বিশেষ খবর

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার ক্ষেত্র বাড়াতে হবে -রাষ্ট্রপতি

ক্যাম্পাস ডেস্ক সংবাদ
img

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ার লক্ষ্যে গবেষণায় সহায়তা করতে বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার ক্ষেত্র বাড়ানোর উপর গুরুত্বারোপ করেছেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, গবেষণা উচ্চশিক্ষার অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ। কারণ গবেষণার মাধ্যমে সৃষ্টি হয় নতুন জ্ঞানের যা জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে অবদান রাখে। সময়ের চাহিদা বিবেচনায় রেখে সরকার দেশে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধিতে উদ্যোগ নিয়েছে। বর্তমানে দেশে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মিলে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান শতাধিক। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে উচ্চশিক্ষার পরিধিও আজ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে উচ্চশিক্ষার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করতে আমাদের অবিরাম তৎপরতা চালাতে হবে। গবেষণার ক্ষেত্র বাড়াতে হবে।
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির ভাষণে এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন এমিরেটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান ও চবি’র উপাচার্য ইফতেখারউদ্দিন চৌধুরী। রাষ্ট্রপতি বলেন, সমাবর্তন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথাগত অনুষ্ঠান হলেও বাস্তব জীবনে এর গুরুত্ব অত্যধিক। সমাবর্তনের মাধ্যমে একদিকে যেমন নবীন গ্র্যাজুয়েটদের অর্জনকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়, তেমনি বিশ্ববিদ্যালয়ও তার কার্যক্রমের সামগ্রিক মূল্যায়নের সুযোগ পায়। সমাবর্তন তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনে এক একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪র্থ সমাবর্তনে নবীন গ্র্যাজুয়েট, গবেষক, তাদের গর্বিত অভিভাবক, সম্মানিত শিক্ষকমন্ডলীসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ-স্বাধীনতা, চট্টগ্রাম অঞ্চল, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সব আসলে এক সূত্রে গাঁথা। তাই আজ আপনাদের এই চতুর্থ সমাবর্তন উৎসবে এসে নিজেকে ধন্য মনে করছি।
আগামী ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্য আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত করতে সরকার কার্যক্রম গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে থাকতে হবে নিরলস প্রচেষ্টা, আত্মসমালোচনা ও সহযোগিতা। থাকতে হবে কর্তব্য ও দায়িত্ববোধ।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ