বিশেষ খবর

বাংলাদেশের অর্জন বিশ্বে প্রশংসিত -রাষ্ট্রপতি

ক্যাম্পাস ডেস্ক শিক্ষা সংবাদ
img

‘বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠাসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমাদের অর্জন আজ সারাবিশ্বে প্রশংসিত’ বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ। ২৬ নভেম্বর যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) দ্বিতীয় সমাবর্তনে বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য এখন জাতিসংঘ ঘোষিত ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (ঝউএ) অর্জন। উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত থাকলে নির্ধারিত সময়ের আগেই বাংলাদেশ সমৃদ্ধ দেশে উন্নীত হতে পারবে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান সরকারের সুদূরপ্রসারী দৃষ্টিভঙ্গি ও জনবান্ধব কার্যক্রমের ফলে বাংলাদেশ আজ মধ্যআয়ের দেশে উন্নীত হতে চলেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য, নারীর ক্ষমতায়ন, বিদ্যুৎ, তথ্য-প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। দারিদ্র্যের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।
নতুন গ্রাজুয়েটদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের ছাত্র সমাজের রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। দেশ ও জাতির কল্যাণই হবে ছাত্র রাজনীতির মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। কোনো ধরনের লোভ-লালসা বা হীন স্বার্থ চরিতার্থের মনোবৃত্তি যেন ছাত্র রাজনীতিকে কলুষিত করতে না পারে সে ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে। তোমাদের পড়ালেখায় রাষ্ট্রের যে অর্থ খরচ হয়েছে, সে অর্থের উৎস এদেশের কৃষক-শ্রমিক ও মেহনতি আপামর জনতা। তাই তোমরা যেখানেই থাকো এ দেশের গরিব ও দুঃখী জনগণের কথা ভুলবে না। তাদের প্রতি রয়েছে তোমাদের অনেক দায়িত্ব।
অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর এমিরেটাস ড. এ কে আজাদ চৌধুরী এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, যবিপ্রবির উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুস সাত্তার।
২০১৩ ও ২০১৪ শিক্ষাবর্ষে চূড়ান্ত ফলাফলে উর্ত্তীর্ণ ৫৪০ জন গ্রাজুয়েট ও ৬৪ জন পোস্ট গ্রাজুয়েট এই দ্বিতীয় সমাবর্তনে অংশ নেন। এদের মধ্যে ৫ জন চ্যান্সেলর স্বর্ণপদক, ৫ জন ভাইস চ্যান্সেলর স্বর্ণপদক ও ৬ জন ডিন পদক লাভ করেন।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ