বিশেষ খবর

শিক্ষার লক্ষ্য হোক মানবসম্পদ উন্নয়ন

বাংলাদেশে শিক্ষার মান নিম্নমুখী; বৈশ্বিক মান বিচারে যা ক্রমাগত পিছিয়ে পড়ছে। ভিত্তিমূলের শিক্ষার মান দুর্বল হয়ে পড়ায় স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার মান উন্নত হচ্ছে না। উন্নত শিক্ষা না হলে মানব সম্পদের উন্নয়ন হবে না।
বর্তমান সরকার শিক্ষান্নোয়নে বিশেষ নজর দেয়ায় কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে আশাবাদের সঞ্চার হয়েছে। ২০০৯ সালে কারিগরি শিক্ষার হার যেখানে ছিল শতকরা ১ ভাগ, সেখানে ২০১৬ সালে তা’ ১১ ভাগে উন্নীত হয়েছে। মানবসম্পদ উন্নয়নে সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত হলো দেশের ১০০টি উপজেলায় কারিগরি স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করা। ‘একনেক’ এর সাম্প্রতিক সভায় ১ হাজার ৪০ কোটি টাকার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। উক্ত উপজেলাসমূহে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা ছাড়াও কলেজ শিক্ষাখাতে সংস্কার, উন্নয়নের কৌশল নির্ধারণ, ব্যবস্থাপনা দক্ষতা বাড়ানো, বেসরকারি কলেজে শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতির উন্নয়ন, সরকারি ও বেসরকারি কলেজে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রিতে শিক্ষার মানোন্নয়ন, যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য সরঞ্জাম সরবরাহ ও প্রশিক্ষণ প্রদান ইত্যাদি কর্মসূচি বাস্তবায়ন হবে।
শিক্ষার উন্নয়নে যে পদক্ষেপগুলো নেয়া হয়েছে তার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হলে মানব সম্পদ উন্নয়নে বাংলাদেশের অগ্রগতি এক ধাপ এগিয়ে যাবে।


নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন
দেশে আরও ৬টি নতুন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এরফলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা দাঁড়ালো ৮৯। ১৯৯২ সালে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অনুমতি দেয়ার পর প্রায় দু’যুগ হতে চললো এসব বিশ্ববিদ্যালয় জাতির আশা-আকাক্সক্ষা পূরণে তেমন সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। এতগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে মাত্র ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পারফরমেন্স ভালো, কয়েকটি মোটা মুটিভালো, বেশির ভাগের মান খুব খারাপ।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে মফস্বল অঞ্চল, বিশেষ করে যে সব জেলায় কোনো বিশ্ববিদ্যালয় নেই সেখানে এগুলো প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে প্রাধান্য দিতে শিক্ষা উদ্যোক্তাদের অনুরোধ করা হয়। কিন্তু তারা যে সেই অনুরোধ রক্ষা করনেনি রাজধানীতে দুই-তৃতীয়াংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাই তার প্রমাণ। এসব প্রতিষ্ঠান নিজেদেরকে সেবামূলক সংস্থার পরিচয় দিলেও তাদের কার্যক্রমে বাণিজ্যিক ভাবধারা ফুটে ওঠে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান ইউজিসি’র তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করলে পরিস্থিতির উন্নয়নে সহায়ক হবে।

আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ

Like Us