বিশেষ খবর

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবস

ক্যাম্পাস ডেস্ক শিক্ষা সংবাদ

কুয়েট
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালন করা হয়েছে। দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে ১৬ ডিসেম্বর ক্যাম্পাসস্থ মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য ‘দুর্বার বাংলা’র পাদদেশে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসি’র একটি চৌকশ দল গার্ড অব অনার প্রদান করেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন ও অ্যাকটিং ভাইস-চ্যান্সেলর (রুটিন ওয়ার্ক) প্রফেসর ড. মিহির রঞ্জন হালদার পুস্পমাল্য অর্পণ করেন। এছাড়া অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে প্রশাসনিক ভবন, আবাসিক হলসমুহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার সেন্টারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তানদের অংশগ্রহণে শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী, দুর্বার বাংলা চত্বরে গণসংগীত, বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে শিক্ষক বনাম ছাত্রের মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
চুয়েট
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সভায় বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের গর্বিত অংশীদার আমাদের চুয়েট পরিবার। ১৯৭১ সালের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে তৎকালীন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের দুইজন ছাত্র শহীদ হয়েছেন। তারা হলেন- শহীদ মোহাম্মদ তারেক ও শহীদ মোহাম্মদ শাহ। মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদের হাতে কোনো অস্ত্র ছিল না। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ পাকিস্তানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে তখনকার ছাত্রজনতাকে প্রেরণা যুগিয়েছে। আমাদের বর্তমান প্রজন্মের মাঝেও তাদের সেই প্রেরণা জোরালো করতে হবে। এর আগে ৪৭তম বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন চুয়েট’র ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। এছাড়া দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার মধ্যে বৈশাখী মঞ্চে শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ।
মাওলানা ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলাউদ্দিন-এর নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে বিজয় র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে প্রত্যয়-৭১ এর সামনে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালি শেষে শহীদদের স্মরণে ভাইস-চ্যান্সেলরের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার, বিভিন্ন হল, বিভাগ ও শিক্ষক সমিতি, অফিসার্স এসোসিয়েশন, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী সমিতি, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যয়-৭১-এর পাদদেশে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলাউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার্স এসোসিয়েশনের কার্যালয় উদ্বোধন করেন। এছাড়া বিজয় দিবস উপলক্ষে ছাত্রদের মোরগ লড়াই, ছাত্রীদের মিউজিক্যাল চেয়ার, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ভলিবল, ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীদের ফুটবল, শিক্ষিকা ও মহিলা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পিলো পাসিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয়
যথাযোগ্য মর্যাদা, উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি পালনের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ হতে ব্যাপক কর্মসূচি নেয়া হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম -এর নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, ছাত্র-ছাত্রী, কর্মচারী ও হাবিপ্রবি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা এক বিশাল বিজয় র‌্যালিতে অংশ নেয়। র‌্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম-এর নেতৃত্বে শহীদ মিনার বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, ছাত্রলীগ হাবিপ্রবি শাখার নেতৃবৃন্দ, কর্মচারী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড. শাহাদৎ হোসেন খান এর সভাপতিত্বে বিজয় দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। বিজয় দিবস উপলক্ষে শিশু-কিশোরদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে বিজয় দিবসের কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান। পরে নবনির্মিত বিজয় স্তম্ভ ‘চির উন্নত মম শির’- এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান। পরে শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা পরিষদ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধানগণ, প্রভোস্টগণ এবং শিক্ষক-কর্মকর্তা-শিক্ষার্থীবৃন্দসহ বিভিন্ন সামাজিক ও স্বাধীনতা স্বপক্ষের ছাত্র সংগঠন। এরপর ভাইস-চ্যান্সেলরের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য এক বিজয় র‌্যালি বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর প্রদক্ষিণ করে।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
মহান বিজয় দিবসে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ বিনির্মাণের শপথ গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেছেন, যে দিন দেশের কোনো মানুষ দুর্নীতি করবে না। কোনো কর্মকর্তা, কর্মচারী দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত হবে না। যেদিন বাংলাদেশে দুর্নীতি মুক্ত সমাজ গঠন হবে, সেদিনই আমরা বিজয়ের প্রকৃত স্বাদ পাব। বিজয় দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্যালারিতে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন এসব কথা বলেন। প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে মহান বিজয় দিবসের কর্মসূচি শুরু করে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের আয়োজনে একাডেমিক ভবনের পঞ্চম তলায় মহান মুক্তিযুদ্ধের দুর্লভ কিছু ছবি নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়।
পটুয়াখালী বিশ্ববিদ্যালয়
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) সম্প্রতি মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের জয়বাংলার পাদদেশে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ ও প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর মোহাম্মদ আলী। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে প্রফেসর ড. আবুল কাশেম চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর মোহাম্মদ আলী।
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
যথাযোগ্য মর্যাদায় বাংলাদেশ উ›মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাউবি) মহান বিজয় দিবস-২০১৭ উদ্যাপিত হয়। স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. খোন্দকার মোকাদ্দেম হোসেন এর নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ সাভারস্থ জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। পরে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের নেতৃত্বে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কে উপস্থিত হয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
লিডিং ইউনিভার্সিটি
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে লিডিং ইউনিভার্সিটি পরিবার সম্প্রতি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ কামরুজ্জামান চৌধুরীর নেতৃত্বে ক্যাম্পাস থেকে ব্যানার, ফেস্টুন, লাল সবুজের পতাকা, বাদ্যযন্ত্র এবং বিজয়ের ব্যাজ ধারণসহ একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে লিডিং ইউনিভার্সিটি পরিবার। এ উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। লিডিং ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোঃ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ কামরুজ্জামান চৌধুরী।
নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ
নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিশেষ আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন এর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক, দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন এর সম্পাদক ও নিউজ২৪ চ্যানেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নঈম নিজাম। নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ এ অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে যোগদান করেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. আনোয়ারুল করীম ও ট্রেজারার মোঃ আনোয়ার হোসেন। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা দেশ স্বাধীন করেছেন, আর এই স্বাধীনতা রক্ষার দায়িত্ব নিতে হবে বর্তমান সময়ের তরুণ প্রজন্মকে। তরুণ প্রজন্মকে শপথ নিতে হবে, মহান মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগ যেন বৃথা না যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। এ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর ডেভেলপমেন্ট এন্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স ডিরেক্টর লে. কর্ণেল (অব.) ইকতেদার আহমেদ সিদ্দীক, রেজিস্ট্রার মোঃ রাশিদুল ইসলাম, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষকম-লী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। একই দিনে বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে ক্যাম্পাস অডিটোরিয়ামে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে নর্দান ইউনিভার্সিটি বিজনেস লিডারশিপ ক্লাব।
বিইউবিটি
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি (বিইউবিটি) সম্প্রতি এক শোভাযাত্রার আয়োজন করে। সম্মানিত রেজিস্ট্রার ড. মোঃ হারুন অর-রশিদ, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ রুবাইয়াৎ চৌধুরী, আইন অনুষদের ডিন ড. সৈয়দ সরফরাজ হামিদ, বিভাগীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে শোভাযাত্রাটি বিইউবিটি ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয়ে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবি মাজারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের মাধ্যমে শেষ হয়। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষ্যে একটি বিতর্ক অনুষ্ঠান এবং মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের ওপর প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিতর্ক অনুষ্ঠানে বিচারক প্যানেলে ছিলেন বিইউবিটি’র প্রক্টর প্রফেসর মিঞা লুৎফার রহমান, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ রুবাইয়াৎ চৌধুরী, ট্রিপল-ই বিভাগের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আজহারুল হক, এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ও এসিস্ট্যান্ট প্রক্টর আব্দুল্লাহ আল আজাদ। মডারেটর ছিলেন ইংরেজি বিভাগের এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর মোঃ সাব্বির আহমেদ।
ঈশা খাঁ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
ঈশা খাঁ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ এর আয়োজনে ৪দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনা সভা দিয়ে শুরু হয় মহান বিজয় দিবস এর কার্যক্রম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ সুলতান উদ্দিন ভূঞা অনুষ্ঠানমালার শুভ উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানসূচিতে ছিলো মহান মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক আলোকচিত্র প্রদর্শনী, শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসে আলোচনা সভা, বিশ্ববিদ্যালয় ভবন আলোকসজ্জা, বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে বিজয় র‌্যালি, শহিদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা ও প্রীতি ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট। ১৬ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস হতে একটি বিজয় র‌্যালি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সরকারি গুরুদয়াল কলেজ চত্বরে শহিদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে র‌্যালিটি শেষ হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি (ইইউ) জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ এবং স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে ধানমন্ডিস্থ বিশ্ববিদ্যালয় সেমিনার হলে আয়োজন করে মহান বিজয় দিবসের আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বাংলাদেশের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মেজবাহ্ উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন ও অনুষ্ঠানের আহবায়ক অধ্যাপক কাশীনাথ রায়। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিলো ইইউ বন্ধুসভার আয়োজনে আবৃত্তি ও কৌতুক প্রতিযোগিতা। এ সময় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, বিভাগীয় প্রধান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, পরিচালক, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই ৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান স্মরণ করার পাশাপাশি বীর শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ