বিশেষ খবর

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে যাচ্ছে সরকারি কলেজ

ক্যাম্পাস ডেস্ক কলেজ

চলতি বছরের মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি কলেজগুলো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নেয়ার জন্য প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। ‘প্রথম পদক্ষেপ’ হিসেবে সেমিনার করে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ কর্তৃপক্ষ এবং শিক্ষাবিদদের মতামত নেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এজন্য দায়িত্ব বণ্টন করে দেয়া হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত এক সভায় ২৯ অক্টোবর এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। কলেজগুলোকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নেয়া জটিল ও সময় সাপেক্ষ ব্যাপার বলে সভায় জানানো হয়। বিষয়টি স্বীকার করে নাহিদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোর এ ব্যাপারে প্রস্তুতি নেই। কলেজগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নিতে নিবন্ধন করতে হবে, লোকবল লাগবে। এছাড়া পরীক্ষা নিতে অবকাঠামো প্রয়োজন পড়বে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে এসে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ২৭৯টি সরকারি কলেজকে বিভাগীয় পর্যায়ের পুরনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করার নির্দেশনা দেন। যদিও কলেজগুলো এর বিরোধিতা করে আসছে।
এ বিষয়ে সেমিনার ও ওয়ার্কশপ করে বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষাবিদসহ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতামত নিতে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব বণ্টন করে দেয়া হয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। সভায় উপস্থিত একজন কর্মকর্তা জানান, শিক্ষামন্ত্রী যতো শিগগির সম্ভব প্রথম পদক্ষেপ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন। ধাপে ধাপে কলেজগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নেয়া হবে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নে চুক্তি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০ বছর অগ্রবর্তী মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের চুক্তি ২৮ অক্টোবর ডেভেলপমেন্ট ডিজাইন কনসালট্যান্টস ও মার্ক আর্কিটেক্টস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লি. এর সঙ্গে স্বাক্ষরিত হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদের সভাপতিত্বে কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত সভায় এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
এ মাস্টার প্ল্যানে সিনেট হল, সুপরিসর আইটি ভবন, ডরমেটরি ভবন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ট্রেনিং রুম, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের থাকার ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা বিদ্যমান থাকবে। এর ফলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় একটি মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে উঠবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. আসলাম ভূঁইয়া, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুনাজ আহমেদ নূর, ট্রেজারার মোঃ নোমান উর রশীদ, রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল হোসেন, পরিচালক মোঃ আবু হানিফ, ডিডিসিএল এর পরিচালক এ কে এম নাসির উদ্দিন, মার্ক আর্কিটেক্টস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইঞ্জি. আব্দুল্লাহ আল মামুন, নিবার্হী প্রকৌশলী মোঃ মিজানুর রহমানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ