বিশেষ খবর

শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম ঠেকাতে কমিশন

ক্যাম্পাস ডেস্ক সংবাদ

অনিয়ম-দুর্নীতি এবং প্রভাব খাটিয়ে শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ করতে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) আলোকে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
২৮ জুলাই সচিবালয়ে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের প্রথম দিন শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান মন্ত্রী। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ-মাদ্রাসায় উপযুক্ত শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে সরকার বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ-এনটিআরসিএ গঠন করে। তবে এখানে স্বজনপ্রীতি ও ঘুষ নেয়ার সুযোগ আছে। এজন্য পিএসসি’র ধাঁচে এনটিসিই গড়ে তুলছি। পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষক বাছাই করবো। স্কুল চাহিদা দেবে, সে অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ দ্বারা নিয়োগকৃত হয়ে শিক্ষকরা যোগদান করবেন। মন্ত্রী বলেন, শিক্ষক বাছাই করার ব্যাপারটা আর ওই জায়গায় থাকছে না। বিশেষ এলাকায় বিশেষ ব্যক্তির প্রভাব খাটিয়ে দুর্নীতির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া বন্ধ হওয়ার আশা করছি।
ক্লাসরুম সংকটের কারণে পরীক্ষার সময় ক্লাস না হওয়ায় আলাদা হল রুম স্থাপনের কথা জানিয়েছেন ডিসিরা। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আলাদা হলরুম বানানোর মতো এতো অর্থ নেই। ভবিষ্যতে পরীক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তন হবে। হুবহু পরীক্ষা রেখে হল বানানো অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। আমরা চিন্তা করছি, নতুন কিছু করতে চাই।
প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়টি ডিসিদেরও নজরে এসেছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, কিছু কিছু স্কুল এমসিকিউ প্রশ্ন বলে দেয়, এটি তাদের নজরেও আসছে। আমাদের নজরেও আসছে। যেসব শিক্ষক নিজেরা প্রাইভেট পড়ান এবং সাহায্য করার ব্যবস্থা করেন, এবার আরও কড়াকড়ি করবো। কোনো শিক্ষক রেহাই পাবেন না। এ সব শিক্ষক কলঙ্ক।
জেলা প্রশাসকরা মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম বাড়ানো, প্রশিক্ষণ আরও উন্নত ও ফলপ্রসু করার কথা বলেছেন বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের ব্যবস্থা জোরদারে ডিসিদের সাহায্য নেয়ার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এডিসি (সার্বিক) তাকে নিযুক্ত করার কথা বলেছি। তারা সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
ডিসিরা বিভিন্ন সমস্যার কথা বলেছেন, অনেক পরামর্শও দিয়েছেন। এসব চিন্তা-ভাবনা কাজে লাগবে, এতে শিক্ষার সার্বিক লক্ষ্য অর্জিত হবে। এদিকে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন জেলা প্রশাসকরা। এ প্রসঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মান সম্মত শিক্ষার জন্য টিমওয়ার্ক করতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষাকে এগিয়ে নিলে জাতি উপকৃত হবে। আগামীতে যারা দেশ পরিচালনা করবে তাদের সুস্থ জাতি হিসাবে গড়ে তোলার ব্যাপারে ডিসিদের পরামর্শ দিয়েছি, তারা একমত হয়েছেন।
গণশিক্ষা মন্ত্রী বলেন, পাশাপাশি শিক্ষকের অভাব, প্রশিক্ষণ, অ্যাকোমোডেশনের ব্যবস্থা করতে বলেছেন ডিসিরা। আমরা বলেছি সীমাবদ্ধতার মধ্যে প্রাপ্ত সম্পদের যেন সঠিক ব্যবহার হয়। শুধু স্কুলে উপস্থিতি ৯৭/৯৮ শতাংশ করাটাই নয়।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ