বিশেষ খবর

ক্যাম্পাস সততা পুরস্কার-সম্মাননা অর্পণ করবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার

ক্যাম্পাস ডেস্ক ক্যাম্পাস’র অনুষ্ঠান
img

৪ নভেম্বর বিকাল ৪টায় ক্যাম্পাস’র আয়োজনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সততা পুরস্কার ও সম্মাননা জ্ঞাপন অনুষ্ঠান। ক্যাম্পাস’র নিজস্ব অডিটোরিয়ামে আয়োজিতব্য উক্ত অনুষ্ঠানে সততা ও ন্যায়নিষ্ঠায় প্রোজ্জ্বল, দেশপ্রেমী-কল্যাণকামী অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত ও ১০বার জাতীয় বাজেট প্রণয়নকারী ডিজিটাল অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স এসোসিয়েশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বীমাশিল্পে কিংবদন্তি নাসির এ চৌধুরীকে সততা পুরস্কার অর্পণ ও সম্মাননা জ্ঞাপন করা হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি যিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী স্পিকার, কমনওয়েলথ স্কলার, প্রথিতযশা আইনজীবী, বহুবিধ সম্মাননায় ভূষিত, দেশপ্রেমী-নিষ্ঠাবান-প্রাজ্ঞ ও প্রতিভাদীপ্ত ব্যক্তিত্ব।
এছাড়াও প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ, শিল্পপতি, ব্যবসায়ী, ব্যাংকার, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান, ভিসি, প্রো-ভিসি, ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার, শিক্ষাদ্যোক্তা, বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদক এবং শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিত্বগকে এতে নিমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় থাকছেন ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক এবং ক্যাম্পাস সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার এর মহাসচিব ড. এম হেলাল।
জ্ঞানভিত্তিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ এবং আলোকিত জাতি গঠনে নিবেদিত প্রতিষ্ঠান ক্যাম্পাস সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (ঈঝউঈ) এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা । অবিরাম সংস্কার আন্দোলন, চিন্তার দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং জনশিক্ষার অনুকরণীয় প্রতিষ্ঠানরূপে ক্যাম্পাস’র যাত্রা শুরু ১৯৮৪ সালে, ছাত্র-শিক্ষক-বুদ্ধিজীবীদের সমন্বিত প্রয়াসে। শিক্ষা ও যুব উন্নয়নমূলক পত্রিকা প্রকাশনা ছাড়াও ক্যাম্পাস’র রয়েছে জনসচেতনতা ও জাতি জাগরণমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম।
দেশ উন্নয়নে ক্যাম্পাস’র বহুমুখী কার্যক্রমের অন্যতম হচ্ছে ‘সততা পুরস্কার ও সততা জাগরণী কর্মসূচি’। এ কর্মসূচির আওতায় সততা, ন্যায়নিষ্ঠা, দেশপ্রেম ও মানবতাবোধে জনগণকে উদ্বুদ্ধ ও উজ্জীবিত করা হয় এবং সৎ-ব্যক্তিদেরকে পুরস্কৃত করে তাঁদেরকে দেশ ও জাতির অনুকরণীয়রূপে উপস্থাপন করা হয়। ক্যাম্পাস গবেষণা সেলের অনুসন্ধানে এবং এ প্রতিষ্ঠানের সুদীর্ঘ ৩৫ বছরের কর্মঅভিজ্ঞতায় প্রতীয়মান যে জ্ঞানভিত্তিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজের অন্তরায় হচ্ছে অসততা ও দুর্নীতি। এ থেকে উত্তরণে যেমনি প্রয়োজন নিরন্তর জ্ঞানচর্চা, তেমনি নীতি-নৈতিকতা চর্চার মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ। এরূপ আদর্শিক অভিপ্রায়ে প্রবর্তিত হয়েছে ‘সততা পুরস্কার এবং সততা জাগরণী কার্যক্রম’। এ কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে সৎ ব্যক্তিদের পুরস্কৃত করার মাধ্যমে তাঁদের মাথা উঁচু করে অসৎ ব্যক্তিদের কোণঠাসা করা; সততা ও ন্যায়নিষ্ঠায় প্রোজ্জ্বল, দেশপ্রেমী ও কর্মযোগী ব্যক্তিত্বগণকে পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত করা এবং সৎকর্মে সবাইকে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করা; সেমিনার ও পথসভা আয়োজন; স্টিকার-লিফলেট-ডেস্কসিøপ- স্যুভেনির ও ক্যালেন্ডারের মাধ্যমে সততার জাগরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন।
নতুনরূপে বদলে যাচ্ছে ঢাকা, বদলে যাচ্ছে দেশ
’৫২ আর ’৭১ এর সেই উত্তাল বাংলাদেশ ॥
পদ্মাসেতু-মনোরেল-ফ্লাইওভার-এক্সপ্রেসওয়ে
নব নব উন্নয়ন-কর্মযজ্ঞের পরিবর্তনে এগিয়ে...॥
দেশ উন্নয়নের এরূপ মহাসড়কে স্পীড-ব্রেকাররূপী প্রতিবন্ধক ঘুষ-দুর্নীতি ও অসততা। এই পাঁকচক্র থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষার জন্য জরুরি প্রয়োজন সমাজে ও জাতিতে ন্যায়-নীতিবোধ জাগরণ এবং স্বচ্ছতা-জবাবদিহি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা। আরও প্রয়োজন সততা ও নিষ্ঠার সামাজিক স্বীকৃতি এবং সৎকর্ম ও সৎ জীবনযাপনকে উৎসাহিত করা; ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে যাঁরা সৎ অথচ উপেক্ষিত তাঁদের প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় এবং সম্ভাব্যক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি দান। এতে একদিকে যেমন সৎ মানুষদের মূল্যায়ন ও স্বীকৃতির মাধ্যমে সামাজিক দায়বদ্ধতা পালন হবে, অন্যদিকে তাঁদের আদর্শ ও উদাহরণ তুলে ধরে আগামী প্রজন্মকেও উদ্বুদ্ধ করা সম্ভব হবে; সর্বস্তরে উন্মেষ ঘটবে সততার চেতনা; জাতিতে উজ্জীবিত হবে দেশপ্রেম ও মানবতাবোধ। এ বিবেচনা থেকেই সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দফতর, অধিদপ্তর এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সৎ ও নীতিবানদেরকে আনুষ্ঠানিক পুরস্কার প্রদানের লক্ষ্যে চালু হয়েছে সততা পুরস্কার ও সততা জাগরণী কর্মসূচি।
সমাজের সর্বক্ষেত্রে স্বচ্ছতা-জবাবদিহি-সুশাসন ও ন্যায়-নীতির চর্চায় প্রবর্তিত সততা পুরস্কার ও সততা জাগরণী কর্মসূচি ছাড়াও ক্যাম্পাস’র জ্ঞানমেলা সিরিজে প্রকাশিত হয়েছে ১৭টি সৃজনশীল ও ব্যতিক্রমী বই। স্মার্ট এন্ড গ্লোবাল ইয়থ জেনারেশন তৈরিতে ক্যাম্পাস পরিচালনা করছে শিক্ষানবিশ কর্মসূচি, ডায়নামিক কম্পিউটার ট্রেনিং, ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস কোর্স ফর লিডারশিপ, ফ্রি চায়নিজ কোর্স, রেগুলার ফ্রি সেমিনার অন প্রোএকটিভ এন্ড পজিটিভ এটিচিউড, রেগুলার ওয়ার্কশপ অন ডিজিটাল সোসাইটি, ডিজিটাল ইয়াং-স্টার এওয়ার্ড, ক্যাম্পাস লাইব্রেরি প্রভৃতি। প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে স্বাস্থ্যচর্চায় জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমে স্বাস্থ্যখাতে সরকারের বাজেট-ব্যয় হ্রাসে ক্যাম্পাস হেলথ সার্ভিসের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে ফ্রি মেডিটেশন-ইয়োগা-আকুপ্রেশার-রিফ্লেক্সোলজি ও রেইকি প্রোগ্রাম। এছাড়াও রয়েছে ক্যাম্পাস শিক্ষা পুরস্কার, শিক্ষাবৃত্তি ও ত্রাণ কর্মসূচি, ওয়েব পোর্টাল অন এডুকেশন এন্ড ডেইলী নীড্স, ক্যাম্পাস কালচারাল প্রোগ্রাম, ক্যাম্পাস আইটি, ওপেন ডায়লগ প্ল্যাটফরম প্রভৃতি।
এসব ভ্যালু-এডেড সোস্যাল সার্ভিসের নিত্য নতুন কার্যক্রমের পাশাপাশি দেশ ও জাতির উজ্জীবনে ক্যাম্পাস রিসার্চ সেল প্রণয়ন করেছে অত্যাধুনিক দু’টি মডেল জাতীয় সকল সমস্যার স্থায়ী সমাধান এবং এলাকাভিত্তিক স্কুলিং। তাছাড়া সুর ও সঙ্গীতের মূর্ছনায় মানুষকে দেশপ্রেম ও মানবপ্রেমে উজ্জীবিত করতে প্রণয়ন করেছে দেশ ও জাতি জাগানিয়া বিভিন্ন গান।
এভাবে স্মার্ট এন্ড গ্লোবাল ইয়থ জেনারেশন তৈরির মাধ্যমে নতুন প্রাণের স্পন্দনে কর্মযোগী জাতি ও আমাদের সবার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার পরিকল্পনায় ক্যাম্পাস এসব কার্যক্রম ছড়িয়ে দিচ্ছে সমাজে-জাতিতে-বিশ্বপরিসরে।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ