বিশেষ খবর

বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ একসূত্রে গাঁথা -রাষ্ট্রপতি

ক্যাম্পাস ডেস্ক সংবাদ
img

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে আলাদা করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। বাংলাদেশকে জানতে হলে বাঙালির মুক্তিসংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে হবে, বঙ্গবন্ধুকে জানতে হবে। এই দুই সত্তাকে আলাদাভাবে দেখার চেষ্টা যারা করেছে, তারা ব্যর্থ হয়েছে। আজকের বাস্তবতা এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ‘সোনার বাংলা’ গড়ে তোলার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় প্রয়োজন ঐক্য। জনগণের ঐক্য, বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের ঐক্য। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ-২০২০’ উপলক্ষে সম্প্রতি জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনে স্মারক বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। মুজিববর্ষ উদযাপনের উদ্যোগ নেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকারকে ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে এই বিশেষ অধিবেশন আয়োজনের জন্য স্পিকার এবং জাতীয় সংসদের সবাইকে ধন্যবাদ জানান। দেশবাসী ও দেশের বাইরে বসবাসরত সব প্রবাসীকে মুজিববর্ষের শুভেচ্ছা জানান তিনি।

ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে বঙ্গবন্ধুর চেতনায় উজ্জীবিত হতে পারে, সেজন্য সবাইকে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু একটি নাম নয়। বঙ্গবন্ধু একটি প্রতিষ্ঠান, একটি সত্তা, একটি ইতিহাস। জীবিত বঙ্গবন্ধুর মতোই অন্তরালের বঙ্গবন্ধু শক্তিশালী। যত দিন বাংলাদেশ থাকবে, বাঙালি থাকবে, এ দেশের জনগণ থাকবে, তত দিনই বঙ্গবন্ধু সবার অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, নিপীড়িত-নির্যাতিত মানুষের মুক্তির আলোকবর্তিকা হয়ে তিনি (বঙ্গবন্ধু) বিশ্বকে করেছেন আলোকময়। তাই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে বঙ্গবন্ধুর নীতি, আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে বেড়ে উঠতে পারে, সেই লক্ষ্যে সবাইকে উদ্যোগী হতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন এক বিশাল হৃদয়ের মানুষ। নিজে স্বপ্ন দেখতেন এবং মানুষকে স্বপ্ন দেখাতেন। দেশের মানুষের প্রতি তাঁর আস্থা, ভালোবাসা ও বিশ্বাস ছিল অপরিসীম। নিজের জীবন উৎসর্গ করে বাংলার মানুষের ভালোবাসার প্রতিদান দিয়ে গেছেন। ঋণী করে গেছেন বাঙালি জাতিকে। মুজিববর্ষ পালনের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর জীবন-কর্ম, চিন্তা-চেতনা ও দর্শন ছড়িয়ে দিতে হবে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের তরুণ প্রজন্মের কাছে। বঙ্গবন্ধুর জীবন-ভাবনা ও রাজনৈতিক দর্শনের মর্মার্থ সবার কাছে ছড়িয়ে দিতে মুজিববর্ষ পালন একটি যথাযথ পদক্ষেপ। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের অবদান তুলে ধরে তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক কর্মকা-ে ব্যক্তি ও পারিবারিক বন্ধন কখনো বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব সব সময়ই বঙ্গবন্ধুকে তাঁর চলার পথে সাহস জুগিয়েছেন, বিপদে ভরসা দিয়েছেন।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ