দুই-এক দিনের মধ্যেই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি’র) সব..." /> বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ॥ শীঘ্রই সমস্যার সমাধান
বিশেষ খবর

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ॥ শীঘ্রই সমস্যার সমাধান

ক্যাম্পাস ডেস্ক সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
img

দুই-এক দিনের মধ্যেই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি’র) সব সমস্যার সমাধান হবে বলে জানিয়েছেন, উপাচার্য অধ্যাপক ড. নুর-উন-নবী। তিনি জানান, আন্দোলনকারী শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনার জন্য চিঠি দেয়া হবে।
০৮ মার্চ দুপুরে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময়কালে তিনি একথা বলেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নির্দেশ রয়েছে আইনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় চালাতে হবে। আমি এ বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকে নানা সমস্যার মুখোমুখি হয়েছি। এখনও সমস্যা রয়েছে। আমি কলুষিত হতে চাই না।
পদত্যাগকারী শিক্ষকদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করতে উপর থেকে নির্দেশ রয়েছে বলেও জানান তিনি। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি না-কি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে রেখেছি? সেটা আপনারাই ভাল জানেন কারা বিশ্ববিদ্যালয়কে অচল করে রেখেছেন।
অধ্যাপক ড. নুর-উন-নবী জানান, আন্দোলনকারীদের তিনি আলোচনার জন্য কয়েকবার ডেকেছেন কিন্তু তারা আসেননি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকট নিরসনের জন্য সরকারের নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। নীতি নির্ধারকরা তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমি ভবন ও প্রশাসনিক ভবন খুলতে বলেছেন। এ বিষয়ে তিনি সবার সহযোগিতা চান।


এবার উপাচার্যকে প্রতিহতের ঘোষণা মেয়র ঝন্টুর
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম নূর-উন-নবীকে এবার ‘নোংরা’ আখ্যায়িত করে ক্যাম্পাসে তাঁকে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছেন রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র সরফুদ্দিন আহম্মেদ ঝন্টু। উপাচার্যের অপসারণ ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার বিচারের দাবিতে করা ক্যাম্পাসের অনশনস্থলে গিয়ে ৫ মার্চ বৃহস্পতিবার তিনি এই ঘোষণা দিয়েছেন। এ সময় তিনি উপাচার্যের অপসারণে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার জন্য ১০ দিনের সময় নিয়ে অনশনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনশন ভাঙান। গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এই অনশন কর্মসূচি চলছিল।
তবে অনশন ভাঙানো হলেও উপাচার্যের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত একই স্থানে অবস্থান করবেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এর আগে গত ২৭ জানুয়ারি উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে উপাচার্যকে পদত্যাগ করে ঢাকায় চলে যেতে বলেছিলেন মেয়র ঝন্টু। ৫ মার্চ সকাল সাড়ে ১১টায় সিটি মেয়র অনশন ভাঙাতে গেলে তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও কারমাইকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ড. রেজাউল হক।
উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে আন্দোলনকারীদের অনশন ভাঙাতে গিয়ে সিটি মেয়র ঝন্টু বলেন, উপাচার্যের এতটুকু লজ্জা নেই, যিনি এত ঘটনার পরও নিজেকে ভিসি হিসেবে দাবি করেন। তিনি ঢাকায় আছেন সেখানেই থাকেন। তাঁকে আর এই বিশ্ববিদ্যালয়ের গেট দিয়ে ঢুকতে দেয়া হবে না।
অনশনকারীদের উদ্দেশে মেয়র বলেন, ‘এই জঘন্য ভিসির জন্য না খেয়ে মরার কোনো মানে হয় না। আপনারা এখানে না খেয়ে আছেন আর তিনি ঢাকায় বসে বসে মুরগি চিবাচ্ছেন। আমি ঢাকায় কথা বলেছি, তাঁকে এখানে রাখার আর কোনো সম্ভাবনা নেই।’
বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়ার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, সেশনজট নিরসন ও অবিলম্বে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণসহ আট দফা দাবিতে গত ৪ ফেব্রুয়ারি বিকেলে কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থী অনশন কর্মসূচি শুরু করলে উপাচার্যপন্থী কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বহিরাগতরা তাদের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করে। ওই ঘটনার বিচারের দাবিতে আমরণ অনশন শুরু হয়।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ