বিশেষ খবর

ডায়নামিক কম্পিউটার ট্রেনিংয়ের উদ্বোধন করেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবুল হাশেম

ক্যাম্পাস ডেস্ক ক্যাম্পাস’র অনুষ্ঠান
img

গত ২৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয় ক্যাম্পাস পরিচালিত ডায়নামিক কম্পিউটার ট্রেনিংয়ের ১৪৬তম ব্যাচের উদ্বোধন অনুষ্ঠান। ক্যাম্পাস পত্রিকা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ ও ভাইস-চ্যান্সেলর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবৎসল অধ্যাপক-গবেষক-সিনেটর, দক্ষ প্রশাসক ও সংগঠক; একাউন্টিং, সিকিউরিটিজ ও বিনিয়োগ বিশেষজ্ঞ এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর সুযোগ্য চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবুল হাশেম।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক এবং ক্যাম্পাস সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (সিএসডিসি) এর মহাসচিব ড. এম হেলাল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আইন সমিতির সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের আইন উপদেষ্টা এডভোকেট আব্দুন নূর দুলাল, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার সম্পাদক ও আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের পরিচালক ড. খান আসাদুজ্জামান; সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বিশ্বব্যাংক বিষয়ক কনসালটেন্ট এবং ওয়ার্ল্ড-ওয়াইড ফ্যামিলি লাভ মুভমেন্ট এর চেয়ারপার্সন মিসেস তাজকেরা খায়ের; সফেন ইনোভেশন এর উপদেষ্টা ড. মোঃ শরীফ আব্দুল্লাহ হিস সাকী; জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র প্রফেসর নাজমা বেগম এবং ক্যাম্পাস’র ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস কোর্সের রিসোর্স পার্সন এডভোকেট মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথিকে পুষ্পমাল্যে বরণ করে নেয়া হয় এবং তাঁকে উপহার হিসেবে অর্পণ করা হয় ক্যাম্পাস’র জ্ঞানমেলা সিরিজে প্রকাশিত সৃজনশীলতা বৃদ্ধি, আত্মোন্নয়ন ও জাতি জাগরণমূলক বিভিন্ন বইয়ের সেট; ক্যাম্পাস’র নিজস্ব গবেষণায় প্রকাশিত ২টি মডেল, বিভিন্ন সিডির সেট ও স্যুভেনির। আজীবন শিক্ষাব্রতী, শিক্ষান্নোনয়ন ও গুণগত শিক্ষার সাধক, বহুমুখী প্রতিভায় ভাস্বর, বর্ণিল গুণাবলির কর্মযোগী, দেশপ্রেমী ও কল্যাণকামী ব্যক্তিত্ব প্রফেসর ড. আবুল হাশেমকে ক্যাম্পাস’র সম্মাননা ক্রেস্ট অর্পণের মাধ্যমে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন সিএসডিসি’র মহাসচিব ড. এম হেলাল।
ভালো কাজে পুরস্কার ও মন্দ কাজে তিরস্কার ক্যাম্পাস’র চিরায়ত রীতি। সে ধারাবাহিকতায় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির মাধ্যমে চার সদস্যকে বিশেষ পুরস্কার দেয়া হয়। নিজ উদ্যোগে স্বতপ্রণোদিত হয়ে কর্মদক্ষতা প্রদর্শন করার জন্য ক্যাম্পাস’র সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভবতোষ কুমার সরকারকে ২ হাজার টাকার প্রাইজবন্ড পুরস্কার দেয়া হয়। নিজ উদ্যোগে পরিচ্ছন্ন অভিযান পরিচালনার জন্য ক্যাম্পাস’র এক্সিকিউটিভ তানিয়া নূপুরকে এক্সক্লুসিভ এ্যালবাম পুরস্কার দেয়া হয়। এছাড়া ক্যাম্পাস’র ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস ফর লিডারশিপ কোর্সের ব্রিফিং সেশনে তাৎক্ষণিক উত্তর সঠিক দিতে পারায় ট্রেইনী নার্গিস বেগম ও জয় রয়কে পুরস্কৃত করা হয়।
কম্পিউটার কোর্সে অংশগ্রহণকারীরা যেন স্মার্ট এন্ড গ্লোবাল ইয়থ জেনারেশনরূপে দেশ ও জাতির অন্ধকার দূরীকরণে তাদের অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারে, সে কামনায় প্রধান অতিথির হাতে আশা-জাগানিয়া মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করা হয়। এরপর কম্পিউটার কোর্সের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় এবং শুরু হয় বক্তৃতা পর্ব। প্রফেসর ড. আবুল হাশেম
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. আবুল হাশেম বলেন ড. এম হেলাল ১৯৮৪ সালে ক্যাম্পাস’র যাত্রা শুরু করে; আজ তার প্রতিষ্ঠিত ক্যাম্পাস যে বিশাল মহীরূপে পরিণত হয়েছে, তা দেখে আমি আনন্দিত ও অভিভূত। ড. হেলাল ক্যাম্পাস’র হাত ধরে অনিশ্চিত পথে হেঁটেছে; অথচ সে যে বিষয়ে পড়াশোনা করেছে, তার সামনে সুনিশ্চিত অনেক সুযোগ ছিল। আজ ক্যাম্পাস’র কার্যক্রম দেখে বোঝা যাচ্ছে যে হেলাল সঠিক কাজটিই করেছে। তার জন্য রইল আমার অভিনন্দন ও আশীর্বাদ।
তিনি বলেন আমার ছাত্র ড. হেলাল আমাকে অতিক্রম করে গেছে ক্যাম্পাস’র মাধ্যমে। তার ক্যাম্পাস এখন বটবৃক্ষ; এই বটবৃক্ষের ছায়ায় তরুণ প্রজন্মের ঠাঁই হয়েছে। ছাত্র ও সন্তানের কাছে পরাজিত হওয়া সবচেয়ে আনন্দের ও গর্বের বিষয়। ড. হেলাল আমার ছাত্র এবং সন্তানের মতো, তার প্রতিষ্ঠিত ক্যাম্পাস’র জাতি জাগানিয়া কর্মকান্ড দেখে আমি বিস্মিত, মুগ্ধ ও অভিভূত। তার সুনিপুন চিন্তাধারায় পরিচালিত দেশ গঠন ও জাতি জাগানিয়া কার্যক্রমের কাছে আমি পরাজিত। তবে এই পরাজয়ে আছে আনন্দ, গর্ব ও অহংকার। তিনি আরও বলেন ড. হেলালের মতো ছাত্রের শিক্ষক হতে পেরে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দিতে আমি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। যদি আমাকে আরেকবার পৃথিবীতে জন্মগ্রহণের সুযোগ দেয়া হয়, তাহলে আবারও আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে চাই।
ছাত্র-তরুণদের উদ্দেশ্যে ছাত্রবৎসল শিক্ষাবিদ ড. আবুল হাশেম বলেন তোমরা পড়াশোনা কিংবা যে কাজই কর না কেন, তাতে আনন্দ থাকতে হবে, তৃপ্তি থাকতে হবে; আর নিজের অবস্থান থেকে নিজের কাজটা সঠিকভাবে করার চেষ্টা করতে হবে; তবেই তোমরা স্বার্থক হবে, সাফল্যলাভ করবে। তিনি বলেন আমরা কাজ যেখানে শেষ করছি, তোমরা সেখান থেকে শুরু করবে; আমরা যেখানে অসফল হয়েছি, তোমরা সেখানে দাঁড়িয়ে সফলতার পতাকা ওড়াবে।
এডভোকেট আবদুন নূর দুলাল
বাংলাদেশ আইন সমিতির সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের আইন উপদেষ্টা এডভোকেট আবদুন নূর দুলাল বলেন ক্যাম্পাস হচ্ছে আলোকিত মানুষের সম্মিলন কেন্দ্র। এখানে আসলে আলোকিত মানুষের সান্নিধ্য পাই। অবারিত সুযোগ থাকা সত্ত্বেও ড. হেলাল সে সুযোগ গ্রহণ না করে প্রতিষ্ঠা করেছেন ক্যাম্পাস’র মতো সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান, যার সংস্পর্শে এসে তরুণ-যুবসমাজ আলোয় আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে উঠছে। ক্যাম্পাস’র সকল কর্মকান্ডে প্রতিভাত হয় যে, ক্যাম্পাস সত্যিই একটা লাইট হাউজ। আমি ড. এম হেলালের হাত ধরেছি; সবসময় ক্যাম্পাস’র পাশে থাকব -এটাই আমার অঙ্গীকার।
ড. খান আসাদুজ্জামান
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার সম্পাদক ও আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের পরিচালক ড. খান আসাদুজ্জামান বলেন ক্যাম্পাস সমগ্র জাতির সামনে একটি আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে। ক্যাম্পাস’র এখন কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। ক্যাম্পাস এখন নিজেই নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী। রাত যত গভীর হয়, সকাল ততই এগিয়ে আসে। ক্যাম্পাস’র রাত বিগত হয়েছে; ক্যাম্পাস’র সামনে এখন আলোকজ্জ্বল সকাল। ক্যাম্পাস শব্দটা এতো ‘পজিটিভ’ যে, এখানে এলেই যেন সবকিছু পজিটিভ হয়ে যায়।
মিসেস তাজকেরা খায়ের
সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বিশ্বব্যাংক বিষয়ক কনসালটেন্ট এবং ওয়ার্ল্ড-ওয়াইড ফ্যামিলি লাভ মুভমেন্ট এর চেয়ারপার্সন মিসেস তাজকেরা খায়ের বলেন ক্যাম্পাস তার ছোট্ট পরিসরে কল্যাণকর বহুমুখী কর্মসূচি পরিচালনা করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এখন তার কার্যক্রম আরও ব্যাপক পরিসরে ছড়িয়ে দিতে উত্তরায় ক্যাম্পাস স্টাডি সেন্টার নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। আমি মনে করি, ক্যাম্পাস’র স্টাডি সেন্টার হবে এ জাতির লাইটহাউজ। আর এই লাইটহাউজ নির্মাণের জন্য সবাইকে এগিয়ে আসা উচিত সাহায্যের হাত বাড়িয়ে। আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ক্যাম্পাস স্টাডি সেন্টার নির্মাণে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন বলে আমার বিশ্বাস।
প্রফেসর নাজমা বেগম
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবীণ শিক্ষক প্রফেসর নাজমা বেগম বলেন, ক্যাম্পাস স্বপ্নের এক বাহন। এই স্বপ্নের বাহনে ওঠার জন্য শিক্ষার্থীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে। ছাত্র যুবকরা ক্যাম্পাস’র দেখানো স্বপ্নে নিজেদের জীবন গড়ে তুলবে -এটিই আমাদের প্রত্যাশা।
ড. মোঃ শরীফ আব্দুল্লাহ হিস সাকী
সফেন ইনোভেশন এর উপদেষ্টা ড. মোঃ শরীফ আব্দুল্লাহ হিস সাকী বলেন আমাদের তিনটি কাজ সঠিকভাবে করতে হবে, টাইম ম্যানেজমেন্ট, প্রায়োরিটি ম্যানেজমেন্ট ও মানি ম্যানেজমেন্ট; তাহলেই আমাদের সব কাজ সার্র্থক হবে, আর আমরা সফল হবো। ক্যাম্পাস’র কর্ণধার ড. এম হেলাল এমন একজন ব্যক্তি, তাঁর সম্পর্কে একটি কথা বলা যায় “মরণে হাসিবে তুমি কাঁদিবে ভূবন।”
এডভোকেট এম জি কিবরিয়া
ক্যাম্পাস’র ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস ফর লিডারশিপ কোর্সের রিসোর্স পার্সন এডভোকেট মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন আজ আমাদের মাঝে প্রধান অতিথি হিসেবে যিনি উপস্থিত হয়েছেন, তিনি শুধু একজন ব্যক্তি নন, তিনি একটি প্রতিষ্ঠান। আন্তর্জাতিক জার্নালে তাঁর ২২টি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। এগুলো তাঁর মৌলিক গবেষণার ফসল, তিনি ৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সরকারের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায়ও তাঁর অবদান অনেক। বীমা খাতকে সমৃদ্ধ করতে তাঁর রয়েছে নিরলস গবেষণা। কৃষি ব্যাংক যখন ধ্বংসের শেষ সীমায় পৌঁছে গিয়েছিল, তিনি তখন উদ্ধারকর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। পরবর্তীতে কৃষি ব্যাংক তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বের গুণে একটি সফল ব্যাংকে পরিণত হয়েছে। ঢাকা স্টক একচেঞ্জে যোগ দেয়ার পর দেশের বাইরে আন্তর্জাতিক বাজারে শেয়ার বিক্রি হচ্ছে। তিনি আক্ষরিক অর্থেই একজন সফল মানুষ। তাঁর কর্মময়, ধ্যানময়, জ্ঞানময় কথা শুনে আমাদের ছাত্র-যুবকরা অনুপ্রাণিত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। এডভোকেট কিবরিয়া বলেন ২০০৪ সালে মাত্র ৬ জন প্রশিক্ষণার্থী নিয়ে যে কোর্স শুরু হয়েছিল, আজ চার হাজারের অধিক প্রশিক্ষণার্থী এই কোর্স সম্পন্ন করেছে ক্যাম্পাস থেকে। এটা ক্যাম্পাস’র জন্য অত্যন্ত গৌরবের বিষয়। ক্যাম্পাস তার ছোট্ট পরিসরে ২৪টি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে ছাত্র-যুব উন্নয়ন এবং জ্ঞানভিত্তিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও আলোকিত জাতি গঠনে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। ক্যাম্পাস এখন উদ্যোগ নিয়েছে স্টাডি সেন্টার নির্মাণের; এটি এক মহাপরিকল্পনা। এই মহাপরিকল্পনা দেশ ও জাতিকে উন্নয়ন-অগ্রযাত্রায় এগিয়ে নিয়ে যাবে। তাই ক্যাম্পাস স্টাডি সেন্টার বাস্তবায়নে এবং ক্যাম্পাস কার্যক্রমকে বেগবান করতে সমাজের উদারপ্রাণ-দানশীল ব্যক্তিত্বগণের সহযোগিতা করা করা উচিত।
ড. এম হেলাল
অনুষ্ঠানের সভাপতি, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক ও সিএসডিসি’র মহাসচিব ড. এম হেলাল বলেন, আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আমার সরাসরি স্যার। স্যারকে এখানে আনতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি। স্যার অত্যন্ত ছাত্রবৎসল একজন শিক্ষাবিদ। নানা মানবিক গুণে গুণান্বিত এ ব্যক্তিত্ব ক্যাম্পাস’র অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ছাত্র-তরুণদেরকে অনেক স্বপ্ন দেখিয়েছেন। ছাত্র-তরুণরা সে স্বপ্নে উদ্ভাসিত হয়ে নিজ জীবনকে আলোকিত করবেন। এভাবে লক্ষ কোটি প্রদীপের আলো ছড়িয়ে পড়ে সমগ্র দেশ আলোকিত হবে। বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ উন্নততর দেশ হিসেবে পরিচিত হবে। ড. হেলাল বলেন, ক্যাম্পাস হচ্ছে নিত্য নতুন আইডিয়ার জেনারেটর তথা জ্ঞান অন্বেষণ ও জ্ঞান উৎপাদনের কারখানা। অর্থাৎ ক্যাম্পাস’র মাধ্যমে নব নব জ্ঞান সৃষ্টি করে দেশ-দেশান্তরে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। জ্ঞানভিত্তিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ এবং আলোকিত জাতি গঠনের লক্ষ্যে ক্যাম্পাস পরিচালনা করছে ২৪টি কার্যক্রম। ক্যাম্পাস’র ডায়নামিক কম্পিউটার কোর্স অন্যান্য কর্মসূচির মতো একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। এই কোর্সের মাধ্যমে ছাত্র-যুবকদের শুধু কম্পিউটারই শেখানো হয় না; তাদের মস্তিষ্কে সেট হওয়া নেতিবাচক চিন্তা ডিএক্ট করে ইতিবাচক চিন্তার সন্নিবেশ ঘটানো হয়। এভাবে তাদেরকে বিশেষ মানুষরূপে গড়ে তোলা হয়।
কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের কথামালা
ক্যাম্পাস পরিচালিত ফ্রি ডায়নামিক কম্পিউটার ট্রেনিং কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে কয়েকজন ট্রেইনী উচ্ছ্বসিত হয়ে তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সৌরভ কীর্ত্তনীয়া বলেন, ক্যাম্পাস’র কনসেপ্ট কম্পিউটারের ন্যায় মানব মস্তিষ্কে ভালো চিন্তা ইনসার্ট এবং খারাপ চিন্তা ডিএক্ট করার পদ্ধতিটি তার জীবনে খুব কাজে লেগেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী নার্গিস বেগম বলেন, ক্যাম্পাস-কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে আমার দৃষ্টিভঙ্গি ইতিবাচক হয়েছে এবং কাজ করার সাহস বেড়ে গেছে। সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী কুলছুমা খাতুন সেলিনা বলেন ক্যাম্পাস থেকে শিখেছে, কীভাবে দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে, কীভাবে সবকিছু ইতিবাচক হিসেবে দেখতে হবে। ক্যাম্পাস’র আরেক ট্রেইনী বিলকিস আক্তার কাজল বলেন ক্যাম্পাস থেকে অনেক কিছু শিখেছে, আরও ভালো কিছু করার জন্য ক্যাম্পাস’র বিভিন্ন প্রোগ্রামে নিয়মিত অংশগ্রহণ করছি।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ