বিশেষ খবর

আইসল্যান্ডে উচ্চ শিক্ষা বিনা বেতনে পড়ার সু্যোগ

ক্যাম্পাস ডেস্ক বিদেশে উচ্চশিক্ষা
img

ভূ-গঠনগত দিক থেকে আইসল্যান্ড অপেক্ষাকৃত নবীন। বিগত ৬০ মিলিয়ন বছর ধরে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের অবশেষ থেকে দ্বীপটি উৎপত্তি লাভ করে। নির্গত জলীয় বাষ্পের কারণে সেখানে অবস্থিত আইসল্যান্ডের রাজধানীর নাম দেয়া হয়েছে রেইকিয়াভিক, অর্থাৎ "ধোঁয়াটে উপসাগর"। ভৌগলিকভাবে অত্যন্ত উত্তরে সুমেরুর কাছে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের উষ্ণ উপসাগরীয় সমুদ্রস্রোতের কারণে এখানকার জলবায়ু তুলনামূলকভাবে মৃদু। ফলে আইসল্যান্ড পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তরে অবস্থিত মানববসতিগুলির একটি। এটিকে তাই সুমেরু অঞ্চলীয় রাষ্ট্র হিসেবেও গণ্য করা হয় না। আইসল্যান্ডের রুক্ষ্ম পর্বতশ্রেণীগুলি হিমবাহে আবৃত। আইসল্যান্ডের সমুদ্র উপকূল প্রায় সারা বছর ধরে জাহাজ ভেড়ার জন্য উন্মুক্ত থাকে। কেবল শীতকালে মেরুদেশীয় অঞ্চল থেকে আগত ভাসমান বরফের কারণে দেশের উত্তর ও পূর্বের বন্দরগুলি বন্ধ রাখতে হয়।
প্রায় ১০০০ বছর আগে খ্রিস্টীয় ৯ম শতকে ভাইকিং অভিযানকারীরা আইসল্যান্ডে বসতি স্থাপন করে। আইসল্যান্ডবাসী তাদের ভাইকিং ঐতিহ্য নিয়ে গর্ব করে। অনেকেই একেবারে শুরুর দিকের বসতিস্থাপকদের সাথে পারিবারিক সম্পর্ক খুঁজে বের করতে পারে। এখানে বসবাসকারী জনগণ জাতিতে নর্স ও কেল্টীয়। শুরুর দিকে মূলত নরওয়েজীয় নাবিক ও অভিযানকারীরা এখানে বসবাস করত এবং এখান থেকে পরবর্তীতে গ্রিনল্যান্ড ও উত্তর আমেরিকাতে অভিযান চালাত (নরওয়েজীয়রা উত্তর আমেরিকার নাম দিয়েছিল ভিনল্যান্ড)। আইসল্যান্ডের সাথে নিকটতম ইউরোপীয় প্রতিবেশী দেশ স্কটল্যান্ডের দূরত্ব প্রায় ৮০০ কিলোমিটার। কিন্তু তা সত্ত্বেও সমগ্র ইতিহাস জুড়ে আইসল্যান্ড বৃহত্তর ইউরোপীয় সভ্যতার অংশ হিসেবেই বিদ্যমান। আইসল্যান্ডের গাথাগুলিকে মধ্যযুগের সবচেয়ে উৎকৃষ্ট সাহিত্যিক নিদর্শনের অংশ হিসেবে মনে করা হয়। এই গাথাগুলিতে ইউরোপের চিন্তাধারা যেমন প্রতিফলিত হয়েছে, তেমনি ইউরোপ মহাদেশ থেকে বহু দূরে অবস্থিত লোকদের ইতিহাস ও রীতিনীতিও ফুটে উঠেছে। ভাইকিংদের মুখের প্রাচীন নর্স ভাষার সাথে আইসল্যান্ডীয় ভাষার পার্থক্য খুবই কম, ফলে তারা সহজেই এই গাথাগুলি পড়তে পারে।
আইসল্যান্ডের রাজধানী রেইকিয়াভিকেই দেশের প্রথম কৃষি খামার গড়ে উঠেছিল। বর্তমানে এটি একটি বর্ধনশীল শহর এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিক এখানে বাস করে। অন্যান্য বড় শহরগুলির মধ্যে আছে উত্তর-মধ্য উপকূলের আকুরেইরি (Akureyri), দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের হাফনারফিয়র্ডোহুর (Hafnarfjördhur) এবং দক্ষিণের নিম্নভূমিতে অবস্থিত সেলফস (Selfoss)। আইসল্যান্ড একটি রুক্ষ দেশ। এখানে কৃষি ও খনিজ সম্পদ খুব কম। দ্বীপের তিন-চতুর্থাংশই উদ্ভিদ জন্মানোর অযোগ্য। উদ্ভিজ্জের মধ্যে তৃণভূমি প্রধান, যেখানে ভেড়া, গবাদি পশু ও শক্তসমর্থ আইসল্যান্ডীয় ঘোড়া পালন করা হয়। দ্বীপের চারপাশের সমুদ্রে বিভিন্ন জাতের মাছ পাওয়া যায় এবং মৎস্যশিকার এখানকার লোকদের আদি ও প্রধান পেশা। বর্তমানে আইসল্যান্ডের রপ্তানির অর্ধেকই মাছ ধরা ও মাছ প্রক্রিয়াকরণ খাত থেকে আসে। আইসল্যান্ড একটি স্ক্যান্ডিনেভীয় রাষ্ট্র এবং বিশ্বের প্রাচীনতম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এর জনসংখ্যার জাতিগত প্রকৃতি অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের তুলনায় তেমন পরিবর্তনশীল নয়, বরং সমসত্ত্ব। এ কারণে জিন গবেষকেরা বংশগত রোগ নিয়ে গবেষণা ও এদের চিকিৎসা খুঁজে পাওয়ার লক্ষ্যে অনেক সময় আইসল্যান্ডের লোকদের উপর পরীক্ষা চালিয়ে থাকেন। যদিও আইসল্যান্ডের অধিবাসীরা আগের চেয়ে অনেক বেশি ইউরোপের মূলধারার সাথে মিশে যাচ্ছে, তা সত্ত্বেও তারা তাদের ঐতিহ্য, রীতিনীতি ও ভাষা ধরে রেখেছে। এখনও বহু গ্রামীণ আইসল্যান্ডীয় অধিবাসী প্রাচীন নরওয়েজীয় পূরাণের নানা দৈত্য-দানব যেমন এল্ফ, ট্রোল, ইত্যাদির অস্তিত্বে বিশ্বাস করে। অন্যদিকে শহরের আইসল্যান্ডীয়দের অধিকাংশ নিজেদের দেশকে একটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যময় কৃষিপ্রধান দেশ হিসেবে মনে করতেই পছন্দ করেন।
খুব ভাল দেশ। পৃথিবীর সবচেয়ে উন্নত দেশ (acknowledged by the human developed index published by UN ), অর্থনীতি অনেক মজবুত। ভুল ধারনার বিপরীতে দেশের আবহাওয়া হিমশীতল নয়, সহনীয়, এখানে দেখুন সবচেয়ে বড় কথা দেশটি পৃথিবীর সবচেয়ে কম ঘনবসতি পূর্ন দেশ (আমাদের ঠিক বিপরীত!!!), প্রতি কিলোতে ৩ জন!! অভিবাসন নীতি উদার।
বিশ্ব বিদ্যালয়গুলুতে বেতন লাগে না। বছরে একটা ছোট রেজিস্টেশন ফি লাগে। যা বাংলাদেশী টাকায় ৪২০০০ হাজার খানেক।
ইউরোপের দেশ আইসল্যান্ড স্কেন্ডেনিভিয়াম দেশগুলোর অন্তর্ভুক্ত । নরওয়ে , সুইডেন , ডেনমার্ক এর মত আইসল্যান্ড ও ইউরোপের অন্যতম উন্নত দেশ । তাদের রয়েছে অনেক শক্তিশালী অর্থনীতি এবং নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় । আইসল্যান্ড এ মূলত পাবলিক এবং প্রাইভেট সবধরনের বিশ্ববিদ্যালয় ী আছে । স্টুডেন্ট রা চাইলেই অ্যাডমিশন নিতে পারেন যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে । আইসল্যান্ড এ প্রাইভেট এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এ ফী অনেক কম । আপনি যদি ব্যাচেলর করতে জান তাহলে আপনি অনেক কম খরচ এমনকি বাংলাদেশ থেকেও কম খরচ এ পড়াশুনা শেষ করে আসতে পারবেন । পড়ালেখার পরে আপনি পাবেন ৬ মাসের জব সিকিং ভিসা যা দিয়ে আপনি সহজেই জব খুঁজে নিতে পারবেন এবং আপনি জব পেলেই তারা আপনাকে ওয়ার্ক পারমিট দিয়ে দিবে । তাই এখানে রয়েছে ইস্থায়ী ভাবে বসবাসের অনেক সুযোগ । স্টুডেন্ট রা খুব সহজেই পার টাইম জব পেয়ে থাকেন যেহেতু ওদেরে অর্থনীতি খুব ই উন্নত এবং রিচ । আইসল্যান্ড এ বছরে ২ টা সেশনে এপ্লিকেশন করা যায় । একটা হল সেপ্টেম্বর টু ডিসেম্বর এবং জানুয়ারী টু মার্চ (ব্যাচেলর ) । মাস্টার্স এর জন্যে শুধ একটা সেশন (জানুয়ারী টু মার্চ ) ।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ