বিশেষ খবর

প্রতিটি বিভাগীয় সদরে মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে -প্রধানমন্ত্রী

ক্যাম্পাস ডেস্ক শিক্ষা সংবাদ
img

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার পরিবর্তন হলে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো যাতে বন্ধ হয়ে না যায় এ জন্য তাঁর সরকার শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট তহবিলের মতো কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর জন্য একটি ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করার উদ্যোগ নিয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শ্রেষ্ঠ কমিউনিটি ক্লিনিক-২০১৪ পুরস্কার প্রদান এবং ই-লার্নিং কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে তাঁর সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকারই দেশে প্রথম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে। চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে আরো দুটি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কাজ চলছে। তিনি বলেন, মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার জন্য আমরা প্রতিটি বিভাগীয় সদরে একটি করে মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করব। তবে তিনি বলেন, যেখানে সেখানে মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে না। যেখানে প্রয়োজন, কেবল সেখানেই করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা খাতে সহায়তা দিতে এবং স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত বৃত্তি দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করা হয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো যাতে ভালোভাবে চলতে পারে এবং জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পারে এ জন্য আমরা একইভাবে একটি ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করব। এটি হলে জনগণের মৌলিক অধিকারের মাধ্যমে দেশ উন্নত হবে ও দারিদ্র্যের অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডাঃ সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। স্বাস্থ্যসচিব সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. এন পরানিথরান সম্মানিত অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং রিভিটালাইজেশন অব কমিউনিটি হেলথ কেয়ার ইনিশিয়েটিভ ইন বাংলাদেশ ড. মাকদুমা নার্গিস স্বাগত বক্তব্য দেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী সাত বিভাগের নির্বাচিত সেরা কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর মধ্যে অ্যাওয়ার্ড বিতরণ করেন। স্বাস্থ্য খাতে ট্রাস্ট ফান্ড গঠনে তাঁর পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিকের জন্য একটি হিসাব থাকবে যা স্থানীয় লোকরা পরিচালনা করবে। তিনি বলেন, সম্পদশালী ব্যক্তি, বিভিন্ন সংস্থা এবং ক্লিনিক থেকে যাঁরা সেবা গ্রহণ করবেন তাঁদের অনুদান গ্রহণ করা হবে। শেখ হাসিনা কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের জন্য ই-লার্নিং প্রোগ্রাম সম্পর্কে বলেন, এই কর্মসূচি কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন করবে। তারা নতুন নতুন টেকনিক শিখতে পারবে এবং উন্নত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করবে।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ