বিশেষ খবর

মতামত

উচ্চশিক্ষার গনতন্ত্রায়ণ

॥ ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ ॥
উচ্চশিক্ষার মুখ্য উদ্দ্যেশ্য হলো বাজার উপযোগী জনশক্তি প্রস্তুত ও তার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা। আর এ জনশক্তি বর্ধিষ্ণু জনসংখ্যার জন্য কল্যাণকর। শিল্প এবং শিল্পের উৎপাদিত পণ্যের সর্বোচ্চ মান নিয়ন্ত্রণের জন্য ৮০`র দশক থেকেই পৃথিবীব্যাপী শুরু হয়েছে নানাবিধ শিল্পের বেসরকারিকরণ। শিক্ষাও একটি শিল্প। এটিরও বেসরকারিকরণ হয়েছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অষ্ট্রেলিয়া, কানাডা এমনকি দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে উচ্চশিক্ষার বেসরকারিকরণ লক্ষ্য করার মত। তারই সূত্র ধরে বাংলাদেশেও উচ্চশিক্ষার বেসরকারিকরণ হয়েছে এবং হচ্ছে। কর্মক্ষম জনশক্তি তৈরিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকাকে খাটো করে দেখার কোনো অবকাশ নেই। দেশের দ্রুত বর্ধনশীল উচ্চশিক্ষার চাহিদা মেটানোর জন্য সরকারি পর্যায়ের পাশাপাশি বেসরকারি সেক্টরের অবদান অবশ্যই অনস্বীকার্য।
উচ্চশিক্ষা বিষয়ে টঘঊঝঈঙ`র ২০০৯ সালের বিশ্ব সম্মেলনের জন্য যে প্রতিবেদনটি তৈরি হয়েছিলো, তার শিরোনাম ছিলো Trends in Global Higher Education: Tracking an Academic Revolution. বিশ্বব্যাপী অর্থনীতির নজিরবিহীন গতিপরিবর্তন ও অর্থনৈতিক মন্দার কারণে প্রতিবেদনটি বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষেত্রে পালাবদলের জোরালো ইঙ্গিত দিয়েছিলো। এ রকম অবস্থা পরবর্তীতে শিল্প-অর্থনীতির গতিধারাকে পাল্টে দিয়ে পরিসেবামূলক শিল্প ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির বিকাশের ক্ষেত্রে বর্তমানে ভূমিকা রাখছে। এটি উচ্চশিক্ষার চাহিদা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও তুলনাহীন ভূমিকা রাখছে। এটাকে বলা যায় উচ্চশিক্ষার গণতন্ত্রায়ন।
উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বেসরকারিকরণের বৈপ্লবিক পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন হলো নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং দীর্ঘ সময় নিয়ে এর ত্রুটি-বিচ্যুতিগুলো চিহ্নিতকরণ এবং তা থেকে উত্তরণের উপায়সমূহ বের করণ। এ বৈপ্লবিক পরিবর্তনকে কার্যকর করার স্বার্থেই নানাবিধ পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন। বেসরকারিকরণের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষাকে প্রতিযোগিতামূলক করবার ক্ষেত্রে গোটা বিশ্বই একটি নতুন অভিজ্ঞতার সম্মূখীন হয়েছে, এ অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের একার নয়।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে `দ্য কমনওয়েলথ অব লার্নিং` এর প্রেসিডেন্ট ও সিইও জন ডানিয়েল উন্মুক্ত ও দূরশিক্ষণের উপর জোর দেন। উচ্চশিক্ষার বেসরকারিকরণ তথা এ বৈপ্লবিক পরিবর্তনের কন্টকাকীর্ণ পথ পাড়ি দেয়ার জন্য `প্রযুক্তিগত রূপান্তরের অঙ্গীকার` গ্রহণ করার জন্য তিনি সবাইকে উদ্বুদ্ধ করেছেন। তিনি বলেছেন, শিক্ষা তথা উচ্চশিক্ষাকে মান সম্মত করা এবং এটিকে সম্পদে পরিণত করতে হলে এটি হবে ব্যয় সাপেক্ষ। খরচ হ্রাস করতে চাইলে প্রাপ্তি ও মানের ক্ষেত্রে অনিবার্য ঝুঁকিতে পড়তে হবে।
ড্যানিয়েল আরো বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহার করে বেশি অর্জন করা যায়, উচ্চ মান লাভ করা যায় এবং একই সাথে খরচও কমানো যায়। এটিই একটি বিপ্লব। যা পূর্বে কখনো ঘটেনি। তিনি উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সফলতার কথা তুলে ধরেন (যেমন- ইন্দিরা গান্ধী উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)। তিনি সাম্প্রতিক প্রযুক্তিগত অগ্রগতির উৎকর্ষতার উদাহরণস্বরূপ এমআইটি`র উন্মুক্ত শিক্ষামূলক প্রোগ্রামগুলোর কথা তুলে ধরেন। উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হয় বহু আউট-ক্যাম্পাসের সমন্বয়ে। এমআইটি তাদের আউট-ক্যাম্পাসের কাজকে ত্বরান্বিত করবার জন্য এর পরিপূর্ণ ডিজিটাইজেশন করেছেন অর্থাৎ প্রযুক্তিকে ব্যবহার করেছেন।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর `ডিজিটাল বাংলাদেশ` ঘোষণা একটি যুগান্তকারী ঘোষণা। এই একটি সাহসী এবং উচ্চাভিলাষী উচ্চারণ দেশটিকে সমসাময়িক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে সাহায্য করছে। সার্ভিস সেক্টরের প্রতিটি অধ্যায়ে আজ ডিজিটাইজেশন জরুরী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই দূরদর্শী চিন্তার ফলে দেশের প্রতিটি সেক্টরে আজ শুরু হয়েছে ডিজিটাইজেশন বা ডিজিটালকরণ। উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রের `বেসরকারিকরণ` বিপ্লবকে সত্যিকার রূপ দিতে গেলে এটির `ডিজিটালকরণ`-এর বিকল্প নেই।
গরীব ও মধ্য আয়ের দেশগুলোতে বর্তমানে পরিচালিত উচ্চশিক্ষা বিপ্লবকে ত্বরান্বিত করবার জন্য যেমন সময় বাঁচাতে হবে তেমনি অনুৎপাদনশীল ক্ষেত্রে অযথা পয়সা খরচ করা থেকেও বিরত থাকতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ/রিসোর্স ব্যবহার করবার ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহারকে সামনে নিয়ে আসতে হবে। দেখা গেছে, ছাত্র আন্দোলনের কারনে, ধর্মঘটের কারনে, হরতাল ইত্যাদির কারনে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্লাস হয় না। নির্ধারিত সময়ে কোর্সও শেষ হয় না, বরং সেশনজট বাড়তে থাকে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও যে সব সময় ক্লাস নেওয়া সম্ভব হচ্ছে তা নয়, কিন্তু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ নির্ধারিত সময়ে তাদের কোর্স সম্পন্ন করবার জন্য বাসায় বসে সেল ফোন থেকে কোর্স আউট লাইন ছাত্রদের কাছে অনলাইনে পাঠাচ্ছেন এবং ছাত্ররা বাসায় বসে তা ডাউনলোড করে পড়াশুনা করছে, এমনকি অনলাইনে পরীক্ষাও দিচ্ছে। এতে দেখা যাচ্ছে শ্রেণিকক্ষে বসেই পড়াশুনা করতে হবে বিষয়টি তা নয়। শ্রেণিকক্ষের বাইরেও পড়াশুনা হতে পারে এবং হচ্ছে।
বিশ্বব্যাংক সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে বাংলাদেশ শিক্ষায় উন্নয়ন করছে। এখানে উচ্চশিক্ষার বিপ্লবকে ত্বরান্বিত করবার জন্য গবেষনা ও উন্নয়ন, দক্ষ শিক্ষক, পাঠদান পরিবেশ, সহ-পাঠ্যানুক্রমিক কর্মকান্ড/ক্লাব, শিক্ষার মান এবং গ্র্যাজুয়েটদের কর্ম যোগ্যতাকে অত্যাধিক গুরুত্বারোপ করতে হবে। দক্ষিণ এশিয়ায় বিশেষ করে বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে শিক্ষার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধুমাত্র ভৌত কাঠামোকে অগ্রাধিকার দেয়া নয়, শুধু তদারকি নয়, নিছক গ্রাজুয়েট তৈরি নয়; বরং জাতির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির লক্ষ্যে প্রযুক্তির যথোপযুক্ত ব্যবহারকে গুরুত্ব দিতে হবে সবার আগে।
- লেখকঃ প্রফেসর, আইবিএ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; চেয়ারম্যান, নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ট্রাস্ট, উপাচার্য, নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি খুলনা বিস্তারিত...

স্বাধীনতা রক্ষার দায়িত্ব নিতে হবে বর্তমান সময়ের তরুণ প্রজন্মকে

’৫২-র ভাষা আন্দোলন, ’৫৪-র নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয়, ’৫৭-র স্বায়ত্তশাসন দাবি, ’৬২ ও ’৬৯-এর গণআন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের মুক্তি সংগ্রাম। দীর্ঘ নয় মাসের এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের ভেতর দিয়ে, বহু ত্যাগ-তিতীক্ষা, বহু নারীর সম্ভ্রম আর শহীদদের বিস্তারিত...

নিভৃতে কাজ করেন মানুষের কল্যাণে স্বদেশ চিন্তার অনন্য উদাহরণ শেখ রেহানা

তাঁর একটি পারিবারিক ও রাজনৈতিক পরিচয় আছে। কিন্তু কেন যেন তিনি বেছে নিয়েছেন এক আশ্চর্য আড়ালচারী জীবন। পাদপ্রদীপের আলোয় তাকে কখনও দেখা যায় না। নিভৃত সংসার কোণই যেন তাকে দিয়েছে আশ্চর্য প্রশান্তি। এটাও তো অর্জন করতে হয়। বিস্তারিত...

নোবেল শান্তি পুরস্কার শেখ হাসিনার কেন পাওয়া উচিত

নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার পুনরুদ্ধারের দীর্ঘ সংগ্রামের নেত্রী, বর্তমানে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত আউং সান সুচির দেশ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের (যাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম) ওপর দেশটির সেনাবাহিনীর হিংস্র আক্রমণ, বিস্তারিত...

এগিয়ে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

উন্নয়ন ও উদ্ভাবনে উচ্চশিক্ষা- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাঙালীর আলোকস্তম্ভ, স্বর ও সুরের প্রতীক, জাতির বিবেক হিসেবে স্বীকৃত অদম্য অপরাজেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পদার্পণ করল সাতানব্বই বছরে। বিস্তারিত...

তরুণদের বারবার চেষ্টা করতে হবে বেশি করে লেখালেখি করতে হবে - প্রফেসর ড. আশরাফ সিদ্দিকী

প্রবীণ শিক্ষাবিদ, লেখক, গবেষক ড. আশরাফ সিদ্দিকী। তিনি এ দেশের অন্যতম প্রধান লোকসাহিত্যিক। লোককথা, লোকগাথা, প্রবাদ, রূপকথা ইত্যাদি ক্ষেত্রে লিখেছেন তিনি। বিস্তারিত...

এফবিসিসিআই হবে ক্ষুদ্র-মাঝারি উদ্যোক্তাদের প্ল্যাটফর্ম -এফবিসিসিআই এর নবনির্বাচিত সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন

ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) নতুন সভাপতি মোঃ শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন। গত ১৬ মে নির্বাচনে জয়ী হয়ে তাঁর প্যানেল সম্মিলিত গণতান্ত্রিক পরিষদ ২০১৭-১৯ মেয়াদের জন্য ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠনটির নেতৃত্বে আসে। বিস্তারিত...

বিশ্ব শিক্ষক দিবসঃ বিশিষ্টজনের অভিমত

মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষকরা কেমন আছেন, কেমন থাকা উচিত, সামাজিক ও পেশাগত জীবনে তাঁদের কি সমস্যা সেগুলোর প্রতিকারের লক্ষ্যে ক্যাম্পাস পত্রিকার প্রতিনিধি গিয়াস উদ্দিন আহমেদ দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, শিক্ষাদ্যোক্তা এবং বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তিত্বগণের সাথে একান্ত আলাপচারিতায় মিলিত হন। বিস্তারিত...

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বারান্দা দিয়ে হাঁটলেও অনেক জ্ঞান লাভ করা যায়

অফুরন্ত আলোর ঝর্ণাধারায় উৎসারিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একদিন পরই সগৌরবে পদার্পণ করবে ছিয়ানব্বই বছরে। ১৯২১ সালের পহেলা জুলাই অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক চেতনা বিকাশের উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে বিস্তারিত...

সর্বস্তরে বৈষম্যহীন মানসম্পন্ন শিক্ষা বাস্তবায়নে একটি প্রস্তাবনা

সাম্প্রতিক কালে জাতিসংঘ ঘোষিত ১৭টি ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা’-র চতুর্থ লক্ষ্যমাত্রাটি মৌলিক শিক্ষা সম্পর্কিত। ২০৩০ সালের মধ্যে সর্বস্তরে বৈষম্যহীন মানসম্পন্ন শিক্ষার তাগিদ দেয়া হয়েছে তাতে। বিস্তারিত...

জাতীয় শিক্ষানীতি এবং বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ভাবনা

উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্য হবে জ্ঞান সঞ্চালন ও নতুন জ্ঞানের উদ্ভাবন এবং সেইসঙ্গে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়সহ উচ্চশিক্ষার কেন্দ্রগুলোর জন্য স্বশাসন বিস্তারিত...

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফি, শিক্ষা ও গবেষণা

বর্তমানে দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৯১টি। ওই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় প্রায় সাড়ে তিন লাখ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। রাজনীতি ও সেশনজট মুক্ত হওয়ায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ বিস্তারিত...

বেকারত্ব দূরীকরণে চাই কর্মমুখী শিক্ষা

দেশে কর্মমুখী শিক্ষার অভাবে বাড়ছে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা। কারিগরি ও বিশেষায়িত শিক্ষায় যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের চাকরির বাজারে ভালো চাহিদা আছে। কিন্তু চাহিদানুযায়ী দক্ষ জনবল সরবরাহে আমাদের বিদ্যমান শিক্ষাব্যবস্থা বিস্তারিত...

রূপালী আভার স্বর্ণালী সেই দিনগুলি

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি সবার ক্ষেত্রেই চির অম্লান। সর্বোচ্চ শিক্ষার পাদপীঠ বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ছাত্র-ছাত্রীরা বর্ণিল জীবনের স্বপ্ন দেখে। যৌবনের উত্তাল সময়ের স্বপ্নিল শিক্ষাজীবন শেষে প্রবেশ করে কর্মজীবনে। কঠোর বাস্তবতার কর্মজীবনে ফেলে আসা রূপালী আভার বিস্তারিত...

শিক্ষা বান্ধব প্রধানমন্ত্রী এবং আলোকিত জাতির সন্ধানে

বাঙ্গালি জাতির মুক্তির সনদ নিয়ে বাংলার আকাশে ধুমকেতুর মত আবির্ভাব ঘটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। তার অসামাপ্ত কাজ শেষ করার জন্য এবং জাতিকে উন্নতি ও সমৃদ্ধির স্বর্ণ শিখরে পৌছানোর জন্য আবির্ভাব ঘটে আর বিস্তারিত...

জগন্নাথ হল ট্র্যাজেডিঃ একটি ইতিহাস

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম আবাসিক হল জগন্নাথ হল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ঐতিহ্যকে ধারণ করে আছে জগন্নাথ হল। এ হলের ছাত্ররা গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যেমন ভূমিকা রেখেছে তেমনি এর সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডও উজ্জ্বল। বিস্তারিত...

অভাবের তাড়নায় শিক্ষকের আত্মহত্যা

অভাবের কারণে ময়মনসিংহের ভালুকা থানার প্রাইমারি স্কুলের সদ্য অবসরপ্রাপ্ত একজন শিক্ষকের আত্মহত্যার খবর দৈনিক আজকের পত্রিকাসহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিদিনই দেশে বিদেশে স্বাভাবিক মৃত্যুর বাইরে বিস্তারিত...

বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাংকিং কেন হতাশাজনক!

আমরা খুব সহজে বলি, দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাংকিং-এ দুই হাজারের মধ্যে নেই। বলবেন, কারণ তো একটাই, শিক্ষকরা তো ক্লাসই নেন না। গবেষণা আবার কি জিনিস? কে করাবেন? প্রশ্ন সহজ, উত্তরও তাই। বিস্তারিত...

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের এ আন্দোলনটির প্রয়োজন ছিল

কবি সমরেন্দ্র সেনগুপ্তের একটি কবিতার একটি লাইনের অংশ সম্ভবত এ রকমই, ... ‘এই নিস্তরঙ্গ বাংলাদেশ আর ভাল লাগে না’। গত কয়েকদিনে বার বার সমরেন্দ্র সেনগুপ্তের এই কবিতাটি মনে পড়ছিল। আর মনে হয়, কেন এমনটি হয়! বিস্তারিত...

চাকরিকাল গণনা করে বা কেশপক্কতা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পদোন্নতি হয় না

ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। ধন্যবাদ শিক্ষামন্ত্রীকেও। অর্থমন্ত্রীর ধন্যবাদ অপেক্ষমাণ। আমার ধারণা ছিল উত্তরমেরু আর দক্ষিণমেরু আলিঙ্গনাবদ্ধ হলে হতেও পারে, তবু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রথম শ্রেণির মর্যাদা পাওয়ার স্বপ্ন পূরণ হওয়ার নয়। বিস্তারিত...

আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ

Like Us