বিশেষ খবর

চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অগ্রগামী -চীনা উপ-প্রধানমন্ত্রী লিও ইয়েনতোং

ক্যাম্পাস ডেস্ক সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
img

চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রগামী ভূমিকা পালন করছে বলে  উল্লেখ করেছেন চীনা উপ-প্রধানমন্ত্রী লিও ইয়েনতোং। তিনি ২৫ মে বিশ্ববিদ্যালয় নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতাকালে এ কথা বলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চীনা উপ-প্রধানমন্ত্রী লিও ইয়েনতোং এক বিশেষ বক্তৃতা প্রদান করেন। তিনি বলেন, চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক হাজার বছরের পুরনো। উভয় দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, শিল্প, বিজ্ঞান, ক্রীড়া, সংবাদ মাধ্যম, পর্যটন ইত্যাদি ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে চীন ও বাংলাদেশ উন্নয়নকে আরো ত্বরান্বিত করতে সক্ষম হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
চীনা উপ-প্রধানমন্ত্রী লিও ইয়েনতোং আরো উল্লেখ করেন যে, চীনা সরকার এখন থেকে প্রতি বছর ১০০ বাংলাদেশি ছাত্র-ছাত্রীকে শিক্ষা বৃত্তি দেবে। এছাড়া, এ বছর ১০০ জন তরুণ-তরুণীকে চীনের কনফুসিয়াস সদর দফতরে অনুষ্ঠিতব্য শান্তি ক্যাম্পে অংশ নেয়ার সুযোগ দেবে।   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট এর চীনা গবেষণা কেন্দ্রে কম্পিউটারসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি প্রদানেরও ঘোষণা দেন তিনি। পরে তিনি প্রদেয় জিনিসগুলোর একটি তালিকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের নিকট হস্তান্তর করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড.আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক তাঁর শুভেচ্ছা বক্তৃতায় চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রী লিও ইয়েনতোংকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আন্তরিক স্বাগত জানান। তিনি বলেন, চীন এবং বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। হাজার বছরের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে উভয় দেশের। এ প্রসঙ্গে তিনি ঐতিহাসিক সিল্ক রোডের মাধ্যমে ২০০০ বছর আগে থেকেই উভয় ভূ-খন্ডের মধ্যকার বাণিজ্যিক লেন-দেনের কথা উল্লেখ করেন।
উপাচার্য বলেন, স্বাধীনতার পূর্বেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চীনের সাথে দ্বি-পাক্ষিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন চীন সফরের মাধ্যমে, যার ধারাবাহিকতায় বর্তমানে চীন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বন্ধুরাষ্ট্র এবং বিশ্বস্ত ব্যবসায়িক অংশীদার। শিক্ষা , সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যগত উন্নয়নে চীনকে বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু উল্লেখ করে উভয় দেশের মধ্যকার দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরো জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড.আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।
অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সৈয়দ রেজাউর রহমান। 


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ