বিশেষ খবর

ডায়নামিক কম্পিউটার ট্রেনিং উদ্বোধন করেন বুয়েট উপাচার্য প্রফেসর ড. সাইফুল ইসলাম

ক্যাম্পাস ডেস্ক ক্যাম্পাস’র অনুষ্ঠান
img

২৮ জুলাই অনুষ্ঠিত হয় ক্যাম্পাস পরিচালিত ডায়নামিক কম্পিউটার ট্রেনিংয়ের ১৪৯তম ব্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। ক্যাম্পাস পত্রিকা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ছাত্রবৎসল শিক্ষাবিদ, শিক্ষান্নোয়ন ও গুণগত শিক্ষার সাধক, বহুমুখী প্রতিভা ও বর্ণিল গুণাবলির কর্মযোগী, ডায়নামিক ও প্রতিভাদীপ্ত ব্যক্তিত্ব, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক এবং ক্যাম্পাস সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (সিএসডিসি) এর মহাসচিব ড. এম হেলাল।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথিকে পুষ্পমাল্যে বরণ করে নেয়া হয় এবং তাঁকে উপহার হিসেবে অর্পণ করা হয় ক্যাম্পাস’র জ্ঞানমেলা সিরিজে প্রকাশিত সৃজনশীলতা বৃদ্ধি, আত্মোন্নয়ন ও জাতি জাগরণমূলক বিভিন্ন বইয়ের সেট; ক্যাম্পাস’র নিজস্ব গবেষণায় প্রকাশিত দুটি মডেল, বিভিন্ন সিডির সেট ও স্যুভেনির।
প্রাজ্ঞ ও বিদগ্ধ প্রফেসর, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আই ই টি-ইউকে ফেলো ও চার্টার্ড ইঞ্জিনিয়ার, দেশপ্রেমে উজ্জ্বীবিত ভিশনারি ডায়নামিক লিডার প্রফেসর ড. সাইফুল ইসলামকে ক্যাম্পাস’র সম্মাননা ক্রেস্ট অর্পণের মাধ্যমে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন সিএসডিসির মহাসচিব ড. এম হেলাল।
ভালো কাজে পুরস্কার ও মন্দ কাজে তিরস্কার ক্যাম্পাস’র চিরায়ত রীতি। সে ধারাবাহিকতায় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির মাধ্যমে ক্যাম্পাস’র দু’সদস্যকে পুরস্কৃত করা হয়। ডেইলী ওয়ার্ক গুছিয়ে করায় ক্যাম্পাস’র সিনিয়র এক্সিকিউটিভ এইচ এ রিমন এবং নিজের ভুল নিজেই স্বীকার করে সে বাবদ ক্ষতিপূরণ প্রদানে উদ্যোগী হওয়ায় ক্যাম্পাস’র সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ইউসুফ আলী রানা পুরস্কৃত হন।
কম্পিউটার কোর্সে অংশগ্রহণকারীরা যেন স্মার্ট এন্ড গ্লোবাল ইয়থ জেনারেশনরূপে দেশ ও জাতির অন্ধকার দূরীকরণে তাদের অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারে, সে কামনায় প্রধান অতিথির হাতে আশা জাগানিয়া মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করা হয়। এরপর কম্পিউটার কোর্সের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় এবং অতপর শুরু হয় বক্তৃতাপর্ব।
প্রধান অতিথি ড. সাইফুল ইসলাম
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ড. সাইফুল ইসলাম বলেন, নতুন কিছু সৃষ্টি করার নেশা খুবই ভালো। আমি মনে করি, নেশারও ভালো দিক আছে। যেমন- বই পড়ার নেশা। আমাদের সময় বই পাওয়া খুবই দুঃসাধ্য ও দুস্প্রাপ্য ব্যাপার ছিল। বইয়ের অভাবে রাস্তায় পড়ে থাকা কাগজের টুকরো, কাগজের ঠোঙ্গা কুড়িয়ে পড়তাম। এমনই ছিল পড়ার নেশা। নিউমার্কেটের সামনে পুরনো বই বিক্রি করতো। সেখান থেকে আর্নেস্ট হেমিংওয়ের ‘ওল্ডম্যান এন্ড দি সী’ বই কিনে পড়েছি। আরো অনেক বিখ্যাত বিখ্যাত ব্যক্তির বই কিনে পড়েছি। বড় দোকানে গিয়ে নতুন বই কেনার টাকা ছিল না, তাই পুরনো বই কিনে মহানন্দে পড়তাম। পড়ার জন্য যে নেশা, জানবার জন্য যে আগ্রহ -সে অদম্য নেশা আমার তরুণ বয়স থেকেই ছিল। ছাত্র-যুবকদের বলবো- বই পড়ার এরূপ নেশা তোমাদেরও থাকতে হবে। ড. সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি একটা ডিভাইস ডিজাইন করেছিলাম -যেটা স্যাটেলাইট কমিউনিকেশনের কাজে লাগে, লেজার সিস্টেমে কাজে লাগে, গাইডেড মিসাইল সিস্টেমে কাজে লাগে; সেটা ডিজাইন করতে সাডেন ডেটা প্রয়োজন, সেই ডেটা কোথায় পাই! শুনলাম জার্মানীর একটি প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যায়, সেখানে চিঠি লিখলাম। সেই চিঠি সামুদ্রিক জাহাজে করে যেতে লাগে আটদিন, আসতে লাগে আটদিন। আমি বাংলাদেশের একজন গরিব ছাত্র। সেই ডেটার অনেক দাম, আমার কেনার সাধ্য নেই। তাদের সেকথা জানাতেই তারা দয়াপরবশ হয়ে আমাকে বিনামূল্যে তা পাঠিয়ে দিল। সেই ডেটা দিয়ে ডিজাইন মোতাবেক ডিভাইস আমি তৈরি করেছি। তখন আমার মাস্টার্স সম্পন্ন হলো। এখনকার মতো যদি সুযোগ-সুবিধা থাকতো, তাহলে কম্পিউটারে গুগল সার্চ দিয়ে এক মুহূর্তের মধ্যে সমস্ত তথ্য নিয়ে অনেক দ্রুত ডিভাইস তৈরি করে মাস্টার্স সম্পন্ন করতে পারতাম। কয়েক মাসের কষ্ট এখন কয়েক মুহূর্তের ব্যাপার। এ সবই হচ্ছে কম্পিটারের অবদান। ১৯৭৩ সালে আইবিএম ১৬২০ মেইনফ্রেম কম্পিউটার মেশিন আমি প্রথম দেখি। বাংলাদেশে ওটাই প্রথম কম্পিউটার। এটমিক এনার্জি কমিশনে ওটা আনা হলো। আমি প্রোগ্রামিং করতে গেলাম। তখন বড় কার্ড পাঞ্চ করে কাজ করতে হতো। ৮০টা কলাম নিয়ে বিশাল কার্ড। সেই বিশাল কার্ড পাঞ্চ করে কম্পিউটার চালু রাখতে হতো। ফোর্টন-টু বলে একটা ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে কাজ করতে হতো। তখন প্রোগ্রামিং অনেক কঠিন ছিল। একটা প্রোগ্রামিংয়ে ভুল হলে সর্বনাশ। ভুল সংশোধনের জন্য তো কেউ নেই। ভুল ধরিয়ে দেয়ারও কেউ নেই। তিনি আরো বলেন, ১৯৭৮ সালে বুয়েটকে আইবিএম কর্পোরেশন থেকে একটা কম্পিউটার দেয়া হলো। এর মধ্যে অনেক কিছু পরিবর্তন হয়েছে। কম্পিউটার থেকে প্রিন্ট করা যেত, কিন্তু ডেটা স্টোর করা যেত না। স্টোরেজ সামান্য ক্ষমতাসম্পন্ন। ১০ থেকে ৩০ বাইট একটা চিঠিও ঠিকমত স্টোর করা যায় না। কঠিন অবস্থা। অথচ আজকে টেরাবাইট কম্পিউটার রয়েছে। মানুষের হাতে ১৬ জিবি, ৩২ জিবি পেনড্রাইভ, মোবাইলের মেমরী কার্ড। এগুলো তখন কল্পনাই করা যেত না। এখন ভাবলে সবকিছু স্বপ্নের মতো মনে হয়। ১৯৯৪ সালে আইবিএম এর পারসোনাল কম্পিউটার বাজারে এলো। তখন একটি আইবিএম কম্পিউটার ১২০০ পাউন্ড দাম। আর একটু আপগ্রেড ভার্সন বাজারে এলো। ওটার দাম ১৫০০ পাউন্ড। এরপর ইপসন কোম্পানী প্রিন্টার বের করলো। ওটা কম্পিউটারের সাথে কানেকটেড। ক্যাপাসিটি ৩২ বাইট। এক পেজ প্রিন্ট করলে আরো এক পেজ বের করার জন্য অনেক সময় লাগে। এমনি কঠিন সময় পার করেছি আমরা। অথচ প্রযুক্তি এখন কত সহজ হয়ে গেছে। সবকিছু মানুষের হাতের মধ্যে চলে এসেছে। আগে যা অকল্পনীয় ব্যাপার ছিল, আজ তা বাস্তব সত্য। হাতের নাগালের ভেতর সব প্রযুক্তি। ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে সবকিছু চলে এসেছে। আমরা কিন্তু এতসব সুযোগ-সুবিধা কল্পনাও করতে পারিনি। ছাত্র-যুবকদের উদ্দেশ্যে ড. সাইফুল ইসলাম বলেন, তোমাদের যুগটা তথ্য-প্রযুক্তি বিস্ফোরণের স্বর্ণযুগ। আর আমাদের যুগটা ছিল তথ্য-প্রযুক্তির হাঁটি হাঁটি পা পা করে চলার যুগ। তোমরা সৌভাগ্যবান যে, তথ্য-প্রযুক্তি এখন তোমরা অনায়াসে হাতের মুঠোয় পাচ্ছ; কিন্তু আমাদের সময় তা কঠিন সংগ্রাম করে অর্জন করতে হয়েছে। তথ্য-প্রযুক্তির এই অপার সুবিধা তোমাদের যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে নিজের এবং দেশের উন্নয়ন করতে হবে। ফেইসবুক-ইন্টারনেট-মোবাইলে অযথা সময় নষ্ট না করে তথ্য-প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার করতে হবে। নেশা যেন সৃষ্টির জন্য হয়, কল্যাণের জন্য হয়। ছাত্রজীবনে সময় অত্যন্ত মূল্যবান। সময়কে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে। অনেকে মোবাইলে বা ল্যাপটপে ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং করে অর্থ উপার্জন করছে। এটা খুবই ভালো। ক্যাম্পাস’র ফ্রি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সম্পর্কে ড. সাইফুল ইসলাম বলেন, কম্পিউটার জীবনের একটি মূল্যবান অনুষঙ্গ। কম্পিউটার ছাড়া আগামীদিনে উন্নয়ন-অগ্রগতি অসম্ভব, তাই কম্পিউটার শেখার গুরুত্বও অপরিসীম। ছাত্র-যুবকদেরকে বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণের যে সুযোগ ক্যাম্পাস দিচ্ছে, তা অত্যন্ত যুগোপযোগী মহৎ পদক্ষেপ। ক্যাম্পাস’র এই মহৎ কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা দক্ষ জনগোষ্ঠীরূপে গড়ে উঠছে। এই কার্যক্রম সারা দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে দেয়া উচিত।
তাজকেরা খায়ের
ওয়ার্ল্ড-ওয়াইড ফ্যামিলি লাভ মুভমেন্টের চেয়ারপারসন তাজকেরা খায়ের বলেন, ক্যাম্পাস হচ্ছে আলোর বাতিঘর। ক্যাম্পাস’র আলোকচ্ছটায় ক্যাম্পাস’র তরুণ শিক্ষার্থীরা আলোকিত হচ্ছে। ক্যাম্পাস এ আসলে হতাশা দূর হয়ে যায়। মনে আশার প্রদীপ জ্বলে ওঠে। ক্যাম্পাস’র বহুমুখী কর্মসূচিতে আমাদের সবার সহযোগিতা করা উচিত।
ড. শরীফ আব্দুল্লাহ হিস সাকী
শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব ড. শরীফ আব্দুল্লাহ হিস সাকী বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীদের টাইম ম্যানেজমেন্ট, প্রায়োরিটি ম্যানেজমেন্ট এবং মানি ম্যানেজমেন্ট শিখতে হবে। তাহলে তারা জীবনে সফল হবে। ক্যাম্পাস’র ফ্রি কম্পিউটার প্রশিক্ষণকে কাজে লাগিয়ে অর্থাৎ তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে জীবনে উন্নয়ন-অগ্রগতি আনতে হবে, দেশের জন্য কাজ করতে হবে।
এডভোকেট এম জি কিবরিয়া
ক্যাম্পাস’র ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস কোর্সের রিসোর্স পারসন এডভোকেট গোলাম কিবরিয়া বলেন- আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি একজন বিজ্ঞানী, ছাত্রজীবনেই তিনি গাইডেড মিসাইল নিয়ন্ত্রণের ডিভাইস ডিজাইন করেছেন। পড়াশোনার জন্য অনেক সংগ্রাম ও পরিশ্রম করেছেন। আজকে আমরা প্রযুক্তির নানারকম সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছি। অথচ তাঁদের সময় এরকম সুযোগ-সুবিধা ছিল না। তবুও তাঁরা দমে যাননি। চেষ্টা করে প্রযুক্তির আধুনিকায়ন করেছেন। তার ফলে আমরা আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত বিশ্বকে পেয়েছি। আমাদের এই সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে তথ্য-প্রযুক্তির সদ্ব্যবহার করে। সময় অত্যন্ত মূল্যবান। সময়ের মূল্য দিলে সময়ও আমাদের জীবনে সফলতা এনে দিবে।
এডভোকেট কিবরিয়া বলেন- ক্যাম্পাস কম্পিউটার ট্রেনিংসহ জীবনমুখী নানা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সার্টিফাইড ছাত্র-যুবকদেরকে কোয়ালিফাইড করে গড়ে তুলছে। এখানেই অন্যান্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে ক্যাম্পাস’র মৌলিক পার্থক্য। অন্যরা শুধু প্রশিক্ষণই দেয়, কিন্তু ক্যাম্পাস শিক্ষার্থীদেরকে পরিবর্তিত মানুষরূপে গড়ে তোলে। ক্যাম্পাস পরিচালিত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে ছাত্র-যুবকরা পাচ্ছে আলোকিত জীবনের সন্ধান। ক্যাম্পাস’র এসব কর্মসূচি ব্যাপক পরিসরে ছড়িয়ে দিতে ক্যাম্পাস স্টাডি সেন্টার প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলছে। এতে আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথিসহ সমাজের কল্যাণকামী-বিত্তশালী ব্যক্তিত্বগণ সহযোগিতার হাত সম্প্রসারিত করবেন বলে আশাবাদী।
ড. এম হেলাল
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক এবং ক্যাম্পাস সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার এর মহাসচিব ড. এম হেলাল বলেন, আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ড. সাইফুল ইসলাম একজন উদারপ্রাণ শিক্ষাবিদ ও গবেষক। ছাত্রজীবনেই তিনি গবেষণা করে ডিজিটাল ডিভাইস তৈরি করেছেন। অত্যন্ত কঠিন সংগ্রামী জীবন তাঁর। জীবনের সাথে অনেক সংগ্রাম করে তাঁকে বড় হতে হয়েছে। তাই তিনি আজ দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বুয়েট’র উপাচার্য। তিনি বিদেশে লেখাপড়ার পর সেসব দেশে থেকে যেতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি। অনেক আরাম-আয়েশ আর বিলাসিতা ছেড়ে তিনি এদেশের মাটিতে এসে কঠিন জীবনের সাথে সংগ্রাম করে সফল হয়েছেন। তিনি একজন দেশপ্রেমী সফল মানুষ। ড. হেলাল বলেন- ক্যাম্পাস’র কম্পিউটার ট্রেনিং কর্মসূচিতে শুধু কম্পিউটার শিক্ষাই দেয়া হয় না। কম্পিউটার থেকে যেমনি খারাপ প্রোগ্রাম ডিলিট করে ভালো প্রোগ্রাম ইনসার্ট করা যায়; তেমনি জগতের সকল কম্পিউটারের সম্মিলিত শক্তির চেয়েও মহাশক্তিধর মানুষের মস্তিষ্করূপী কম্পিউটার থেকেও খারাপ প্রোগ্রাম অকার্যকর এবং ভালো প্রোগ্রাম সংযোজন করা কঠিন নয়। কম্পিউটার ট্রেনিংয়ের আওতায় সে কৌশলও ক্যাম্পাস শিখিয়ে থাকে।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ