বিশেষ খবর

ক্যাম্পাস পরিচালিত ইংলিশ কোর্স এর র সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে এপেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী

ক্যাম্পাস ডেস্ক ক্যাম্পাস’র অনুষ্ঠান
img

ক্যাম্পাস পরিচালিত ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস কোর্স ফর লিডারশিপ এর ২১তম ব্যাচের সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান ১৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিরল ও বহুমাত্রিক প্রতিভার কর্মযোগী; সততা ও নীতি-আদর্শে উদ্ভাসিত ও অনুকরণীয়; শিল্প-বাণিজ্যে সফল, সৃজনশীল ও ডায়নামিক; অসাধারণ দক্ষ ও বলিষ্ঠ সংগঠক; শিক্ষার একনিষ্ঠ পৃষ্ঠপোষক; সাবেক দু’তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সফল উপদেষ্টা; এপেক্স গ্রুপের ফাউন্ডার চেয়ারম্যান সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক এবং ক্যাম্পাস সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (সিএসডিসি) এর মহাসচিব ড. এম হেলাল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ক্যাম্পাস’র ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস কোর্স এর রিসোর্স পার্সন এডভোকেট গোলাম কিবরিয়া। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথিকে পুষ্পমাল্যে বরণ করে নেয়া হয় এবং উপহার হিসেবে অর্পণ করা হয় ক্যাম্পাস জ্ঞানমেলা সিরিজে প্রকাশিত সৃজনশীলতা বৃদ্ধি, আত্মোন্নয়ন ও জাতি জাগরণমূলক বিভিন্ন বই; ক্যাম্পাস’র নিজস্ব গবেষণায় প্রকাশিত দেশোন্নয়নের ২টি মডেল, বিভিন্ন সিডির সেট ও স্যুভেনির।
উচ্ছল-উজ্জ্বল আলোর ঝর্ণাধারায় উদ্ভাসিত; সাহসিকতা ও নীতি-নৈতিকতায় দৃঢ়চেতা; সৃজনশীল ও বহুমুখী উদ্যোক্তা; সমৃদ্ধ ও কাক্সিক্ষত বাংলাদেশ গড়ার প্রেরণাদায়ী ব্যক্তিত্ব সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীকে ক্যাম্পাস’র সম্মাননা ক্রেস্ট অর্পণ করেন ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক ড. এম হেলাল।
এরপর সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশে বিশেষ উপহার অর্পণ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার মাতৃসংগঠন ক্যাম্পাস সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার এর প্রথম সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী। সংগঠনের শুরু থেকে অশেষ প্রেরণা ও উৎসাহ যুগিয়ে আসছেন তিনি। ক্যাম্পাস’র আজকের অবস্থানের পেছনে তাঁর পৃষ্ঠপোষকতাও অসামান্য। তাঁর বিশাল মনো-বারান্দার বৃহৎ দানের কিঞ্চিৎ কৃতজ্ঞতা প্রকাশে তাঁকে ক্যাম্পাস’র পরিবেশ আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে সবুজ ডেকোরেটিভ গাছ অর্পণ করেন সিএসডিসি’র মহাসচিব ড. এম হেলাল।
ইংলিশ কোর্সের প্রশিক্ষণার্থীরা যাতে প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে দেশোন্নয়নে যোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে, সে কামনায় প্রধান অতিথি আশা-জাগানিয়া মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন। এরপর সফল ট্রেইনীদের মাঝে সনদ বিতরণ করা হয়। সনদ বিতরণ শেষে শুরু হয় বক্তৃতাপর্ব।
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি, ছাত্র-তরুণদের অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী বলেন- বড় হতে হলে আমাদের চিন্তাশক্তি বড় করতে হবে, বড় স্বপ্ন দেখতে হবে। বড় স্বপ্নগুলো হতে হবে সত্যিকার অর্থেই বড়। আমি যখন ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে ইকনোমিক্সে মাস্টার্স করে মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরির উদ্দেশ্যে করাচী গেলাম, সেটা ১৯৬৪ সালের কথা। সেখানে ইন্টারভিউ বোর্ডে আমাকে জিজ্ঞেস করা হলো- তোমার Highest expectation কত? তখন সিএসপি অফিসারদের তথা প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তাদের বেতন ছিল ৪শ’ টাকা, আমি অনেক বাড়িয়ে চাইলাম- ৯শ’ টাকা; বোর্ড সদস্যরা হেসে দিলেন, আমি তখন ভাবলাম- বেশি চেয়ে ফেলেছি; তাই লজ্জিত হয়ে বললাম- ৬শ’ টাকা হলেও আমি করব। বোর্ড সদস্যরা বললেন- আমাদের এখানে বেতন স্কেল শুরুইতো ১,৯০০ টাকা থেকে! এই বেতনে কি তুমি চাকরি করবে? তখন ভাবলাম, আমাদের বড় চিন্তাগুলোও কত ছোট হয়! তাই আমাদের চিন্তাশক্তি বাড়াতে হবে। এরপর আমার চাকরি হলো। তবে কিছুদিন করার পর সেই লোভনীয় চাকরি ছেড়ে দিলাম। কারণ আমার ইচ্ছা ছিল উদ্যোক্তা হব, শিল্প-বাণিজ্য ক্ষেত্রে উদ্যোক্তা হয়ে মানুষের কর্মসংস্থান করব; সমাজকর্ম তথা ঈঝজ কার্যক্রম করব। এমপ্লয়ী নয়, এমপ্লয়ার হব। যেই কথা সেই কাজ। মাল্টিন্যাশনালের চাকরি ছেড়ে দিয়ে ন্যাশনালে চলে আসলাম। দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য কিছু করার মন নিয়ে।
একটি সাজানো-গোছানো সেট করা জীবনব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে নতুন, অজানা ও চ্যালেঞ্জিং পথে পা বাড়ানো সহজ ছিল না। বিশেষ করে আমি তখন দু’সন্তানের পিতা! তাই উদ্যোক্তা হবার পথে আমার প্রথম বাধা পরিবার থেকেই এসেছিল। কিন্তু সুকঠিন মনোবল ও দৃঢ়তা নিয়ে সে বাধাকে অতিক্রম করেছি। চিরসবুজ, তারুণ্য মুখশ্রী ও সাদামনের এ মহান ব্যক্তিত্ব অত্যন্ত খোলামনে ছাত্র-তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেন- আমি ৭৭ বছর বয়সেও অবসরের চিন্তা করতে পারি না। সবসময় কাজে ডুবে থাকি। কাজের মধ্যে থাকলে শরীর ও মন ভালো থাকে। ক্যাম্পাস’র কর্ণধার ড. এম হেলালকে দীর্ঘদিন থেকে চিনি আমি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন গঠনের সময় তার সাংগঠনিক নৈপুণ্য দেখেছি। তার মধ্যেও সবসময় তারুণ্য জাগ্রত থাকে। সফল ও বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী বলেন- আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অর্থনীতিবিদ প্রফেসর রেহমান সোবহান আমার শিক্ষক। পেশার প্রতি তিনি ছিলেন সৎ ও নিষ্ঠাবান, যা আমার জীবনে শিক্ষণীয় হয়ে আছে। আমি সবসময় আশাবাদী, হতাশা আমাকে দুর্বল করতে পারে না। গ্লাসে অর্ধেক পানি থাকলে আমি বলি- অর্ধেক পূর্ণ গ্লাস; কখনো বলি না, অর্ধেক গ্লাস খালি। আমি সর্বদাই প্রোএকটিভ ও পজিটিভ এটিচিউডে বিশ্বাসী।
মানবিক মূল্যবোধে ভরপুর ও দেশপ্রেমী মঞ্জুর এলাহী আরও বলেন- সোস্যাল মিডিয়া আমাদের তারুণ্যকে ধ্বংস করছে, মূল্যবোধের অবক্ষয় কোন্্ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর জন্য কি আমাদের লক্ষ প্রাণ আত্মবলিদান করেছে! হাজার হাজার মা-বোন সম্ভ্রম হারিয়েছে! তাঁদের বিশাল ত্যাগের বিনিময়ে যে দেশটা আমরা পেলাম, সেটিতো আমাদেরই গড়ে তুলতে হবে। বুকের ভিতর উদার বারান্দার এবং চিন্তা-চেতনায় নীতিনিষ্ঠার বলিষ্ঠ-সাহসী ব্যক্তিত্ব মঞ্জুর এলাহী বলেন- সকালে উঠে আমি মৃত্যুর কথা ভাবি না; আমি সে জিনিসটার কথাই ভাবি, যা আমাকে সারাদিন সক্রিয় রাখবে। মানুষের বড় চিন্তা আর কঠিন পরিশ্রমই তাকে সাফল্য এনে দেয়। গড়হবু রং ধহ রসঢ়ড়ৎঃধহঃ সধঃঃবৎ. এটারও প্রয়োজনীয়তা আছে, তবে টাকাই সব নয়। এর মূল্য না বুঝতে পারলে টাকা অর্থহীন হয়ে পড়বে। আমার কত টাকা আছে, সেটা বড় কথা নয়; আমি মানুষ হতে পেরেছি কিনা -সেটাই বিবেচ্য বিষয়। টাকা রোজগারের কোনো সংক্ষিপ্ত পথ নেই। অসৎ পথে অনেক টাকাই আয় করা যায়, কিন্তু সে টাকা টেকে না। যে পথে আসে, সে পথেই ব্যয় হয়ে যায়। তিনি আরও বলেন- বিদ্যা-বুদ্ধির সাথে সততা যুক্ত না হলে সে বিদ্যাও কাজে আসবে না। তোমরা একাডেমিক বইয়ের পাশাপাশি অন্য বইও পড়বে। যত পড়বে, তত জানবে। বই না পড়লে, জ্ঞান আহরণ না করলে জাতি হিসেবে আমরা উন্নত হতে পারব না। ছাত্র-তরুণদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন- তোমরা সমালোচনা গ্রহণ করবে, একে এড়িয়ে যেও না। তা না হলে জীবনে ম্যাচিউরড হতে পারবে না। তোমরা যত বড় হবে, তত বিনয়ী হতে হবে। ক্যাম্পাস থেকে তোমরা শুধু সার্টিফিকেট পাচ্ছ না, জীবন-চলার যে দিকনির্দেশনা ও চর্চা পাচ্ছ -তা কাজে লাগিয়ে জাতিকে গর্বিত কর।
কে এম বেলায়েত হোসেন
দৈনিক ভোরের ডাক পত্রিকার সম্পাদক কে এম বেলায়েত হোসেন প্রধান অতিথিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন- তিনি সত্যিকারের একজন ভদ্রলোক। ব্যবসা-বাণিজ্যের নিরেট পরিমন্ডলে তিনি একটু অবসর পেলেই বই পড়েন, যা আমাদের ছাত্র-যুবকদের জন্য অনুকরণীয়। তিনি বলেন- ক্যাম্পাস’র নয়া প্রকল্প ক্যাম্পাস স্টাডি সেন্টার জাতির আশা-আকাক্সক্ষার প্রতীক। এ সেন্টার থেকে জাতির আগামীর সৈনিক তৈরি হবে। তাই এ প্রকল্প বাস্তবায়নে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ক্যাম্পাস’র এ প্রকল্প বাস্তবায়নে উদার সহযোগিতা করবেন বলে আমি আশা করি। বিশেষত এ স্টাডি সেন্টারের সম্মুখ প্রবেশ দ্বারের স্টোনে তাঁর ন্যায় মহৎপ্রাণ, জ্ঞানবান ও বইপ্রেমী ধনাঢ্য ব্যক্তিত্বের নাম থাকলে, তা অনাগত প্রজন্মসহ সব মহলের জন্যই প্রেরণাদায়ক হবে বলে বিশ্বাস।
ড. আলমাসুর রহমান
প্রোএকটিভ ও পজিটিভ এটিচিউডের প্রবক্তা ড. আলমাসুর রহমান বলেন- আমি দীর্ঘদিন থেকে ক্যাম্পাস’র সাথে জড়িত। আমি দেখছি কীভাবে এই ছোট্ট পরিসরে ছাত্র-যুব উন্নয়নে ক্যাম্পাস নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। ক্যাম্পাস’র পরিসর ছোট্ট হলেও তাদের কাজ মহৎ ও সুদূরপ্রসারী। আমরা সবাই হয়ত বড় কাজ করতে পারব না, কিন্তু ছোট কাজগুলোকে মহৎভাবে আন্তরিকতার সাথে করার চেষ্টা করব। আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি একজন বড় মাপের মহৎপ্রাণ-দানশীল ব্যক্তিত্ব হিসেবে ক্যাম্পাস’র এরূপ মহৎ কাজে আরও অধিক সহযোগিতা করবেন বলে আমি আশা করি। ড. আলমাস বলেন, আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তাঁর শত ব্যস্ততার মাঝেও বই পড়েন। বই পড়া, গান শোনা তাঁর শখ। বই পড়লে জ্ঞানের পরিধি বাড়ে। বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ধনী বিল গেটস বছরে অন্তত ৫০টি বই পড়েন। তাই ছাত্র-যুবকদেরকে এ বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে। তাদেরকে প্রচুর পড়াশোনা করতে হবে।
এডভোকেট এম গোলাম কিবরিয়া
ক্যাম্পাস’র ফ্রি ইংলিশ কোর্সের রিসোর্স পার্সন এডভোকেট এম গোলাম কিবরিয়া অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন- আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী বিভিন্ন ক্ষেত্রে কিংবদন্তী। তিনি শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্য জগতের পুরোধা; সাহসিকতা ও নীতি-নৈতিকতায় দৃঢ়চেতা; অসাধারণ দক্ষ ও বলিষ্ঠ সংগঠক; শিক্ষার একনিষ্ঠ পৃষ্ঠপোষক; সাবেক দু’তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টার দায়িত্ব তিনি পালন করেছেন অত্যন্ত দক্ষতা ও সাফল্যের সাথে। তাঁর মতো ব্যক্তিত্বের উপস্থিতি আজকের অনুষ্ঠানকে করেছে প্রাণময়, দিয়েছে ব্যঞ্জনা। তিনি ৭৭ বছর বয়সেও বলিষ্ঠ তারুণ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। এপেক্স গ্রুপ অব কোম্পানিজ গড়েছেন। দিন দিন একে সম্প্রসারিত ও বেগবান করছেন। কোয়ালিটি প্রোডাক্ট তৈরি করছেন। বিভিন্ন দেশে তাঁর কারখানায় তৈরি পণ্যের সুনাম রয়েছে। তিনি সৃজনশীল যে কাজেই হাত দিয়েছেন, সেটিই সাফল্যে ভরে উঠেছে। ছাত্র-তরুণরা এ বিরল ব্যক্তিত্বকে অনুসরণ করলে জীবনে উপকৃত হবে। এডভোকেট কিবরিয়া বলেন- মাত্র ১৮ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে প্রথম ক্লাস শুরু করেছিলাম। মনে আশংকা ছিল ক্লাস জমবেতো! এখন ব্যাচপ্রতি ৬০ জন ভর্তি নেয়ার পর স্থান সংকুলান না হওয়ায় ঐ ব্যাচে ভর্তি বন্ধ রাখতে হয়। তাদেরকে পরবর্তী ব্যাচের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। এ ডায়নামিক কোর্সের প্রতি ছাত্র-তরুণদের প্রবল আগ্রহ আমাদেরকে আশাবাদী করে তোলে। তিনি বলেন- ক্যাম্পাস এ শুধু ইংলিশ কোর্সই করানো হয় না। এখানে সময়োপযোগী নানা প্রশিক্ষণ দিয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্টিফাইড ছাত্র-যুবকদেরকে কোয়ালিফাইড করার মাধ্যমে আধুনিক বিশ্বের উপযোগী করে গড়ে তোলা হচ্ছে। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে ক্যাম্পাস তার কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত পরিসরে ছড়িয়ে দিতে উত্তরায় ক্যাম্পাস স্টাডি সেন্টার গড়ে তোলার ডায়নামিক প্রকল্প হাতে নিয়ে তজ্জন্য জমি ক্রয় করেছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছি। বিশেষত ১ কাঠা জমির মূল্যমান সহযোগিতা দান করে এতে তাঁর জীবন ও কর্মের ওপর আর্কাইভ সেন্টার স্থাপনের সুযোগ দিলে সমাজ ও জাতি বর্তমানে ও আগামীতে প্রেরণার উৎস খুঁজে পাবে। এছাড়া দরিদ্র ও মেধাবীদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণের জন্য এবং ডিজিটাল স্টারদের এওয়ার্ড হিসেবে কম্পিউটার দেয়ার সহযোগিতায় তিনি কিছু কম্পিউটারও প্রদান করলে প্রীত হব।
ড. এম হেলাল
অনুষ্ঠানের সভাপতি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক ও ক্যাম্পাস সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার এর মহাসচিব ড. এম হেলাল বলেন, আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের একজন স্বপ্নচারী মানুষ। তাঁর পিতা ছিলেন হাইকোর্টের চীফ জাস্টিস, বড় ভাইও ছিলেন চীফ জাস্টিস। জুডিশিয়াল পরিবারের এ কৃতী সন্তান সততা ও ন্যায়ের শিক্ষা শৈশবে পরিবার থেকেই পেয়েছেন। তিনি ব্যতিক্রমধারার অনুকরণীয়-অনুসরণীয় মানুষ। বর্তমান প্রজন্মের সম্মুখে অনুকরণীয় ব্যক্তিত্বের যে অভাব, সে চাহিদা পূরণে এ ব্যতিক্রমী ব্যক্তিত্বকে ক্যাম্পাস’র অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রণ করা হয়েছে। ছাত্র-তরুণদেরকে উৎসাহ ও প্রেরণা জোগানোর উদ্দেশ্যে তিনি শত ব্যস্ততার মাঝেও সানন্দে আমাদের নিমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। তাই আজকের অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি ছাত্র-তরুণদের জন্য উপহারস্বরূপ। ড. এম হেলাল বলেন- ক্যাম্পাস ২০০৪ সাল থেকে ডিজিটাল সোসাইটি গড়ার আন্দোলন শুরু করে। পরবর্তীতে সরকার ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ আন্দোলনের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করছে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিকে অবলম্বন করে জ্ঞানভিত্তিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও আলোকিত জাতি গঠন ক্যাম্পাস’র উদ্দেশ্য। এজন্য ছাত্র-যুব উন্নয়নে ক্যাম্পাস পরিচালনা করছে নানামুখী কর্মসূচি। ক্যাম্পাস এ দায়িত্ব পালন করছে দেশপ্রেম, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে। তাই ক্যাম্পাস’র এসব কল্যাণকর কর্মসূচিতে জ্ঞানী-গুণী, সচেতন দেশপ্রেমী ব্যক্তিত্বগণের সমর্থন-সহযোগিতা একান্ত কাম্য।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ