বিশেষ খবর

শিক্ষার্থীদের মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে উপবৃত্তি উদ্বোধন

ক্যাম্পাস ডেস্ক শিক্ষা সংবাদ
img

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতরা শিক্ষকতা পেশার কলঙ্ক। এদের চিহ্নিত করার মাধ্যমে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।
তিনি বলেন, শিক্ষকতা একটি মহৎ পেশা। শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের মাঝখানে কিছু অসাধু লোক ঢুকে শিক্ষকতা পেশাকে কলঙ্কিত করছে। ইতোমধ্যে ৮-৯জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বলেছি, আপনারা এই পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যান। এই পেশায় আপনারা টিকতে পারবেন না। শিক্ষামন্ত্রী রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে মোবাইল ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে উপবৃত্তি প্রদান উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন।
অগ্রণী ব্যাংক ও ডাচ-বাংলা ব্যাংক এই মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রমে সহযোগিতা করছে। উচ্চমাধ্যমিক উপবৃত্তি প্রকল্পের পরিচালক শ্যামাপ্রসাদ বেপারীর সভাপতিত্বে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক এস এম মাহমুদ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ফাহিমা খাতুন, অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আব্দুল হামিদ ও ডাচ-বাংলা ব্যাংকের চেয়ারম্যান সায়েম আহমেদ। তিনি বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে মেয়েদের এগিয়ে নেয়ার জন্যই মূলত এই উপবৃত্তি প্রকল্প চালু করা হয়। পরবর্তীতে ছেলেদেরও এই প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে।
তিনি বলেন, মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল-এর একটি লক্ষ্য ছিল শতভাগ ছেলে-মেয়েকে স্কুলে নিয়ে আসা। আমরা ৯৯ শতাংশ শিক্ষার্থীদের স্কুলে আনতে সক্ষম হয়েছি। মাধ্যমিক পর্যায়ে মেয়েদের সংখ্যা শতকরা ৫৩জন, প্রাথমিকে শতকরা ৫১জন। এখানে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। আগামী তিন বছরের মধ্যে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে সমতা চলে আসবে। এবারও এইচএসসি পরীক্ষায় ১০টি বোর্ডের মধ্যে ৩টি বোর্ডে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা বেশি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।
মন্ত্রী জানান, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে একাদশ শ্রেণির ১ লাখ ২০ হাজার ১২০জন শিক্ষার্থীকে আজ ২৬ কোটি ৩০ লাখ ৪৩ হাজার ২শ’ টাকা প্রদান করা হয়।
এরমধ্যে ৪০ শতাংশ মেয়ে আর ১০ শতাংশ ছেলে। এর আগে ২০১৩-১৪ অর্থবছরে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১ লাখ ২৫ হাজার ৩১৪জনকে ২৭ কোটি ৬৮ লাখ ১৪ হাজার ২শ’ টাকা বৃত্তি দেয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় মোবাইল একাউন্টের মাধ্যমে এ পর্যন্ত মোট ৫৩ কোটি ৯৮ লাখ ৫৭ হাজার ৪শ’ টাকা প্রদান করা হয়েছে।
রংপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের মোবাইল একাউন্টে টাকা পাঠানোর মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রী এই কার্যক্রম উদ্বোধন করেন এবং টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ