বিশেষ খবর

ফ্রি ইংলিশ কোর্সের উদ্বোধনে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্ত্তী

ক্যাম্পাস ডেস্ক ক্যাম্পাস’র অনুষ্ঠান
img

১১ অক্টোবর ক্যাম্পাস পত্রিকা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস ফর লিডারশিপ কোর্সের ২৫তম ব্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্ত্তী।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক এবং ক্যাম্পাস সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (সিএসডিসি) এর মহাসচিব ড. এম হেলাল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার সম্পাদক ও আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের পরিচালক ড. খান আসাদুজ্জামান; ইন্টারন্যাশনাল চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন এর প্রেসিডেন্ট লায়ন আফরোজা বেগম হ্যাপী; সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বিশ্বব্যাংক বিষয়ক কনসালটেন্ট এবং ওয়ার্ল্ডওয়াইড ফ্যামিলি লাভ মুভমেন্ট এর চেয়ারপার্সন তাজকেরা খায়ের; ক্যাম্পাস’র ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস কোর্স এর রিসোর্স পার্সন এডভোকেট গোলাম কিবরিয়া প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথিকে পুষ্পমাল্যে বরণ করে নেয়া হয় এবং উপহার হিসেবে অর্পণ করা হয় ক্যাম্পাস জ্ঞানমেলা সিরিজে প্রকাশিত সৃজনশীলতা বৃদ্ধি, আত্মোন্নয়ন ও জাতি জাগরণমূলক বিভিন্ন বই; ক্যাম্পাস’র নিজস্ব গবেষণায় প্রকাশিত দেশোন্নয়নের ২টি মডেল, বিভিন্ন সিডির সেট ও স্যুভেনির।
ব্যতিক্রমী ও ডায়নামিক বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ট্রেনিং সেন্টারের উদ্যোগ-পরিচালন ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা শিক্ষার উন্নয়নে নিবেদিতপ্রাণ, মানবসেবা ও মানবতার কল্যাণে উৎসর্গীকৃত প্রীতি চক্রবর্ত্তীকে ক্যাম্পাস’র সম্মাননা ক্রেস্ট অর্পণের মাধ্যমে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন ক্যাম্পাস সমাজ উন্নয়ন কেন্দ্র এর মহাসচিব এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক ড. এম হেলাল।
ভালো কাজে পুরস্কার ও মন্দ কাজে তিরস্কার ক্যাম্পাস’র চিরায়ত রীতি। সে ধারাবাহিকতায় প্রধান অতিথির মাধ্যমে ক্যাম্পাস’র ৩ সদস্যকে পুরস্কার প্রদান করা হয়। পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন ক্যাম্পাস’র দু’উপ-পরিচালক মোঃ মনিরুজ্জামান ও সাইফুল হক। ঈদের ছুটিতে গঠনমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে কোয়ালিটি টাইম কাটানোর জন্য তাদেরকে এ পুরস্কার দেয়া হয়। এছাড়া ক্যাম্পাস’র সিনিয়র উপ-সহকারী পরিচালক রাজীব গুপ্ত কুইক রেসপন্স এর জন্য পুরস্কৃত হন। ইংলিশ কোর্সের প্রশিক্ষণার্থীরা যাতে প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে দেশোন্নয়নে যোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে, সে কামনায় প্রধান অতিথির হাতে আশা-জাগানিয়া মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করা হয়। এরপর শুরু হয় বক্তৃতা পর্ব। বক্তৃতার উল্লেখযোগ্য অংশ এখানে তুলে ধরা হলো।
প্রীতি চক্রবর্ত্তী
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি, দেশপ্রেমে উজ্জ্বীবিত ভিশনারি বিজনেস লিডার, স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা শিক্ষায় নিবেদিতপ্রাণ, দুঃস্থ-পীড়িতের সেবায় আত্মোৎসর্গকৃত, দক্ষ ও ডায়নামিক সংগঠক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বহু এওয়ার্ডপ্রাপ্ত, বহুমুখী প্রতিভায় ভাস্বর, বর্ণিল গুণাবলির কর্মযোগী, ছাত্র-যুবকদের অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটাল এর ডায়নামিক চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্ত্তী বলেন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা সম্পর্কে আমি দীর্ঘদিন থেকে জানি। পত্রিকার সম্পাদক ড. হেলাল এর লেখা নিয়মিত পড়ার চেষ্টা করি। ড. এম হেলালের সাথে আমার পূর্ব থেকে পরিচয় না থাকলেও তাঁর লেখনির মাধ্যমে বুঝেছি ক্যাম্পাস’র কর্ণধার ড. হেলাল একজন স্বপ্নচারী মানুষ। তাঁর নেতৃত্বে পরিচালিত ক্যাম্পাস’র ডায়নামিক কর্মসূচি দেখে আমি মুগ্ধ-বিস্মিত-অভিভূত। আমি মনে করি, আমার এখানে আসা স্বার্থক হয়েছে। ক্যাম্পাস’র অগ্রযাত্রায় আমি সবসময় ড. হেলালের পাশে দাঁড়াতে চাই; ক্যাম্পাস কার্যক্রমে আমি সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।
প্রীতি চক্রবর্ত্তী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন তোমরা ক্যাম্পাস থেকে বিনামূল্যে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করছ, তা বাস্তব জীবনে কাজে লাগাতে হবে। চাকরির পিছনে না দৌড়ে উদ্যোক্তা হওয়ার চেষ্টা করবে, তোমরা চাকরি দেবে। পৃথিবীতে সৃষ্টিকর্তা সবাইকে নির্দিষ্ট কিছু কাজ দিয়ে পাঠিয়েছেন। যাকে যে কাজ দিয়ে পাঠিয়েছেন, তাকে সেই কাজটি ভালোভাবে করতে হবে, তাহলেই এই পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ স্বার্থক হবে। বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষ তাদের নিজ নিজ জায়গা থেকে তাদের নিজের মতো কাজ করে যাচ্ছে, এভাবেই সকলের কাজের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ইতিবাচক অগ্রগতি সাধিত হবে। বাংলাদেশের জনশক্তি এক বিরাট শক্তি; এই জনশক্তিকে দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তরিত করে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে হবে। স্বাধীনতার ৪৭ বছরে আজ বাংলাদেশে অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে; উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে বাংলাদেশ অচিরেই একটি উন্নত দেশে পরিণত হবে।
স্কুলের ইংরেজি পাঠ্যপুস্তকের গল্প ‘ঞযব ঞযৎবব ছঁবংঃরড়হং’ অর্থাৎ ‘তিনটি প্রশ্ন’ এর উদাহরণ টেনে প্রীতি চক্রবর্ত্তী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় কোনটি? এর উত্তর হবে,‘এখন’। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি কে? উত্তর হবে, ‘আমি’। আর সবচেয়ে জরুরি কাজ কি? এর উত্তর হবে, ‘এখন যে কাজটি করছি সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ’। সবসময় এই তিন প্রশ্নের বিষয়টি মাথায় রেখে চলতে হবে।
নিজ জীবনের উদাহরণ টেনে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রীতি চক্রবর্ত্তী বলেন আমার সামনে এগিয়ে যাওয়ার যে তৃষ্ণা ছিল, সে তৃষ্ণাই আমাকে আজ এ অবস্থানে নিয়ে এসেছে। আমি এমন একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে চাই, যে প্রতিষ্ঠান আর্তমানবতার সেবায় কাজ করবে। তোমাদের মধ্যেও সামনে এগিয়ে যাওয়ার তৃষ্ণা থাকতে হবে, এটিচিউড থাকতে হবে পজিটিভ; তাহলে তোমরাও সামনে এগিয়ে যেতে পারবে। তোমাদের স্বপ্ন দেখতে হবে; সে স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে কাজ করে যেতে হবে। সবকিছুতে ধৈর্য্য ধারণ করতে হবে; মনে রাখবে, ধৈর্য্যরে চেয়ে বড় কিছু আর নেই।
লায়ন আফরোজা বেগম হ্যাপী
ইন্টারন্যাশনাল চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট লায়ন আফরোজা বেগম হ্যাপী ক্যাম্পাস’র কার্যক্রম দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন ক্যাম্পাস’র অডিটোরিয়ামে এসে, তাদের কার্যক্রম দেখে আমি সত্যি মুগ্ধ-অভিভূত। শিক্ষা ও সমাজের অগ্রগতির জন্য যে কাজ ক্যাম্পাস করে যাচ্ছে, তা সত্যিই অতুলনীয়। তরুণ-যুব শিক্ষার্থীরা এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে, অনুপ্রাণিত হচ্ছে। জাতি গঠনে ক্যাম্পাস’র এ সুবিশাল কার্যক্রম দেখে আমিও উদ্দীপিত হয়েছি। আমি সবসময় ক্যাম্পাস’র সাথে যুক্ত থেকে কাজ করতে চাই।
ড. খান আসাদুজ্জামান
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার ও অপরাজেয় বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক, সফেন’র প্রতিষ্ঠাতা, আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের পরিচালক ড. খান আসাদুজ্জামান বলেন ক্যাম্পাস’র কর্ণধার ড. এম হেলাল যেমন একজন আলোকিত মানুষ, তেমনি আজকের প্রধান অতিথি প্রীতি চক্রবর্ত্তীও একজন আলোকিত মানুষ। দু’জনের সম্মিলনে আজকের অনুষ্ঠান অত্যুজ্জ্বল আলোয় আলোকিত হয়েছে। আমি চাই, ক্যাম্পাস’র কার্যক্রমে প্রধান অতিথি তাঁর সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবেন।
তাজকেরা খায়ের
সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বিশ্বব্যাংক বিষয়ক কনসালটেন্ট এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফ্যামিলি লাভ মুভমেন্ট এর চেয়ারপার্সন তাজকেরা খায়ের বলেন, ক্যাম্পাস সমাজ উন্নয়ন কেন্দ্র এর প্রতিটি কার্যক্রম পরিচালিত হয় জ্ঞানভিত্তিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ এবং আলোকিত জাতি গঠনের লক্ষ্যে। যেকোনো সমস্যা সমাধানে এখানে সমন্বয় ঘটে কহড়ষিবফমব, অঃঃরঃঁফব আর চৎধপঃরপব এর। আমি আশা করি, এখানকার ছাত্র-যুবকরা এই চর্চা অব্যাহত রেখে তাদের জীবনকে সমৃদ্ধ করবে। তিনি বলেন ঊষর মরুর ধূসর বুকে একটি শহর গড়ার চেয়ে একটি মানুষকে মানুষ করা অনেক বড় কাজ, অনেক কঠিন কাজ। ক্যাম্পাস সেই কঠিন কাজটিই করছে। সত্যিকারের মানুষ হওয়ার জন্য আমাদের ছাত্র-যুবকদেরকে আত্ম-উন্নয়নমূলক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। তারা একটি প্রদীপ থেকে লক্ষ প্রদীপ জ্বালাবার মহাকর্মযজ্ঞে নিয়োজিত। সুন্দর ভাষা, জনসচেতনতামূলক বিভিন্ন সেøাগান সংবলিত স্টিকার, লিফলেট, ক্যালেন্ডার, বই নিজ খরচে মুদ্রণ করে তা টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত ছড়িয়ে দিচ্ছে ক্যাম্পাস। ক্যাম্পাস’র এ কার্যক্রমকে বেগবান করার লক্ষ্যে আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তাঁর সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিবেন বলে আমি আশা করি।
এ্যাডভোকেট এম জি কিবরিয়া
ক্যাম্পাস’র ইংলিশ এন্ড স্মার্র্টনেস ফর লিডারশিপ কোর্স এর রিসোর্স পারসন এডভোকেট গোলাম কিবরিয়া বলেন আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি একজন মহিয়সী নারী। তিনি ডাক্তারী না পড়েও স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা শিক্ষার ক্ষেত্রে অনবদ্যভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি তাঁর কর্মযজ্ঞ দিয়ে একজন গ্লোবাল লিডারে পরিণত হয়েছেন। চিকিৎসাসেবাকে সম্প্রসারিত ও নার্সদের প্রশিক্ষিত করে চিকিৎসার মান উন্নয়নে তিনি নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর মতো ব্যক্তিত্ব আজকের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হওয়ায় আমাদের ছাত্র-যুবকরা সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণালাভ করবে। গোলাম কিবরিয়া বলেন ছাত্র-যুব উন্নয়নে ক্যাম্পাস পরিচালনা করছেন নানামুখী কর্মসূচি; যার অন্যতম হচ্ছে ইংলিশ এ্যান্ড স্মার্টনেস ফর লীডারশিপ কোর্স। বাংলা ভাষা শিক্ষার পাশাপাশি বহির্বিশ্বের সাথে পরিচিত হতে এবং বাংলাদেশকে বহির্বিশ্বে গুরুত্ববহ করে তুলতে প্রয়োজন আন্তর্জাতিক ভাষা হিসেবে ইংরেজীর ওপর গুরুত্বারোপ। তাই আন্তর্জাতিক ভাষা ইংরেজীতে পারদর্শীতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ঝসধৎঃ ্ এষড়নধষ ণড়ঁঃয এবহবৎধৎঃরড়হ গড়ে তুলতে ক্যাম্পাস’র সুদুরপ্রসারী উদ্যোগ ফ্রি ইংলিশ কোর্স। বিদেশী ভাষায় দক্ষতালাভ করে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি ও সমৃদ্ধি আনয়ন; একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি কর্মমুখী শিক্ষায় দীক্ষিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি এবং বিপুল জনশক্তিকে জনসম্পদে পরিণত করা ফ্রি ইংলিশ কোর্সের উদ্দেশ্য। ইংলিশ কোর্স ছাড়াও ক্যাম্পাস পরিচালনা করছে মাল্টিডায়মেনশনাল বহু কর্মসূচি। এসব কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য ছাত্র-যুবকদের আগ্রহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু এখানে স্থান সংকুলালের জন্য সবাইকে জায়গা দেয়া সম্ভব হয় না। এজন্য ক্যাম্পাস স্টাডি সেন্টার গড়ে তোলার ডায়নামিক প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছি।
ড. এম হেলাল
ক্যাম্পাস সমাজ উন্নয়ন কেন্দ্র এর মহাসচিব ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক ড. এম হেলাল বলেন, আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রীতি চক্রবর্ত্তী একজন কর্মযোগী মানুষ। তিনি উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পর দেশের সবচেয়ে বড় ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান স্কয়ারে চাকরি পেয়েছিলেন, কিন্তু চাকরি তাঁর ভালো লাগেনি; কেননা তাঁর মধ্যে ছিল বড় হওয়ার তৃষ্ণা। যে তৃষ্ণা তাঁকে এগিয়ে নিয়ে গেছে সামনের দিকে। প্রীতি চক্রবর্ত্তী একজন মহৎ হৃদয়ের লক্ষ্যাভিসারি মানুষ। তাঁর লক্ষ্য ছিল তিনি চিকিৎসা শিক্ষায় অবদান রাখবেন, তাই আত্মনিয়োগ করেছেন চিকিৎসাসেবা ও শিক্ষায়। তিনি ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি তাঁর স্বপ্নপূরণ করেছেন। এ স্বপ্ন পূরণে তিনি ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন; তাঁর ধৈর্যের কারণে তিনি সফল হতে পেরেছেন। আমাদের ছাত্র-যুবকদেরকেও তাঁর থেকে শিক্ষা নিতে হবে; ধৈর্য ধরে কাজ করে যেতে হবে, তাহলে সফলতা আসবেই। ড. এম হেলাল বলেন, ক্যাম্পাস হচ্ছে নিত্যনতুন আইডিয়ার জেনারেটর; তথা জ্ঞান অন্বেষণ ও জ্ঞান উৎপাদনের কারখানা। এখানে নব নব জ্ঞান সৃষ্টি এবং দেশান্তরে ছড়িয়ে দেয়ার কাজ হয় প্রতিনিয়ত। ক্যাম্পাস’র এ কল্যাণ কার্যক্রমে সমাজের উদারপ্রাণ দানশীল ব্যক্তিত্বগণ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিবেন বলে আশা করি।
ছাত্র-যুবকদের অনুভূতি
ক্যাম্পাস অনুষ্ঠানের বিশেষ দিক হলো শিক্ষার্থীদেরকে বক্তৃতার সুযোগ দেয়া। অনুভূতি প্রকাশের সুযোগ পেয়ে আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে অংশগ্রহণকারীদের ক’জন মাইক্রোফোনে তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। ইডেন কলেজের শিক্ষার্থী জীবন্নেছা মিন্নাত বলেন আমরা ছাত্র কিংবা শিক্ষার্থী বলেই হয়ত আমাদেরকে কেবল ক্লাস কিংবা বক্তৃতা শুনতে হয়। তাই ছাত্রাবস্থায় এরূপ বক্তৃতা দেয়ার সুযোগ আর কোথাও পাই না, আমাদেরকে বক্তৃতার সুযোগ দেয়ার জন্য ক্যাম্পাসকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ক্যাম্পাস কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে আমি বড় মানুষ হওয়ার প্রেরণা পেয়েছি। আমি এখন স্বপ্ন দেখি একদিন অনেক বড় হবো। শিক্ষার্থী আবু নাঈম বলেন ক্যাম্পাস’র অডিটোরিয়ামে এলেই আমি পরিবর্তিত মানুষ হয়ে যাই। শিক্ষার্থী আল আমিন বলেন ক্যাম্পাস এমন একটি প্রতিষ্ঠান, যা আমাদের সত্যিকারের মানুষ হওয়ার অনুপ্রেরণা দেয়। শিক্ষার্থী কুলছুমা খাতুন বলেন ক্যাম্পাস আমাদের প্রোএকটিভ এন্ড পজিটিভ এটিচিউডের মানুষ হওয়ার পথ দেখিয়েছে।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ