বিশেষ খবর

আধুনিক সকল সুবিধা নিয়ে গড়ে উঠছে নর্দান ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ও সুবিশাল ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাস ডেস্ক শিক্ষা সংবাদ

ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সন্নিকটে আশকোনায় আধুনিক সকল সুবিধা নিয়ে গড়ে উঠছে নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর স্থায়ী ক্যাম্পাস। সেন্ট্রাল ঢাকার প্রাণকেন্দ্র উত্তরা হাজী ক্যাম্প থেকে মাত্র ৫ মিনিটের দূরত্বে প্রায় ৬ বিঘা জমির উপর আধুনিক স্থাপত্য শিল্পের এক অনুপম নিদর্শন হিসেবে গড়ে উঠছে এ ক্যাম্পাসটি।
দেশের প্রথম ডিজিটাল বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয় নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য ঢাকার বিমানবন্দর এর খুব কাছেই আশকোনায় জমি ক্রয় করা হয়। দেশসেরা প্রকৌশলী দিয়ে প্রস্তুত করা হয় স্থায়ী ক্যাম্পাসের নকশা। সেই নকশা খুব দ্রুতই বাস্তব কাঠামোতে রূপ লাভ করছে।
ইতোমধ্যেই এ ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত বছর থেকেই শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হচ্ছে ক্যাম্পাসটি। নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষা গ্রহণ চলছে এ ক্যাম্পাসে। ২০০২ সালের শেষ দিকে, একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা ও দেশের শিক্ষা খাতে ভূমিকা রাখার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। কহড়ষিবফমব ভড়ৎ ওহহড়াধঃরড়হ ধহফ ঈযধহমব শ্লোগানে বিশ্বায়নের দাবি পূরণে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে যুগোপযোগী কোর্সগুলোকে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করে নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ।
আধুনিক প্রযুক্তিগত সকল সুবিধা সংযুক্ত থাকবে এনইউবি’র স্থায়ী ক্যাম্পাসে। দেশী বিদেশী বই, জার্নাল, গবেষণাপত্র সমৃদ্ধ ডিজিটাল লাইব্রেরি, অত্যাধুনিক সায়েন্স ল্যাবরেটোরি, সুবৃহৎ কম্পিউটার ল্যাব, ব্রাউজিং ল্যাব, ডিজিটাল ক্লাসরুম, সুপ্রশস্ত অডিটোরিয়াম, ক্যাফেটেরিয়াসহ থাকবে শিক্ষার্থীদের জন্য সকল সুবিধা। নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর স্থায়ী ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের পরিপূর্ণ মানসিক বিকাশের জন্য পড়ালেখার পাশাপাশি থাকবে খেলাধুলার ব্যবস্থা। খেলাধুলার জন্য ফুটবল মাঠ, ক্রিকেট মাঠ, বেসবল এবং ভলিবল মাঠসহ খেলাধুলার সুযোগ প্রস্তুত করা হচ্ছে। ইনডোর গেম এ সংযোজিত থাকবে টেবিল টেনিস, ক্যারাম এবং দাবা খেলার সামগ্রীসহ নানা উপকরণ। থাকবে আধুনিক যন্ত্রসুবিধা সম্বলিত জিমনেসিয়াম।
নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ বলেন, যে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য স্থায়ী ক্যাম্পাস বা অবকাঠামো নির্মাণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি একটি বিষয়। উন্নত শিক্ষা প্রদানে গুণগত মান নিশ্চিত করা, ছাত্র-শিক্ষকের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয় করা, অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরি স্থাপন করা, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি স্থাপন করা, ডিজিটাল শ্রেণিকক্ষ তৈরি করাসহ সব কিছুতেই বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসতে গেলে স্থায়ী ক্যাম্পাসের প্রয়োজন। আমরা নিরলস পরিশ্রম করে নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়কে বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে ঘোষণা করার কাজটি করে এসেছি। অন লাইন এডমিশন, ই-লার্নিং প্লাটফর্ম, ভার্চুয়াল ক্লাশ ফ্যাসিলিটি, ই-লাইব্রেরি, ই-পেমেন্ট, অনলাইন গ্রাজুয়েট ডিরেক্টরি এবং অটোমেশনের জন্য ঊজচ ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়ন করেছি। এ সবের আওতায় শিক্ষার্থীরা অনলাইন ভিত্তিক নানাবিধ সুবিধা পেতে থাকবে। আমি বিশ^াস করি নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর স্থায়ী ক্যাম্পাস হবে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সমৃদ্ধ একটি ক্যাম্পাস।
উল্লেখ্য, সরকারের দেয়া শর্তানুযায়ী এ পর্যন্ত যে কয়টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেছে তাদের মধ্যে নর্দান ইউনিভার্সিটি একটি। শিক্ষাথীরা এখানে আনন্দ-কোলাহলে পড়াশুনা করছে।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ