বিশেষ খবর

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও মুজিব শতবর্ষ ১৭ মার্চ থেকে বর্ণাঢ্য আয়োজন পরিকল্পনা

ক্যাম্পাস ডেস্ক প্রতিবেদন
img

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও মুজিব শতবর্ষ মিলে ১০ দিনব্যাপী জমকালো বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে সরকার। ঢাকায় জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে আগামী ১৭ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত এসব অনুষ্ঠান হবে। এর মধ্যে বড় দুটি অনুষ্ঠান হবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ১৭ মার্চ এবং অন্যটি স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ। গত বছরের মার্চে দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর টানা ৬৬ দিন সাধারণ ছুটি ছিল। সে কারণে পরিকল্পিত উপায়ে মুজিব শতবর্ষের উদ্বোধন অনুষ্ঠানসহ বড় অনুষ্ঠানগুলো হয়নি। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও মুজিববর্ষের অনুষ্ঠান আয়োজনের ফলে করোনার ভীতি কাটিয়ে আবার মুখর হয়ে উঠতে যাচ্ছে রাজধানী।

এসব অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বাধীনতার স্মৃতির সঙ্গে যুক্ত বিদেশি অতিথিকে ঢাকায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁদের মধ্যে অন্যতম ১৯৭১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেডিসন স্কয়ারে বাংলাদেশের শরণার্থীদের জন্য আয়োজিত ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’-এর একমাত্র জীবিত শিল্পী বব ডিলান। বিদেশিদের মধ্যে যাঁরা ঢাকায় আসতে পারবেন না তাঁদের ভিডিও বার্তা সংগ্রহ করে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রচার করা হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত একটি প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানায়, অনুষ্ঠান আয়োজনে সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে অনুষ্ঠান আয়োজনের খসড়া পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখন খুঁটিনাটি বিষয়গুলো চূড়ান্ত করার জন্য বৈঠক চলছে বলে সংশ্লি­ষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঢাকায় কেন্দ্রীয়ভাবে এ অনুষ্ঠানের পাশাপাশি দেশব্যাপী সব জেলা, উপজেলা ও সিটি করপোরেশনে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে ১৭-২৬ মার্চ অনুষ্ঠান আয়োজনের নির্দেশনা পাঠাবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী বলেন, ১০ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। কারা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মাসখানেক আগে চূড়ান্তভাবে জানা যাবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আসার বিষয়টি দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে। তবে ঠিক কবে আসবেন, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ২০১৩ সাল থেকে সরকার এই দিনটিকে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালন করছে। এর আগে ১৯৯৬ সালে প্রথমবার এই দিনটিকে জাতীয় শিশু দিবস ঘোষণা করা হয়েছিল।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ