বিশেষ খবর

প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষকদের আশার প্রতিফলন ঘটেছে কি!

ক্যাম্পাস ডেস্ক মতামত

॥ মাছুম বিল্লাহ ॥

আসন্ন অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবে শিক্ষা বাজেটের অংশে এমপিওভুক্তি নিয়ে কথা হবে, এটিই ছিল বিশাল আগ্রহের বিষয় যা হয়নি। আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে কারণ ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় নতুন এমপিওভুক্তির বিষয়ে উল্লেখ ছিল না, এমনিক বাজেট বরাদ্দের সংক্ষিপ্তসারেও এ ব্যাপারে উল্লেখ নেই। ফলে লক্ষাধিক নন-এমপিও শিক্ষকের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। প্রায় দশ বছর পর চলতি অর্থবছরে নতুন এমপিওভুক্তির জন্য বাজেট বরাদ্দ করা হয়, কিন্তু একাধিক শর্ত পেরিয়ে দুই হাজার ৭৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা এলেও দুই ৬১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়। তবে এখনো সাত হাজারের অধিক নন-এমপিও প্রতিষ্ঠান এমপিও’র জন্য অপেক্ষা করছে। এছাড়া অনার্স-মাস্টার্স কলেজের শিক্ষকরাও এমপিওভুক্তির জন্য দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন। স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রসাগুলোও এমপিওভুক্তির অপেক্ষায় আছে। ফলে শিক্ষক কর্মচারীদের আগামী অর্থবছরেও প্রত্যাশা ছিল আগামী অর্থবছরে এমপিওভুক্তির জন্য বরাদ্দ থাকবে। কিন্তু সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন বাজেটে পাওয়া যায়নি। তবে, শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তকরণ একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। কিন্তু আলাদা বাজেট ছাড়া সেটি কিভাবে সম্ভব?

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নতুন এমপিওভুক্তি নিয়ে সরকারের বিশেষ কোনো চিন্তা বা পরিকল্পনা যে নেই, তার প্রতিফলন ঘটেছে এই বাজেটে। শিক্ষকরা যদি সেরকম আন্দোলন করে বসেন তাহলে হয় কিছু একটি দিয়ে বুঝিয়ে সুঝিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দিতে হবে, নয়তো হঠাৎ কোনো চাপে পড়ে যদি এমপিওভুক্তির ঘোষণা দিতেই হয়, সেটি ধীরগতিতে আগামী বাজেটে হয়তো দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হবে। এটি হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করা হবে করে করে নয় বছর কাটিয়ে দেওয়ার মতো অবস্থা। তবে শিক্ষক নেতৃবৃন্দ বলছেন যে, চলতি অর্থবছরে দুই হাজার ৬১৫টি নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির যোগ্য প্রতিষ্ঠান খুঁজে না পাওয়ায় প্রায় ৪০০ কোটি টাকা ফেরত গেছে। ফলে আগামী অর্থবছরে এই টাকার সঙ্গে আরো কিছু বাড়িয়ে নতুন এমপিওভুক্তি করা সম্ভব। চলতি অর্থবছরে স্বতন্ত্র ইবেতেদায়ী মাদ্রাসা এমপিওভুক্তির জন্য ৩১১ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। কিন্তু মন্ত্রণালয় তাদের কাজ শেষ করতে না পারায় তাদের এমপিওভুক্তি চূড়ান্ত হয়নি। বাংলাদেশ বেসরকারি কলেজ অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষক ফোরামের শিক্ষক নেতৃবৃন্দসহ বেসরকারি মাধ্যমিক ও মাদ্রাসার শিক্ষক নেতৃবৃন্দ পুনরায় আন্দোলনের কথা বলেছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে আগমী অর্থবছরে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩৩ হাজার ১১৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে অনুন্নয়ন খাতে বরাদ্দ ২১ হাজার ২৫২ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের চেয়ে দুই হাজার কোটি টাকা বেশি। একই মন্ত্রণালয়ে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগে আগামী অর্থবছরে বরাদ্দ রাখা হয়েছে আট হাাজর ৩৪৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে অনুন্নয়ন খাতের বরাদ্দ ছয় হাজার ৩৬৮ কোটি টাকা যা চলতি অর্থবছরের চেয়ে ৪১৬ কোটি টাকা বেশি। আর এই অনুন্নয়ন খাত থেকেই শিক্ষকদের বেতন-ভাতা দেওয়া হয়। ফলে উদ্বৃত্ত টাকা থেকে নতুন এমপিওভুক্তির জন্যও বরাদ্দ রাখা সম্ভব বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা যেভাবে চলছে তাতে বৈষম্য ও মান দুটোই দিনের পর দিন খারাপ হচ্ছে। পরীক্ষার ফল দিয়ে সেটি বিচার্য নয়। অর্থনৈতিক কিংবা ব্যবস্থাপনার কারণে যদি সরকার মাধ্যমিক শিক্ষাকে জাতীয়করণ করতে না চায়, তাহলে বৃহৎ কোনো সংস্থার কাছে মাধ্যমিকের দায়িত্ব অর্পণ করা যেতে পারে। দেশে তাহলে একদিকে থাকবে সরাকরি বিদ্যালয়, অন্যদিকে সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত বিদ্যালয় যেখানে শিক্ষকদের চাকরিবিধি থাকবে, সরকারি চাকরি কিংবা তারচেয়েও বেশি সুযোগ সুবিধা থাকবে। আর কিছু সংখ্যক বিদ্যালয় থাকবে যারা নিজের অর্থায়নেই চলতে পারে। এটি করা হলে শিক্ষকদের পেট নিয়ে চিন্তা করতে হবে না, কয়েকমাস পর পর রাজপথে দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলন করতে হবেনা, তারা পুরোপুরো শিক্ষকতায় মনোনিবেশ করতে পারবেন। সরকার যদি শিক্ষার মান নিয়ে চিন্তা করে তারও একটি বড় সমাধান হবে এর মাধ্যমে কারণ তখন সরকারি ও সংস্থা পরিচালিত বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে এক ধরনের প্রতিযোগিতা থাকবে।

এমপিওভুক্ত বাদ দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি করা উচিত এবং কিছু অংশ বেসরকারি পর্যায়ে কোনো সংস্থার ওপর ন্যস্ত করা উচিত। সরকার মাধ্যমিক শিক্ষাকে জাতীয়করণ করছেনা তার কারণ কী শুধুই অর্থনৈতিক নাকি শিক্ষার মান আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা? নাকি এত বেশি পরিমাণ অযোগ্য লোক শিক্ষকতায় ঢুকে গেছে যাদের দায়িত্ব রাষ্ট্র নিতে চাইছে না, নাকি প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি? সরকারকে তো বিষয়টির গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা দিতে হবে। এ রকম ধোয়াঁশা করে রাখা কতটা সমিচীন? এমপিও দেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এক ধরনের বিশেষ রাষ্ট্রীয় সহায়তা, এর ফলে শিক্ষকদের চাকরি বেসরকারিই থেকে যায়, সরকারি চাকুরেদের মতো সুযোগ সুবিধা তারা পাননা, তবে রাষ্ট্রীয় তরফ থেকে মূল বেতনের শতভাগ পেয়ে থাকেন। কিন্তু শতভাগ এমপিও পেতে শিক্ষক সমাজকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। মূল বেতনের বিশ শতাংশ দিয়ে শুরু শিক্ষার জন্য রাষ্ট্রীয় এই অনুরাগ। তারপর প্রতিবার আন্দোলন ও পুলিশী নির্যাতনের পর দশ শতাংশ করে বেড়ে আজ এই অবস্থায়। মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বহু বছর যাবত ৩১৭টি বিদ্যালয় পুরোপুরি সরকারি ছিল। তারপর খুড়িয়ে খুড়িয়ে এবং যেসব উপজেলায় সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় নেই সেগুলো সরকারি বিদ্যালয় ঘোষণা করায় ৪৭০টির মতো মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি। মোট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে তিন শতাংশের কাছাকাছি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এর কারণ কী? অর্থনৈতিক? মোটেই না। তাহলে কি বিশাল অঙ্কের প্রাথমিক বিদ্যালয়কে (প্রায় ৬৬ হাজার) সরকারি করা হয়েছে যেখানে শিক্ষার মান ধরে রাখা যাচ্ছে না কোনভাবে। সরকার কি ভয় পাচেছ যে, মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোকেও যদি সরকারি করা হয় তাহলে শিক্ষার মান থাকবে না? যদি এ রকম চিন্তা হয় তাহলে সেটি ভাল, কিন্তু বিকল্প তো কিছু একটা করতে হবে। এমপিও নামক রাষ্ট্রীয় অনুকম্পার জন্য শিক্ষকদেরকে সব কাজ বাদ দিয়ে প্রতি বছর আন্দোলন করতে হবে আর সরকার বিষয়টিকে সেভাবে আমলে নিবেনা, সেটি কেমন করে হয়? তার মানে মাধ্যমিক শিক্ষা এভাবে রাষ্ট্রীয় অনুকম্পার ওপর বেঁচে থাকবে? মাধ্যমিক শিক্ষার এই এলোমেলো অবস্থার মধ্যে সরকার নাকি বৃহৎ পাঁচটি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরির পরিকল্পনা করছে। এটিই বা কেমন চিন্তা? দেশে বর্তমানে রাষ্ট্র পরিচালিত ও বেসরকারি মিলে ১৫০টির মত্যে বিশ্ববিদ্যালয় আছে। রাষ্ট্র পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আরও সম্প্রসারণ করা যায়। সেগুলো বাদ দিয়ে নতুন করে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কতটা যুক্তি আছে তা আমাদের বোধগম্য নয়।

২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে প্রাথমিক ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় মিলে এবার ৬৬হাজার ৪০১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। চলতি ২০১৯-২০২০ অথবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ৬১হাজার ১১৪ কোটি টাকা। সেই হিসেবে গত বছরের বরাদ্দের চেয়ে এবার ৫ হাজার ২৮৭ কোটি টাকা বেশি প্রস্তাব করা হয়। নতুন এই অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটে প্রাথমিক ও গণশিক্ষায় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২৪ হাজার ৯৪ কোটি টাকা যা ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ছিল ২৪ হাজার ৪০ কোটি টাকা অর্থাৎ গত বছরের বাজেটের চেয়ে এবার ৯০০ কোটি টকা বেশি প্রস্তাব করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩৩ হাজার ১১৭ কোটি টাকা। ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে এটি ছিল ২৯ হাজার ৬২৪ কোটি টাকা। তার অর্থ হচ্ছে ৩ হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা বেশি প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেট কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষার জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৮হাজার ৩৪ কোটি টাকা। ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে এই বাজেট ছিল ৭ হাজার ৪৫০ কোটি টাকা যা এবারের চেযে ৮৮ কোটি টাকা কম।

দেশে মানসম্পন্ন কারিগরি শিক্ষা বাস্তবায়নের উদ্যোগের কথা জানিয়ে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবকে মাথায় রেখে উপযুক্ত প্রযুক্তি ও উপযুক্ত স্কিলগুলোকে চিহ্নিত করা এবং সে অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের সঠিকভাবে প্রশিক্ষিত করে তুলতে আমরা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি বলেন, সরকারি ও বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণ কোর্স বাস্তবায়ন করা হচেছ। ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান কার্যক্রমের মাধ্যমে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রতি সাধারণ জনগোষ্ঠীর ক্রমবর্ধমান হারে আগ্রহ সৃষ্টি হচ্ছে, যদিও এবার কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পাবলিক পরীক্ষা ফল তা বলেনা। মাদ্রাসা শিক্ষার কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে মাদরাসাগুলোর একটা বড় অংশ নিয়মিত স্কুল কলেজগুলোর তুলনায় অবকাঠামোর দিকে থেকে অনেকটা পিছিয়ে। এ অবস্থার উত্তরণে দেশব্যাপী এক হাজার ৮০০টি মাদ্রাসার নতুন ভবন নির্মান করা হচেছ। বিদ্যমান ৫৬৩টি মাদ্রাসায় আধুনিক মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমে স্থাপন করা হবে।

নতুন অর্থবছরে মধ্যমিক স্তরে পাঁচ লাখ ৫৭ হাজার ছাত্র, ১০ লাখ ৯৫ হাজার ছাত্রী, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে এক লাখ ১৬ হাজার ছাত্র , চার লাখ ৬২ হাজার ছাত্রী এবং ডিগ্রী স্তরে ৫০ হাজার ছাত্র ও এক লাখ ৫০ হাজার ছাত্রীকে উপবৃত্তি দেওয়া হবে। পাবলিক পরীক্ষার ফলে ভিত্তিতে এক লাখ ৮৭ হাজার শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি দেওয়া হবে। এটি ভাল উদ্যোগ। দেশের প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থীর নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে করোনার সরাসরি প্রভাবে। সরকার এ পরিস্থিতি উত্তরনের জন্য টেলিভিশন, রেডিও, মোবাইলফোন ও ইন্টারনেট-ভিত্তিক শিক্ষাকর্মসূচি চালিয়ে যাচেছ। যদিও এর মাধ্যমে এখনও সব শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। শিক্ষা পুনরুদ্ধারে করোনাঝুঁকি প্রশমন ও এডুকেশন রিকভারি কার্যক্রমের আওতায় বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দসহ কমপক্ষে দুই-তিন বছর মেয়াদি একটি পরিকল্পনা হাতে নেওয়া প্রয়োজন। ওই বিশেষ পরিকল্পনায় পাঠদান, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া, শিক্ষক ও অভিভাবকদের আশ্বস্ত করা, অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষাগুলো বাদ দেওয়া এবং পাঠদানের রুটিন সমন্বয় করা প্রয়োজন। করোনা পরিস্থিতির পরে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরিয়ে আনতে হবে। এজন্য শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে অর্থ বরাদ্দের প্রয়োজন। বর্তমান পরিস্থিতিতে শিক্ষকদের সহায়তা ও প্রণোদনা, স্থানীয় পরিকল্পনা ও জনঅংশগ্রহণ, সামাজিক সুরক্ষা, শিক্ষা গবেষণার প্রসার, বাজেট বরাদ্দ ও বাজেট ব্যবহারের সক্ষমতা বৃদ্ধি, ন্যূনতম শিখন ফল অর্জনে বিশেষ উদ্যোগ এবং সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতায় বিশেষ উদ্যোগের বিষয়ে বাজেট প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি।

-লেখকঃ ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচিতে কর্মরত


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ