বিশেষ খবর

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কান্ড!

ক্যাম্পাস ডেস্ক ব্যতিক্রমী সংবাদ

যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার বিষয়টি এশিয়া ও আফ্রিকার শিক্ষার্থীদের কাছে সবসময়ই আকর্ষণীয় বিষয়। কিন্তু বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় মাঝে মধ্যেই এমন কড়াকড়ি আরোপ করে যে অনেক সময় তা নিষ্ঠুরতার পর্যায়ে চলে যায়। নিজের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সম্পর্কে তেমনই এক অভিযোগ তুলেছেন লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়নের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী সাইমা হক। সুদূর পূর্ব আফ্রিকার দেশ তানজানিয়ায় বাবার মৃত্যুর ঘটনা প্রমাণ করতে না পারায় পরে পরীক্ষা দিতে তার আবেদন সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়।
ক্ষুব্ধ সাইমা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই আচরণের বিষয়টি টুইটারে বিশদ লিখে জানিয়েছেন। আর তাতেই ছি ছি রব উঠেছে খোদ যুক্তরাজ্যে। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত সাইমা জানান, চলতি মার্চ মাসে তার দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। কিন্তু গত মাসে হঠাৎ করেই তার বাবা আফ্রিকায় মারা যান। তাই সেখানে যাওয়ার জন্য সাইমা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে তার মার্চের পরীক্ষাটি আগামী জুলাই মাসে পেছানোর আবেদন করেন। কিন্তু তার কাছে বাবার মৃত্যুর অফিসিয়াল কাগজপত্রের আসল কপি না থাকায় এই আবেদন সরাসরি নাকচ করে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সাইমা কোনোভাবেই প্রশাসনকে বোঝাতে সক্ষম হননি যে, আফ্রিকা থেকে এ মুহূর্তে তার বাবার মৃত্যুর আসল কাগজপত্র লন্ডনে আনা সম্ভব নয়। তাই তিনি ক্ষোভ ঝাড়েন টুইটারেই।
টুইটে তিনি লেখেন, আমি বলছি না, আমাকে পরীক্ষা ছাড়াই দ্বিতীয় বর্ষে উত্তীর্ণ করতে। আমি শুধু আবেদন করেছি আমার পরীক্ষাটি পিছিয়ে জুলাইয়ে নেয়া যায় কি-না, যাতে আমি আমার মায়ের পাশে এখন থাকতে পারি। শুধু আমি নই, এমনটা অনেক শিক্ষার্থীই করে থাকে। আমি তাদের সেসব কাগজপত্রের অনুলিপিও দিয়েছি। কিন্তু তারা মানেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন অযৌক্তিক আচরণ দেখে আমি হতাশ।
অবশ্য এক রিটুইটে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সাইমাকে লেখে, তোমার বাবার মুত্যুর খবর শুনে আমরা খুবই দুঃখিত। তুমি কি আমাদের তোমার কাগজপত্রগুলো আবার দেখাতে পারো, যাতে আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পারি?


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ