বিশেষ খবর

মুজিববর্ষের মেয়াদবৃদ্ধিতে আমাদের প্রত্যাশাঃ সর্বত্র মুজিবের আদর্শ প্রতিষ্ঠিত হোক

মুজিববর্ষজাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর উৎসব বঙ্গবন্ধুর জন্মের শত বছর উপলক্ষে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে অত্যন্ত  জাঁকজমকপূর্ণভাবে উৎসব উদযাপন করার কথা ছিল তবে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে সব আয়োজন সীমিত করা হয়েছে উদযাপন চলার কথা ছিল ২০২১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত কিন্তু করোনা মহামারিতে চলমান মুজিববর্ষ উৎসবমুখর পরিবেশে পালন না করতে পারার কারণে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত মুজিববর্ষ পালনের সময়সীমা বৃদ্ধির প্রস্তাব পাঠায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী এতে সম্মতি প্রদান করলে মুজিববর্ষের মেয়াদবৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পুরো জীবনকাল ছিল দেশ দেশের কল্যাণের জন্য নিবেদিত যেখানে ছিল না বিলাসিতা, ছিল না অর্থের লোভ, ছিল না হিংসা-বিদ্বেষ ছিল দেশের জন্য সাধারণ মানুষদের ভালোবাসা ভালো রাখার প্রচেষ্টায় ভরা বিশাল হৃদয় তাই মুজিববর্ষের মেয়াদবৃদ্ধিতে আমাদের প্রত্যাশা এই, শুধু মুখেই নয়; মুজিবাদর্শ সর্বত্র প্রতিষ্ঠিত হোক বঙ্গবন্ধু শেখ  মুজিবুর রহমানের জীবনকালের নানাধরনের  জনকল্যাণমুখী কাজের মতো অনুকরণীয় অনন্য কর্ম প্রতিপালনের মধ্য দিয়ে প্রত্যাশা থাকবে বাঙালি জাতির পিতার আদর্শের রাজনীতির বাহক হবে দেশের আগামী প্রজন্মের সব দেশপ্রেমিক তরুণ-যুবক, যারা দেশের জন্য বঙ্গবন্ধুর মতোই নিঃস্বার্থে কাজ করবে; অহংকারমুক্ত থাকবে, মানুষের সঙ্গে মানুষের ভেদাভেদ না করে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিতের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন সম্প্রীতির সোনার বাংলাদেশ গড়বে

 

মুজিববর্ষ উপলক্ষে সাক্ষরতা প্রদান কার্যক্রমে গতি বাড়াতে হবে 

মুজিববর্ষ উপলক্ষে সরকার ২১ লাখ নিরক্ষরকে সাক্ষরতা প্রদান করার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে এটা অনস্বীকার্য যে, দেশে সাক্ষরতার হার বাড়ছে তবে ক্ষেত্রে অগ্রগতি প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় মন্থর ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করতে হলে দেশকে নিরক্ষরমুক্ত করতে হবে লক্ষ্য থেকে এখনও অনেকটাই পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশে সাক্ষরতা বৃদ্ধির চিত্র সন্তোষজনক নয় কাজেই মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে সাক্ষরতার হার বৃদ্ধির গতি আরও বাড়ানোর একটা চমৎকার সুযোগ আমাদের সামনে হাজির হয়েছে তাই আমাদের এই সুযোগ কাজে লাগানোর জন্য অবিলম্বে যথাযথ কার্যকরী সকল পদক্ষেপ নিতে হবে

মুজিব জন্মশতবর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে পিইডিপি- এর আওতায় থেকে ১৪ বছর বয়সী বিদ্যালয়বহির্ভূত ১০ লাখ শিশুকে উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষা প্রদানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে এসডিজি- অর্জনের লক্ষ্যে নন-ফরমাল এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগাম নামে একটি কর্মসূচিভিত্তিক প্রকল্প প্রস্তাবও প্রস্তুত করা হয়েছে এসব পদক্ষেপের যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে করোনাকালে এটি একটি বাড়তি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে সন্দেহ নেই তা সত্ত্বেও এই মুজিববর্ষ ঘিরে দেশকে নিরক্ষরমুক্ত করার মহতী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কার্যক্রম এগিয়ে নেয়ার বিকল্প নেই এটি এখন অতীব জরুরি এক সময়ের দাবি

আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ

Like Us