বিশেষ খবর

বেসরকারি ভার্সিটিতে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সুযোগ দিন

-বিইউবিটি’র সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি

ক্যাম্পাস ডেস্ক শিক্ষা সংবাদ
img

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ দরিদ্র ও পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলোর ছেলেমেয়েদের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়াশোনার ক্ষেত্রে সহায়তা দিতে বৃত্তিসহ সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, শিক্ষার প্রধান কেন্দ্র হয়ে ওঠার জন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দেশ ও জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে।
ঢাকায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এ্যান্ড টেকনোলজি’র (বিইউবিটি) দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ভাষণদানকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, ব্যয়বহুল উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসন পেতে দরিদ্র পরিবারগুলোর সন্তানদের জন্য সুযোগ দিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বৃত্তিসহ সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, সরকার দেশে উচ্চ শিক্ষার ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে সরকারি ও বেসরকারি খাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুযোগ বৃদ্ধি করেছে।
তিনি কম টিউশন ফি নিয়ে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুযোগ দেয়ার জন্য বিইউবিটি কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।
সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও অস্ট্রেলিয়ার  কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্টিন গ্যাজুয়েট স্কুল অব বিজনেস এর ডিন প্রফেসর মাইলী টারজিওভস্কি, পিএইচডি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে ৩ হাজার ৫৮০ জনকে গ্র্যাজুয়েশন ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রি এবং কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য ৮ জনকে স্বর্ণপদক দেয়া হয়।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, গ্র্যাজুয়েটদের শিক্ষাজীবন আনুষ্ঠানিকভাবে এখানে শেষ হলেও তাদের কর্মজীবন এখান থেকেই শুরু হলো।
বিইউবিটি  ট্রাস্টের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শফিক আহমেদ সিদ্দিক গ্র্যাজুয়েটদের বলেন জীবনের এই অধ্যায়ের কঠিন বাস্তবতাগুলোকে মোকাবেলা করতে হলে অর্জিত জ্ঞানই যথেষ্ট হবে না। এর জন্য জীবন ও জগৎ সম্পর্কে নতুন নতুন জ্ঞান অর্জনের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। অধ্যাপক মাইলী টারজিওভস্কি, পিএইচডি তথ্য ও উপাত্তসহ ভবিষ্যতকে বদলে দেয়ার মত কিছু ধারা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি সাম্প্রতিক বিশ্বের ব্যক্তিক ও ব্যবসায়িক প্রবণতাসমূহ গ্র্যাজুয়েটদের সামনে তুলে ধরেন। গ্র্যাজুয়েটদের দূরদর্শিতা নিয়ে ভাবতে সাহায্য করবে, উইলিয়াম আর্থার ওয়ার্ডের একটি বাণী দিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেনঃ ‘যদি কল্পনা করতে পার, তাহলে তা অর্জন করতে পারবে; যদি স্বপ্ন দেখতে পার, তাহলে তা হতে পারবে’।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ