বিশেষ খবর

ঢাবি শিক্ষার্থীকে চেতনায় ধারণ করতে হবে মুক্তিযুদ্ধকে -ঢাবি উপাচার্য

ক্যাম্পাস ডেস্ক সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
img

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) আইবিএ গ্র্যাজুয়েশন ১৯ ডিসেম্বর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেছেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মনে রাখতে হবে, চেতনায় ধারণ করতে হবে।
আইবিএ’র পরিচালক অধ্যাপক ড. এ কে এম সাইফুল মজিদের সভাপতিত্বে আইবিএ গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে ইএমবিএ প্রোগ্রামের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খায়ের জাহান, এমবিএ প্রোগ্রামের চেয়ারপারসন ড. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে গ্র্যাজুয়েট বক্তা ছিলেন সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আজিজ খান।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে গ্র্যাজুয়েট হিসেবে বিবিএ’র ১৯তম ব্যাচের ১০৪, এমবিএ’র ৪৮-৪৯তম ব্যাচের ১৩০ এবং ইএমবিএ’র ১৬ ও ১৭তম ব্যাচের ৫৪ জন শিক্ষার্থীর হাতে উপাচার্য সনদপত্র তুলে দেন। কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন করায় অনুষ্ঠানে ৫ শিক্ষার্থীকে স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়। স্বর্ণপদকপ্রাপ্তরা হলেন- বিবিএ’র সাবা হোসাইন খান, এমবিএ’র রাফিয়া আফরিন এবং এমবিএ’র (সান্ধ্য) মুনতাসির কাইয়ূম খান, মনজুর মোশাররফ ও গাজী মুহাম্মদ রাসেল বিন হোসাইন।
অনুষ্ঠানে উপাচার্য বক্তব্যের শুরুতে মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহীদ এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ করে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিজ্ঞান, ব্যবসায় অনুষদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মনে রাখতে হবে, এর সম্মান সমুন্নত রাখতে হবে, চেতনায় ধারণ করতে হবে।
উপাচার্য ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ এবং ১৪ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ও শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরীহ ও নিরস্ত্র বুদ্ধিজীবীদের ওপর পাকিস্তানী বাহিনীর বর্বর আক্রমণের চিত্র তুলে ধরে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সেদিন নজিরবিহীন গণহত্যার শিকার হয়েছিলেন। সেই জন্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ