বিশেষ খবর

আমার দৃষ্টিতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাস ডেস্ক ক্যাম্পাস ফ্যামিলি
img

‘বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস’ সম্পর্কে আমি প্রথম জানতে পারি একটি দৈনিক পত্রিকার মাধ্যমে যেখানে ফ্রি কম্পিউটার ট্রেনিং সম্পর্কিত একটি খবরের উল্লেখ ছিল। সে খবরে আকৃষ্ট হয়ে কম্পিউটার ট্রেনিং নিতেই মূলতঃ আমার এখানে আসা। সাধারণ প্রশিক্ষণার্থী থেকে আমি যে এখানকার একজন কর্মী হয়ে উঠবো এটা ছিল কল্পনাতীত।

‘বিশ্ববিদ্যালয় ক্যম্পাস’ নামের এই প্রতিষ্ঠানটি পত্রিকা প্রকাশের পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত এটি আমি প্রথম দিনেই বুঝতে পারি। এখানে অতিথি হয়ে আসা বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের বক্তব্য, সম্পাদক-এর বক্তব্য প্রভৃতি শুনে আমার এই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে এমন ধারণা হয় যা আর কখনও হয়নি। বর্তমান সময়ে যেখানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান শুধুমাত্র ব্যবসায়িক চিন্তায় ব্যস্ত, সেখানে একটি প্রতিষ্ঠান সমাজকে কিছু দিতে চায়, মানুষকে স্বচ্ছ মানুষরূপে গড়ে তুলতে চায়-এটা ভাবা যায় না। রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থান করেও আমি এদ্দিন এরকম একটি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানতে পারিনি- এটা আমার দুর্ভাগ্যই বলতে হবে। এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য, দৃষ্টিভঙ্গি, কর্মপরিধি সবকিছুই কল্যাণকর এবং যুক্তিসঙ্গত। সমাজের অন্যায়-অনাচার নিয়ে এই প্রতিষ্ঠানের খোলামেলা আলোচনা এবং প্রচারের যে উদ্যোগ আমি নিজ চোখে দেখেছি তা অন্যত্র দেখা যায় না। আসলে শুধুমাত্র অনিয়ম, অন্যায়, অনাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবার জন্য যে, কোন প্রতিষ্ঠানের জন্ম হতে পারে, ক্যাম্পাসকে না দেখলে তা বোঝা যায় না। এই প্রতিষ্ঠান দেশের যুব সমাজকে সুযোগ করে দিয়েছে অর্থ উপার্জনের পাশাপাশি মানবীয় গুণাবলীর বিকাশ সাধনে। সমাজ সচেতনতামূলক বিভিন্ন বিষয় সম্বলিত স্টিকার, লিফলেট, কার্ড, পোস্টার, ক্যালেন্ডার দেশব্যাপী প্রচারের কাজটি আমার খুবই ভালো লেগেছে। কেননা কাজটি একই সাথে মজার এবং শিক্ষণীয়। এছাড়া দেশের যেকোন প্রয়োজনে এই প্রতিষ্ঠান সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়, তা যত ক্ষুদ্রই হোক না কেন। বিভিন্ন সেবামূলক কর্মকাণ্ডে উৎসাহী ব্যক্তিদের সমাজসেবামূলক কাজের সুযোগ করে দিয়েছে এই প্রতিষ্ঠান। সমাজে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক বা সেবামূলক কাজে অর্থ প্রদানে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ এবং সেই অর্থের যথাযথ ব্যবহার করে থাকে এই প্রতিষ্ঠান। এক কথায় বলতে গেলে- মানবীয় গুণাবলী এবং সুপ্ত শক্তি বিকাশের সুযোগ দানের মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যেই আমার হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। আমার দৃষ্টিতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস একটি মহৎ প্রতিষ্ঠান।

ক্যাম্পাস একদিকে দেশের ও সমাজের অন্যায়-অসঙ্গতিগুলো চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে, অন্যদিকে যুব সমাজকে কর্মে উৎসাহিত করছে নানারকম কল্যাণকর প্রকল্পের মাধ্যমে। এই প্রতিষ্ঠানটি খুব শীঘ্রই আমার মত এদেশের প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেবে এটা আমার প্রত্যাশা। সকলের সহযোগিতায় এদেশ স্বচ্ছ ও সুন্দর রূপে ধরা দেবে বিশ্ববাসীর চোখে- এটা এখন আর স্বপ্ন নয়। যে মহৎপ্রাণ ব্যক্তির উদ্যোগে এই প্রতিষ্ঠানের জন্ম এবং যাঁদের সহযোগিতা এ প্রতিষ্ঠানের প্রাণ, তাঁদের সবার জন্য রইল হাজার সালাম। এই অনুভূতি খুবই গৌরবের, আমি এই প্রতিষ্ঠানেরই একজন হতে চলেছি।

উম্মে সালমা রনি
সহকারী পরিচালক (প্রশাসন)


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ