বিশেষ খবর

হৃদয়ের যত্নে রাখবেন কিভাবে জানা আছে?

ক্যাম্পাস ডেস্ক স্বাস্থ্য
img

ফাস্ট ফুড আর ভাজাভুজি খেতে খেতে আমরা নিজেদের শরীরের নানাভাবে ক্ষতি করে চলেছি। অথচ এই ধরণের খাবারগুলি যথেষ্ট টাকা খরচ করেই আমাদের খেয়ে থাকি। তাহলে সামান্য টাকা খরচ করে শরীরের জন্য ভাল খাবার কেন আমরা খাই না? এর উত্তর দেওয়াটা সত্যিই কঠিন। তবে আমাদের মধ্যেও এমন মানুষ আছেন, যারা শরীর নিয়ে সচেতন এবং নিজেদের খাদ্যাভ্যাস বদলে সুস্থ শরীরের অধিকারী হতে চান। অন্যদিকে বহু সংখ্যক মানুষ এমন আছেন, যারা হার্টের সমস্যায় ভোগেন বা কোলেস্টেরলের সমস্যায় ভোগেন। তাঁদের সাহায্য করতেই বোল্ডস্কাইয়ের আজকের এই প্রতিবেদন। তাহলে দেখে নেওয়া যাক, কি কি খাবার খেয়ে আমরা হার্টের যত্ন নিতে পারবো।
১. ওটমিল: সকালে ঘুম থেকে উঠে হোক বা রাত্রে, ওটমিল কিন্তু খেতেই হবে। ওটমিল নিয়ে মোট ৬৭টি সমীক্ষায় দেখা গেছে এর মধ্যে উপস্থিত ফাইবার ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল শরীর থেকে দূর করতে সক্ষম হয়। ফলে স্বাভাবিকভাবে হার্ট চাঙ্গা হয়ে ওঠে।
২. মাছ: এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, যা হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো হার্টকে ভাল রাখতে প্রতিদিন মাছ খেতে হবে।
৩. বাদাম: যে কোনও রকম বাদাম, যেমন- আখরোট, কাঠবাদাম, পেস্তা প্রভৃতি এগুলি সবই শরীরে উপকারি উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি করে। ফলে হার্টের পাশাপাশি সার্বিকভাবে শরীরের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। প্রসঙ্গত, বাদামের মধ্য়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে মোনো এবং পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাট। এই উপাদন এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৪. অলিভ অয়েল: গবেষণায় দেখা গেছে এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েলে প্রচুর পরিমাণে মোনো স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে, যা ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক রাখতে এবং ক্ষতিকারক কোলেস্টেরলকে শরীর থেকে দূর করতে সাহায্য করে। আর একবার খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করলে হার্ট নিয়ে আর কোনও চিন্তা থাকে না।
৫. জাম: এই ফলটির মধ্যে প্রদাহজনিত সমস্যা দূর করার ক্ষমতা রয়েছে। সেই সঙ্গে শরীরে পুষ্টির ঘাটতি মেটাতে এবং হৃদযন্ত্রেরও যত্ন নিতেও সক্ষম জাম। তাই তো হার্টের রোগীদের নিয়িমত এই ফলটি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।
৬. বিনস: বিনস, বরবটি এবং ডাল জাতীয় খাবার নিয়মিত যারা খায়, তাঁদের হার্ট নিয়ে আর কোনও চিন্তা থাকে না। কারণ এমন খাবারে রয়েছে এমন কিছু পুষ্টিকর উপাদান, যা নানাভাবে হৃদ যন্ত্রের খেয়াল রেখে থাকে। তাই সপ্তাহে একবার অন্তত এমন খাবার খাওয়া অবশ্যই উচিত।
৭. ব্রকলি: পালং শাক সহ অন্যান্য সবুজ সব্জির মতন ব্রকলিও খুব উপকারি একটি সবজি। এটি শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ বাড়িয়ে দেহে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বার করে দেয়। ফলে হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে ক্যান্সারের মতো রোগও দূরে থাকে।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ