বিশেষ খবর

জ্ঞানার্জনের পথে ফাঁকি দিলে নিজেদেরই ফাঁকি দেয়া হয় -ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম

ক্যাম্পাস ডেস্ক ক্যাম্পাস’র অনুষ্ঠান
img

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় ক্যাম্পাস পরিচালিত ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস কোর্স ফর লিডারশিপ এর ১৮তম ব্যাচের সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র রচয়িতা, অন্যতম সংবিধান-প্রণেতা, স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুক্তি-সংগ্রামের শীর্ষ সংগঠক, জাতির জনকের ঘনিষ্ঠ সহচর, খ্যাতিমান আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ, বর্ণিল গুণাবলি ও বহুমাত্রিক প্রতিভার কর্মযোগী ব্যক্তিত্ব ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক এবং ক্যাম্পাস সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (সিএসডিসি) এর মহাসচিব ড. এম হেলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সরকারের সাবেক যুগ্মসচিব ও গ্রন্থকার হাজেরা নজরুল; সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বিশ্বব্যাংক বিষয়ক কনসালটেন্ট এবং ওয়ার্ল্ড-ওয়াইড ফ্যামিলিলাভ মুভমেন্টের চেয়ারপার্সন তাজকেরা খায়ের; জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক প্রফেসর নাজমা বেগম; ইংলিশ কোর্সের রিসোর্স পারসন এডভোকেট গোলাম কিবরিয়া; কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলার উপদেষ্টা ছড়াকার মোহাম্মদ মোস্তফা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথিকে পুষ্পমাল্যে বরণ করে নেয়া হয় এবং উপহার হিসেবে অর্পণ করা হয় ক্যাম্পাস জ্ঞানমেলা সিরিজে প্রকাশিত সৃজনশীলতা বৃদ্ধি, আত্মোন্নয়ন ও জাতি জাগরণমূলক বিভিন্ন বই; ক্যম্পাস’র নিজস্ব গবেষণায় প্রকাশিত ২টি মডেল এবং বিভিন্ন সিডির সেট ও সুভ্যেনির। এরপর তাঁকে ক্যাম্পাস’র সম্মাননা ক্রেস্ট অর্পণ করেন সিএসডিসি’র মহাসচিব ড. এম হেলাল।
ইংলিশ কোর্সের ট্রেইনীরা যাতে প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে দেশোন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে, সে কামনায় প্রধান অতিথি আশা জাগানিয়া মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন। এরপর সফল ট্রেইনীদের মাঝে সনদ বিতরণ করা হয়। সনদ বিতরণ শেষে শুরু হয় বক্তৃতাপর্ব।
ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম
প্রধান অতিথির ভাষণে আইন অঙ্গনের উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক, সুকৃতি ও সাফল্যে দেদীপ্যমান সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম বলেন মুক্তিযুদ্ধের আগে বঙ্গবন্ধুর সান্নিধ্যে আমরা দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করতাম, আলাপ-আলোচনা করতাম। এ সময় মার্কিন কনস্যুলেটের এক সদস্য একদিন আমাকে বলল তোমরা বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছ, আমাদের স্টেট ডিপার্টমেন্টের তালিকায় বাংলাদেশ বলে কোনো দেশ নেই! ওই ভদ্রলোক হয়ত বলতে চেয়েছেন- বাংলাদেশ ভাবনা অবাস্তব। পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা প্রমাণ করেছি যে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন ছিল বাস্তব, বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ জ্বল জ্বল করে জ্বলছে। আমাদের দেশ স্বপ্নের দেশ, ষড় ঋতুর দেশ; বিশ্বের আর কোথাও এমন ঋতু বৈচিত্র্য নেই। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য যে, আমরা নিজেদের চিনি না, বুঝি না। যতক্ষণ আমরা নিজেদের আবিষ্কার করতে না পারব, ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের উন্নতি হবে না।
ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম বলেন, ক্যাম্পাস ছাত্র-তরুণদের ব্রেন-প্রোগ্রাম নিয়ে কাজ করে। ছাত্র-তরুণদের ঘাড়ের উপর সুপার পাওয়ারের নেকটপ কম্পিউটারস্বরূপ যে মস্তিষ্ক রয়েছে, তার ক্ষমতা সম্পর্কে ছাত্র-তরুণদেরকে জাগ্রত করে; তাদেরকে আশার বাণী শোনায়। ক্যাম্পাস’র এ চিন্তাধারার সাথে আমার মিল রয়েছে। আমাদের ব্রেন-কম্পিউটার সারাক্ষণ কাজ করছে। এটি এমন এক কম্পিউটার, যার মূল্য দেয়া যায় না। তাই ছাত্র-তরুণদের বলব তোমরা যদি তোমাদের সুপার কম্পিউটারকে পজিটিভ চিন্তাধারায় কাজে লাগাতে পার, তাহলে তোমাদের সাফল্য সুনিশ্চিত। মনে রাখবা জ্ঞানার্জনের পথে ফাঁকি দিলে নিজেদেরই ফাঁকি দেয়া হয়। আমাদের অনেক কিছুই পণ্যে পরিণত হয়েছে; তবে জ্ঞান-আবেগ-অনুভূতি যেন পণ্যে পরিণত না হয়। মনুষ্যত্ব খুঁজে বের করে সবার কাছে তাকে পৌঁছে দিতে হবে।
ক্যাম্পাস’র কর্ণধার হেলাল সাহেব ডরংয করেছেন- আমার ১৩৫ বছর আয়ুর জন্য, তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। যতদিনই বাঁচি দেশ-সমাজ ও মানুষের জন্য কাজ করে যেতে চাই, ভোগ-বিলাসে মত্ত হতে চাই না, সম্পদের পাহাড় গড়তে চাই না। ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম বলেন, যে কথা হৃদয়ের গভীর থেকে আসে, সে কথায় কাজ হয়। কথার পাখা আছে; কথার সাথে ভাষা, ভাষার সাথে জীবনের যোগ রয়েছে। তাই হেলাল সাহেবের কথায় কাজ হবে বলে আমার বিশ্বাস।
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র রচয়িতা ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম বলেন মুক্তিযুদ্ধের অনেক ফসল হারিয়ে যেতে বসেছে, আমাদেরকে সচেতনভাবে সেগুলো রক্ষা করতে হবে। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র তৈরি করেছিলাম বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে। সেখানে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচারের কথা আছে। তারই আলোকে রচিত হয়েছে আমাদের সংবিধান। ন্যায়ানুগ, নিয়মতান্ত্রিক, গণতান্ত্রিক সরকার গঠন সংবিধানের অন্যতম লক্ষ্য।
আমীর-উল ইসলাম বলেন ক্যাম্পাস স্টাডি সেন্টার বাস্তবায়িত হবেই, কারণ আপনারা তা পরিকল্পিতভাবে সুদূরপ্রসারী চিন্তা-চেতনা দিয়ে তৈরি করছেন। আপনাদের লক্ষ্য খধি ধহফ ঐঁসধহরঃু, দেশকে নিয়মের মধ্যে রাখা। স্রষ্টা প্রকৃতিতে খধি ড়ভ চযুংরপং, খধি ড়ভ ঈযবসরংঃৎু, খধি ড়ভ ইরড়ষড়মু তৈরি করে দিয়েছেন যা থেকে মানুষ জীবন চলার পথের সন্ধানলাভ করে। আপনাদের কর্মোদ্দীপনার সাথে যুক্ত হতে চাই, কাজ করতে চাই দেশ ও মানুষের কল্যাণে।
তাজকেরা খায়ের
বিশ্ব পারিবারিক ভালোবাসা আন্দোলনের চেয়ারপার্সন তাজকেরা খায়ের বলেন, ক্যাম্পাস আলোকিত মানুষ গড়ার কারখানা; এখানে আসলে, ক্যাম্পাস’র কর্মযজ্ঞে সম্পৃক্ত হলে মানুষ আলোকিত হয়ে যায়। ক্যাম্পাস থেকে অনেক কিছু শিখেছি। সচিবালয়ে প্রথম ক্যাম্পাস’র সন্ধান পাই। তাদের ক্যালেন্ডার-স্টিকার আমার চোখে পড়ে; এ প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানতে কৌতূহল জাগে। ঠিকানা ধরে একদিন ক্যাম্পাস অফিসে এসে গেলাম রঙ-বেরঙের বিভিন্ন ফুল-গাছের সমাহারে ক্যাম্পাস অফিসকে বেশ আকর্ষণীয় মনে হলো, ক্যাম্পাস কর্ণধারের কাছ থেকে অনেক কিছু জানলাম। সেই থেকে ক্যাম্পাস’র ডাকে সাড়া না দিয়ে পারি না। ক্যাম্পাস ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করছে। ক্যাম্পাস তার আলো যাতে দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে পারে, সেজন্য ক্যাম্পাসকে সহযোগিতা করা প্রয়োজন। প্রধান অতিথি ক্যাম্পাস’র বড় প্রকল্প ক্যাম্পাস স্টাডি সেন্টার বাস্তবায়নের ব্যাপারে ক্যাম্পাসকে সহযোগিতা করবেন বলে আশা করি।
এডভোকেট এম গোলাম কিবরিয়া
ইংলিশ কোর্সের রিসোর্স পার্সন এডভোকেট এম গোলাম কিবরিয়া স্বাগত বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শত ব্যস্ততার মধ্যেও আমাদের শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে এসেছেন, সেজন্য আমরা তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ। ৮০ পেরিয়ে তিনি এখনও তরুণ, ছাত্র-তরুণদের আদর্শ। বার্ধক্য তাঁকে পরাভূত করতে পারেনি; তিনি দুর্দান্তভাবে সক্রিয়। প্রধান অতিথি ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম আইন পেশায় সফল ব্যক্তিত্ব, অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। স্বাধীনতার ইশতেহার রচনা করেছেন, সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা। লন্ডনে বার এট ল’ পড়ার সময় পাকিস্তান স্টুডেন্ট এসোসিয়েশনের নির্বাচনে ফারুক লেঘারিকে উল্লেখযোগ্য ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছিলেন। এই ফারুক লেঘারি পরবর্তীতে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। প্রধান অতিথি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এবং দু’বার ভাইস-প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। আইনের ভুবনে এ প্রথিতযশা আইনজীবী বহু অনুকরণীয় উদাহরণ স্থাপন করেছেন। পাকিস্তান আমলে রেল ধর্মঘটের কারণে শত শত রেল কর্মীর চাকরিচ্যুতি হয়েছিল। তাদের পক্ষে ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম বিনা ফি-তে রিট আবেদন করে আইনি লড়াইয়ে জয়লাভ করে রেলকর্মীদের চাকরি ফিরিয়ে দেন। রেল শ্রমিকদের কাছ থেকে তিনি একটি টাকাও নেননি।
প্রধান অতিথি নিজে বড় আইনজীবী হয়ে বসে থাকতে চাননি, তিনি আইনজীবী তৈরির ইন্সটিটিউট স্থাপন করেছেন। আইনজীবীদের জন্য ঈড়ঁহঃরহঁরহম খবমধষ ঊফঁপধঃরড়হ চৎড়মৎধস ও বার ভোকেশনাল কোর্সের পাশাপাশি ওহঃবহংরাব ঞৎরধষ অফাড়পধপু ডড়ৎশংযড়ঢ় চালু করেন। তিনি এ ইন্সটিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা-চেয়ারম্যান। মাতৃভাষার প্রতি অগাধ ভালোবাসার নিদর্শনস্বরূপ কুষ্টিয়া শহরে নিজ বাসভবনে ‘বিশ্ব বাংলা পাঠভবন’ নামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছেন। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, এই কীর্তিমান আইনজীবীও বেঁচে থাকবেন।
গোলাম কিবরিয়া বলেন ক্যাম্পাস এক অনন্য প্রতিষ্ঠান। আমি আরও কয়েকটি স্থানে ইংলিশ কোর্সে প্রশিক্ষক হিসেবে অংশগ্রহণ করেছিলাম, কিন্তু সেসব প্রতিষ্ঠানে বাণিজ্যিক ট্রেন্ড লক্ষ্য করে চলে এসেছি। ক্যাম্পাস এ এসে আমি সেই স্বপ্নের ঠিকানা পেয়েছি। ক্যাম্পাস মানুষের চিন্তার পরিবর্তন ঘটাচ্ছে, নিত্য-নতুন আইডিয়ার জন্ম দিচ্ছে। ক্যাম্পাস যুব-সমাজের মধ্যে পরিবর্তনের ধারা নিয়ে আসছে। ইংলিশ ক্লাসে যখন শিক্ষার্থীরা ভর্তি হয়, তখন দেখা যায় তারা ঠিকমতো হাসতেও পারে না; আর যখন কোর্স কমপ্লিট করে, তখন তারা এক একটি স্মার্ট তরুণ-তরুণী, একেবারে পরিবর্তিত মানুষ।
তিনি বলেন ক্যাম্পাস বিদেশি ডোনেশনে চলে না, দেশের বিত্তশালী উদারপ্রাণ-মহৎ ব্যক্তিত্বদের সহযোগিতায় তার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে চলেছে। তাদের সামনে এখন বড় প্রকল্প ক্যাম্পাস স্টাডি সেন্টার, এর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সমাজসেবী, মানবপ্রেমী, কল্যাণকামী ব্যক্তিদের কাছ থেকে সহযোগিতা কামনা করছে। প্রধান অতিথি ক্যাম্পাস-কর্মসূচিতে সহযোগিতা করে একে আরও এগিয়ে দেবেন বলে আমারা আশাবাদী।
ড. এম হেলাল
অনুষ্ঠানের সভাপতি ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক ড. এম হেলাল বলেন, আজকের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি একজন বিরলপ্রজ ব্যতিক্রম ধারার মানুষ। আইন পেশার প্রতি একাগ্রতা, একনিষ্ঠতা আছে, কিন্তু টাকা আয় করার জন্য এ পেশায় আসেননি; মানবকল্যাণ ছিল তাঁর লক্ষ্য। নির্বাচিত ১৯জন পুলিশ কর্মকর্তাকে ট্রেনিং অবস্থায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল। ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম চাকরিচ্যুতদের পক্ষে আইনি লড়াই করে তাদের চাকরি ফিরিয়ে আনেন। তখন প্রত্যেক পুলিশ কর্মকর্তা তাঁকে সম্মানিরূপে ৫ লাখ টাকা করে দিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তিনি একটি টাকাও নেননি; বরং বলেছেন, আপনারা আপনাদের মায়ের জন্য এ টাকা খরচ করবেন। এভাবে ন্যায্য পাওনার কোটি কোটি টাকার লোভ সামলাতে পেরেছিলেন ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম। এ শুধু একটি ঘটনা, এরূপ অসংখ্য ঘটনা রয়েছে তাঁর পেশাজীবনে। যেখানে আগে ফি হাতে না নিয়ে কেইস স্টাডিই করেন না বহু আইনজীবী, সেখানে তিনি বিনা ফি-তে মামলা পরিচালনা করে, এমনকি কোর্ট-কাচারির ফি নিজে বহন করে খালাস করে আনেন নির্দোষ অভিযুক্তদের!
ড. এম হেলাল বলেন দেশের মানুষকে কাজে লাগাতে পারলে আমরা শক্তিশালী, সমৃদ্ধ জাতিতে পরিণত হতে পারব। ক্যাম্পাস’র একটা সেøাগান আছে- অন্যকে সাহায্য করতে থাকুন, আপনার সমস্যাও কেটে যাবে। এটি ক্যাম্পাস কর্মীদের বিশ্বাসের অংগ। তিনি বলেন, ক্যাম্পাস ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলনের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করছে। এ বিরাট দায়িত্ব ক্যাম্পাস কাঁধে নিয়েছে দেশপ্রেম, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে। তাই ক্যাম্পাস’র এসব কল্যাণকর কর্মসূচিতে জ্ঞানী-গুণী, সচেতন দেশপ্রেমী ব্যক্তিত্বগণের সমর্থন-সহযোগিতা একান্ত কাম্য।
ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস ফর লিডারশিপ কোর্স এর পরবর্তী ব্যাচ শুরু হবে ২ মে মঙ্গলবার।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ