বিশেষ খবর

প্রতিটি উপজেলায় কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ার লক্ষ্য -শিক্ষামন্ত্রী

ক্যাম্পাস ডেস্ক শিক্ষা সংবাদ
img

২০২০ সালের মধ্যে কারিগরি শিক্ষায় ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এক সময় কারিগরি শিক্ষাক্রমের ছাত্র হিসেবে লজ্জাবোধ কাজ করলেও এখন কারিগরির ছাত্ররা গর্ববোধ করে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।
এসব শিক্ষার্থী ‘ভিশন-২০২১’র ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। রাজধানীর ইন্সটিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ভবনে ২৬ ডিসেম্বর ‘স্কিলস কম্পিটিশন-২০১৫’র চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
২০০৯ সালে দায়িত্ব নেয়ার সময় কারিগরিতে মাত্র ১ শতাংশ শিক্ষার্থী থাকলেও বর্তমানে ১০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে বলেও জানান নাহিদ। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সাধারণত কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষার্থীরা উৎসাহী ছিল না, কিছু না পারলে বলতো এখানে (কারিগরি) পাঠিয়ে দাও, তারা লজ্জা পেত, এখন বুক ফুলিয়ে বলে আমি কারিগরির ছাত্র।
বর্তমানে ৪৯টি সরকারি পলিটেকনিকসহ বেসরকারি সাড়ে চারশ’ প্রতিষ্ঠানে কারিগরি শিক্ষা দেয়া হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রতি উপজেলায় একটি করে কারিগরি স্কুল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একশ’টির অনুমোদন পাওয়া গেছে।
শিক্ষার মধ্যে অগ্রাধিকার কারিগরি শিক্ষা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, দক্ষ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠলে তারা সম্পদে পরিণত হবে। শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্তমানে পলিটেকনিক, ভোকেশনাল মিলে সাড়ে সাত হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ শতাংশের উপরে শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা করছে। ২০২০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে।
দেশের পোশাক শিল্পে ১৯ হাজার বিদেশি কর্মী কাজ করছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কারগরি শিক্ষায় শিক্ষিতরা এই জায়গা দখল করতে পারে। ইতোমধ্যে সাত হাজার পদ দখল করে নিয়েছে। সবটুকুই দখল করতে হবে। বিশেষ অতিথি শিক্ষাসচিব সোহরাব হোসাইন বলেন, কারিগরির একজন ছাত্রও বেকার নেই।
অতিরিক্ত সচিব ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অমোঘ কুমার বিশ্বাস, অতিরিক্ত সচিব এএস মাহমুদ, স্কিল অ্যান্ড ট্রেনিং এনহেন্সমেন্ট প্রকল্পের পরিচালক মোঃ ইমরান, আইডিইবি’র সভাপতি এ কে এম এ হামিদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এরআগে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করে কারিগরির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ