বিশেষ খবর

সাতক্ষীরা-৩ আসনে মনোনয়ন-প্রত্যাশী শিক্ষাবিদ নিবেদিতপ্রাণ ভাইস-চ্যান্সেলর ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ

ক্যাম্পাস ডেস্ক সংবাদ

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-৩ আসনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির যে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা মাঠে নেমেছেন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নাম প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ। তিনি প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, সফল উদ্যোক্তা এবং বাংলাদেশের সুধী সমাজে সম্মানিত ব্যক্তিত্বদের একজন। সৃজনশীল উদ্যোক্তা উন্নয়নমূলক কর্মকা-ে তার রয়েছে সফল পদচারনা। এর প্রতিফলন হিসেবে বিশেষ করে আবাসান এবং পর্যটন শিল্পে তিনি ব্যাপক সফলতা অর্জন করেন। পাশাপাশি শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানেও তিনি এখন সবার শীর্ষে। তিনি ২টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, ১টি মেডিকেল কলেজসহ ১২টি’র অধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। এটি এখন দেশে শিক্ষা বিস্তারে সবচেয়ে বড় এডুকেশন গ্রুপ। তিনি দেশের ১ম সারির ‘নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ’-এর চেয়ারম্যান। এলাকার আরো অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার সঙ্গে জড়িত ড. আব্দুল্লাহ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন।
প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ’র তীক্ষè মেধাশক্তি, সুদূর প্রসারী কর্মপরিকল্পনা সর্বোপরি দক্ষ ব্যবস্থাপনায় নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ অতি অল্প সময়ে দেশ-বিদেশে যথেষ্ট খ্যাতি অর্জন করেছে। বর্তমানে তিনি ‘নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এ- টেকনোলজি খুলনা’র প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য। তিনি বাংলাদেশের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে অধ্যাপনা করছেন দীর্ঘ ২৫ বছর।
তিনি একজন সফল উদ্যোক্তা, আক্ষরিক অর্থেই প্রফেসর আব্দুল্লাহ’র ব্যাপারে যার প্রমাণ মিলে। তিনি জ্ঞানী এবং গুণী মহলে সমধিক সমাদৃত এবং উদাহরণযোগ্য ও অনুকরণীয় একজন উদ্যোক্তা। একজন সফল ACADEMIC TURNED ENTREPRENEUR হিসেবে তিনি সমধিক পরিচিত দেশের উচ্চশিক্ষিত মহলে। International Marketing and Productivity’র মেধাবী ব্যক্তিত্ব ড. আব্দুল্লাহ’র বাজার বিশ্লেষনের ক্ষেত্রে রয়েছে অসাধারণ দক্ষতা। তিনি মার্কেটকে বিশ্লেষণ করে strategic ও innovative approach নিয়ে যে ব্যবসায়িক পদক্ষেপটা নেন তা সর্বজনভাবে সমাদৃত। শিক্ষিত তরুণ প্রজন্ম তাকে একজন উচ্চশিক্ষিত সফল উদ্যোক্তা হিসেবে চেনেন ও জানেন এবং একই কারনে তিনি শিক্ষিত তরুণ প্রজন্মের কাছে একজন রোল মডেল।
জানা যায়, সাতক্ষীরা-৩ আসনটি বারবার ভেঙেছে। ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে যুক্ত হয়েছে আশাশুনি উপজেলার ১১ ইউনিয়ন, দেবহাটা উপজেলার পাঁচ এবং কালিগঞ্জ উপজেলার চার ইউনিয়ন; তিন উপজেলার ২০টি ইউনিয়ন নিয়ে এখন এই আসন। শুরুতে ছিল শুধু আশাশুনি উপজেলা। এ আসনে পর পর দু’বার এমপি নির্বাচিত হন বিশিষ্ট শল্যচিকিৎসক ডা. আ ফ ম রুহুল হক।
ডা. আ ফ ম রুহুল হকের সঙ্গে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে নেমেছেন ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ। সম্প্রতি সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাব ও আশাশুনি প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গেও তিনি মতবিনিময় করেন এবং এমপি নির্বাচিত হতে কী কী করবেন তাঁর পরিকল্পনা জানান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থক প্যানেল নীল দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। গরিব ও অসহায়দের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সহায়তা দিয়ে থাকেন। সিএসআর এর ক্ষেত্রে তাঁর অবদান ও অবস্থান শীর্ষপর্যায়ে। তিনি দেবহাটা, আশাশুনি ও কালিগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করে প্রার্থী হওয়ার কথাও জানান দিয়েছেন।
ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ বলেন, সাতক্ষীরার মাটিতেই আমার জন্ম। লেখাপড়ার কারণে বাইরে থাকতে হয়েছে। এখন সুযোগ হয়েছে এলাকায় ফিরে মানুষের জন্য কিছু করার।
এই আসনের তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে দেখা গেছে, সমাজসেবামূলক কাজে ও দারিদ্র্য বিমোচনে জাকাতভিত্তিক সহযোগিতা করার কারণে এলাকার নারী, শিশু ও অসহায় অনেকের তিনি প্রিয় পাত্র।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ