বিশেষ খবর

নবীনদের জন্য নতুন সাজে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

ক্যাম্পাস ডেস্ক সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
img

শহীদ মিনারেরর সামনে কয়েক জন ঝাড়ু হাতে দাঁড়িয়ে। তারা দল বেধে বুদ্ধিজীবি চত্বরে পরিস্কার করার কাজ শুরু করেছেন। একটু সামনে যেতেই ড. করিম ভবনে আপন মনে রঙ করছে রং মিস্ত্রীরা। আর কাটা পাহাড়ের রাস্তার দু’পাশে দাঁ দিয়ে জঙ্গল কাটছে আরেক দল কর্মচারী। এদিকে আলাওল ও এ.এফ. রহমান হলের সামনে চলছে রাস্তা মেরামতের কাজ। বেশ ক’দিন ধরে চট্টগ্রাম বিশ্বদ্যিালয়ে (চবি) এসব সাজ-গোজে ব্যস্ত কর্মচারীরা। পুরো ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায় এমন চিত্র।
প্রতিবার ভর্তি পরীক্ষা শুরুর আগে ক্যাম্পাসে ঘষা মাজা এবং কিছু কিছু স্থানে সংস্কারও করে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এরপর আর খোঁজ খবর মেলে না তাদের। এমন অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চবিতে শুরু হতে যাচ্ছে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষা। আর এরই প্রস্তুতি হিসেবে গঠন করা হয় পরিবেশ উন্নয়ন কমিটি। এ কমিটির আহবায়ক করা হয় চবি’র বন ও পরিবেশবিদ্যা ইনিস্টিটিউটের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিনকে। এ ব্যাপারে চবি’র ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী সোহান বলেন, প্রতিবছর ভর্তি পরীক্ষার আগে ক্যাম্পাসকে রঙিন করে সাজানোর চেষ্টা করে প্রশাসন। কিন্তু এরপরে আর কোনো কার্যক্রম চোখে পড়ে না। ভর্তি পরীক্ষার পরে এসব কাজ তদারকি করলে ক্যাম্পাসের পরিবেশ আরো মনরোম হতো।
চবি’র প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবু সাঈদ হোসেন জানান, আমরা বেশ ক’দিন ধরে ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে চবি’র বিভিন্ন রাস্তার গর্ত ভরাট, বিভিন্ন অনুষদে চুনকাম, ক্যাম্পাস এলাকায় অস্থায়ী গণশৌচাগার নির্মান করেছি। এদিকে ভর্তি পরীক্ষার সকল ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে চবি কর্তৃপক্ষ। এ ব্যাপারে চবি’র ভর্তি কমিটির সচিব এস. এম. আকবর হোছাইন বলেন, আমরা সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। ক্যাম্পাসসহ বাহিরে আরো ৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
চবিতে শাটল ট্রেনের নতুন সূচি ॥ ঢাকা থেকে স্পেশাল ট্রেন
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের ঢাকা থেকে যাওয়ার সুবিধার্থে কমলাপুর থেকে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
৩০ অক্টোবর সুবর্না এক্সপ্রেস নামে বিশেষ ট্রেনটি কমলাপুর থেকে ছেড়ে যাবে। ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শাটল ও ডেম্যু ট্রেনেরও নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম বটতলী রেলস্টেশন থেকে চবি ক্যাম্পাস অভিমুখে- সকাল ৬.১৫ মিনিট, সকাল ৭.৩০ মিনিট, সকাল ৮.৩০ মিনিট, বেলা ১২.০০ মিনিট, বিকেল ৩.০০ মিনিট, বিকেল ৪.০০ মিনিট ও রাত ৮.৩০ মিনিট ট্রেন ছাড়বে।
অপরদিকে চবি ক্যাম্পাস থেকে চট্টগ্রাম বটতলী রেলস্টেশন অভিমুখে-সকাল ৭.২৫ মিনিট, সকাল ৯.০০ মিনিট, দুপুর ১.০৫ মিনিট, দুপুর ১.৩০ মিনিট, বিকেল ৪.৫০ মিনিট, বিকেল ৫.৩০ মিনিট ও রাত ৯.৪০ মিনিট ট্রেন ছেড়ে যাবে।
এছাড়া একজোড়া ডেম্যু ট্রেন সকাল সাড়ে ৯টায় বটতলী স্টেশন থেকে ছেড়ে বিশ্ববিদ্যালয় অভিমুখে রওনা হবে এবং বেলা ১১টায় ক্যাম্পাস থেকে পুনরায় ছেড়ে যাবে।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ