বিশেষ খবর

আমাদের জাতীয় অসুস্থতা এবং শিশুপুষ্টি ও শিশুস্বাস্থ্য

ক্যাম্পাস ডেস্ক বিশেষ নিবন্ধ

॥ পূর্ব প্রকাশিতের পর -২১ ॥ অধ্যায় ৪ দারিদ্র্যের কারণে অসুস্থ নয়, অসুস্থতার কারণেই মানুষ দরিদ্র আমাদের আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থায় ধরে নেয়া হয় যে দরিদ্ররা রোগাক্রান্ত ও অসুস্থ থাকবে, এটিই স্বাভাবিক এবং দারিদ্র্যের কারণে তারা অসুস্থ। কিন্তু আমার নিকট এ ধারণাটি যৌক্তিক নয়। দরিদ্ররা প্রয়োজনীয় পুষ্টি গ্রহণ করতে পারে না বলে অপুষ্টিজনিত ধীর গতির কিছু রোগ তাদের হতে পারে; কিন্তু তাদেরতো অতিভোজজনিত তাৎক্ষণিক মৃত্যুমুখী ও আশঙ্কাজনক অসুখে পড়ার কথা নয়। বিশেষত অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ করতে পারে না বলে তারা হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল, স্ট্রোক, বদহজমসহ নানা মরণব্যাধি থেকে রেহাই পেয়ে যায়। এ কারণে বলা হয় মানুষ না খেয়ে যতটা মরে, তার চেয়ে অধিক মরে বেশি খেয়ে। তাই দারিদ্র্যতা মানুষকে অসুস্থ করে না বরং অনেক ক্ষেত্রে সুস্থ রাখে; অর্থাৎ প্রাকৃতিকভাবে দরিদ্রদের অধিকতর সুস্থ থাকার কথা। যেমন তারা ফ্রিজ বা এসি ব্যবহার করে না বলে এতদসংক্রান্ত অসুখ ক্যান্সার বা শ্বাসরোগ তাদের হয় না। তাছাড়া অভাবের তাড়নায় ও বাঁচার তাগিদে দরিদ্ররা শারীরিক পরিশ্রমও বেশি করে। যারা কায়িক শ্রম করে, তাদের রোগ-শোক কম হয় এবং তারা সুস্থ-সবল ও দীর্ঘজীবী থাকে। আদিমকালে মানুষ পরিশ্রম করে প্রতিবেলায় খাবার জোগাড় করত এবং প্রতিকূলতার সাথে অহর্নিশি সংগ্রাম করত বলে তারা কয়েকশ’ বছর বেঁচে থাকত। আফসোস যে, আমরা এখন একদিকে আয়েশের জ্ঞান-বিজ্ঞানে এগিয়েছি, অন্যদিকে হারিয়েছি পূর্বপুরুষদের দীর্ঘজীবনের ঐতিহ্য। তাই মহান দার্শনিক সক্রেটিসর সেই অমোঘ বাণী ‘How many things I can live without’ এরূপ জীবনাকাঙ্খা কখনো সখনো পেয়ে বসে আমাকে। অন্য অনেক কিছুর পাশাপাশি সম্ভবত এ কারণেও জাতীয় কবি নজরুল গেয়েছেন ‘হে দারিদ্র্য, তুমি মোরে করেছ মহান, তুমি মোরে দানিয়াছ খ্রীষ্টের সম্মান...’। গরু-খাসি, ইলিশ-চিংড়ি, ঘি-মাখন, সিগারেট বা মদ জাতীয় দামি খাবার গরিবদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে বিধায় এসব ঘাতক খাবার তাদের পেটে বা শরীরে যায় না বরং যায় ধনিক শ্রেণির পেটে। অন্যদিকে গরিবরা সস্তা মূল্যের কচু-লতাপাতা, শাক-সবজি বেশি খায় বলে আঁশজাতীয় ও ঔষধি গুণসম্পন্ন খাদ্যদ্রব্য প্রাকৃতিকভাবেই তাদের বেশি গ্রহণ করা হয়। অসুস্থতার কারণ যে দারিদ্র্য নয়, তার আরেকটি প্রমাণ হচ্ছে বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ডাক্তারের কাছে বা হাসপাতালে যত রোগী যায়, তার ৮০ শতাংশই মানসিক চাপগ্রস্ত। এই মানসিক চাপগ্রস্তদের প্রায় সব রোগীই হচ্ছে ধনী ও সামর্থ্যবান শ্রেণির। বাকি ২০ শতাংশ রোগীর ১৮ শতাংশই হচ্ছে হৃদরোগ, স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল বা অনুরূপ বড়লোকী রোগের শিকার। এতেও স্পষ্ট যে অপুষ্টিজনিত অসুস্থতায় যত দরিদ্র ভোগে, তারচে’ ঢের বেশি অসুস্থতায় ভোগে ধনীরা, তাদের অঢেল বিত্ত এবং দুর্বল চিত্তের কারণে। তাই আমার একান্ত মতে সুস্থতা বা অসুস্থতা কোনোটিই দারিদ্র্য বা বিত্তের ওপর নির্ভর করে না; এটি নির্ভর করে শিক্ষা, মনন ও অভ্যাসের ওপর। যদি অর্থকে অসুস্থতার কারণ বলে চিহ্নিত করতেই হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে আমি বলব দারিদ্র্যের কারণে মানুষ অসুস্থ হয় না বরং অসুস্থতার জন্যই মানুষ দরিদ্র হয়। কারণ অসুস্থ হলে একদিকে সে নিজ কর্মক্ষমতা ও কর্মের সুযোগ হারায়, রক্ষা করতে পারে না কর্মসময়; অন্যদিকে রোগীর চারপাশের মানুষরা তাকে নিয়ে ব্যতিব্যস্ত হয়ে হাসপাতাল ও ডাক্তারমুখী হয়ে ওঠে; তার জন্য ডাক্তার-হাসপাতাল-ঔষধ-পথ্য, যানবাহন ভাড়া ইত্যাকার খরচের যোগান দিতে দিতে ধনী হয়ে যায় দরিদ্র; আর দরিদ্র হয়ে যায় নিঃস্ব। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এ বিষয়ে তথ্য-উপাত্তসহ এক চমকপ্রদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ২০১০ সালে। তারা বলেছে অসুস্থতাই ব্যক্তিকে ও জাতিকে দরিদ্র করে তোলে। অসুস্থতার কারণে স্বাস্থ্যখাতে তথা ডাক্তার-ঔষধ-হাসপাতালের পেছনে সরকারের ব্যাপক অর্থ ঢালার ফলে অন্যান্য ক্ষেত্রের কাক্সিক্ষত উন্নয়ন ব্যাহত হয়। স্বাস্থ্যখাতে ভর্তুকির কারণে উন্নয়ন বিভাগ ও মন্ত্রণালয়কে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ দেয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না, প্রলম্বিত হয় গোটা দেশের উন্নয়ন। ফলে সে দেশ বা জাতি অনুন্নত ও দরিদ্রই থেকে যায়। ২০১০ সালের ২২ নভেম্বর জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বিশ্বে প্রতিবছর ১০ কোটি মানুষ অসুস্থতার কারণে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যায়। চিকিৎসাব্যয় সামাল দিতে গিয়ে তারা নিঃস্ব হয়ে পড়ে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে বিভিন্ন দেশের সরকার স্বাস্থ্যখাতে যা বরাদ্দ করে, তার অর্ধেক থেকে দুই-তৃতীয়াংশই ব্যয় হয়ে যায় চিকিৎসা খাতের হাসপাতালগুলোতে। জাতিগতভাবে আমাদের অপুষ্টির ভয়াবহতা শতায়ুর পথে বাধা সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে হলে একজন মানুষকে প্রতিদিন ২,২২২ ক্যালরি খাদ্য গ্রহণ করতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশে এর চেয়ে কম ক্যালরি গ্রহণ করে এমন মানুষের সংখ্যা ৬ কোটি ১ লাখ। ১,৮০০ ক্যালরিও গ্রহণ করতে পারে না, এমন হতদরিদ্রের সংখ্যা ৩ কোটি ১০ লাখ। ২০০৯ সালে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) এর প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। ২০০৫ সালে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো পরিচালিত জরিপ অনুযায়ী দেশে মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ অপুষ্টির শিকার। ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট প্রকাশিত ক্ষুধা পরিস্থিতির সূচক ২০১০ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিশু মৃত্যুর হার কমার পর এখনও বাংলাদেশে প্রতি ১ হাজার শিশুর মধ্যে ৫৪ জন অপুষ্টিতে মারা যায়। হাজারে ৪৩ শিশুর বয়স অনুযায়ী শারীরিক বৃদ্ধি হয় না। বিশ্বে অপুষ্টিতে ভোগা মানুষের ৬৬% এর বসবাস মাত্র ৭টি দেশে। এ তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশের নাম। জাতিগতভাবে আমাদের অপুষ্টির এ ভয়াবহতা সুস্থতা ও শতায়ুর পথে এক বিরাট বাধা। তাই অন্যান্য উন্নত জাতির মতো আমাদেরও ক্ষুধা ও অপুষ্টি তাড়িয়ে সুস্থতা ও শতায়ু লাভে প্রয়াসী হতেই হবে। জাতীয় সুস্থতার জন্য আমাদের শিশুপুষ্টি বাড়াতে হবে শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানোই প্রকৃতির বিধান এবং এ বিধানকেই সমর্থন করেছে সকল ধর্ম ও বিজ্ঞান। তাই জন্মের পর প্রথম ৬ মাস শিশুকে মায়ের দুধ এবং একমাত্র মায়ের দুধই খাওয়াতে হবে। এমনকি শিশুকে পানি খাওয়ানোরও দরকার নেই। কারণ মায়ের দুধেই প্রচুর পানি থাকে। ৬ মাস পর শিশুর মাড়ি কিছুটা শক্ত হলে তখন থেকে দেড় বছর পর্যন্ত শিশুকে মায়ের দুধের পাশাপাশি পরিপূরক খাবার দিতে হবে। ৬ মাস বয়সের পর ঘরে তৈরি নরম খাবার বিশেষত ভাত-মাছ-ডাল-সবজি ও ফলের নরম অংশ দেয়া উচিত। ধীরে ধীরে তাকে অভ্যস্ত করাতে হবে পরিবারের স্বাভাবিক খাবারে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, পরিষ্কার হাতে ও পরিষ্কার পাত্রে শিশুর খাবার তৈরি করতে হবে। শিশু খাবেও পরিষ্কার পাত্রে এবং কখনোই শিশুকে বাসি খাবার দেয়া যাবে না। অনেকে অজুহাত দেয়ার চেষ্টা করেন যে মায়ের দুধ নেই, দুধ আসে না ইত্যাদি; এসব নানান অজুহাতে শিশুকে অন্যকিছু খাওয়ানোর চেষ্টা করেন। এখানেই দেখা দেয় বিপত্তি। শিশুর পেটে ব্যথা হয়, বমি হয়, পাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়া হয়, দেখা দেয় কোষ্ঠকাঠিন্যসহ নানা অসুখ-বিসুখ; শুরু হয় বাবা-মা’র দৌড়াদৌড়ি, দাদি-নানির কান্নাকাটি। আসলে মাতৃদুগ্ধের অমিয় সুধা ব্যতীত শিশুর প্রথম ৬ মাসের পৃথিবী-যাত্রা নিরাপদ নয়। জন্মের পর ১ ঘন্টার মধ্যে শিশুকে প্রোটিনসমৃদ্ধ এবং ঔষধি গুণের শালদুধ দিয়ে পৃথিবীতে যাত্রা শুরু করাতে হবে। শালদুধ নানা রোগবালাই থেকে শিশুকে সুরক্ষা করে; শিশুর দেহে টিকার কাজ করে। জন্মের ১ ঘন্টার মধ্যে মায়ের দুধ খাওয়ানো হলে ৩১% নবজাতকের মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করা যায়। আসলে মায়ের দুধের কোনোই বিকল্প নেই। দুধ আসে না এ অজুহাতে অন্য খাবারে অভ্যস্ত করার প্রয়াস শিশুর প্রতি এক নির্মম অবহেলা ও অবিচার। নবজাতক মায়ের স্তন চুষতে চুষতে একসময় দুধ আসবে। স্তনে দুধ আসার ব্যাপারে মায়ের মানসিক প্রস্তুতিই যথেষ্ট। যদি কোনো বিশেষ কারণে দুধ না আসে, তাহলেও শিশুকে অন্য খাবার দেয়ার প্রয়াস ঠিক নয়, বরং মাকে যথেষ্ট খাদ্যদ্রব্য গ্রহণ বিশেষত কালোজিরার ভর্তা বা কালোজিরার নির্যাস, লাউ ও ধুন্দুল জাতীয় সবজি এবং গরুর দুধ ইত্যাকার খাদ্য বেশি বেশি গ্রহণ করতে হবে যার সুফল শিশু সারাজীবনই পেতে থাকবে। মায়ের শিক্ষায় শিশুর পুষ্টিলাভ মাকে শিক্ষা দিলে শিশুর যেকোনো রোগ সংক্রমণ ৪০ শতাংশ কমে যায়। শিশু কম ওজন নিয়ে জন্মালেও মা যদি বুকের দুধ খাওয়ানোর বিষয়ে সঠিক শিক্ষা পান, তাহলে সেই শিশুর পুষ্টি-পরিস্থিতি ও স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়। ইউরোপিয়ান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনে বাংলাদেশী গবেষকদের প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য দেয়া হয়েছে। গবেষক দলের প্রধান বিশিষ্ট পুষ্টিবিদ ও বাংলাদেশ ব্রেস্ট ফিডিং ফাউন্ডেশনের সভাপতি এস কে রায় বলেন মাকে এবং মায়ের পরিবারের সদস্যদের আমরা পুষ্টির বিষয়ে শিক্ষা দিয়েছিলাম, সচেতন করেছিলাম। এ শিক্ষার মধ্যে ছিল প্রি-ল্যাকটাল (মায়ের দুধ ছাড়া পানি-মধুজাতীয়) খাবার বাদ; জন্মের এক ঘণ্টার মধ্যে বুকের দুধ খাওয়ানো; শিশুকে যথাযথভাবে স্তনের স্পর্শে রাখা; সঠিকভাবে বুকের দুধ খাওয়ানো; ৬ মাস পর্যন্ত শিশুকে শুধু বুকের দুধ খাওয়ানো; যতদিন বুকের দুধ খাওয়াবে ততদিন মাকে মানসম্পন্ন খাবারের পরিমাণ বেশি দিতে হবে এবং বেশিবার দিতে হবে। এছাড়া নির্মল খাদ্য ও ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার ওপরও শিক্ষা দেয়া হয়। ফলাফল হিসেবে দেখা যায় শিক্ষা পাওয়া মায়েদের জন্মের এক ঘণ্টার মধ্যে বুকের দুধ খাওয়ানোর হার ৬২ শতাংশ, অন্যদের ক্ষেত্রে তা ৩৭ শতাংশ। শিক্ষা পাওয়া মায়েদের মধ্যে শুধু বুকের দুধ খাওয়ানোর হারও বেশি (৬০% বনাম ৩৭%)। শিক্ষা পাওয়া মায়েদের শিশুদের মধ্যে শ্বাসতন্ত্রের রোগ ও ডায়রিয়ায় সংক্রমণের হার অন্য শিশুদের তুলনায় ৪০ শতাংশ কম। এস কে রায় জানান গবেষণার ফলাফল স্বাস্থ্যমন্ত্রী, সচিবসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠিয়েছেন। তিনি বলেন, মাকে শিক্ষা দেয়ার কাজে সরকারের মাঠপর্যায়ের কর্মীকেই অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে। হাসপাতাল ও ক্লিনিকে এ কাজের দায়িত্ব দিতে হবে নার্সদের। চাহিদামতো খাওয়ালে শিশুর বুদ্ধি বাড়ে বিজ্ঞানীরা বলছেন, ক্ষুধা পেলেই শিশুকে খাওয়ানো উচিত। তাতে শিশুর বুদ্ধির বিকাশ ভালো হয়। গবেষণায় দেখা গেছে যে শিশুকে চাহিদামতো খাওয়ানো হয়, তার আইকিউ বা বুদ্ধিমত্তা বেশি এবং স্কুলেও ভালো করে সে। অক্সফোর্ড ও এসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এ গবেষণা করেন। ব্রিস্টল এলাকায় জন্ম নেয়া প্রায় ১০ হাজার শিশুর ওপর তাদের ৫, ৭, ৮ ও ১৪ বছর বয়সে জরিপ চালিয়ে গবেষকরা দেখেন একেবারে ছোট্টবেলায় যেসব শিশুকে ক্ষুধা লাগার পর অর্থাৎ শিশুর চাহিদামতো খাওয়ানো হয়েছে, সেসব শিশুর আইকিউ ঘড়ি ধরে বেলায় বেলায় খাওয়ানো শিশুদের চেয়ে ৪ থেকে ৫ পয়েন্ট বেশি। চলবে। সুস্থতা ও শতায়ুলাভে প্রাকৃতিক চর্চা ও চিকিৎসা Be your own Doctor-এ বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৩৪৬, মূল্যঃ ৩৫০ টাকা প্রাপ্তিস্থানঃ ক্যাম্পাস পত্রিকা অফিস ৩৩ তোপখানা রোড, ১৩ তলা, ঢাকা। ফোনঃ ৯৫৫০০৫৫, ৯৫৬০২২৫


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ