বিশেষ খবর

উচ্চশিক্ষা স্তরে শিক্ষার্থী ফি পাঁচগুণ বৃদ্ধি করা হবে -অর্থমন্ত্রী

ক্যাম্পাস ডেস্ক শিক্ষা সংবাদ

উচ্চশিক্ষা স্তরে সরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ফি বাড়িয়ে পাঁচ গুণ করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেছেন, তবে ফি বাড়ানোর পর শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া আসতে পারে, তা নিয়েও চিন্তা আছে মনে। সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বলতে কী বুঝিয়েছেন জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, পোস্ট-সেকেন্ডারি। মাধ্যমিকের পরের প্রতিষ্ঠানগুলোতে ফি পাঁচ গুণ করা হবে। সেখানে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজও রয়েছে।
সম্প্রতি রাজধানীর শেরেবাংলানগরে এনইসি সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় অর্থমন্ত্রী বলেন, মেডিকেল ইন্টার্নদের গ্রামে এক বছরের পরিবর্তে দুই বছর থাকা উচিত। মেডিকেল ইন্টার্নদের বাড়তি এক বছর গ্রামে থাকতে অতিরিক্ত যে টাকার প্রয়োজন হবে, সেটি দিতেও প্রস্তুত বলে জানান মন্ত্রী। এখন একজন ইন্টার্ন চিকিৎসক গ্রামে এক বছর থাকছেন।
অর্থমন্ত্রী আরো জানান, আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশ থেকে বিড়ি বিতাড়িত করা হবে। আগামী অর্থবছরের বাজেটের আকার চার লাখ ১৫ হাজার কোটি টাকা হতে পারে বলে আভাস দেন তিনি। জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন একজন শিক্ষার্থীর মাসিক ফি ২৫ টাকা। পাঁচ গুণ করা হলে তা হবে ১০০ টাকা। মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থী ফি এখন মাসে ১৬ টাকা। পাঁচ গুণ হলে সেটি হবে ৮০ টাকা।
অর্থমন্ত্রী বলেন, এই যুগে এসে মাসিক বেতন (ফি) ১০ থেকে ২০ টাকার মধ্যে হবে, এটা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। গতকাল প্রাক-বাজেট আলোচনায় সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফি বাড়ানোর বিষয়টি প্রথম তুলে ধরেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, এই সময়ে এসে সরকারি কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেলে একজন শিক্ষার্থীর মাসিক বেতন (ফি) ১৫ থেকে ২০ টাকার মধ্যে হবে এটা কেমন কথা! এখানে ফি বাড়াতে অর্থমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন তিনি। এর পরপরই অর্থমন্ত্রী সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ফি বাড়ানোর ঘোষণা দেন। সেটা আগামী অর্থবছর থেকেই কার্যকর করার কথাও বলেন অর্থমন্ত্রী।
এক যুগেরও বেশি সময় আগে একবার সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ফি বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। তখন শিক্ষার্থীরা ব্যাপক আন্দোলন করেছিল। এ ছাড়া গত অর্থবছর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি’র ওপর সাড়ে সাত শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণ করা হলেও পরে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে সরকার।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ