বিশেষ খবর

শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছে সরকার -শিক্ষামন্ত্রী

ক্যাম্পাস ডেস্ক সংবাদ
img

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি সারাদেশে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার। সরকারের এসব কার্যক্রম গ্রাম ও শহরের মধ্যে শিক্ষার সুযোগ ও গুণগত মানের পার্থক্য হ্রাসে ভূমিকা রাখছে।
সম্প্রতি রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে দেশের ৩১০টি মডেল বিদ্যালয়কে আইসিটি ল্যাব ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের সরঞ্জাম প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এসব স্কুলকে ৩৫২০টি কম্পিউটার, ২১৭০টি ল্যাপটপ, ২১৭০টি প্রজেক্টর, ১৬০টি ফটোকপি মেশিন ও আসবাব প্রদান করা হয়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার গত ৭ বছরে সারাদেশে ৬ হাজার ২৩৫টি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার নতুন ভবন নির্মাণ ও সংস্কারের কাজ করছে। বর্তমানে আরও ৩ হাজার ২৪০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ ধরনের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে শিক্ষাদান পদ্ধতি আকর্ষণীয় করতে সারাদেশে ২৪ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম গড়ে তোলা হয়েছে। এ ছাড়া নবনির্মিত ১২৫টি উপজেলা আইসিটি ট্রেনিং অ্যান্ড রিসোর্স সেন্টার ফর এডুকেশন (ইউআইটিআরসিই) গড়ে তোলা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব উপজেলায় এ ধরনের ইউআইটিআরসিই গড়ে তোলা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, উপজেলার শ্রেষ্ঠ বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোকে মডেল স্কুলে রূপান্তর করা হয়েছে। অত্যাধুনিক ভবন নির্মাণ শেষ হয়েছে। এখন মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের জন্য সরঞ্জামাদি দেয়া হলো। ইতোমধ্যে অষ্টম বেতন কাঠামোয় আপনাদের বেতন দ্বিগুণ করা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে কারো কারো বেতন লাখ টাকা ছাড়াবে। আর কী চাই আপনাদের?
এ সময় শিক্ষকরা বলেন, আমরা জাতীয়করণ চাই। এমনকি আগেও শিক্ষকরা তাঁদের বক্তব্যে জাতীয়করণের দাবি তোলেন। এর প্রতি-উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আপনাদের স্কুলগুলোকে এত এত সুবিধা দেয়া হচ্ছে। এর জন্য কোনো কৃতজ্ঞতা না জানিয়ে উল্টো আবারও দাবি জানাচ্ছেন। আপনাদের বেতন দ্বিগুণ হয়েছে। জাতীয়করণ হবে তবে আপনাদের বাদ দিয়ে অন্য স্কুলগুলো। কারণ আপনাদের মডেল স্কুল। আপনারা অন্যদের চেয়ে বেশি সুবিধা পাচ্ছেন।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ফাহিমা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষা সচিব মোঃ সোহরাব হোসাইন ও প্রকল্প পরিচালক কেএম রফিকুল ইসলামও বক্তব্য রাখেন।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ