বিশেষ খবর

ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস ফর লিডারশিপ কোর্সের সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে রাজউক চেয়ারম্যান ড. সুলতান আহমেদ

ক্যাম্পাস ডেস্ক ক্যাম্পাস’র অনুষ্ঠান
img

ক্যাম্পাস পরিচালিত ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস ফর লিডারশিপ কোর্সের ২৬তম ব্যাচের সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান গত ৬ আগস্ট ক্যাম্পাস পত্রিকার অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অভিজ্ঞ ক্যারিয়ার ব্যুরোক্রেট, প্রযুক্তি গবেষণায় বিদগ্ধ জ্ঞানতাপস, দেশেপ্রেমে উজ্জ্বীবিত ভিশনারি ডায়নামিক লিডার, ছাত্র-যুবকদের প্রেরণা ব্যক্তিত্ব এবং রাজউক’র ডায়নামিক চেয়ারম্যান ড. সুলতান আহমেদ।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক এবং ক্যাম্পাস সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (সিএসডিসি) এর মহাসচিব ড. এম হেলাল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট চিকিৎসাবিদ ও সমাজসেবী মেজর ডাঃ এস কে হাবিবুর রহমান; ইন্টারন্যাশনাল চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট লায়ন আফরোজা বেগম হ্যাপী; বাংলাদেশে প্রোএকটিভ ও পজিটিভ এটিচিউডের প্রবক্তা ড. আলমাসুর রহমান; ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফ্যামিলি লাভ মুভমেন্ট এর চেয়ারপার্সন ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট বিশ্বব্যাংকের কনসালটেন্ট তাজকেরা খায়ের; শিক্ষা ও সমাজসেবায় নিবেদিতপ্রাণ ড. শরীফ আব্দুল্লাহ হিস সাকী; ক্যাম্পাস’র ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস কোর্স এর রিসোর্স পারসন এডভোকেট গোলাম কিবরিয়া প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথিকে পুষ্পমাল্যে বরণ করে নেয়া হয় এবং উপহার হিসেবে অর্পণ করা হয় ক্যাম্পাস জ্ঞানমেলা সিরিজে প্রকাশিত সৃজনশীলতা বৃদ্ধি, আত্মোন্নয়ন ও জাতি জাগরণমূলক বিভিন্ন বই; ক্যাম্পাস’র নিজস্ব গবেষণায় প্রকাশিত দেশোন্নয়নের ২টি মডেল, বিভিন্ন সিডির সেট ও স্যুভেনির।
ড. সুলতান আহমেদ রাজউক চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বলাভের পূর্বে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের অতিঃ সচিব হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নের অন্যতম উপাদান পরিবেশ। আর পরিবেশের অন্যতম উপাদান গাছ। তাই এ পর্বে তাঁকে ক্যাম্পাস’র সবুজ আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে জীবন্ত সবুজ গাছ অর্পণ করা হয়।
তিলোত্তমা ঢাকার অব্যাহত উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের মুখ্য নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এবং ততোধিক ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান রাজউক’র সুযোগ্য চেয়ারম্যান হিসেবে ড. সুলতান আহমেদ এর গৌরবোজ্জ্বল দায়িত্বলাভের পর তাঁর অতীত কর্মসাফল্যের আলোকোজ্জ্বল ফল্গুধারা যেন আরো প্রোজ্জ্বল হয়েছে। দেশপ্রেমে উজ্জীবিত, নীতিনিষ্ঠায় প্রোজ্জ্বল ড. সুলতান আহমেদ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বিভিন্ন গুরুদায়িত্ব দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে পালনের মাধ্যমে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ায় রেখে চলেছেন অনবদ্য ভূমিকা। তাঁর এই অবদানের জন্য তাঁকে বিশেষ সম্মাননা উপহার বাংলাদেশ জাতীয় জ্ঞানকোষ অব বাংলাপিডিয়ার ১৪ খন্ডের সেট অর্পণ করা হয়।
জেনারেল ও টেকনিক্যাল দু’অঙ্গনেই বিশেষ দক্ষ, কর্মজীবনে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বিভিন্ন পদকপ্রাপ্ত, আধুনিক চিন্তা ও মননে সুউন্নত ব্যক্তিত্ব ড. সুলতান আহমেদকে ক্যাম্পাস’র সম্মাননা ক্রেস্ট অর্পণের মাধ্যমে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন সিএসডিসি’র মহাসচিব ড. এম হেলাল। এরপর প্রোএকটিভ ও পজিটিভ চিন্তার এক সমাজসেবী-দম্পতিকে বিশেষ উপহার অর্পণ করা হয়। লায়ন আফরোজা বেগম হ্যাপী এবং মেঃ ডাঃ এস কে হাবিবুর রহমান; তাঁরা দু’জনেই চিকিৎসাসেবা ও সমাজ কল্যাণকর্মের ক্ষেত্রে একে অপরের পরিপূরক হয়ে দীর্ঘদিন থেকে মানবসেবায় কাজ করে আসছেন। তাঁদের এরূপ পজিটিভ ও প্রোএকটিভ চিন্তা ছাত্র-যুবকদের জন্য অনুকরণীয়। তাই তাঁদের দু’জনকে বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার অর্পণ করা হয় প্রধান অতিথি ড. সুলতান আহমেদ এর হাতে।
ইংলিশ কোর্সের প্রশিক্ষণার্থীরা যাতে প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে দেশোন্নোয়নে যোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে, সে কামনায় প্রধান অতিথি ড. সুলতান আহমেদের হাতে মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্জ্বলন করা হয়। এরপর সফল ট্রেইনীদের মাঝে সনদ বিতরণ করা হয় এবং ২৬ তম ব্যাচের বেস্ট পার্টিসিপেন্ট ফাহমিদা ফাইজা লাভলী রিয়াকে প্রধান অতিথি ড. সুলতান এর হাতে বিশেষ পুরস্কার ইংলিশ জ্ঞানকোষ প্রদান করা হয়। সনদ ও পুরস্কার বিতরণ শেষে শুরু হয় বক্তৃতা পর্ব। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার এ অডিটোরিয়ামে ফ্রি কম্পিউটার কোর্স ও ইংলিশ কোর্সসহ বিভিন্ন কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠান ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান মিলিয়ে এযাবৎ প্রায় ১,২০০ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়। এসব প্রোগ্রামে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রায় ১,২০০ ব্যক্তিত্ব। এসব অতিথিগণের মধ্যে বহুমুখী প্রতিভা ও বর্ণিল বিশেষজ্ঞের দিক থেকে দর্শক-শ্রোতাদের দৃষ্টিতে ড. সুলতান আহমেদ হচ্ছেন অন্যতম আকর্ষণীয় প্রধান অতিথি। এমনকি অন্য সকল বক্তৃতার মধ্যেও তাঁর বক্তৃতাই ছিল ছাত্র-যুবকদের জন্য সর্বাধিক প্রেরণাদায়ী ও জীবনমুখী। সহজ-সরল ভাষায় তাঁর জীবনের গল্প, বহুমুখী জ্ঞান ও বিচিত্র অভিজ্ঞতার উজ্জীবনী বক্তৃতা রাত ৯টা পর্যন্তও উপস্থিত সকলকে মন্ত্রমুগ্ধ ও বিমোহিত করে রাখে। সে ব্যতিক্রমী বক্তৃতার উল্লেখযোগ্য অংশ এখানে তুলে ধরা হলো।
প্রধান অতিথি ড. সুলতান আহমেদ
ড. সুলতান আহমেদ তাঁর সারগর্ভ ভাষণে বলেন, ক্যাম্পাস’র দেশ ও জাতি জাগানিয়া কার্যক্রম সম্পর্কে আগে থেকেই আমার জানা ছিল; কিন্তু আজকের অনুষ্ঠানে এসে স্বচক্ষে ক্যাম্পাস’র উজ্জ্বীবনী বহুমুখী কার্যক্রম দেখে আমি সত্যিই মুগ্ধ, বিস্মিত ও আনন্দে অভিভূত। ছোট্ট পরিসরে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে ক্যাম্পাস যে ব্যাপক কার্যক্রম পরিচালনা করছে, তা বড় পরিসরে করার সুযোগ দিলে ক্যাম্পাস সত্যিই এদেশে বিপ্লব সাধন করতে সক্ষম হবে। আজ এখানে আসা আমার সার্থক হয়েছে, আমার নতুন অভিজ্ঞতার সঞ্চয়ন হয়েছে। এরকম বিশাল কর্মযজ্ঞের অনুপ্রেরণার জগতে আমাকে নিয়ে আসার জন্য আমি ক্যাম্পাস’র কাছে কৃতজ্ঞ এবং নিজেকে অত্যন্ত সৌভাগ্যবান মনে করছি। ড. সুলতান আহমেদ বলেন ক্যাম্পাস’র জাতি-জাগানিয়া সুদূরপ্রসারী কার্যক্রম দেখে আমার মনে হয়েছে, এ জাতি একদিন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে সক্ষম হবে। কেননা এদেশে ক্যাম্পাস’র মতো মহতী ও কল্যানকামী প্রতিষ্ঠান আছে। কাজেই এ জাতির উন্নতি-অগ্রগতি অবধারিত সত্য। ক্যাম্পাস’র মতো প্রতিষ্ঠানের জাতি জাগরণী ও সুদূরপ্রসারী কার্যক্রমে এদেশ একদিন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দেশে পরিণত হবে -একথা নিঃসন্দেহে বলা যায়। ক্যাম্পাস’র শিক্ষায় ও প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষিত তরুণ-যুবসমাজ বিশ্বশীর্ষ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের পতাকাকে পৃথিবীর বুকে সমুন্নত করবে। এ প্রতিষ্ঠানের ফ্রি ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস ফর লিডারশিপ কোর্সে অংশগ্রহণ করে আমাদের ছাত্র-যুবকরা ইংরেজিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষ হয়ে উঠছে, যা তাদের পরবর্তী কর্মজীবনের জন্য অত্যন্ত সহায়ক হবে। কেননা ইংরেজি এখন শুধু একটি ভাষাই নয়, একটি অত্যাধুনিক টুলস বা কারিগরি দক্ষতার মতো বিষয়ে পরিণত হয়েছে। আধুনিক বিশ্বে ইংরেজির ভূমিকা অপরিসীম। তাই ফ্রি কোর্স করার সুযোগ দিয়ে সার্টিফাইড ছাত্র-যুবকদেরকে কোয়ালিফাইড করে গড়ে তোলার যে মহতী কাজ করে যাচ্ছে ক্যাম্পাস, দেশ ও জাতির উন্নয়ন-অগ্রগতিতে এ কার্যক্রমের ফল হবে অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী। ইংলিশ কোর্স ছাড়াও আত্মউন্নয়নমূলক বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক মনোভাবাপন্ন করে গড়ে তুলছে ক্যাম্পাস, যা দেশ ও জাতির জন্য অত্যন্ত কল্যাণকর। ক্যাম্পাস’র এ ধরণের কর্মসূচি সরকারের উন্নয়ন-অভিযাত্রায় অত্যন্ত সহায়ক হবে। ক্যাম্পাস’র এই কল্যাণকর কার্যক্রমগুলোতে সরকারসহ সকলকে উদার সহযোগিতার হাত প্রসারিত করে এগিয়ে আসা উচিত।
ড. সুলতানের জীবনের বিচিত্র গল্প
ছাত্র-যুবকদেরকে নিজ জীবনের গল্প শুনাতে কোর্সের রিসোর্স পার্সনের আহ্বানের প্রেক্ষিতে বিনয়ী ও কর্মযোগী ড. সুলতান আহমেদ তাঁর সহজ-সরল ও সাদামাটা বক্তৃতায় বলেন, ও ধস ধ ংবষভ সধফব সধহ. প্রতিটি মানুষেরই একটি গল্প থাকে। যাদের বয়স আমার মতো তাদের গল্প দীর্ঘ, আর ক্যাম্পাস’র প্রশিক্ষণার্থীদের মতো যাদের বয়স, তাদের গল্প এখন তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন,আমাদের ছোটবেলা কেটেছে নিদারুণ কষ্টে। বাড়ি থেকে স্কুল ছিলো অনেক দূরে। খালি পায়ে হেঁটে হেঁটে মাইলের পর মাইল দূরত্ব অতিক্রম করে স্কুলে গিয়েছি। এভাবে জীবনের সাথে আপোষহীন লড়াই ও পড়াশোনা করে আজ এ পর্যায়ে এসেছি। পিচ্ছিল পথে হাঁটতে গিয়ে পায়ের আঙ্গুল দিয়ে মাটি খামচে খামচে সামনে এগিয়েছি। সোনার চামচ মুখে দিয়ে যাদের জীবন শুরু হয় না, জীবন যাদের কঠিন -তারা এভাবেই বন্ধুর পথে সংগ্রাম করে জীবনে সফলতার গল্প তৈরি করে। ছাত্র-যুবকদেরকে বলবো তোমাদেরকেও জীবনকে আঁকড়ে ধরে পিচ্ছিল পথের মাটি খামচে সাফল্যের স্বর্ণশীর্ষে আরোহণ করতে হবে, তাহলে এদেশ তোমাদের মাধ্যমে সুউন্নত দেশে পরিণত হবে। তিনি বলেন আমার বাড়ি সাগরের খুব কাছে, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায়। সাগরে যেমন ঢেউ ওঠে, তেমনি জীবনে অনেক সময় অনেক ঢেউ ওঠে। সাগরে ঢেউ উঠলে দক্ষ নাবিক যেমন জাহাজ নিয়ে ঢেউয়ের সাথে মোকাবেলা করেন, তেমনি জীবন যুদ্ধে সাহসী যোদ্ধারা জীবনের প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে বিজয়ী হয়। তোমাদেরকেও জীবনের কঠিন মুহূর্তগুলোকে দৃঢ় মনোবলে, কঠিনতাকে শক্ত হাতে মোকাবেলা করে জীবনযুদ্ধে জয়ী হতে হবে। শিশু-কিশোরদের জন্য বাসযোগ্য সমাজ ব্যবস্থা সম্পর্কে চমকপ্রদ বিভিন্ন উদাহরণ ও গল্পের অবতারণা করতে গিয়ে ড. সুলতান বলেন জার্মানীর ভয়েজার নদীর তীরে হ্যামিলন শহরে একবার ইঁদুরের ভয়াবহ উৎপাত শুরু হলো। এতে মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠল। শহরের মেয়র ইঁদুর দমনের কোনো উপায় না পেয়ে দিশেহারা হয়ে গেলেন। তখন বিচিত্র রঙিন জামা পরে এক বংশীবাদক মেয়রের কাছে এসে বললেন, আমি শহরের সব ইঁদুর তাড়িয়ে দিতে পারবো। মেয়র প্রতিশ্রুতি দেন ইঁদুর তাড়িয়ে দিতে পারলে ৫০ হাজার স্বর্ণমুদ্রা দেয়া হবে। এরপর বংশীবাদক বাঁশিতে ফুঁ দিয়ে বিচিত্র ধ্বনি ও সুর তুললে শহরের সমস্ত ইঁদুর তার পিছেপিছে চলা শুরু করলো, বংশীবাদক বাঁশি বাজাতে বাজাতে ভয়েজার নদীতে নামলে ইঁদুরও নদীতে নেমে মারা গেলো। এরপর বংশীবাদক মেয়রের কাছে গিয়ে তার প্রতিশ্রুত স্বর্ণমুদ্রা চাইলে মেয়র তা দিতে অস্বীকার করেন। দুঃখ-কষ্টে বেদনাহত হয়ে বংশীবাদক মেয়রের অফিস থেকে বের হয়ে আবার রাজপথে নেমে পড়লেন। থলি হতে বিচিত্র বর্ণের আরেকটি বাঁশি নিয়ে এক অপূর্ব মোহনীয় সুর তুললেন। সেই স্বর্গীয় সুরের ডাকে নাচতে নাচতে বংশীবাদকের পিছু নেয় নগরের শিশুরা। চিত্তাকর্ষক সুর তুলে বংশীবাদক শিশুদের নিয়ে শহরের শেষপ্রান্তে পাহাড়ের ভেতর হারিয়ে গেলেন চিরদিনের মতো। এই গল্প থেকে আমরা শিক্ষা পাই যে সমাজে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয় না, মিথ্যার আশ্রয় নেয়া হয় -সেই সমাজ শিশুদের জন্য অচল এবং সেখানে শিশুরা থাকতে পারে না, তারা বিকশিত হয় না। ড. সুলতান বলেন আমাদের শিশুদের জন্য সততার চর্চা করতে হবে; শিশুদের জন্য সমাজকে বাসযোগ্য করে তুলতে হবে। ক্যাম্পাস’র সততা পুরস্কার ও সততা জাগরণী কার্যক্রম এর কথা জেনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত, এরূপ কার্যক্রম আমাদের সমাজের জন্য বিশেষত ভবিষ্যৎ বংশধরদের জন্য খুবই জরুরি। জীবনকে উপভোগ এবং উপলব্ধি করার বিষয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ড. সুলতান বলেন, বই হলো মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় বন্ধু। আমাদের বাড়িতে মীর মোশারফ হোসেনের বিষাদসিন্ধু থেকে শুরু করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, শরৎচন্দ্র, বিভূতিভূষণ, তারাশঙ্কর, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, ফাল্গুনী চট্টোপাধ্যায়, ইমদাদুল হক মিলন, হুমায়ূন আহমেদ, এমনকি মাসুদ রানা ও কুয়াশা সিরিজ এর বইও ছিল। আমরা আগ্রহ নিয়ে সেসব বই পড়েছি। সৈয়দ মুজতবা আলী বলেছেন ‘বই কিনে কেউ কোনোদিন দেউলিয়া হয়নি’। কথাটি সর্বাংশে সত্য। একটি বই মানে একটি জ্ঞানের জানালা। শত শত বই মানে শত শত জ্ঞানের জানালা। তাই মোবাইল ইন্টারনেটে সময় নষ্ট না করে, ফেসবুকে সময় নষ্ট না করে তোমাদের বেশি বেশি বই পড়তে হবে। ক্যাম্পাস’র মতো আলোকিত প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের সাথে যুক্ত থাকতে হবে। ক্যাম্পাস’র ডায়নামিক প্রশিক্ষণগুলো তোমাদের জন্য অবারিত সুযোগ। এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে হবে। তোমাদের সৌভাগ্য যে, তোমরা ক্যাম্পাস’র মতো একটি প্রতিষ্ঠান পেয়েছো। তিনি আরো বলেন, তোমরা না চাইতেই অনেক কিছু পেয়ে গেছো। তোমাদের হাতের মুঠোয় এখন সারা দুনিয়া, ইন্টারনেটের মাধ্যমে তোমরা পুরো পৃথিবীকে হাতের মুঠোয় আনতে পেরেছো। আমাদের সময় এটা কিন্তু সহজ ছিল না। তোমরা চাইলেই ফেসবুকের মাধ্যমে নিমিষেই অনেক কিছু জানতে পারছো। প্রযুক্তির এই সুবিধাকে তোমাদের কাজে লাগাতে হবে। ইন্টারনেট ফেসবুকে সময় নষ্ট করলে চলবে না। মাকড়সা ফুল থেকে নেয় বিষ, আর মৌমাছি নেয় মধু। তোমরা ইন্টারনেট থেকে বিষ নেবে না মধু নেবে এটা তোমাদের হাতে। ইন্টারনেটের ভালো দিকগুলো গ্রহণ করবে আর মন্দ দিকগুলো বর্জন করবে, তাহলে তোমরা জীবনে সফল হতে পারবে।
ডাঃ এস কে হাবিবুর রহমান
বিশিষ্ট চিকিৎসাবিদ ও সমাজসেবী মেজর ডাঃ এস কে হাবিবুর রহমান বলেন, ক্যাম্পাস’র ফ্রি ইংলিশ কোর্সের শিক্ষার্থীদের বক্তব্য শুনে আমি মুগ্ধ হয়েছি। তারা যে এখান থেকে অত্যন্ত সুন্দর ইংরেজী শিখেছে, তা বোঝা যায়। এজন্য আমি ক্যাম্পাস’র সম্পাদক ড. এম হেলাল এবং প্রশিক্ষক এডভোকেট গোলাম কিবরিয়াকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ক্যাম্পাস’র এ ধরণের উদ্যোগগুলি মহতী উদ্যোগ। আমি ক্যাম্পাস’র সম্পাদক ড. এম হেলালকে অনুরোধ করবো কম্পিউটার, ইংলিশ কোর্সের মতো আরো টেকনিক্যাল প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত করে ক্যাম্পাস’র মাধ্যমে তা তরুণ সমাজের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। এটা এখন আমাদের দেশের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
লায়ন আফরোজা বেগম হ্যাপী
ইন্টারন্যাশনাল চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন লায়ন আফরোজা বেগম হ্যাপী বলেন ক্যাম্পাস’র ফ্রি কম্পিউটার ট্রেনিং, ফ্রি ইংলিশ কোর্স আজ ছাত্র ও যুবসমাজের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়। এছাড়াও ক্যাম্পাস’র অন্যান্য কর্মসূচিতে ছাত্র-যুবকরা অংশগ্রহণ করে নিজেদেরকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলছে। ক্যাম্পাস’র এসব কর্মসূচি আরো ব্যাপকভাবে প্রসারিত করার জন্য উত্তরায় স্টাডি সেন্টার প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলছে। ক্যাম্পাস’র এসব কল্যাণকর কর্মসূচি এগিয়ে নিতে আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি রাজউক’র সুদক্ষ চেয়ারম্যান ড. সুলতান আহমেদসহ সমাজের কল্যাণকামী বিত্তশালী ব্যক্তিগণ সহযোগিতার হাত সম্প্রসারিত করবেন বলে আমি আশাবাদী।
ড. আলমাসুর রহমান
বাংলাদেশে প্রোএকটিভ ও পজিটিভ এটিচিউড আন্দোলনের প্রবক্তা ড. আলমাসুর রহমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমাদের খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। অভ্যাস কি? অভ্যাস হলো আমরা যে কাজটা চিন্তা করে করি না, এমনিতে হয়ে যায় -সেটাই অভ্যাস। মানুষ অভ্যাসের দাস, এই কথাটা ঠিক না। তোমরা যদি চেষ্টা করো, তাহলে কু-অভ্যাস দূর করতে পারবে। কু-অভ্যাস দূর করে ইতিবাচক চিন্তার সফল মানুষ হিসেবে তোমাদের নিজেদেরকে গড়ে তুলতে হবে। এক্ষেত্রে তোমরা ক্যাম্পাস আয়োজিত প্রোএকটিভ সেমিনারে অংশগ্রহণ করতে পারো।
তাজকেরা খায়ের
সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বিশ্বব্যাংক বিষয়ক কনসালটেন্ট এবং ওয়ার্ল্ড-ওয়াইড ফ্যামিলি লাভ মুভমেন্ট এর চেয়ারপারসন তাজকেরা খায়ের বলেন, ক্যাম্পাস হচ্ছে আলোকিত মানুষের সম্মিলন কেন্দ্র। এখানে এলে মানুষ আলোকিত হয়ে যায়। মানবধর্ম, মানবিক গুণ তথা উন্নততর মানুষ হওয়ার নির্দেশনা পাওয়া যায় ক্যাম্পাস’র কর্মসূচিতে। ক্যাম্পাস’র অডিটোরিয়ামটা ছোট, কিন্তু কার্যক্রম ব্যাপক। এত ছোট পরিসরে ক্যাম্পাস’র ব্যাপক কার্যক্রম পরিচালনা কষ্টসাধ্য, তাই ক্যাম্পাস স্টাডি সেন্টার ভবন নির্মাণ প্রকল্প হাতে নিয়েছে ক্যাম্পাস। ক্যাম্পাস’র এই প্রকল্প বাস্তবায়নে আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন বলে বিশ্বাস।
ড. শরীফ আব্দুল্লাহ হিস সাকী
উদারপ্রাণ শিক্ষাবিদ ড. শরীফ আব্দুল্লাহ হিস সাকী বলেন, আজকের প্রধান অতিথি ড. সুলতান আহমেদ শুধু রাজউক’র সুযোগ্য ও সুদক্ষ চেয়ারম্যানই নন, তিনি একজন পরিবেশবিদ। পানিসম্পদ ও জলবায়ু নিয়ে তিনি অনেক গবেষণা করেছেন। ক্যাম্পাস’র ইংলিশ কোর্সের শিক্ষার্থীদের সৌভাগ্য যে, তারা আজকের প্রধান অতিথির মতো প্রাজ্ঞ ব্যক্তির হাত থেকে সনদ গ্রহণ করছে। তিনি বলেন ছাত্র-যুব উন্নয়নে ক্যাম্পাস যে কার্যক্রম পরিচালনা করছে, সেসব কল্যাণ কার্যক্রমে আমাদের সবার সহযোগিতা করা উচিত।
এডভোকেট এম জি কিবরিয়া
ক্যাম্পাস’র রিসোর্স পারসন এডভোকেট এম জি কিবরিয়া বলেন আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ড. সুলতান আহমেদ একজন প্রাজ্ঞ ও চৌকস সচিব, সরকারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ স্মার্ট ব্যক্তিত্ব। মানুষ স্মার্ট শুধু কাপড়চোপড়েই হয় না; মানুষ সত্যিকার স্মার্ট হয় মেধা, মনন ও প্রজ্ঞায়। আমাদের প্রধান অতিথি সেই রকম স্মার্ট একজন মানুষ। তাঁর মধ্যে আছে প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতার অভূতপূর্ব সমন্বয়। তিনি এখন শুধু একজন ব্যক্তি নন, তিনি এখন একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছেন। ছাত্র-যুবকদের বলবো তোমরা যদি তাঁর জীবন পদ্ধতি, জীবনাচরণ, সাফল্যের সূত্রসমূহ অনুসরণ করতে পার -তাহলে তোমরাও একদিন তাঁর মতো অনুকরণীয় ব্যক্তি হতে পারবে। জলবায়ু ও পরিবেশ গবেষক ড. সুলতান আহমেদ সম্পর্কে তিনি বলেন, ড. সুলতান আহমেদ জলবায়ু ও পরিবেশ নিয়ে গবেষণা করেছেন। এদেশের জলবায়ু ও পরিবেশ নিয়ে তিনি অনেক কাজ করে দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতিতে অবদান রেখেছেন। ছাত্র-যুবকদেরও তাঁর মতো এ দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতিতে অবদান রাখার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে, তাহলে এদেশের প্রতি তাদের ঋণ শোধ হবে। তিনি বলেন যখন আমি ক্যাম্পাস’র ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস কোর্স ফর লিডারশিপ প্রোগ্রামটা শুরু করি, তখন মাত্র ১২ জন শিক্ষার্থী দিয়ে শুরু করেছিলাম; আর আজকে ৮০/৯০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী। ক্যাম্পাস’র অডিটোরিয়াম আজ কানায় কানায় পূর্ণ। এখানে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ উদ্দীপনা দিন দিন বাড়ছে। এটাই ক্যাম্পাস’র সার্থকতা।
ড. এম হেলাল
অনুষ্ঠানের সভাপতি, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক এবং সিএসডিসি’র মহাসচিব ড. এম হেলাল বলেন ড. সুলতান আহমেদ বহুমাত্রিক প্রতিভার বহুবর্ণিল গুণাবলির কর্মযোগী, সৎ ও ন্যায়নিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। তিনি রাজউক’র মতো সুবিশাল প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে শত কর্মব্যস্ত থাকার পরেও ক্যাম্পাস’র আহ্বানে সাড়া দিয়ে আজ ছাত্র-যুবকদের মাঝে এসেছেন। জলবায়ু ও পরিবেশ গবেষক এবং ক্রিমিনোলজির ওপর বিশেষজ্ঞ এই মহৎপ্রাণ ব্যক্তিত্বকে আজ আমাদের মাঝে পেয়ে আমরা ধন্য হয়েছি। ক্যাম্পাস’র আজকের অনুষ্ঠান তাঁর প্রজ্ঞার আলোয় আলোকিত। ড. হেলাল আরো বলেন আমি নেদারল্যান্ডে দেখেছি, তারা বন্যা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সেই পানি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদনসহ নানা কর্মযজ্ঞ চালাচ্ছে; এমনকি সে প্রকল্প ট্যুরিস্টদেরকে পরিভ্রমণ করানোর টিকিটেও আর্থিক আয় করছে। আমার মতো এ ভবঘুরে তথা নগণ্য ট্যুরিস্টকেও সে প্রকল্প দু’বার পর্যবেক্ষণ বাবদ গুণতে হয়েছে প্রায় ৩০ ইউরো। অথচ আমরা এ বাংলার মানুষরা বন্যা কিংবা জলোচ্ছ্বাসের কথা শুনলে ভয় পাই; বন্যার পানি মানবকল্যাণে ব্যবহার করতে পারছি না। আমাদের সৃজনশীলতা দিয়ে যদি স্রষ্টার দানের এসব পানি ও বাতাসকে যথার্থ ব্যবহার করতে পারতাম, তাহলে বন্যা-ঝড়-জলোচ্ছ্বাস দেখলে ভয় না পেয়ে উল্লাস করতাম। প্রাকৃতিক দুর্যোগকে ভয় না করে আমাদের জ্ঞান ও বিজ্ঞান দ্বারা সে দুর্যোগের সাথে নিজেদেরকে মানিয়ে নিয়ে বাতাস ও পানির যথাযথ ব্যবহারে যদি সক্ষম হতে পারি, তাহলে আমরা সহজেই উন্নত দেশে পরিণত হতে পারবো -যা আমি আমার অত্যাধুনিক বাংলাদেশ মডেলে দেখিয়েছি। আর এসব ব্যতিক্রমী জরুরি বিষয়াদি নিয়েই গবেষণা করেন আজকের প্রধান অতিথি ড. সুলতান আহমেদ। সমগ্র কর্মজীবনে এবং এমনকি এখনো রাজউক’র শতব্যস্ততার মধ্যেও তিনি অবসরে বই পড়েন, গবেষণা করেন। আমাদের ছাত্র-যুবকদেরও তাঁর মতো হতে হবে। সুযোগ পেলেই ফেসবুক ইন্টারনেট ঘাঁটাঘাঁটি না করে সৃজনশীল কাজ করতে হবে, বই পড়তে হবে -তাহলে জীবনে তোমরা সফল হতে পারবে। ড. এম হেলাল বলেন ক্যাম্পাস’র প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ছাত্র-যুবকরা নিজেদের মন-মানসিকতার পরিবর্তন ঘটিয়ে নিজেদেরকে সম্পূর্ণ নতুন মানুষরূপে গড়ে তুলছে। এসব ছাত্র-যুবক নিজেদেরকে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি দেশকেও সমৃদ্ধ করছে। ছাত্র-যুব উন্নয়নে পরিচালিত ক্যাম্পাস’র কল্যাণকর কর্মসূচিতে আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথিসহ উদারপ্রাণ-দানশীল ব্যক্তিত্বগণের সমর্থন-সহযোগিতা একান্ত কাম্য।
ট্রেইনীদের কথামালা
ক্যাম্পাস’র ট্রেইনী ফাহমিদা ফাইজা লাভলী রিয়া বলেন, ক্যাম্পাস’র অনুপ্রেরণায় আমি ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস কোর্স সম্পন্ন করতে পেরে আজ গর্ব অনুভব করছি। ক্যাম্পাস একটি ব্যতিক্রমী প্রতিষ্ঠান। ক্যাম্পাস আমার সেকেন্ড ফ্যামিলি। সূচি ভট্টাচার্য বলেন, ক্যাম্পাস’র ইংলিশ কোর্স করার আগে আমি ইংরেজিতে খুবই দুর্বল ছিলাম। কিন্তু এখন আমি অনেক আত্মবিশ্বাসী। এখন আমি ইংরেজি বলতে পারি। ক্যাম্পাস’র অনুপ্রেরণা আমার সারাজীবনের পাথেয় হয়ে থাকবে। আমার চলার পথকে মসৃণ করবে। আসমা আক্তার বলেন, ক্যাম্পাস’র ফ্রি ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস কোর্স ফর লিডারশিপ এর কথা সর্বপ্রথম আমার এক ক্লাসমেটের কাছে জানতে পারি। তার সাথে আমি ক্যাম্পাস’র এই আলোকিত ভূবনে আসি। ফ্রি ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস কোর্সে ভর্তি হই। আমার কাছে ইংরেজির বিস্ময়কর দরোজা খুলে যায়। এজন্য আমি ক্যাম্পাস’র কাছে কৃতজ্ঞ। আয়েশা আক্তার বলেন, ক্যাম্পাস’র ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস কোর্স আমাকে সমৃদ্ধ করেছে। ক্যাম্পাস’র কাছে আমি আজীবন ঋণী থেকে যাব। শুধু ইংরেজী প্রশিক্ষণই নয়, সার্টিফাইড ছাত্র যুবকদের কোয়ালিফাইড হিসেবে গড়ে তুলতে ক্যাম্পাস’র ফ্রি কম্পিউটার ট্রেনিংসহ আরো অনেক কোর্স চালু রয়েছে -যা আমাদের মতো ছাত্র-যুবকদের জন্য অত্যন্ত জরুরি।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ