বিশেষ খবর

গুনীজনের দৃষ্টিতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস

সমাজে ন্যায়-নীতি প্রতিষ্ঠায় ও আলোকিত জাতি গঠনে কাজ করছে ক্যাম্পাস। প্রকৃতপক্ষে ক্যাম্পাস আমাদেরই কাজ করছে, অর্থাৎ সরকারের সহযোগী হয়ে শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নে নিবেদিত রয়েছে ক্যাম্পাস। (সেপ্টেম্বর ২০০৯)
ক্যাম্পাস সমাজ উন্নয়ন কেন্দ্র পরিচালিত নানাবিধ কার্যক্রমের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা অন্যতম। আমি আশা করি, এ পত্রিকাটি শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক তথ্য ও নিবন্ধ তুলে ধরে জাতীয় উন্নয়নে পূর্বের চেয়ে অধিক গঠনমূলক ভূমিকা রাখবে; সততা ও ন্যায়-নিষ্ঠার উন্মেষে ক্যাম্পাস আরও সোচ্চার হবে। (সেপ্টেম্বর ২০০৯)
মোঃ জিল্লুর রহমান
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি

ছাত্র-যুবকদেরকে সমাজ গঠনমূলক কার্যক্রমে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করার ক্ষেত্রে কাজ করছে ক্যাম্পাস। দেশে মানসম্মত শিক্ষার উন্নয়নে ক্যাম্পাস’র বিভিন্ন উদ্ভাবনমূলক পদক্ষেপ বিশেষ প্রশংসার দাবিদার। (মে ২০০৮)
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা শিক্ষার উন্নয়ন ও বিকাশে বিশ্লেষণধর্মী বিভিন্ন প্রবন্ধ-নিবন্ধ প্রকাশসহ ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষামূলক নানা তথ্য ও সংবাদ প্রকাশ করে শিক্ষার উন্নয়নে যে ভূমিকা রাখছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। আমি আশা করি, ক্যাম্পাস পত্রিকা আগামীতেও এ ধারা অব্যাহত রাখবে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবক-জনগণ ও সরকারের মধ্যে একটি নিবিড় সেতুবন্ধন রচনায় কাজ করে যাবে। (মে ২০০৮)
ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক এম হেলাল সমাজ কল্যাণমূলক কার্যক্রমে অনেকদূর এগিয়েছে। ক্যাম্পাস’র প্ল্যাটফরমে পরিচালিত তার সপ্রতিভ ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণকর হবে বলে আমার বিশ্বাস এবং তাতে আমিও তার শিক্ষক হিসেবে খুশী হব। (আগস্ট ২০০৫)
প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহমেদ
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা শিক্ষা ও যুব উন্নয়নে নিবেদিত। ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবক ও রাজনীতিবিদসহ সকলের মাঝে সমঝোতা, সহমর্মিতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে সেতুবন্ধনের কাজ করছে এ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। (১৯৯২)
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা শিক্ষাঙ্গনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ রক্ষার কাজে নিবেদিত। (সেপ্টেম্বর ১৯৯৬)
আবদুর রহমান বিশ্বাস
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা তাদের লেখনীর মাধ্যমে সকল প্রকার সন্ত্রাস ও অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তুলে শিক্ষাঙ্গনকে সন্ত্রাসমুক্ত করে শিক্ষার সুষ্ঠুু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করি।  (ফেব্রুয়ারি ১৯৯২)
শেখ হাসিনা
জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেত্রী
বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গনের উন্নয়নে ছাত্র-শিক্ষক ও অভিভাবকদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে যে কাজ করে যাচ্ছে, তা প্রশংসনীয়। (ফেব্রুয়ারি ১৯৯২)
বেগম খালেদা জিয়া
প্রধানমন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ উন্নয়নে, বিশেষ করে ছাত্র-শিক্ষক ও অভিভাবকদের এ ব্যাপারে উদ্বুদ্ধকরণ ও দায়িত্ব সচেতন করে তোলার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।  (ফেব্রুয়ারি ১৯৯২)
শেখ রাজ্জাক আলী
জাতীয় সংসদের স্পীকার

স্বচ্ছ, বস্তুনিষ্ঠ এবং শিক্ষাঙ্গনের বিভিন্ন খবরাখবর দেয়ার জন্য একটি উচ্চমানের পত্রিকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। (জুন ২০০২)
ড. এম ওসমান ফারুক
শিক্ষামন্ত্রী

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকাটি ছাত্র-শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবীগণের যৌথ প্রয়াসে প্রকাশিত এবং এটি শিক্ষাঙ্গনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সচেষ্ট। এ পত্রিকা ছাত্রদের মধ্যে সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। (ফেব্রুয়ারি ১৯৯২)
ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার
শিক্ষামন্ত্রী
পরবর্তীতে স্পীকার ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস নামের পত্রিকায় শুধু দেশের সার্বিক শিক্ষার চালচিত্রই তুলে ধরা হয় না, বিদেশের শিক্ষা নিয়েও বিস্তর লেখালেখি হয়। সার্বিক দিক থেকে ‘বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস’ একটি চমৎকার নিউজ ম্যাগাজিন। (মে ২০০৩)
বেগম সেলিমা রহমান
প্রতিমন্ত্রী
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা বাংলাদেশের শিক্ষাঙ্গনের দর্পণ। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, শিক্ষাঙ্গনকেন্দ্রিক এ পত্রিকাটি গঠনমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে শিক্ষার উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখতে সক্ষম। (ফেব্রুয়ারি ১৯৯২)
অধ্যাপক জাহানারা বেগম
প্রতিমন্ত্রী
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়

জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও আলোকিত জাতি গঠনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা বিগত ২৫ বছর যাবৎ শিক্ষাঙ্গনের বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরছে, পাশাপাশি ছাত্র ও যুব উন্নয়নে নানাবিধ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। আগামী দিনেও শিক্ষাঙ্গনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরার মাধ্যমে এ পত্রিকা দেশে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাবে এবং সরকারের শিক্ষা সম্প্রসারণমূলক কার্যক্রমে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আমি আশাবাদী। (মে ২০০৮)
ড. হোসেন জিল্লুর রহমান
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা

পাক্ষিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সকল শ্রেণির রুচিবান মানুষের পত্রিকা। উন্নতমানের প্রকাশনায় এ পত্রিকা সুদীর্ঘকাল প্রকাশিত হচ্ছে। এ পত্রিকার সম্পাদক এবং তাঁর সহযোগীগণ পত্রিকার উন্নয়নে তাদের শ্রম, মেধা ও সময় ব্যয় করে একে সংবাদপত্রের জগতে এক উচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। (অক্টোবর ২০১৫)
মাহবুব জামিল
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা

শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গনের উন্নয়নে ক্যাম্পাস পত্রিকার গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রয়েছে। ৩ দশক ধরে অবিচল পথ চলাই প্রমাণ করে ক্যাম্পাস পত্রিকার পাঠকপ্রিয়তা ও জনপ্রিয়তা কত গভীরে। (জুলাই ২০০৯)
দরিদ্র ও মেধাবীদের জন্য ফ্রি কম্পিউটার ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে ক্যাম্পাস যে ভূমিকা রেখে যাচ্ছে, তা অত্যন্ত ব্যতিক্রমী এবং সমাজ উন্নয়নে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। প্রকৃতপক্ষে সরকারের লক্ষ্য বাস্তবায়নেই দীর্ঘদিন থেকে কাজ করে যাচ্ছে ক্যাম্পাস। (জুলাই ২০০৯)
সৈয়দ আতাউর রহমান
সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা শিক্ষার উন্নয়ন এবং শিক্ষাঙ্গনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ক্যাম্পাস পত্রিকা শুধুমাত্র শিক্ষাক্ষেত্রেই তার ভূমিকাকে সীমাবদ্ধ রাখেনি, বরং বিভিন্ন ব্যতিক্রমী কর্মসূচির মাধ্যমে নিরন্তর সমাজসেবা করছে এবং জাতীয় অগ্রগতিতেও যথেষ্ট অবদান রাখছে (মে ২০০৮)
মোঃ মোমতাজুল ইসলাম
সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়

শিক্ষাঙ্গনের পাশাপাশি সমাজ সচেতনতামূলক বিভিন্ন সংবাদ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকায় স্থান পেয়ে থাকে। শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নে ক্যাম্পাস পত্রিকার ভূমিকা অনস্বীকার্য। (ডিসেম্বর ২০০৮)
মোহাম্মদ সাহাব উল্লাহ
ভাইস-চেয়ারম্যান, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো

ক্যাম্পাসকে কেবল একটি সুন্দর, নিটোল, ঝকঝকে ছাপার পত্রিকা বলেই মনে করতাম, এখন দেখছি একটি মহতী উদ্যোগের নাম ক্যাম্পাস; এর রয়েছে বহুমুখী কর্মসূচি। ক্যাম্পাস অনেক সমৃদ্ধ; ভালো মানুষ তৈরির কারখানা। (ডিসেম্বর ২০১৩)
মজিবর রহমান
চেয়ারম্যান, বিআইডব্লিউটিসি

ক্যাম্পাস কেবল পত্রিকাই প্রকাশ করছে না, সেবামূলক নানামুখী কাজও করছে। ক্যাম্পাস’র মতো আর দু’চারটা প্রতিষ্ঠান থাকলে সমাজের চিত্র পাল্টে যেত। (জুলাই ২০০৩)
মোঃ মর্ত্তুজা হোসেন মুন্সি
মহাপরিচালক, সমাজসেবা অধিদপ্তর

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সারাদেশে আজ একটি পরিচিত নাম। প্রায় তিন দশক ধরে নিরবচ্ছিন্ন পত্রিকা প্রকাশের পাশাপাশি ক্যাম্পাস জনকল্যাণে ও সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে যে অবদান রেখে চলেছে, তা অতুলনীয়। ব্যতিক্রমী দৃষ্টিভঙ্গির মধ্য দিয়ে সমাজ সচেতনতায় ক্যাম্পাস’র বিভিন্ন কর্মসূচির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সৃজনশীলতা। (মার্চ ২০০৯)
ড. খন্দকার শওকত হোসেন
বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা

ক্যাম্পাস পত্রিকা দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘ক্রুসেড’ ঘোষণা করেছে। এ ব্যাপারে তারা আপোসহীন। নীতি-নৈতিকতার প্রসার, সমাজ জাগরণমূলক চেতনায় উজ্জীবন এবং দক্ষ মানব সম্পদ তৈরিতে কাজ করছে ক্যাম্পাস। (নভেম্বর ২০০৯)
মোঃ মাসুদ করিম
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, ঢাকা

বাংলাদেশের শিক্ষাঙ্গনে বিশেষত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সমস্যা নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, আলোচনা বা প্রতিবেদন প্রকাশ কেবলমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা-ই করে আসছে। শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গনের উন্নয়নে বিশেষত ছাত্র-শিক্ষক ও অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধকরণ ও দায়িত্ব সচেতন করার লক্ষ্যে এ পত্রিকা নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। (ফেব্রুয়ারি ১৯৯২)
প্রফেসর ড. এম মনিরুজ্জামান মিঞা
উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস একটি ঐতিহ্যবাহী পত্রিকা। এ পত্রিকা জ্ঞানভিত্তিক প্রবন্ধ, নিবন্ধ ও সাক্ষাৎকার মুদ্রণ করে; এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা, শিক্ষার মান-পরিবেশ, ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক এবং বিশ্ববিদ্যালয় আইন নিয়ে লেখালেখি করে। এমনকি উচ্চ শিক্ষাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত, এ বিষয়েও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মতামত উপস্থাপনের মাধ্যমে দিক-নির্দেশনা প্রদান করে আসছে। আমাদের চিন্তা-চেতনা ও মননশীলতার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস আগামীতেও গতিশীল নেতৃত্ব দেবে। (মে ২০০৮)
ড. এম বদিউল আলম
উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

উচ্চ শিক্ষার উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা দীর্ঘদিন থেকে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। এ ধারা অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে আরো ভালো করবে। (মে ২০০৮)
প্রফেসর ড. মোঃ সাইফুদ্দিন শাহ্
উপাচার্য, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

দেশ ও সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তোলার ক্ষেত্রে ক্যাম্পাস পত্রিকার ভূমিকা অতুলনীয়। (ফেব্রুয়ারি ১৯৯২)
অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান
উপাচার্য, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকাটি হাঁটি হাঁটি, পা পা করে অনেক দূর এগিয়েছে এবং বর্তমানে শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গনভিত্তিক কার্যক্রমসহ শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ পত্রিকায় প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদ, প্রতিবেদন ও প্রবন্ধে শিক্ষা ও শিক্ষা-সমস্যার বিষয়ে জনগণকে সচেতন করার প্রয়াস থাকে। (জুন ২০০২)
অধ্যাপক আবদুল মমিন চৌধুরী
উপাচার্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা একদিকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিউজ ও প্রতিবেদন মুদ্রণ করছে, অন্যদিকে বিভিন্ন মতামত ও পরামর্শ দিয়ে শিক্ষা সম্পর্কিত নীতি-নির্ধারণের ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখছে; এমনকি কোথাও কোনো অনিয়ম হলে তা পত্রিকার মাধ্যমে তুলে ধরছে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে আগামীতে আরো বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে। (মে ২০০৮)
বাংলাদেশের সফল উদ্যোক্তাদের তালিকা করা হলে সে তালিকার শীর্ষস্থানে থাকবে এম হেলাল’র নাম। (জুন ২০০৮)
প্রফেসর ড. সৈয়দ রাশিদুল হাসান
উপাচার্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

অনেক পত্রিকার ভিড়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা ব্যতিক্রম ধারায় বের হয়, যা প্রশংসার দাবি রাখে। (আগস্ট ২০০৩)
প্রফেসর ড. এম এরশাদুল বারী
সাবেক উপাচার্য, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলাদেশের শিক্ষা, শিক্ষাঙ্গন ও যুব উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার অত্যন্ত বলিষ্ঠ ভূমিকা রয়েছে। (ফেব্রুয়ারি ১৯৯২)
প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শাহজাহান
উপাচার্য, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়

নিয়মিত প্রকাশনার মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চাহিদাগুলোকে তুলে ধরছে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে জ্ঞান অর্জনের প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং শিক্ষাঙ্গনের উৎকর্ষ সাধিত হচ্ছে। (মে ২০০৮)
প্রফেসর ড. মোঃ নওশের আলী
উপাচার্য, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার প্রকাশনা দীর্ঘকাল থেকে অব্যাহত রয়েছে; ডায়নামিক বহু কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজপ্রগতি এবং জাতি জাগরণে রেখে চলেছে অসাধারণ ভূমিকা। ছাত্র সমাজের কাছে এ পত্রিকা অত্যন্ত প্রিয়। (আগস্ট ২০১৪)
প্রফেসর ড. এস এম নজরুল ইসলাম
উপাচার্য, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ সম্পর্কে তথ্য পরিবেশন করে আসছে, যা জ্ঞান-পিপাসুদের চাহিদা পূরণে অত্যন্ত সহায়ক। (এপ্রিল ২০০৮)
প্রফেসর ড. এ এম এম সফিউল্লাহ
উপাচার্য, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা আমাদের শিক্ষাঙ্গনের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার চিত্র তুলে ধরছে। এ পত্রিকা বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে যেভাবে সহযোগিতা করে আসছে, তা প্রশংসা ও ধন্যবাদ পাওয়ার দাবি রাখে। (মে ২০০৮)
প্রফেসর ড. শ্যামল কান্তি বিশ্বাস
উপাচার্য, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

পাক্ষিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করেছে বহুপূর্বেই। কারণ এ পত্রিকা সমস্যার তৃণমূলে প্রবেশ করে এর সমাধানে নিরপেক্ষ ও যৌক্তিক পরামর্শ দেয়, সম্ভাবনার কথা বলে। (অক্টোবর ২০১৪)
প্রফেসর. ড মোঃ শামসুদ্দিন
উপাচার্য, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। শিক্ষা বিষয়ক বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদদের মতামত ও অভিজ্ঞতার কথা পত্রিকার মাধ্যমে জনসমক্ষে তুলে ধরছে। ফলে দেশের সাধারণ মানুষ ও পরিকল্পনাকারীগণ বিভিন্ন বিষয় জানতে পারছে। শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে আমাদের কোন্ কোন্ ক্ষেত্রে পরিবর্তন সাধন করা প্রয়োজন সে সম্পর্কেও আমরা সম্যক ধারণা লাভ করতে পারছি। (মে ২০০৮)
প্রফেসর ড. গোলাম মাওলা
উপাচার্য, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

পত্রিকা হিসেবে ক্যাম্পাস আলোর দিশারী, সংগঠন হিসেবে ক্যাম্পাস শ্রেষ্ঠ; ক্যাম্পাস’র কর্মসূচি অসাধারণ। তাই ক্যাম্পাস অফিসে এলে আমি আবেগতাড়িত হয়ে পড়ি; মনের সব হতাশা দূর হয়ে যায়, মন-মানসিকতার পরিবর্তন হয়। (নভেম্বর ২০১১)
প্রফেসর ড. খলিলুর রহমান
সাবেক উপাচার্য, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা প্রগতিশীল ধ্যান-ধারণার ধারক ও বাহক। ক্যাম্পাস পত্রিকা উত্তরোত্তর আরো সমৃদ্ধি লাভ করবে এবং শিক্ষা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনে সক্ষম হবে বলে বিশ্বাস। (মে ২০০৮)
প্রফেসর ড. রুহুল আমিন
উপাচার্য, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

আলোকিত জাতি গঠনে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা অনন্য ভূমিকা পালন করে আসছে। দেশ ও জাতির কল্যাণে নিয়োজিত থেকে লেখনীর মাধ্যমে অনুপ্রেরণা দান করে বিশ্ববিদ্যালয়কে মানসম্পন্ন শিক্ষালয়ে পরিণত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে ক্যাম্পাস। (মে ২০০৮)
প্রফেসর ড. মোঃ ইকবাল হোসেন
উপাচার্য, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

ক্যাম্পাস পত্রিকা জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও আলোকিত জাতি গঠনে সক্রিয় ও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখছে। ক্যাম্পাস’র অবিছিন্ন ও দীর্ঘ প্রকাশনা এবং সার্বিক সাফল্য কামনা করি। (মে ২০০৮)
হাবিব আবু ইব্রাহিম
উপাচার্য, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা দেশের সার্বিক শিক্ষা উন্নয়নে কাজ করে আসছে। এ পত্রিকা নিরপেক্ষভাবে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সংবাদ পরিবেশন করবে এবং শিক্ষার দিগদর্শন হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলে আমি আশাবাদী। (মে ২০০৮)
প্রফেসর ড. সিরাজুল ইসলাম খান
উপাচার্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস একটি মননশীল পত্রিকা। এ পত্রিকা ইতোমধ্যে সচেতন মহলের প্রশংসা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। (এপ্রিল ২০০৮)
প্রফেসর ড. মোঃ মনিমুল হক
উপাচার্য, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস জ্ঞানভিত্তিক সমাজ এবং আলোকিত মানুষ তৈরির জন্য নতুন প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করছে। (মে ২০০৮)
প্রফেসর ড. নীতীশ চন্দ্র দেবনাথ
উপাচার্য, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সাইন্সেস ইউনিভার্সিটি

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা দেশের শিক্ষার ক্ষেত্রে নিরলসভাবে কাজ করে আসছে, লেখালেখির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের শিক্ষা উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। (মে ২০০৮)
প্রফেসর ড. এম শামসুর রহমান
উপাচার্য, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়

জ্ঞানভিত্তিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ এবং আলোকিত জাতি গঠনে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকাই প্রথম আন্দোলন শুরু করে। প্রশিক্ষিত যুবশক্তি গঠনে ক্যাম্পাস যে ভূমিকা পালন করছে, তা কালের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ক্যাম্পাস তরুণ-যুবকদেরকে প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসার ফলে তাদের মধ্যে কর্ম-উদ্দীপনা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে তারা আত্মবিশ্বাসী ও কর্মমুখী মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার সুযোগ পাচ্ছে, বড় স্বপ্ন দেখতে শিখছে। (ডিসেম্বর ২০১০)
প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন পাটোয়ারী
সাবেক উপাচার্য, বুয়েট; ফাউন্ডার-প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা ওয়েব-পোর্টালের মাধ্যমে যেভাবে শিক্ষার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের ভূমিকা পালন করে চলেছে, তাতে শিক্ষার দারিদ্র্য দূর হলে দেশের দারিদ্র্যও দূর হবে। (অক্টোবর ২০০৩)
প্রফেসর ড. আমিনুল ইসলাম
ভাইস-চ্যান্সেলর, ডেফোডিল ইউনিভার্সিটি

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা ছাত্র-শিক্ষকের মুখপত্র হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। (সেপ্টেম্বর ২০০৪)
প্রফেসর ড. হাফিজ জি এ সিদ্দিকী
ভাইস-চ্যান্সেলর, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি

শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও বেশি গ্রহণযোগ্য, উন্নত ও সেবাধর্মী হিসেবে গড়ে তুলতে হলে জ্ঞানভিত্তিক লেখালেখি, মতামত প্রকাশ বা মতামত গড়ে তোলা একান্ত প্রয়োজন। আর এজন্য যে প্ল্যাটফরম দরকার, সেটিই হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা। (জানুয়ারি ২০০৯)
প্রফেসর মোঃ মঈনউদ্দিন খান
ভাইস-চ্যান্সেলর, আশা ইউনিভার্সিটি

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা গুণগত শিক্ষা প্রচলনের আন্দোলনকে বেগবান করে তুলছে; যুব সমাজের উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরে পালন করছে ঐতিহাসিক ভূমিকা। (নভেম্বর ২০১৫)
প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল মান্নান চৌধুরী
ভাইস-চ্যান্সেলর, দি পিপলস ইউনিভার্সিটি

ক্যাম্পাস পত্রিকা দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছে; দেশবাসীকে সজাগ করছে, উচ্চ শিক্ষার ভালো দিকগুলো তুলে ধরছে এবং এর মধ্যে যে সম্ভাবনা ও ঘাটতি আছে, তাও তুলে ধরছে। এভাবে ক্যাম্পাস জাতির জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় দায়িত্ব পালন করছে।  (জানুয়ারি ২০০৯)
প্রফেসর ড. এম মাহবুব উল্লাহ
ভাইস-চ্যান্সেলর, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা দেশের শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদদের মতামত ও অভিজ্ঞতার কথা ক্যাম্পাস পত্রিকা নিয়মিত প্রকাশ করে আসছে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি শিক্ষা সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারীগণও বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে অবহিত হচ্ছেন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে উপকৃত হচ্ছেন। (মে ২০০৮)
প্রফেসর ড. আনোয়ারা বেগম
ভাইস-চ্যান্সেলর, অতীশ দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স এন্ড টেকনোলজি

পত্রিকা প্রকাশনার পাশাপাশি সমাজ থেকে ঘুষ-দুর্নীতি-সন্ত্রাস নির্মূলেও দায়িত্ব পালন করে আসছে ক্যাম্পাস। (মার্চ ২০০৯)
ড. মেশকাত উদ্দীন
প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর, প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটি

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা সমাজের একটি সামগ্রিক শক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে। (জুন ২০০২)
আজিম উদ্দিন আহমেদ
চেয়ারম্যান, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি

বাংলাদেশে শিক্ষা প্রসারের ক্ষেত্রে ক্যাম্পাস পত্রিকার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে ক্যাম্পাস’র মতামত ও সংবাদ পরিবেশনা শিক্ষানুরাগী ছাত্র-ছাত্রীদের অনুপ্রাণিত করছে। (ডিসেম্বর ২০০৮)
ইফতেখারুল আলম
চেয়ারম্যান, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস’র শিক্ষা ও সমাজ সচেতনতামূলক কার্যক্রম যুগের দাবি এবং প্রশংসার দাবিদার। (ফেব্রুয়ারি ২০০৬)
আবুল কাশেম হায়দার
চেয়ারম্যান, ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি

শিক্ষা নিয়ে অনেক পত্রিকা শুধু বিদেশেই দেখা যায়, কিন্তু আমাদের দেশে তেমন কেউ করে না। শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস-ই বাংলাদেশে সে ধারা প্রথম শুরু করে এবং অদ্যাবধি তা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। (সেপ্টেম্বর ২০০৫)
ড. জাকারিয়া লিংকন
প্রেসিডেন্ট, ইবাইস ইউনিভার্সিটি

পত্রিকা প্রকাশনার পাশাপাশি সমাজ সচেতনতামূলক যে সকল কার্যক্রমের উদ্যোগ ক্যাম্পাস নিয়েছে, তা সত্যি প্রশংসনীয়। (মে ২০০৩)
ড. হামিদা বানু শোভা
ফাউন্ডার-চেয়ারপারসন, কুইন্স ইউনিভার্সিটি

মনের আনন্দের জন্য ও মনের ক্ষুধা নিবারণের মতো অনেক উপাদান আমরা ক্যাম্পাস পত্রিকায় পেয়ে থাকি। এ পত্রিকা দেশের শিক্ষা বিস্তারে, আলোকিত মানুষ সৃষ্টিতে, সমাজের উন্নতি-অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য যে অবদান রাখছে, তা অতুলনীয়। (ডিসেম্বর ২০০৮)
বাংলাদেশে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সাথে ক্যাম্পাস’র তুলনা চলে না। আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে ক্যাম্পাস’র কর্মসূচি অশেষ প্রশংসার দাবিদার। (ফেব্রুয়ারি ২০১৩)
আবদুর রশীদ খান
ট্রেজারার, দারুল ইহসান ইউনিভার্সিটি

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে। (জানুয়ারি ২০০৯)
একটি তরুণ ছেলে লোভনীয় কোনো পেশায় না গিয়ে দেশের সেবা করার জন্য নিজকে যে উৎসর্গ করতে পারে, এম হেলালকে না দেখলে তা বিশ্বাস হতো না। দেশ ও জাতি গড়ায় তার বিভিন্ন কার্যক্রম দেখে সত্যি অভিভূত হতে হয়। (জুন ২০০২)
অধ্যাপক কাজী ফারুকী
ফাউন্ডার-প্রিন্সিপাল, ঢাকা কমার্স কলেজ

পত্রিকা প্রকাশনার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এর সমাজ ও স্বাস্থ্য সচেতনতা কার্যক্রম সত্যি প্রশংসনীয়। (জুন ২০০৯)
প্রফেসর মেরিনা জাহান কবিতা
অধ্যক্ষ, বেগম বদরুন্নেসা মহিলা কলেজ

ক্যাম্পাস শুধু পত্রিকা প্রকাশনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে যে ওয়েব পোর্টাল নির্মাণ করেছে, তা গবেষকদের জন্য এক মাইল ফলক। (এপ্রিল ২০০৬)
ড. ইফফাত চৌধুরী
রেজিস্ট্রার, ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ

ক্যাম্পাস শুধু পত্রিকা প্রকাশনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং শিক্ষা উন্নয়নে সদা কাজ করে চলেছে। বিশেষ করে যে শিক্ষার মাধ্যমে সুশীল সমাজ ও আলোকিত জাতি গড়ে তোলা যায়, তার জন্য এ প্রতিষ্ঠান নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। (জুলাই ২০০৬)
অধ্যক্ষ মাজহারুল হান্নান
ঢাবি সিনেট সদস্য

শিক্ষার সমস্যাগুলো চিহ্নিতকরণ এবং শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নে ক্যাম্পাস যে ভূমিকা রাখছে তা সরকারের বিশাল কর্মযজ্ঞ, বিশেষ করে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করছে। (নভেম্বর ২০১৫)
প্রফেসর মোঃ আবু বকর ছিদ্দিক
চেয়ারম্যান, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, ঢাকা

শিক্ষার্থী ও শিক্ষাঙ্গনের জন্য কার্যকরী ও তথ্যবহুল পত্রিকা ‘ক্যাম্পাস’। অনেক পত্রিকাই সাজ সাজ রবে বের হয়, কিন্তু তা অচিরেই ঝরে পড়ে। ‘ক্যাম্পাস’ পত্রিকা সেই ক্রান্তিকাল অতিক্রম করে এতদূর এসেছে, শুধুমাত্র এর পেছনে কর্মরত সকলের পরিশ্রম, সততা আর আন্তরিকতার কারণে। (জানুয়ারি ২০০৯)
নীরবে-নিভৃতে দেশের শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নে ক্যাম্পাস যে ভূমিকা পালন করছে, তা অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর। একটি আলোকিত জাতি বিনির্মাণে ক্যাম্পাস বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে যে অবদান রাখছে, তজ্জন্য ক্যাম্পাস প্রশংসার দাবিদার। (নভেম্বর ২০০৮)
মাহফুজুল হক
ফাউন্ডার-প্রিন্সিপাল, ঢাকা ইম্পিরিয়াল কলেজ

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা পাঠকমহলে রুচিশীল প্রকাশনায় মর্যাদাপূর্ণ আসনে অধিষ্ঠিত। শিক্ষান্নোয়নে এ পত্রিকার ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আগামীতেও এ পত্রিকা দেশ ও সমাজকে অত্যাধুনিক চিন্তাচেতনা ও সমৃদ্ধ রচনার মাধ্যমে এগিয়ে নিয়ে যাবে। (অক্টোবর ২০১৫)
ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান
চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কারিগরী শিক্ষাবোর্ড

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস আধুনিক রুচিশীল পত্রিকা, আর ক্যাম্পাস সমাজ উন্নয়ন কেন্দ্রের কার্যক্রমতো আরো অনেক গভীরে প্রোথিত। (জুন ২০১৫)
ডাঃ মোঃ মঈনুল আহসান
ফাউন্ডার-এমডি, গ্রীন লাইফ মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হসপিটাল

শিক্ষা ও যুব উন্নয়নভিত্তিক নিয়মিত পত্রিকা প্রকাশনা ছাড়াও ক্যাম্পাস জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বহুমুখী কাজ করছে। (মার্চ ২০১০)
এম এ বারী
সাবেক প্রেসিডেন্ট, আইসিএবি

পত্রিকা ও প্রতিষ্ঠান হিসেবে ক্যাম্পাস একটি এটম বোমার মতো -যারা সমাজ ও দেশকে জাগিয়ে তুলছে। (ফেব্রুয়ারি ২০১২)
আলমগীর সিকদার লোটন
প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি

শিক্ষা-শিক্ষাঙ্গনভিত্তিক যত রকম দুর্নীতি, অনিয়ম ও সন্ত্রাস আছে, তার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা। (জুন ২০০২)
আব্বাস উদ্দিন আহমেদ
ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সিটি ব্যাংক লিঃ

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা ছাত্র ও যুব সমাজের অপ্রতিদ্বন্দী মুখপত্র; সমাজ উন্নয়নের দিকেও তারা বিশেষ নজর দিয়েছে এবং পরিকল্পিত কর্মসূচি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে তাদের অগ্রগতি খুবই আশাব্যঞ্জক। (আগস্ট ২০১৪)
হালিম পাটওয়ারী
চেয়ারম্যান, ইউসিসি গ্রুপ

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা সারা বাংলাদেশের মধ্যে ব্যতিক্রম ধারা নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। এর পাতা উল্টালেই দেশের সকল স্তরে শিক্ষা সম্পর্কে একটা স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া যায়, বিদেশের শিক্ষার খবরও জানা যায়। (মার্চ ২০০৮)
সন্তোষ রায়
ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ডিজাইন ক্র্যাফটস

দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে শিক্ষা বিষয়ক ক্যাম্পাস পত্রিকা প্রকাশ হচ্ছে, প্রকাশনার জগতে এটা অবশ্যই একটা মাইল ফলক। (জানুয়ারি ২০০৯)
কাজী মোঃ মোরতুজা আলী
ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স

দেশকে এগিয়ে নেয়ার কর্মযজ্ঞে ক্যাম্পাস আশা জাগানিয়া এক অনন্য প্রতিষ্ঠান, সৃজনশীল কর্ম ও উদ্যোগের প্ল্যাটফরম। বাংলাদেশের শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নে এম হেলাল’র নেতৃত্বে ক্যাম্পাস দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে। সমাজ ও জাতি জাগরণে তার এসব উদ্যোগ বিশেষ প্রশংসার দাবি রাখে। (আগস্ট ২০০৯)
বাংলাদেশের শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে, ক্যাম্পাস পত্রিকা আলোকিত জাতি গঠনের কঠিন সংগ্রামে লিপ্ত। (জুলাই ২০০৯)
ড. ওয়ালী তছর উদ্দিন
স্কটল্যান্ডে বাংলাদেশের অনারারী কনসাল জেনারেল

পত্রিকা প্রকাশনার পাশাপাশি মানবসম্পদ উন্নয়ন ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় ক্যাম্পাস কাজ করে আসছে, ক্যাম্পাস’র কার্যক্রমের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি। (এপ্রিল ২০০৮)
ড. এম এ আজিজ
লন্ডনস্থ বাংলা মিরর পত্রিকার প্রধান সম্পাদক

উন্নত প্রকাশনার মাধ্যমে দেশ ও সমাজকে জাগিয়ে তুলছে ক্যাম্পাস, গড়ছে উন্নততর বিশেষ মানুষ। এটিই দেশ ও জাতির উন্নয়নে ক্যাম্পাস’র কল্যাণকর কর্মসূচি।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার প্রকাশনা এমন সময়ে শুরু যখন পত্রিকা কিনে পড়ার সামর্থ্যও অনেকের ছিল না। একটি পত্রিকা কেনা হলে অনেকে মিলেই সেটি পড়ত। সেই সময় থেকে শিক্ষা উন্নয়নে ক্যাম্পাস যে সেবা দিয়ে যাচ্ছে, তার তুলনা নেই। (নভেম্বর ২০১৫)
ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া
ব্যবস্থাপনা পরিচালক, রূপায়ন গ্রুপ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ

Like Us