বিশেষ খবর

নিজের সাথে নিজে কথা বলুন, নিজের সমস্যা নিজেই দূর করুন -৪

ক্যাম্পাস ডেস্ক বিশেষ নিবন্ধ

॥ পূর্ব প্রকাশিতের পর -৪॥ ॥পর্ব ২॥ কেস স্টাডি -২

আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন মাস্টার্স পরীক্ষার শেষদিনে আমার বাবা ইন্তেকাল করেন। সেই থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২৫ বছরের মধ্যে ২০ বছরই মা আর আমি একসাথে থাকি। বাবা ঢাকায় সরকারি চাকরি করাকালীন নিউ এলিফেন্ট রোডে একখন্ড জমি কিনেছিলেন। কিন্তু মফস্বলে আত্মীয়দের ছেড়ে মা ঢাকায় আসতে চাননি বলে বাবাই বদলী হয়ে মফস্বল শহরে চলে যান; রবী ঠাকুরের সেই গানের ন্যায় -
কাছে আপনারে রাখিতে না পারি,
তাই কাছাকাছি থাকি আপনারই।

সোনার চেয়েও দামি ঢাকার নিউ এলিফেন্ট রোডের জমি বাবার হাতছাড়া হয়ে যায়। মা-বাবার ঢাকায় বসবাস আর হলো না। সাত ভাই-বোনের মধ্যে প্রথম আমিই ১৯৮০ সাল থেকে ঢাকায় বসবাস শুরু করি। বাবার জীবদ্দশায় মা ২/৩ বছর পরপর ঢাকায় বেড়াতে আসতেন, কিন্তু বাবার অবর্তমানে বিভিন্ন কারণে প্রায়ই আসা-যাওয়া করতে করতে এক পর্যায়ে আমার সাথে অনেকটা স্থায়ী বসবাস শুরু করেন ঢাকায়। অবশ্য এর মূল কারণ তাঁর চিকিৎসার সুযোগ, আর গৌণ কারণ হয়ত আমার সাথে থাকায় তাঁর স্বাচ্ছন্দ্যবোধ। আসলে শিশু ও বৃদ্ধরা প্রায় একইরকম। শিশু যার কোলে আরাম-আয়েশ পায়, তার কাছেই লাফিয়ে যায়; তেমনি বৃদ্ধ-বৃদ্ধারাও যেখানে আরাম-আয়েশ ও সুবিধা পান, সেখানেই জীবনের শেষ দিনগুলো কাটাতে চান। এটিই স্বাভাবিক তথা প্রাকৃতিক।
বাবার মৃত্যুর কয়েক বছর পর তথা ৮০’র দশকের শেষদিকে মা গ্রামের বাড়িতে থাকাকালীন বৃষ্টিভেজা উঠানে পড়ে গেলে মেরুদন্ড ভেঙে যায়। কোনোরকমে সোজা করে শুইয়ে তাঁকে ঢাকায় আনা হয়। বিভিন্ন ডাক্তার মাকে দেখে বলেন তিনি আর কখনো চলাচল করাতো দূরের কথা, উঠে বসতেও পারবেন না। এ অবস্থায় সরকারি পঙ্গু হাসপাতাল ও বেসরকারি একটি হাসপাতালে চিকিৎসাশেষে আজিমপুর চায়না বিল্ডিংয়ের গলিতে প্রখ্যাত মনস্তত্ত্ববিদ প্রফেসর এম ইউ আহমেদের যে বাড়িতে অখ্যাত আমি ভাড়ায় থাকতাম, ব্যাচেলরের সেই ছোট্ট বাসায় মা-ও থাকতে শুরু করেন। একইরুমে মা ও একবোন খাটে আর আমি ফ্লোরে ঘুমাতাম। সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে ডাবলিংয়ের অভিজ্ঞতা মনস্তত্ত্ববিদের বাড়িতে ফ্লোরিংয়ের অভ্যাসে পরিণত হলেও মনটা কিন্তু কখনো ছোট হয়নি। কারণ ইস্পাত কঠিন শপথে বলীয়ান কঠোর পরিশ্রমের এ জীবনে এরূপ বহু কষ্টকে আমি স্রষ্টার পরীক্ষা এবং আমার জন্য আশীর্বাদ ও অভিজ্ঞতা হিসেবে নিয়েছি।
মায়ের সাথে একরুমে থাকার সুবাদে রাত জেগে অনেক কথা হতো। বলতাম আম্মা দেখুন, কোমর ভেঙে বিছানায় পড়ে থাকতে না হলে কি আপনি ঢাকায় আসতেন? এভাবে আমাদের একত্রে থাকা হতো? এত আলাপের সুযোগ হতো? মহান আল্লাহ কী উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য যে কী করেন, সে সুপার পাওয়ারের ডুপার ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পর্কে ক্ষুদ্র জ্ঞানে বুঝে ওঠা আমাদের অনেকের পক্ষেই সম্ভব নয়। যেমনি একজনমাত্র মানুষের ব্রেনের সমান ক্ষমতা ও দক্ষতা লক্ষ কম্পিউটারের পক্ষেও দেখানো সম্ভব নয়। সেজন্যই বলা হয়েছে ধৈর্য ধর, তাঁর রহমতের প্রতীক্ষায় থাক। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্য ধারণকারীদের পছন্দ করেন...।
মাকে বললাম, ছোটবেলায় আমাদের হাত-পা কেটে গেলে সে ক্ষতস্থান ডাক্তার বা বৈদ্যের চিকিৎসা ছাড়া এমনিতেই প্রাকৃতিকভাবে জোড়া লেগে যেত, বড়জোর দুর্বাঘাসের রস দেয়া হতো। সেরূপভাবে আপনার এ ভাঙা হাড়ও জোড়া লেগে যাবে।
কোনো বিপদে বা অসুবিধায় অথবা রোগ-শোকে ধৈর্য না ধরে অস্থির হলে ব্রেন ফ্রিকোয়েন্সি বেড়ে যায়। ব্রেন ফ্রিকোয়েন্সি বেড়ে যাওয়া মানে পাগলামি বেড়ে যাওয়া। ফলে মাইন্ড কনসেনট্রেশন থাকে না বলে একদিকে নিজের বুদ্ধিমত্তা কাজ করে না, অন্যদিকে প্রকৃতির শক্তি বা সুপার পাওয়ার বা স্রষ্টার সাথে সংযোগ বিনষ্ট হয়; হতাশার কারণে মনোরাজ্যে মেঘমালার বিচরণ অবশ্যম্ভাবী হয়ে দেখা দেয় নিরানন্দ; নষ্ট হয়ে যায় সৃজনশীলতা; নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় পরিবেশ-পরিস্থিতি। অন্যদিকে ধৈর্যধারণ করলে বা স্রষ্টার ওপর বিশ্বাস রাখলে বুদ্ধি কাজ করে, ব্রেন ফ্রিকোয়েন্সি স্বাভাবিক থাকায় স্রষ্টার সাথে সংযোগ নষ্ট হয় না। নিরানন্দ ও অস্থিরতা থাকে না বলে সৃজনশীলতা বজায় থাকে, যেকোনো পরিস্থিতি সামাল দেয়া সহজ হয়ে যায়। প্রোএকটিভ এন্ড পজিটিভ এটিচিউডের কারণে সংশ্লিষ্ট সকলের আস্থা ও সহযোগিতা পাওয়া যায়, হওয়া যায় সবার প্রিয়।
এক্ষেত্রে করণীয় হচ্ছে, ধৈর্য ও স্থিরতা ঠিক রেখে নিজের বুদ্ধিমত্তা ও সৃজনশীলতাকে কার্যকর রাখা। স্রষ্টার ওপর নির্ভরশীলতার মানে হচ্ছে, স্রষ্টাকে আশা-ভরসার স্থল বা খুঁটি হিসেবে ধরে আত্মবিশ্বাস তথা নিজের ওপর আস্থা অক্ষুণœ রাখা। অর্থাৎ টেনশন বা স্ট্রেসকে বিলোপ ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নিজকে পরিপূর্ণভাবে স্রষ্টার নিকট সমর্পণ করে নিজের দেহ ও মনের ব্যালেন্স বা ভারসাম্য তথা ছন্দ-প্রক্রিয়া রক্ষা করা অর্থাৎ Proper maintenance of balance & harmony of the body & mind. ধর্মপ্রাণ মা সর্বদা আমার এ ধরনের কথা শুধু মনোযোগ দিয়ে শুনতেনই না, তাঁর সন্তান এসব বুঝতে ও বোঝাতে পারে ভেবে আনন্দিতও হতেন; আবার নিজের মধ্যে ধৈর্য ও ইতিবাচক এরূপ মানসিকতা লালন করতেন। তাঁর সেই আনন্দ আর আরোগ্য লাভের প্রত্যাশার এ অবস্থায় একদিন পরিচয় হয় ফিজিওথেরাপি স্পেশালিস্ট ডাঃ মনিরুজ্জামান এর সাথে।
অন্য একজন ডাক্তার তাঁর সাথে আমার পরিচয় করিয়ে দিয়ে বললেন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা; বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়তে না ছাড়তেই ওর ওপর বিপদ, ওর মা ব্যাকবোন ভেঙে বিছানায় শুয়ে!
ডাঃ মনিরুজ্জামান অত্যন্ত মাইডিয়ার, বন্ধুবৎসল, অমায়িক ও ব্যতিক্রমী ব্যক্তিত্ব। চিকিৎসা-বাণিজ্যের ধারেকাছেও নেই; বরং চিকিৎসাসেবা ও আরাম-আয়েশ দিয়ে মানুষকে ভালো করে তোলাই যেন তাঁর নেশা। পরিচয়ের সেইদিন থেকে বিভিন্ন রোগীর চিকিৎসার জন্য এ যাবৎ বহুবার সুপারিশ করলে সবসময় তাঁর একই দরাজ গলা রোগী পাঠিয়ে দাও, আমি দেখছি; তুমি চিন্তা করো না ...।
প্রথম পরিচয়ের দিনেও বললেন হেলাল, তুমি শুধু খালাম্মাকে আমার মডার্ন ফিজিওথেরাপি সেন্টারে নিয়মিত নিয়ে আসবে; এটিই তোমার কাজ, বাকি সব আমি দেখব। আমতা আমতা করে টাকার প্রসঙ্গে যেতে চাইলে মুখের ওপর বললেন, খালাম্মা উঠে বসতে পারলেতো টাকা-পয়সার প্রশ্ন। তুমি শুধু ওনাকে আনা-নেয়ার কাজটি করো। এতেও তোমার অসুবিধা হলে আমার গাড়ি পাঠিয়ে আনার ব্যবস্থা করব। এরপর দু’সপ্তাহের মাথায় আম্মা উঠে বসেন, ১ মাসের মাথায় হাঁটেন, প্রায় ৩ মাস পর থেকে আমাকে রান্না করে খাওয়াতে শুরু করেন। কৃতজ্ঞতা স্রষ্টাকে; ধন্যবাদ ডাঃ মনিরুজ্জামানকে, যিনি বহু ডাক্তারের কথা “তোমার মা আর উঠে বসতে পারবেন না” কে অসাড় ও অসত্য বলে বাস্তব প্রমাণ রেখেছেন। ধন্যবাদ আমার মাকেও। কারণ তিনি প্রোএকটিভ ও পজিটিভ না থাকলে এবং নিজকে নিজে সাহায্য না করলে এত বড় বিপদ সামাল দেয়া আমাদের কারুর পক্ষেই সম্ভব হতো না।
ঐ যে বলেছিলাম, কর্মপিপাসু কাঠখোট্টা বখাটে ছেলে রাতে ঘরে ফিরে ফোরে শুয়ে মাকে বলত আম্মা, ধৈর্য ধরুন, ডাক্তাররা যা-ই বলুক আমার মন বলছে আপনি উঠে বসতে পারবেন, আপনি ভালো হয়ে যাবেন। এসব কথায় মা বিশ্বাস আনতেন, নির্ভর করতেন, আনন্দিত হতেন। আনন্দে আন্দোলিত মা তাঁর চিকিৎসার নানা পদক্ষেপে ও মুভমেন্টে সর্বদাই ছিলেন কোঅপারেটিভ, আশাবাদী, দৃঢ়চেতা; যার ফলে একটি অসম্ভব দ্রুত পরিণত হয়েছে সম্ভবে।
প্রিয় শুভার্থীরা, যেকোনো অসুখ-বিসুখ বা অসুবিধার ক্ষেত্রে ডাক্তার-কবিরাজের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে রোগীর ধৈর্য, সাহস ও পজিটিভ এটিচিউড জাগ্রত করে তোলা। আসলে রোগজয়, বিশ্বজয় বা যেকোনো জয়ের ক্ষেত্রেই Power of positive thinking এর কোনো বিকল্প আছে বলে আমি মনে করি না। শুধু এ অধম কেন, যারাই প্রকৃতির বিজ্ঞান বোঝেন বা চর্চা করেন বা সেই বিজ্ঞানের পুষ্টিতে পুষ্ট, প্রস্ফুটিত ও আলোকিত হবার সৌভাগ্যলাভ করেছেন, তারা সকলে একবাক্যে Power of positive thinking এর স্লোগানে ও মিছিলে সমবেত হবেনই।
আমেরিকার সাবেক এক প্রেসিডেন্ট আততায়ীর গুলিতে আহত হবার পর তাঁকে নিকটস্থ হাসপাতালে নিলে তিনি স্ট্রেচারে শুয়ে নার্সদের উদ্দেশ্যে বলেন এ হাসপাতালে এত সুন্দরী নার্স আছে, তা জানলেতো আমি আরো আগেই এটি ভিজিট করতাম; ব্যাটারা আমাকেতো কিছুই করতে পারেনি, অযথা আমার নতুন স্যুটটা ছিদ্র করে দিয়েছে!
আততায়ীর গুলি শরীরে ধারণ করে রক্তক্ষরণ অবস্থায় Mind diverting, brave, proactive & positive চিন্তা না করলে এবং অনুরূপ কথাবার্তার মধ্যে না থাকলে হয়তবা আতংকে হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যু হওয়া অস্বাভাবিক ছিল না ঐ প্রেসিডেন্টের। একেবারেই প্যারালাইজড রোগী, যারা বিছানা থেকে উঠতেই পারে না, যাদের সকল চিকিৎসা শেষ এবং যারা বছরের পর বছর শুধু শুয়ে শুয়ে মৃত্যুর প্রহর গুনতে থাকে, তাদের ক্ষেত্রেও ‘নিজের সাথে নিজে কথা বলা’ এবং অনুরূপ কৌশল প্রয়োগ করে কার্যকর ফল পাওয়া সম্ভব। তেমন একটি কৌশল হচ্ছে প্যারালাইজড রোগীর সার্বক্ষণিক দৃষ্টি যে দেয়ালে পড়ে, সে দেয়ালে ৪৫ ডিগ্রী কৌণিকভাবে একটি টিভি বা কম্পিউটার স্ক্রীন বসিয়ে তাতে তার অতীত দিনের কর্মকান্ডের ভিডিও চিত্র দেখানো, তা সম্ভব না হলে ফুটবল খেলার ন্যায় চিত্তাকর্ষক কোনো খেলা বা অনুরূপ উত্তেজনাকর ভিডিও চিত্র অনবরত প্রদর্শন করা। তাহলে Exciting বা উত্তেজনাকর চিত্র দেখতে দেখতে উদ্দীপিত হয়ে উঠবে সেই রোগী, কর্মতৎপর-উত্তেজনাকর ও আকর্ষণীয় ভিডিও চিত্র তার ব্রেন বা পিটুইটারী গ্ল্যান্ডের মাধ্যমে অসাড় শরীরে শুড়শুড়ি বা উদ্দীপনা জাগাতে থাকবে; তার প্যারালাইজড অঙ্গ ধীরে ধীরে সক্রিয় বা সচল হতে থাকবে। সকল গ্ল্যান্ডের রাজা ‘পিটুইটারী গ্ল্যান্ড’ এর স্বয়ংক্রিয় নির্দেশে অন্যান্য গ্ল্যান্ড সক্রিয় হয়ে রোগীকে উদ্দীপিত ও উত্তেজিত করতে করতে এক সময়ে রোগী নিজে নিজেই উঠে বসার চেষ্টা করবে। এসময়ে তাকে কিছু সাধারণ সাইকোথেরাপি বা কাউন্সেলিং করলে, যেমন নিজের সাথে নিজে কথা বলার অভ্যাস তৈরি করে দিলে এবং হাত ও পায়ের কিছু আকুপয়েন্টে প্রেশার দেয়ার চর্চা করালে কমবেশি ৪ সপ্তাহে রোগী শুধু বিছানা ছেড়ে বসাই নয়, হাঁটাচলা করতেও সক্ষম হবে।
ওহে বিদগ্ধ বন্ধুরা, আর অপেক্ষা নয়, চলুন প্রাকৃতিক শক্তির সন্ধানে; রোগ-শোকসহ সকল অসুবিধা দূর করতে এবার যাই প্রকৃতির কাছে, চন্দ্র-সূর্য-গ্রহ-তারাদের মাঝে। শারীরিকভাবে এরা যত দূরেই থাকুক না কেন, মন দিয়েতো আমরা তাদের ছুঁতে পারি; তাদের অফুরন্ত শক্তি বা এনার্জির শেয়ার নিতে পারি। মন দিয়ে সবই দেখা যায়, বোঝা যায়, করা যায়। কোনোরূপ সীমানায় আবদ্ধ নয় আমাদের এ মন। ডায়নামিক এ মন পারে না এমন কিছুই নেই। তাই স্ট্যাটিক দেহ থেকে বেরিয়ে এলে এই আপনিও আবিষ্কৃত হবেন বাধা-বন্ধনহীন এক মহাশক্তিরূপে। এরূপ আত্ম-আবিষ্কারের মাহেন্দ্রক্ষণেই কবি নজরুল গেয়ে উঠেছিলেন
মহাবিশ্বের মহাকাশ ফাড়ি’ চন্দ্র সূর্য গ্রহ তারা ছাড়ি’ ভূলোক দ্যুলোক গোলক ভেদিয়া খোদার আসন ‘আরশ’ ছেদিয়া, উঠিয়াছি চির-বিস্ময় আমি বিশ্ববিধাতৃর!
নেতিবাচক ও প্রতিকূল পরিবেশে অবস্থানের কারণে স্বার্থপর হয়ে অবিরাম আত্মসুখ খুঁজতে গিয়ে আণবিক শক্তির চেয়েও মহাশক্তিশালী ও সুউচ্চ মনকে নতজানু করে আমরা ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে সর্বহারা ও বিশ্বহারা হতে চলেছি; দেহতত্ত্ব ও দেহশক্তিকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে মনের মহাশক্তিকে দিয়েছি জলাঞ্জলি। তাই আর নয়! এবার চলুন, সৃষ্টি জগতের মহাবিস্ময় হিসেবে আপনার নিজের চিন্তা ও মনোরাজ্যের মহাশক্তির নব আবিষ্কারে। চল! চল!! চল!!! (চলবে)

সুস্থতা ও শতায়ুলাভে
প্রাকৃতিক চর্চা ও চিকিৎসা
Be Your Own Doctor -এ বইটির
পৃষ্ঠা সংখ্যা ঃ ৩৪৬, মূল্যঃ ৩৫০ টাকা
প্রাপ্তিস্থানঃ ক্যাম্পাস পত্রিকা অফিস
৩৩ তোপখানা রোড, ১৩ তলা, ঢাকা।
ফোনঃ ৯৫৫০০৫৫, ৯৫৬০২২৫


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ