বিশেষ খবর

শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু

ক্যাম্পাস ডেস্ক মতামত

॥ আবদুল মান্নান ॥

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মের ১০০ বছর পালনের এই সময়ে আমাদের সামনে তাঁকে হত্যার ৪৫ বছর পালনের দিনটি এসে গেল। বেঁচে থাকলে তিনি এই বছরের ১৭ মার্চ ১০০ বছরে পা দিতেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাঁকে হত্যার মধ্য দিয়ে সেই সম্ভাবনা ঘাতকরা শেষ করে দিয়েছে। কাকতালীয়ভাবে তাঁরই কন্যা বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, যা অনেকটা অভূতপূর্ব। পিতা ২৩ বছর বাঙালির স্বার্থ রক্ষা করার জন্য লড়াই করেছেন, কারাগারে কাটিয়েছেন চার হাজার ৬৮২ দিন (আনুমানিক ১৩ বছর)। মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন দুইবার; কিন্তু যাদের জন্য তিনি নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন, সরকার প্রধান হিসেবে তাদের খেদমত করতে পেরেছিলেন মাত্র ৮৯৩ দিন (তিন বছর সাত মাস)। এই সাড়ে তিন বছরের মাথায় যে বাঙালির জন্য তিনি আজীবন লড়াই করেছিলেন, তাদের একটি ভিন্ন ভাবধারার বিপথগামী অংশ তাঁকে সেই কালরাতে সপরিবারে হত্যা করে পরবর্তীকালে তাদের পৃষ্ঠপোষকদের দ্বারা পুরস্কৃত হয়েছিল।

বঙ্গবন্ধু এমন একজন নেতা ছিলেন যাঁর আজীবন স্বপ্ন ছিল বাঙালির সব ধরনের শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তি। তিনি ইতিহাস পড়েছেন। দেখেছেন সেই মোগল আমল থেকে বাঙালি কিভাবে কত উপায়ে বিভিন্ন শাসকগোষ্ঠীর হাতে শোষিত হয়েছে। দেখেছেন তাঁর পূর্বপুরুষের সোনার বাংলা কিভাবে শোষিত হয়েছে। জেনেছেন একসময় যে বাঙালির গোলা ভরা ধান আর পুকুর ভরা মাছ ছিল, সেই বাঙালি কিভাবে ক্রীতদাসের পর্যায়ে নেমে এসেছে। ছোটকাল থেকে দেখেছেন মানুষ ধর্মকে ব্যবহার করে কতভাবে অন্য মানুষকে শোষণ করে, ভেদাভেদ সৃষ্টি করে। সমাজের এসব অনাচার থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য তিনি কলকাতার ছাত্রজীবনে পাকিস্তান সৃষ্টির জন্য চলমান আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। আবার পাকিস্তান সৃষ্টি হলে উপলব্ধি করেছেন পরিস্থিতির তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি, শুধু শোষকের পরিবর্তন হয়েছে, বাঙালি যে তিমিরে ছিল সে তিমিরেই রয়ে গেছে।

বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের ২৩ বছরের তাঁর রাজনৈতিক জীবনে উপলব্ধি করেছেন পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রটির সব চাবিকাঠি পাঞ্জাবের ভূস্বামী আর সামরিক-বেসামরিক আমলাদের হাতে। বাস্তবে পাকিস্তান মানে পাঞ্জাব। যেভাবে বাঙালিরা শোষিত হয়, ঠিক একইভাবে শোষিত হয় পাঠান, বালুচ আর সিন্ধিরা। তিনি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে শুধু বাঙালিদের জন্য লড়াই করতেন, তা নয়। বলতেন, আমার লড়াই সব শোষিত জনগণের পক্ষে। পাকিস্তানের ২৩ বছরের ইতিহাসে বাঙালি দু-একবার রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছিল ঠিক; কিন্তু পাঞ্জাবিদের প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের কারণে বেশিদিন ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। অবশেষে একটি সুযোগ এলো ১৯৭০-এর নির্বাচন। তত দিনে পাকিস্তানের সামরিক শাসক জেনারেল আইয়ুব খান জনগণের আন্দোলনের তোড়ে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন। যাওয়ার আগে তিনি ক্ষমতা হস্তান্তর করেন জেনারেল ইয়াহিয়া খানের কাছে। ইয়াহিয়া বুঝতে পারেন জনগণের প্রতনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা ছাড়া তাঁর অন্য কোনো উপায় নেই। তিনি ঘোষণা করেন, ১৯৭০ সালের ডিসেম্বর মাসে সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে পাকিস্তানে একটি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের কাছে তিনি ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন। পাকিস্তানের প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ। ছয় দফার ভিত্তিতে তখন বাংলার আপামর জনগণ আওয়ামী লীগের প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের পেছনে। তিনি যেন বাংলাদেশের একজন নতুন পাইড পাইপার।

যতই নির্বাচনের দিন কাছে আসছে ততই আওয়ামী লীগের সমর্থন বাড়ছে। নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দলের প্রধান রেওয়াজ অনুযায়ী রেডিও-টিভিতে ভাষণ দেন। আওয়ামী লীগের প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব তাঁর ভাষণ দেন ২৮ অক্টোবর ১৯৭০ সালে। এটি ছিল একটি অসাধারণ ভাষণ, যেখানে তিনি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছেন পাকিস্তানের ২৩ বছরের বাঙালিদের শোষণ-বঞ্চনার ইতিহাস। বলেছেন তাঁর দল ক্ষমতায় গেলে কোন বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাবে, দারিদ্র্য দূরীকরণ, আয়বৈষম্যের অবসান ঘটানো, কৃষি ও শিল্পায়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষাক্ষেত্রে এ দেশের মানুষের ভয়াবহভাবে পিছিয়ে পড়ার কথা। বঙ্গবন্ধু সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছিলেন জনসম্পদ সৃষ্টির ওপর এবং বলেছেন তার জন্য চাই সঠিক যুগোপযোগী শিক্ষা। তাঁর ভাষণে তিনি বলেন, শিক্ষা খাতে পুঁজি বিনিয়োগের চেয়ে উৎকৃষ্ট বিনিয়োগ আর হতে পারে না। ১৯৪৭ সালের পর বাংলাদেশে প্রাথমিক স্কুলের সংখ্যা হ্রাস পাওয়ার পরিসংখ্যান একটি ভয়াবহ সত্য। আমাদের জনসংখ্যার শতকরা ৮০ জন অক্ষরজ্ঞানহীন। প্রতিবছর ১০ লাখেরও অধিক নিরক্ষর লোক বাড়ছে। জাতির অর্ধেকের বেশি শিশুকে প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। শতকরা মাত্র ১৮ জন বালক ও ছয়জন বালিকা শিক্ষা গ্রহণ করছে। জাতীয় উৎপাদনের শতকরা কমপক্ষে চার ভাগ সম্পদ শিক্ষা খাতে ব্যয় হওয়া প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি। কলেজ ও স্কুল, বিশেষ করে প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করতে হবে। নিরক্ষরতা দূর করতে হবে। পাঁচ বছর বয়স্ক শিশুদের বাধ্যতামূলক অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষাদানের জন্য একটি ক্রাশ প্রোগ্রাম চালু করতে হবে। দ্রুত মেডিক্যাল ও কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয়সহ নয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দারিদ্র্য যাতে উচ্চশিক্ষার জন্য মেধাবী ছাত্রদের অভিশাপ না হয়ে দাঁড়ায় সেদিকে দৃষ্টি রাখতে হবে।

একটি রক্তাক্ত মুক্তিযুদ্ধ শেষে স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু সাড়ে তিন বছরের শাসনকালেই অনেক কিছুর পরিবর্তনের ওপর হাত দিয়েছিলেন ঠিক, তবে সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়েছিলেন শিক্ষার ওপর। তিনি স্বাধীন দেশের শুরুতেই বুঝতে পেরেছিলেন প্রাকৃতিক সম্পদবিহীন একটি দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করে অর্থনৈতিক উন্নয়নের একমাত্র উপায় হচ্ছে তার বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে জনসম্পদে রূপান্তর করা। শুরুটা করেছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা দিয়ে। দ্রুত তিনি প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতীয় করেন। এটি ছিল একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এই সময় দেশে প্রায় ৩৭ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিল আর ছিল লক্ষাধিক শিক্ষক। এখন থেকে সব খরচ সরকারের। বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা বলতে শ তিনেক কলেজ, চারটি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় আর দুটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়। সর্বসাকল্যে শিক্ষার্থী সংখ্যা ৩৫ হাজার, যার প্রায় ৯০ শতাংশই ছেলে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আবার কোনো ধরনের একাডেমিক স্বাধীনতা ছিল না। তথাকথিত পাকিস্তান ও ইসলামের তাহজিব-তমদ্দুনের বিরুদ্ধে যায় তেমন কিছু আলোচনা করাও শিক্ষকদের জন্য নিষিদ্ধ ছিল; যেমন মার্ক্সবাদ বা ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্ব আলোচনা করাকে এককথায় চরম অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হতো। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা বহুদিন ধরে দাবি করে আসছিলেন একাডেমিক কার্যক্রম থেকে সরকারের হস্তক্ষেপ বন্ধ করার জন্য। বঙ্গবন্ধু শিক্ষকদের সব সময় অসম্ভব সম্মান করতেন। তিনি পাকিস্তান আমলের শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কার এবং শিক্ষকদের একাডেমিক স্বাধীনতা কিভাবে নিশ্চিত করা যায় তার জন্য ১৯৭৪ সালে গঠন করলেন ১৮ সদস্যের একটি শিক্ষা কমিশন, যার আহ্বায়ক ছিলেন ড. কুদরাত-এ-খুদা। এই কমিশনের নাম হলো কুদরাত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশন।

নতুন দেশের নতুন শিক্ষা কমিশন দ্রুত সময়ে বিভিন্ন মহলের সঙ্গে আলোচনা করে জাতিকে উপহার দিল একটি যুগান্তকারী বাস্তবমুখী ও বিজ্ঞানসম্মত রিপোর্ট, যেটিকে সবাই কুদরাত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট হিসেবে চেনে। এই কমিটির একজন সদস্য ছিলেন সদ্যঃপ্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। তিনি একবার আমাকে বলেছিলেন তাঁরা এই রিপোর্ট বঙ্গবন্ধুর কাছে হস্তান্তর করার সময় কমিশনের আহ্বায়ক বঙ্গবন্ধুকে বলেন, তাঁরা রিপোর্ট তৈরি করেছেন, তিনি যেন এটি একবার পড়ে দেখেন। কোনো কিছু রদবদল করতে হলে তঁাঁরা তা করে দেবেন। জবাবে বঙ্গবন্ধু বলেন, আমার স্যাররা যে রিপোর্ট তৈরি করেছেন তার ওপর কিছু করার যোগ্যতা আমার নেই। রিপোর্টে প্রাইমারি থেকে বৃত্তিমূলক শিক্ষা, নারীশিক্ষা, মাদরাসা শিক্ষা, বিশেষায়িত শিক্ষা, মেডিক্যাল, কৃষি, কারিগরি শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষা-কোনো কিছুই বাদ যায়নি। রিপোর্টে সুপারিশ করা হয় চারটি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করার জন্য পৃথকভাবে চারটি আইন প্রণয়নের, যা প্রণীত হয়। এই আইন প্রথমে অধ্যাদেশ হিসেবে জারি করা হয়। পরে তা সংসদে আইন হিসেবে গৃহীত হয়। আরেকটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ ছিল বিশ্ববিদ্যালয় আর সরকারের মাঝখানে সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করার জন্য বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আইন ১৯৭৩ সংসদে পাস করিয়ে এই কমিশন প্রতিষ্ঠা করা। এটি সম্পূর্ণ একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান, যেমন- দুর্নীতি দমন কমিশন, জনপ্রশাসন কমিশন অথবা নির্বাচন কমিশন। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে, একটি মহল সব সময় সুপরিকল্পিতভাবে এটিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি অধিদপ্তর হিসেবে দেখতে চায়। আরো দুঃখের বিষয় হচ্ছে, যারা এই কমিশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তারা প্রায় কেউই কখনো যে আইন দ্বারা এটি প্রতিষ্ঠিত তা অথবা এর বিভিন্ন বিধি কখনো পড়ে দেখার প্রয়োজন মনে করে না। মঞ্জুরি কমিশন আইন যখন সংসদে পাস হয় তখন দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ছিল ছয়। বর্তমানে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আছে ৫২টি আর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আছে ১০০টির ওপরে। এই আইন যুগোপযোগী করার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছে; কিন্তু এ পর্যন্ত তা করা সম্ভব হয়নি। একবার সচিব কমিটি যা প্রসব করেছিল, তা মূলত ছিল আমলা পুনর্বাসন নথি। কমিশনের দায়িত্বে থাকতে তা অনেক দেনদরবার করে ঠেকিয়েছি। চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের তিয়াত্তর সালের আইন বিভিন্ন সময় লঙ্ঘিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে দুঃখ পেতেন। বঙ্গবন্ধু সব সময় চেয়েছিলেন শিক্ষা বিষয়টি শিক্ষকদের হাতে থাকুক। তাঁর প্রথম সরকারের আমলে শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন একজন শিক্ষক, অধ্যাপক ইউসুফ আলী। পর্যায়ক্রমে শিক্ষাসচিব ছিলেন ড. এ আর মল্লিক, ড. আব্দুল্লাহ আল-মুতী শরফুদ্দিন আর অধ্যাপক কবীর চৌধুরী। সেই ধারাবাহিকতার সমাপ্তি অনেক আগে হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দীর্ঘ ২১ বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতার বাইরে ছিল। শিক্ষাক্ষেত্রে সব অগ্রগতি শপথ হয়ে পড়েছিল। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এলে তা আবার গতি পায়। তারপর ২০০১ সালের পর আবার অনেকটা থেমে যায় এই গতি। বর্তমানে তা আবার গতি পেয়েছে। বঙ্গবন্ধুর মৃৃত্যুর দীর্ঘ ৪৫ বছর পর তাঁরই কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে শিক্ষাক্ষেত্রে আবার অগ্রগতির ছোঁয়া লেগেছে। বঙ্গবন্ধুর সময় দেশে জনসংখ্যা ছিল সাড়ে সাত কোটি। বর্তমানে প্রায় ১৭ কোটি। সেই সময় সাক্ষরতার হার ছিল ২০ শতাংশ। বর্তমানে তা ৭৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। সবচেয়ে বড় অর্জন নারীশিক্ষা। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে তা এখন ৫০ শতাংশের বেশি। দেশ তাঁর হাত ধরে ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করেছে। বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে বর্তমান বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন দেখে খুশি হতেন। আর বাংলাদেশকে বর্তমান অবস্থায় আসতে এত দিন অপেক্ষা করতে হতো না। তাঁর সাড়ে তিন বছরের শাসনে তিনি প্রমাণ করেছেন যোগ্য নেতৃত্ব একটি দেশকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে। বঙ্গবন্ধুসহ পঁচাত্তরের শহীদদের প্রতি বিনম্র্র্র শ্রদ্ধা।

লেখকঃ বিশ্লে­ষক ও গবেষক


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ