বিশেষ খবর

সরকার কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করেছে -প্রধানমন্ত্রী

ক্যাম্পাস ডেস্ক সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে চাহিদার কথা বিবেচনা করেই সরকার কারিগরি ও প্রযুক্তিগত শিক্ষার ওপর অধিক গুরুত্বারোপ করেছে। যাতে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম বর্তমান প্রযুক্তির উৎকর্ষের যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে পারে। এ কারণে সরকার শিক্ষকদের জন্যও আধুনিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, বর্তমান সরকার শিক্ষার পরিবেশ সুনিশ্চিত করেছে বলেই পাসের হার বাড়ছে। আর শিক্ষাজীবন শেষে যাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং বেকার না থাকে সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। গণভবনে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল গ্রহণকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশের উন্নয়ন, ভবন নির্মাণ ও সংস্কার, বৃত্তি প্রদান এবং প্রতিবছর মাধ্যমিক পর্যন্ত সারাদেশে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের সরকারি উদ্যোগের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, সরকার নিম্ন মাধ্যমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের আর্থিক সুবিধা প্রদানে ট্রাস্ট ফান্ড গঠনের মাধ্যমে বৃত্তি চালু করেছে। শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার অংশ হিসেবে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালু করা হয়েছে। প্রকৃত শিক্ষা ছাড়া কোন জাতিই উন্নত হতে পারে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ জন্যই সরকার সাধারণ শিক্ষার সঙ্গে কারিগরি শিক্ষারও বন্দোবস্ত করেছে।
শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে সরকার গৃহীত বিশ্বমানের সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে শিক্ষার্থীরা নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলবে এবং ভবিষ্যতে আর কোনো শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় ফেল করবে না বলে প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা মেধাবী। তাই আর যাই হোক তারা পরীক্ষায় ফেল করতে পারে না। পরীক্ষায় ভালো ফলকারীদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরীক্ষায় পাসের হার বেড়েছে, যদিও কেউ কেউ কৃতকার্য হতে পারেনি। তিনি বলেন, আমরা চাই আমাদের শিক্ষার্থীরা প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে গড়ে উঠবে, এতে তারা অন্যান্য দেশের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে।
২০২১ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে মধ্য আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত করার তাঁর সরকারের লক্ষ্যের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। গণভবনে অন্যান্যের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব সোহরাব হোসাইনসহ সকল শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানগণ উপস্থিত ছিলেন।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ