীকরণসহ নতুন নতুন সম্ভাবনাময় খাত-কে রপ্তানি প্রণোদনাসহ নীতি সুবিধার আওতায় আনয়নের উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। সার্জিক্যাল ও মেডিকেল সামগ্রী, হালাল ফ্যাশান, কোভিড ভাইরাস প্রোটেকটিভ ক্লোদস প্রভৃতি রপ্তানির বিষয়ে কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে;
৫। করোনা ভাইরাসজনিত পরিবর্তিত বিশ্ববাণিজ্য পরিস্থিতিতে নতুন চাহিদার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনাময় রপ্তানি পণ্য/সেবা চিহ্নিতকরণ ও তদানুযায়ী বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের জন্য সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন দূতাবাসে কর্মরত কমার্শিয়াল কাউন্সিলর/প্রথম সচিবগণ কাজ করে যাচ্ছেন এবং ক্রেতা প্রতিষ্ঠান/বায়ার এর সাথে আলোচনা করে ক্রেতা কর্তৃক রপ্তানি আদেশ যাতে বাতিল না হয়, সেজন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করছেন। এছাড়া বাংলাদেশের উদ্যোক্তা/রপ্তানিকারকগণ যাতে ক্রেতা দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান/বায়ার-এর সাথে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনপূর্বক নতুন নতুন পণ্য/সেবা রপ্তানির আদেশ বৃদ্ধির জন্য আশু কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন, সে বিষয়ে সকল ট্রেড অর্গানাইজেশনকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। কোভিড-১৯ তথা করোনা মহামারীর সময় সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটিকালীন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবের নেতৃত্বে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর/অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি করোনা মোকাবেলা সংক্রান্ত টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কমিটি প্রতি সপ্তাহে সভা অনুষ্ঠানপূর্বক পেঁয়াজসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার দর জনসাধারণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার নিমিত্তে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উৎপাদন, স্টক, বিপণনসহ আমদানি-রপ্তানিসহ যাবতীয় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করা হয়। তাছাড়া, সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পেঁয়াজসহ ৭টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের একটি বাৎসরিক ক্যালেন্ডার প্রণয়নের কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। ক্যালেন্ডারটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে এক নজরে যেকোন পণ্যের অভ্যন্তরীণ চাহিদা, উৎপাদনের সময়কাল, বিভিন্ন সময়ের স্টক, আমদানির তথ্যসহ যাবতীয় তথ্য উঠে আসে। ফলে সংশ্লিষ্ট পণ্যটির বিষয়ে সরকার আগাম সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
৬। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্যদের সহযোগিতায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসহ অন্যান্য পণ্য সমুদ্র ও স্থল বন্দরে দ্রুত শুল্কায়ন ও খালাস, অভ্যন্তরীণ নৌ ও সড়ক পথে পণ্যের অবাধ পরিবহন নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে;
৭। করোনাকালে সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার লক্ষ্যে টিসিবি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের মার্চ ২০২০ থেকে জুন ২০২০ পর্যন্ত টিসিবি কর্তৃক ২,৮৩৪ জন ডিলারের মাধ্যমে ২৬,১৬২ টি ভ্রাম্যমাণ ট্রাকসেলের মাধ্যমে ৩ কোটি ৭৫ লক্ষ ৭০ হাজার লোকের কাছে ন্যায্য মূল্যে প্রায় ১,২১,০০০ মেট্রিক টন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যাদি, যেমন- তেল, ডাল, চিনি, পেঁয়াজ, ছোলা ও খেজুর বিক্রয় করা হয়; যা গত অর্থবছরের তুলনায় পণ্যভেদে ১০-২০ গুণ বেশি। সারাদেশব্যাপী টিসিবি’র ট্রাক সেল মনিটরিং করার নিমিত্তে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। উক্ত টিম টিসিবি’র ট্রাক সেল কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং করেছে;
৮। দেশের অভ্যন্তরে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সমগ্রী উৎপাদনকারী বড় বড় গ্রুপ অব কোম্পানি যেন তাদের উৎপাদন, বিপণন ও সরবরাহ ব্যবস্থা সঠিক রাখতে পারে, সেজন্য বিভিন্ন সরকারি দপ্তরসহ আমদানিকারক ও সকল স্তরের ব্যবসায়ীদের সাথে নিবিড় যোগাযোগ অব্যাহত রাখা হয়েছে;
৯। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য, শিশুখাদ্য, ঔষধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম যাতে সহজে আমদানি করা যায়, সেলক্ষ্যে আমদানিকারকদের বিভিন্ন নীতি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে এবং হচ্ছে;
১০। আমদানিকারকগণের পুঁজি সংকটের কারণে যাতে আমদানি বিঘিœত না হয়, সেলক্ষ্যে আর্থিক প্রণোদনা ও ঋণ সহায়তা প্রদানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে;
১১। নিত্য প্রয়োজনীয় জরুরি আমদানিকৃত পণ্য দ্রুত খালাসের লক্ষ্যে নৌবন্দর, স্থল বন্দরসহ শুল্কায়ন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে;
১২। প্রতিদিন ঢাকা মহানগরসহ দেশব্যাপী বাজার মনিটরিং টিমের মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং তা চলমান রয়েছে;
১৩। ঢাকা মহানগরীতে ১৫০টিসহ সারাদেশে টিসিবির ৫৫০ টি ট্রাক সেলের মাধ্যমে তেল, চিনি, মশুর ডাল, ছোলা, খেজুর ও পেঁয়াজ সর্বসাধারণের মাঝে ন্যায্য মূল্যে বিক্রয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, যা পণ্যভেদে গত বছরগুলোর তুলনায় ১৫-২০ গুণ বেশি;
১৪। কোভিড-১৯ মোকাবেলায় বাংলাদেশ-কে প্রথম স্বীকৃতি দানকারী দেশ ভুটানের ৩০ হাজার প্রবীণ নাগরিকের জন্য বাংলাদেশ হতে জরুরি ঔষধ প্রেরণ এবং মালয়েশিয়ায় হাইড্রোক্সোক্লোরোকুইনাইন ট্যাবলেট রপ্তানির বিষয়ে ইতিবাচক মতামত প্রেরণ করা হয়েছে;
১৫। বাংলাদেশ হতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে খাদ্যশস্য, গো-মাংস, ফলমূল ও শাক-সবজি রপ্তানির বিষয়ে এবং বাংলাদেশ হতে চাল, গম, এডিবল অয়েল, ব্রেড ও চিনি রপ্তানির বিষয়ে কাতারের আগ্রহ সৃষ্টির বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে এবং বাংলাদেশ হতে সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কাতারে বর্ণিত পণ্যসমূহ রপ্তানি করা হয়েছে;
১৬। করোনা ভাইরাসজনিত পরিস্থিতিতে বিশ্বের অনেক দেশই চলাচল ও পরিবহন সীমিতকরণের লক্ষ্যে নানারকম কর্মসূচি (যেমন- লক-ডাউন) বাস্তবায়ন করছে, যা পণ্যের অবাধ পরিবহনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। এ অবস্থায় সরবরাহকারী কোনো দেশ কোনোরূপ নিষেধাজ্ঞা বা অন্য কোনো প্রতিবন্ধকতা আরোপ করছে/করতে যাচ্ছে কী-না তা তথ্য ও উপাত্তের নিরিখে বিশ্লে­ষণপূর্বক বিভিন্ন দেশে কর্মরত কমার্শিয়াল কাউন্সিলর/প্রথম সচিবগণ নিয়মিতভাবে অবহিত করেছেন;
১৭। কোভিড-১৯ এর কারণে শুধুমাত্র বাংলাদেশেই নয়, সমগ্র বিশ্বেই আমদানি, রপ্তানি, উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রভাব পড়েছে। এ প্রেক্ষাপটে রপ্তানিমুখী শিল্পে নানাবিধ নীতি সুবিধাসহ নগদ আর্থিক প্রণোদনা অব্যাহত রয়েছে। কোভিড-১৯ এর বাস্তবতায় রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির নিমিত্ত রপ্তানি প্রণোদনার অন্তর্ভুক্ত রপ্তানি পণ্য ভর্তুকির খাতে বিদ্যমান প্রণোদনা সহজিকরণ ও যৌক্তিকীকরণসহ নতুন নতুন খাত-কে রপ্তানি প্রণোদনা প্যাকেজে অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কার্যক্রম গ্রহণ করছে;
১৮। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ‘বর্ষপণ্য-২০২০’ হিসেবে ঘোষিত ‘লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য (বাইসাইকেল, মটরসাইকেল, অটোমোবাইল, অটো-পার্টস, ইলেকট্রিক পণ্য, ইলেকট্রনিক্স, এ্যাকুমুলেটর ব্যাটারী, সোলার ফটোভলটিক মডিউল, খেলনা ইত্যাদি)’ পণ্যসমূহে প্রণোদনাসহ নানাবিধ নীতি সুবিধা প্রদানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কার্যক্রম গ্রহণ করছে;
১৯। ডিসপোজেবল ফেসমাক্স এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজারের রপ্তানি বন্ধকরণে জারিকৃত গণবিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করা হয়েছে। ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সীমিত সময়ের জন্য কাস্টমস স্টোরেজ এর প্রদেয় চার্জ সম্পূর্ণরূপে মওকুফ সংক্রান্তে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। সরকারি সোলারকেন্দ্রিক প্রকল্পসমূহে দেশীয় সোলার শিল্পের অগ্রাধিকারমূলক অংশগ্রহণ/যৌক্তিক কোটা বরাদ্দ সংক্রান্তে সংশ্লিø­ষ্ট মন্ত্রণালয়ে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। রপ্তানিতে সহায়তাকল্পে কাঁচামাল আমদানিতে ১০০% ব্যাংক গ্যারান্টির অনুকূলে শুল্ক ও বন্ড সুবিধা প্রদান বিষয়ে পর্যালোচনাপূর্বক বিশ্লে­ষণাত্মক প্রতিবেদনের জন্য বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশনে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে;
২০। দেশের ই-কমার্স কার্যক্রম সচল রাখার জন্য নিয়মিত তদারকি করা হয়েছে। জনগণের জীবন-জীবিকা স্বাভাবিক রাখাসহ গৃহে অবস্থানকারী জনসাধারণের কাছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি অন্যান্য পণ্যসামগ্রী ও ঔষধ সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানসমূহকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে; ২১। করোনা মহামারী মোকাবেলার জন্য আমদানি ও রপ্তানি সংক্রান্ত বিভিন্ন সরকারি প্রজ্ঞাপন সংশ্লিষ্টদেরকে অবহিত করার পাশাপাশি ডব্লি­উটিও-তে নোটিফাই করা হয়েছে;
২৩। খাদ্যসহ অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের আমদানি ও রপ্তানি যাতে বন্ধ না হয়, সেজন্য ডব্লি­উটিও’র এলডিসিভুক্ত দেশসমূহকে নিয়ে অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রকে অনুরোধ করা হয়েছে;
২৪। করোনা ভাইরাসের সম্ভাব্য প্রাদুর্ভাব বিবেচনায় নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদন, সরবরাহ, পরিবহন ও বিপণন কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে উদ্ভূত যেকোনো সমস্যা সমাধানের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে একটি সেল সার্বক্ষণিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে; এবং
২৫। ই-কমার্স ব্যবস্থা এবং ডেলিভারি কোম্পানিগুলো বৈশ্বিক এই করোনা মহামারীর (কোভিড-১৯) সময়ে অনলাইন অর্ডারের মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছে। এটিকে আরো সহজতর করতে বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে যাচ্ছে, যেখানে সকল ই-কমার্স বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীরা নিজেদের পণ্য রাখতে পারবে এবং সাধারণ ক্রেতারা সেই অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয় করতে পারবে। এ বিষয়ে তরুণ উদ্যোক্তাদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিসহ নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে। তাছাড়া, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করার লক্ষ্যে ‘জাতীয় ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা ২০১৮’ সংশোধন করা হয়েছে।

আইন ও বিধি
-কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টস প্রবিধানমালা, ২০১৯
-সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮
-বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা-এস, আর, ও নং-২৪৪ আইন/২০১৮
-ফরমালিন (আমদানি, উৎপাদন, পরিবহণ, মজুদ, বিক্রয় ও ব্যবহার) নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা, ২০১৫
-ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫
-মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং কার্যক্রম (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩
-ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯
-আমদানি রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫০

নীতিমালা ও আদেশ
-তৈরি পোশাক শিল্পে কর্মরত শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ প্রদান নীতিমালা, ২০১৯
-তৈরি পোশাক খাতে ব্যবসায় সম্প্রসারণ ও সহজীকরণ বিষয়ক নীতি নির্দেশনা-২০২০
- Registered Exporter System (REX) বাস্তবায়ন গাইডলাইন, ২০১৯
-তৈরি পোশাক খাতের সাবকন্ট্রাক্টিং গাইডলাইন-২০১৯
-বাংলাদেশ প্লাস্টিক এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পের সামাজিক ও পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স সহায়িকা
-চামড়া খাতের রপ্তানি রূপরেখা
-রপ্তানি নীতি-গেজেট ২০১৮-২০২১
-রপ্তানি নীতি ২০১৫-২০১৮
-স্বর্ণ নীতিমালা- ২০১৮
-রপ্তানি নীতি ২০১৮-২০২১
-বাংলাদেশের খাদ্য সংশ্লিষ্ট কৃষিজ পণ্যের অবস্থা এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের বিকাশ ঃ সমস্যা, সম্ভাবনা ও করণীয় শীর্ষক পথনক্সা-(কভার পেজ)
-বাংলাদেশের খাদ্য সংশ্লিষ্ট কৃষিজ পণ্যের অবস্থা এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের বিকাশ: সমস্যা, সম্ভাবনা ও করণীয় শীর্ষক পথনক্সা-(রোডম্যাপ)
-জাতীয় এপিআই ও ল্যাবরেটরি বিকারক উৎপাদন ও রপ্তানি নীতি
-আমদানি নীতি আদেশ ২০১৫-২০১৮ (বাংলা) এর সংশোধনী
-দেশের অভ্যন্তরে বাণিজ্য মেলা আয়োজন সম্পর্কীত বিধানাবলী।
-আমদানি নীতি আদেশ ২০১৫-২০১৮ (বাংলা) এর সংশোধনী
-আমদানি নীতি আদেশ ২০১৫-২০১৮ (ইংরেজী)
-আমদানি নীতি আদেশ ২০১৫-২০১৮ (বাংলা)
-রপ্তানি নীতিমালা ২০১৫-২০১৮ (ইংরেজী)
-রপ্তানি নীতিমালা ২০১৫-২০১৮ (বাংলা)
-জাতীয় রপ্তানি ট্রফি নীতিমালা, ২০১৩
-সিআইপি (রপ্তানি) নীতিমালা, ২০১৩
-আমদানি নীতি আদেশ ২০১২-২০১৫ (বাংলা)
-রপ্তানি নীতিমালা ২০১২-২০১৫ (ইংরেজী)
-রপ্তানি নীতিমালা ২০১২-২০১৫ (বাংলা)


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ