বিশেষ খবর

ঢাকা ইউনিভার্সিটি একাউন্টিং কার্যনির্বাহী পরিষদ সংবর্ধনা ও ব্যাচ-৩ অনন্য সফলদের সম্মাননা

ক্যাম্পাস ডেস্ক প্রচ্ছদ প্রতিবেদন
img

দেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ, ঐতিহ্যে ভাস্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ততোধিক গৌরবোজ্জ্বল হিসাব বিজ্ঞান বিভাগ। আকর্ষণীয় এ বিভাগের ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্টরা দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন অঙ্গনে গুরুত্ববহ দায়িত্ব পালন করছেন; যাঁদের রয়েছে বিপুল খ্যাতি ও সাফল্য। একাউন্টিংয়ের এসকল প্রথিতযশা ব্যক্তিত্ব ও দিকপালদের নিয়ে গঠিত ঢাকা ইউনিভার্সিটি একাউন্টিং এলামনাই (DUAA) এসোসিয়েশন। সম্প্রতি যার নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ২০১৬-১৮ গঠিত হয়। নবগঠিত এ কার্যনির্বাহী পরিষদকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন এবং একাউন্টিং ব্যাচ-৩ এর অনন্য সফলদের সম্মাননা জানাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা এবং ক্যাম্পাস সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (সিএসডিসি) আয়োজন করে এক ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানমালা।
১৯ আগস্ট ক্যাম্পাস’র নিজস্ব অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালায় ছিল- ফেলোশিপ পর্ব এবং আপ্যায়ন (স্যুপ-স্ন্যাকস-ফ্রুটস-ব্রেড-বাদাম-চা-কফি), নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্যগণকে একে একে সংবর্ধনা ও উপহার অর্পণ, ব্যাচ-৩ এর অনন্য সফলদেরকে সম্মাননা-ক্রেস্ট ও উপহার অর্পণ, অনুষ্ঠানে উপস্থিত এসোসিয়েশনের প্রাক্তন প্রেসিডেন্টগণকে সম্মাননা ক্রেস্ট ও উপহার অর্পণ, একাউন্টিং এলামনাইদের কল্যাণ কামনায় মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, আলোচনা ও মতবিনিময়, সুরের অনুরণনে অতিথি বরণ (সংগীতসন্ধ্যা), র‌্যাফেল ড্র (সেরা ২ সৌভাগ্যবান) এবং লাকিপার্সন অব দ্যা ইভেন্ট নির্বাচন ও পুরস্কার বিতরণ, ক্যাম্পাস কিচেনের পরিবেশনায় দেশীয় খাবারে ব্যতিক্রমী নৈশভোজ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বাগতিক প্রতিষ্ঠান ক্যাম্পাস’র সুযোগ্য ভাইস-চেয়ারম্যান, শিক্ষাবিদ-গবেষক ও সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর এবং একাউন্টিং এলামনাই এসোসিয়েশনের ফাউন্ডার-প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. এম হারুনুর রশিদ। অনুষ্ঠান পরিচালনা ও সঞ্চালনায় ছিলেন সিএসডিসি’র মহাসচিব ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক ড. এম হেলাল। সংবর্ধিত বিশিষ্টজন ছাড়াও অন্যান্য অতিথির মধ্যে ছিলেন একাউন্টিং এলামনাই এর সাবেক প্রেসিডেন্ট, বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন এন্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি) এর ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সৈয়দ মাসুদ হোসেন; শিল্প-সংস্কৃতিপ্রেমী, শিক্ষানুরাগী ও সেবাপরায়ণ শিল্পপতি, একাউন্টিং এলামনাই পরিবারের প্রাণপুরুষ, সোয়ান গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এর ফাউন্ডার-এমডি খবীর উদ্দিন খান; বর্ণিল গুণাবলির কর্মযোগী ব্যক্তিত্ব, দক্ষ ও সফল সংগঠক, লায়ন্স’র প্রাক্তন গভর্নর, একাউন্টিং এলামনাই এর সাবেক প্রেসিডেন্ট এস এম ওয়াহিদুজ্জামান বাবর; সৃজনশীল ও ছাত্রবৎসল শিক্ষাবিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস এর সুযোগ্য চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ আবদুল হাকিম; এআইএস ডিপার্টমেন্টের সাবেক সফল চেয়ারম্যান, ঢাকা ইউনিভার্সিটি একাউন্টিং এলামনাই এর সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রফেসর মমতাজ উদ্দিন আহমেদ এফসিএমএ; বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, বিআইডিএস’র সিনিয়র রিসার্চ ফেলো, সরকারের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন কমিটির সদস্য এবং সরকারি পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের পরিচালক ড. নাজনীন আহমেদ; কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলার উপদেষ্টা ও ছড়াকার মোহাম্মদ মোস্তফা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- একাউন্টিং এলামনাই এসোসিয়েশন এর প্রেসিডেন্ট কামরুল ইসলাম এফসিএ, ভাইস-প্রেসিডেন্ট দেওয়ান ওয়াসিকুল আলম মিল্টন, ভাইস-প্রেসিডেন্ট ড. মোঃ মিজানুর রহমান, জেনারেল সেক্রেটারী শীষ হায়দার চৌধুরী, জয়েন্ট সেক্রেটারি মোঃ রফিকুল ইসলাম হাওলাদার, জয়েন্ট সেক্রেটারি আব্দুর রাজ্জাক খান রানা, ট্রেজারার আরিফা আজিজ কেয়া, অর্গানাইজিং সেক্রেটারি মোঃ তোফায়েল আহমেদ, রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট সেক্রেটারি ড. জাহির উদ্দিন আহমেদ, ইন্টারন্যাশনাল সেক্রেটারি ড. ইউসুফ কামাল; এক্সিকিউটিভ মেম্বারদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পলল প্রিন্টার্স লিঃ এর সিইও সৈয়দ রায়হান রশীদ (মিলু), গ্রামীণ নিটওয়্যার লিঃ এর সিএফও এবং কোম্পানি সেক্রেটারি সলিমুল্লাহ বাহাদুর এফসিএ, সরকারের পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের পরিচালক হারুন-অর-রশীদ হাওলাদার, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক ও সিএসডিসি’র মহাসচিব ড. এম হেলাল, সেন্টার ফর ইস্ট-এশিয়া ফাউন্ডেশনের এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর নাসিম মাহমুদ, ঢাকা কলেজের এসোসিয়েট প্রফেসর রোকেয়া পারভিন জুঁই, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের এসিসট্যান্ট ভাইস-প্রেসিডেন্ট আব্দুল গফুর রানা, জনতা ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার মাসুদুর রহমান প্রমুখ।
একাউন্টিং ব্যাচ-৩ এলামনাইদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আইসিএবি’র সাবেক প্রেসিডেন্ট মোঃ সাইফুল ইসলাম এফসিএ, আইএফআইসি ব্যাংকের ডিএমডি এন্ড হেড অব বিজনেস শাহ মোহাম্মদ মঈনউদ্দিন, সরকারের যুগ্মসচিব মোঃ তসলীমুল ইসলাম, জনতা ব্যাংকের কোম্পানি সেক্রেটারি ও জেনারেল ম্যানেজার মোঃ মোসাদ্দেক-উল-আলম, জিএসপি ফাইন্যান্স লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মামুন মাহমুদ শাহ, সরকারের যুগ্মসচিব ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ এর পরিচালক নারায়ণ চন্দ্র দেবনাথ, অগ্রণী ব্যাংকের কুমিল্লা-সিলেট ও ময়মনসিংহ সার্কেল এর মহাব্যবস্থাপক মোঃ ইউসুফ আলী, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস-প্রেসিডেন্ট মোঃ হাবিবুর মোরসালীন জামী, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের পরিচালক এ কে এম আমিনুল ইসলাম, জনতা ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক অলিউল্যাহ্ সিদ্দিক পাটোয়ারী, রহমান করপোরেশন এর ফাউন্ডার মোঃ অহিদুর রহমান, অগ্রণী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোঃ গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ভাইস-প্রেসিডেন্ট মোঃ বেলায়েত হোসেন, গাউসিয়া প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ এর জেনারেল ম্যানেজার রঞ্জিত কুমার সাহা, সরকারি বাংলা কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এ কে এম শহীদুল্লাহ, মা ড্রিংকিং ওয়াটার এর পার্টনার স্বপন কুমার দেবনাথ, সোনালী ব্যাংকের সি. এক্সিকিউটিভ কালীপদ বিশ্বাস, সোনালী ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ আবুল হোসেন প্রমুখ।
অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন ক্যাম্পাস’র শিক্ষানবিশ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী আনতারা রাইসা এবং স্কাউট লিডার মাহীর হেলাল। অনুষ্ঠানে দেশ ও জাতি জাগানিয়া ক্যাম্পাস’র ২টি থিম সং, ক্যাম্পাস কার্যক্রমের ওপর নির্মিত ডক্যুমেন্টারি এবং আগামীর অত্যাধুনিক বাংলাদেশের স্বরূপ ‘ক্যাম্পাস স্টাডি সেন্টার প্রকল্প’ শীর্ষক ডক্যুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানমালার প্রথম পর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একাউন্টিং এলামনাই এর নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দকে ক্যাম্পাস’র পক্ষ থেকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন ও উপহার অর্পণ করা হয়। এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট, ভাইস-প্রেসিডেন্ট, জেনারেল সেক্রেটারিসহ উপস্থিত সকল নেতৃবৃন্দ একে একে মঞ্চে আসেন এবং তাঁদেরকে প্রথমে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন এন্ড টেকনোলজি এর ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সৈয়দ মাসুদ হোসেন; এরপর উপহার হিসেবে ক্যাম্পাস’র জ্ঞানমেলা সিরিজে প্রকাশিত সৃজনশীল বইয়ের সেট অর্পণ করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি ও ক্যাম্পাস’র ভাইস-চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম হারুনুর রশিদ; ক্যাম্পাস’র মডেল ও সিডি সেট এর বক্স অর্পণ করেন সোয়ান গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এর ফাউন্ডার-এমডি খবীর উদ্দিন খান; আমেরিকা প্রবাসী বাংলাদেশি গবেষক ব্যক্তিত্ব এম এম আওরঙ্গজেবের অনন্য উদ্ভাবনী জরুরি-প্রয়োজনীয় বই সংবলিত পরিবেশবান্ধব পাটের ব্যাগ অর্পণ করেন লায়ন্স এর প্রাক্তন গভর্নর এস এম ওয়াহিদুজ্জামান বাবর।
এরপর একাউন্টিং এলামনাই এর কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দের ছবি সংবলিত ক্যাম্পাস’র বিশেষ সম্মাননা ক্রেস্ট নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টের হাতে অর্পণ করেন ক্যাম্পাস’র ভাইস-চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম হারুনুর রশিদ এবং ক্যাম্পাস’র মহাসচিব ড. এম হেলাল।
অনুষ্ঠানমালার ২য় পর্বে একাউন্টিং এলামনাই ব্যাচ-৩ এর সতীর্থ-ডাইরেক্টরি ২০১৬ এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এরপর শুরু হয় এ ব্যাচের অনন্য সফল ৬ জনকে সম্মাননা পর্ব। তন্মধ্যে সরকারের অতিরিক্ত সচিব মোঃ শাহ আলম বিদেশে সরকারি সফরে থাকায় এবং চট্টগ্রাম বিভাগের অতিঃ কমিশনার শংকর রঞ্জন সাহা কমিশনারের চলতি দায়িত্বে থাকায় নিমন্ত্রণে সম্মতি দিয়েও এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেননি বলে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
স্ব স্ব ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিতে আনুষ্ঠানিক সম্মাননা প্রদান করা হয় ৪ জনকে। তাঁরা হচ্ছেন- আইসিএবি’র সাবেক সফল ও ডায়নামিক প্রেসিডেন্ট মোঃ সাইফুল ইসলাম এফসিএ; আইএফআইসি ব্যাংকের ডিএমডি এন্ড হেড অব বিজনেস শাহ মোহাম্মদ মঈনউদ্দিন; সরকারের যুগ্মসচিব ও সাবেক জেলা প্রশাসক মোঃ তসলীমুল ইসলাম; জনতা ব্যাংকের কোম্পানি সেক্রেটারি ও জেনারেল ম্যানেজার মোঃ মোসাদ্দেক-উল-আলম। তাঁদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ, সম্মাননা ক্রেস্ট অর্পণ এবং শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে ক্যাম্পাস’র জ্ঞানমেলা সিরিজে প্রকাশিত সৃজনশীল বইয়ের সেট, ক্যাম্পাস’র মডেল ও সিডি সেট এর বক্স, এম এম আওরঙ্গজেবের অনন্য উদ্ভাবনী জরুরি-প্রয়োজনীয় বই সংবলিত পরিবেশবান্ধব পাটের ব্যাগ অর্পণ করা হয়। এসময়ে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরে সম্মাননা গ্রহণকারীগণের প্রত্যেকের জীবন ও কর্মের উপর আলাদা সচিত্র ডক্যুমেন্টারি দেখানো হয়।
৩য় পর্বে ছিল একাউন্টিং এসোসিয়েশনের অভিভাবক সম্মাননা। এ পর্বে একাউন্টিং এলামনাই এসোসিয়েশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে সম্মাননা জ্ঞাপন করা হয়, যাঁরা নিজ কর্ম ও স্বার্থ ত্যাগ করে আলমা মার্টার তথা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আকর্ষণে এবং একাউন্টিং ডিপার্টমেন্টের উন্নয়ন-ঐতিহ্য-ঔজ্জ্বল্য রক্ষায় নিজেদেরকে ব্যাপৃত রেখেছেন দীর্ঘদিন থেকে। এক্ষেত্রে সবার আগে যাঁর নাম পরম শ্রদ্ধাভরে, উচ্ছ্বসিত হয়ে উচ্চারিত হয় -তিনি এ অনুষ্ঠানের সভাপতি, সাবেক ভিসি, বর্তমানে ব্যাক ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. হারুনুর রশিদ। তাঁকে ক্যাম্পাস’র হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসায় সম্মাননা ক্রেস্ট অর্পণ করে সবিনয়ে অভিনন্দন জানান তাঁরই ছাত্র, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের নির্বাচিত নেতা এবং ক্যাম্পাস সমাজ উন্নয়ন কেন্দ্র এর মহাসচিব ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক ড. এম হেলাল।
এরপর একাউন্টিং ডিপার্টমেন্টের আরেক নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষাবিদ, বিইউএফটি’র সুযোগ্য ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সৈয়দ মাসুদ হোসেনকে সম্মাননা অর্পণ করেন তাঁরই ছাত্র ড. হেলাল। এরপর একাউন্টিং এলামনাইয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট, সদা হাস্যোজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত খবীর উদ্দিন খানকে ক্রেস্ট অর্পণ করা হয়। এরপর দক্ষ সংগঠক ও সমাজসেবক লায়ন্স এর প্রাক্তন গভর্নর এস এম ওয়াহিদুজ্জামান বাবরকে সম্মাননা ক্রেস্ট অর্পণ করা হয়।
সংবর্ধনা ও সম্মাননা শেষে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করা হয়। নিজেদের কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাজে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় একাউন্টিং এলামনাই এসোসিয়েশন যেন সর্বদা গঠনমূলক, সহজ-সরল ও তেজোদ্দীপ্ত ভূমিকা রাখতে পারে সে কামনায় মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করা হয়। এরপর শুরু হয় আলোচনা পর্ব। সকল বক্তাই ক্যাম্পাস’র এ ব্যতিক্রমী আয়োজনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁদের অনেকেই বলেন- এত জমজমাট, সুন্দর-সুশৃঙ্খল ও আকর্ষণীয়ভাবে তাঁরা সংবর্ধিত হবেন -এটি আশা করেননি। আলোচনার মাঝে মাঝে পরিবেশিত হয় মৌসুমী ফল, বাদাম, চকোলেট ইত্যাদি। আলোচনায় উঠে আসে একাউন্টিং এলামনাই সংগঠনকে আরো শক্তিশালীকরণ, নিজস্ব ভবন নির্মাণ, সদস্য সংখ্যা বাড়ানো, বৃত্তি ও সেবামূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণসহ নানা দিক।
এরূপ নানা আলোচনা, বক্তৃতা আর লাইট রিফ্রেশমেন্টের পর শুরু হয় মনোমুগ্ধকর ও জমজমাট সংগীতসন্ধ্যা। এ পর্ব পরিচালনায় ছিলেন অর্থনীতিবিদ ও বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ড. নাজনীন আহমেদ; সাথে ছিলেন ক্লোজআপ ওয়ান তারকা এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনের শিল্পী মেহেদী হাসান। তাঁদের সুরেলা গানে অনুষ্ঠান হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত। ড. নাজনীন গেয়ে শোনান- এই সুন্দর স্বর্ণালী সন্ধ্যায়, ওরে সাম্পান ওয়ালা, সে যে কেন এলনা... প্রভৃতি জনপ্রিয় গান। মেহেদী হাসান শোনান- আজ এই দিনটাকে মনের খাতায় লিখে রাখো, তোরে পুতুলের মতো করে সাজিয়ে, এক আকাশের তারা তুই... প্রভৃতি গান। শেষের দিকে সমবেত কন্ঠে গেয়ে শোনান- সাধের লাউ বানাইলো মোরে বৈরাগী, আমার গরুর গাড়িতে বৌ সাজিয়ে... প্রভৃতি জমজমাট গান। মূল শিল্পীদের সাথে যোগ দেন তারুণ্যদ্দীপ্ত প্রবীণ এলামনাই খবীর উদ্দিন খানসহ সুরের ধারায় সিক্ত এলামনাইবৃন্দ ও ক্যাম্পাস’র কর্মীগণ এবং এভাবে সংগীতানুষ্ঠান হয়ে ওঠে নৃত্যানুষ্ঠান।
ধুমধাড়াক্কা জমজমাট গানের রেশ কাটতে না কাটতেই শুরু হয় ক্যাম্পাস কিচেনের পরিবেশনায় দেশীয় খাবারের নৈশভোজ। ক্যাম্পাস কিচেনের পরিচ্ছন্ন ও সুস্বাদু দেশীয় খাবারের মধ্যে ছিল- পোলাও, সাদাভাত, Chicken with Pineapple, Koral Whole Fish Kabab, রুই-দোপিঁয়াজা, পটল-দোলমা, কলাভর্তা, বেগুনভর্তা, বরবটি-চিংড়ি ভর্তা, লতি-ইলিশ, স্পেশাল সালাদ, বিভিন্ন রকম আচার, ব্রাউনব্রেড, নান ইত্যাদি। স্বাদে-গন্ধে অতুলনীয় খাবার শেষ হয় ক্যাম্পাস’র স্পেশাল পায়েস, পুডিং ও মধুমিশ্রিত ন্যাচারাল ইয়োগার্ট দিয়ে।
নৈশভোজের পাশাপাশি চলতে থাকে র‌্যাফেল ড্র এবং লাকিপার্সন অব দ্যা ইভেন্ট নির্বাচন। লটারির মাধ্যমে লাকিপার্সন অব দ্যা ইভেন্ট নির্বাচিত হন প্রাণোচ্ছ্বল ব্যক্তিত্ব, সোয়ান গ্রুপের ফাউন্ডার খবীর উদ্দিন খান। র‌্যাফেল ড্র এর ১ম পুরস্কার লাভ করেন জনতা ব্যাংকের কোম্পানি সেক্রেটারি ও জেনারেল ম্যানেজার মোঃ মোসাদ্দেক-উল-আলম এবং ২য় পুরস্কার লাভ করেন ক্যাম্পাস’র অতিরিক্ত পরিচালক গিয়াস উদ্দিন আহমেদ।
এভাবে সম্প্রীতি-ফেলোশিপ-আবেগ উচ্ছ্বাসে ভরপুর একটি স্মৃতিবহ-প্রীতিপূর্ণ সন্ধ্যার অবসান হয় রাত ১১টায়। ফুলে-ফলে, নাচে-গানে, সুরে-ছন্দে, বক্তৃতা আর দেশীয় খাবারের স্বাদে, উপহার ও পুরস্কার প্রদানের মধ্য দিয়ে শেষ হয় সংবর্ধনা ও সম্মাননা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানমালা। একাউন্টিং এলামনাইদের কর্মচঞ্চল জীবনে এ ধরনের ব্যতিক্রমী বিনোদন, সতীর্থ সম্মিলন ক’বছর অন্তর অনুষ্ঠানের আশা ব্যক্ত করে হৃষ্টচিত্তে ঘরে ফিরে যান এলামনাই সদস্যগণ। অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের বক্তৃতা ও কথামালার অংশবিশেষ নিম্নে তুলে ধরা হলো।
ক্যাম্পাস ও একাউন্টিং এলামনাই -এ দুটি প্রতিষ্ঠানকে দেশ ও জাতির উন্নয়ন এবং সমাজ গঠনে একসাথে কাজ করতে হবে।
-প্রফেসর ড. এম হারুনুর রশিদ


অনুষ্ঠানের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব, একাউন্টিং এলামনাই এসোসিয়েশনের ফাউন্ডার-প্রেসিডেন্ট এবং ক্যাম্পাস’র ভাইস-চেয়ারম্যান, প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, ছাত্রবৎসল শিক্ষা-প্রশাসক ও নতুন ধারার গবেষক, সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম হারুনুর রশিদ তাঁর ভাষণে বলেন- হাঁটি হাঁটি পা-পা করে ক্যাম্পাস তিন দশক অতিক্রম করেছে। তারা আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদেরকে ব্যাপক পরিচিত করে তুলছে যুগোপযোগী ও ডায়নামিক বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে। সিএসডিসি’র মহাসচিব ড. হেলাল দেশ ও সমাজ উন্নয়নে বিভিন্ন গবেষণায় ব্যস্ত। শিক্ষা ও যুব উন্নয়নসহ সমাজ প্রগতিতে তার রয়েছে অনেক কার্যক্রম, যা সঠিকভাবে সম্পন্ন হলে দেশ ও জাতি অনেক এগিয়ে যাবে বলে আমার বিশ্বাস। হেলাল একাউন্টিং বিষয় নিয়ে পড়ালেখা করে দেশ ও জাতির উন্নয়নে কীভাবে স্বপ্ন সফল করে চলেছে, আমাদের চোখের সামনেই তার জাজ্বল্যমান প্রমাণ রয়েছে।
প্রফেসর হারুন বলেন, ক্যাম্পাস পরিবারের অনেক স্বপ্ন আছে। তাদের স্বপ্নের প্রতি আমাদের সম্মান ও সমর্থন রয়েছে। সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার জন্য আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। ক্যাম্পাস স্টাডি সেন্টার ক্যাম্পাস’র একটি বড় স্বপ্ন; সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের মধ্যে একটি উজ্জ্বল উন্নয়ন-প্রকল্প। ক্যাম্পাস’র স্বপ্ন বাস্তবায়নে একাউন্টিংয়ের সদস্যদেরও ক্যাম্পাস কর্মসূচিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করা দরকার। একাউন্টিং এলামনাই এর নতুন কমিটিতে বিগত কমিটির মতো অনেকগুলো উজ্জ্বল মুখের সংযোজন হয়েছে, যাদের নিয়ে আশাবাদী হওয়া যায়। আমি এলামনাইদের সবাইকে ক্যাম্পাস’র আজীবন সদস্যপদ গ্রহণ করে ক্যাম্পাস’র পাশে থেকে তাদের কল্যাণকর কার্যক্রমকে এগিয়ে নেয়ার অনুরোধ করছি। একাউন্টিং এলামনাই এবং ক্যাম্পাস -এ দু’টি প্রতিষ্ঠানকে একসাথে দেশ ও জাতির উন্নয়নে এবং সমাজ গঠন ও মানবকল্যাণে কাজ করতে হবে।
প্রফেসর ড. সৈয়দ মাসুদ হোসেন
বিইউএফটি’র ভাইস-চ্যান্সেলর ও এসোসিয়েশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট

প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ ও ছাত্রবৎসল শিক্ষা-প্রশাসক, বিইউএফটি’র ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সৈয়দ মাসুদ হোসেন সংক্ষিপ্ত ভাষণে বলেন- স্বপ্ন পূরণের অগ্রযাত্রায় ক্যাম্পাস মানুষকে অনেক বড় স্বপ্ন দেখায়, ক্যাম্পাস স্টাডি সেন্টার তার একটি উজ্জ্বল উদাহরণ। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমাদেরও অংশগ্রহণ করতে হবে, ক্যাম্পাস’র পাশে থেকে তাদের সহযোগিতা করতে হবে।
তিনি বলেন, একাউন্টিং এলামনাই আমাদের মনে আশার সঞ্চার করে। এর দায়িত্ব যখন আমাকে দেয়া হয়েছিল, তখন আমি একা ছিলাম না, সবার সহযোগিতা পেয়েছি। সময় এগিয়ে যাচ্ছে, নতুন উদ্দীপনা নিয়ে নয়া কমিটির সদস্যগণ আরও ভালোভাবে কাজ করবেন -এটাই প্রত্যাশিত।
প্রফেসর মোহাম্মদ আবদুল হাকিম
চেয়ারম্যান, এআইএস ডিপার্টমেন্ট ঢাকা ইউনিভার্সিটি

ঢাকা ইউনিভার্সিটির একাউন্টিং এন্ড আইএস ডিপার্টমেন্টের সুযোগ্য চেয়ারম্যান, সৃজনশীল ও ছাত্রবৎসল শিক্ষাবিদ প্রফেসর মোহাম্মদ আবদুল হাকিম বলেন- নিখুঁতভাবে দেশ গড়তে পারলে দেশের আর্থিক ভিত হয় মজবুত। টেকসই উন্নয়নই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। এজন্যই স্বচ্ছতা-জবাবদিহি-সুশাসনের কথা এত বলিষ্ঠভাবে উচ্চারিত হয়ে থাকে। তিনি বলেন, ক্যাম্পাস’র ব্যানারগুলো জ্ঞানভিত্তিক-ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও আলোকিত জাতি গঠনের আহবান জানায়। একাউন্টিং এলামনাইসহ আমাদের সবাইকে ক্যাম্পাস’র আহ্বানে সাড়া দিতে হবে।
প্রফেসর মমতাজ উদ্দিন আহমেদ এফসিএমএ
সাবেক চেয়ারম্যান, এআইএস ডিপার্টমেন্ট ঢাকা ইউনিভার্সিটি
ঢাকা ইউনিভার্সিটির একাউন্টিং এন্ড আইএস ডিপার্টমেন্টের সাবেক চেয়ারম্যান, সৃজনশীল ও কর্মসফল ব্যক্তিত্ব প্রফেসর মমতাজ উদ্দিন আহমেদ বলেন- দেশোন্নয়ন ও জাতি জাগরণে ক্যাম্পাস যেসব কর্মসূচি হাতে নিয়েছে, সেগুলোতে সম্পৃক্ত হয়ে আমরা সামাজিক দায়বদ্ধতা পালন করতে পারি। এখানে সমাজসেবা ও মানবসেবার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। একাউন্টিংয়ের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীরা যারা বর্তমানে সমাজে ভালো পজিশনে আছেন, তারা সমাজ ও দেশের জন্য ক্যাম্পাস’র মতো এগিয়ে এসে ভালো কাজ করতে পারেন।
খবীর উদ্দিন খান
এসোসিয়েশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট

শিল্প-সংস্কৃতিপ্রেমী, শিক্ষানুরাগী ও সেবাপরায়ণ শিল্পপতি, একাউন্টিং এলামনাই পরিবারের প্রাণপুরুষ, সোয়ান গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এর ফাউন্ডার-এমডি খবীর উদ্দিন খান ক্যাম্পাস কর্মসূচিসমূহের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে বলেন- আমরা যারা ব্যবসা-বাণিজ্যের সাথে জড়িত তারা ক্যাম্পাস’র সৃজনশীল কার্যক্রমের সাথে একাত্ম হয়ে কাজ করলে আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতার কিছুটা অংশ আমরা পালন করতে সক্ষম হব। তাই আসুন, একাউন্টিংয়ের দর্শন- স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নিবেদিত প্রতিষ্ঠান ক্যাম্পাস’র পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হই।
লায়ন এস এম ওয়াহিদুজ্জামান বাবর
এসোসিয়েশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট

বর্ণিল গুণাবলির কর্মযোগী ব্যক্তিত্ব, দক্ষ ও সফল সংগঠক, লায়ন্স’র প্রাক্তন গভর্নর এস এম ওয়াহিদুজ্জামান বাবর বলেন- জ্ঞানভিত্তিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা ক্যাম্পাস’র লক্ষ্য। তারা Education for Excellence এর জন্য কাজ করছে। তাদের লক্ষ্য শিক্ষার সাথে বুদ্ধির বিকাশ। ক্যাম্পাস’র সকল কর্মসূচি বিশেষ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ এবং সমাজসেবা, মানবসেবা ও দেশগঠনে উদ্দীপকস্বরূপ। তারা তাদের কর্মপদ্ধতিতে ৫টি E এর সন্নিবেশ ঘটায়। সেগুলো হলো- Entrepreneurship, Employability, Excellence, Ethics, Equality. কোনো কোনো সংস্থা ২টি কি ৩টি E অনুসরণ করে, আর ক্যাম্পাস অনুসরণ করে পুরো ৫টি ইথিকস। তাই তাদের কর্মধারা এত ফলপ্রসূ হয়।
লায়ন বাবর আরও বলেন- আমরা জনগণের টাকায় পড়ালেখা করেছি, সে টাকা ফেরত দিয়ে ঋণ শোধ করতে হবে। যারা এখন কর্মজীবনে প্রতিষ্ঠিত, তারা শিক্ষা ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে অনুদানের মাধ্যমে সামাজিক দায়িত্ব পালন করতে পারেন। সেক্ষেত্রে ক্যাম্পাস কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ক্যাম্পাস’র শিক্ষা ও সমাজসেবা আন্দোলনে আমরা একাউন্টিং এলামনাইরা অংশ নেব। তাই আসুন- এখনো যারা ক্যাম্পাস’র সদস্য হইনি, তারা সবাই আগবাড়িয়ে অভিভাবক-পৃষ্ঠপোষক ফরম পূরণ করার মাধ্যমে ক্যাম্পাস পরিবারের সদস্য হয়ে দেশোন্নয়ন ও সমাজ জাগরণী কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করি এবং অত্যাধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে নিজের ভূমিকা সুনিশ্চিত করি।
ড. নাজনীন আহমেদ
অর্থনীতিবিদ ও ক্যাম্পাস’র রিসার্চ ডিরেক্টর
স্বাগত বক্তব্যে বর্তমান সময়ের চৌকস অর্থনীতিবিদ ও ক্যাম্পাস’র অনারারি রিসার্চ ডিরেক্টর ড. নাজনীন আহমেদ বলেন- ক্যাম্পাস’র আহ্বানে সাড়া দিয়ে যাঁরা আজকের অনুষ্ঠানে এসেছেন, তাঁদেরকে আন্তরিক অভিনন্দন। এ ছোট্ট অফিস-অডিটোরিয়ামে বড় কিছু আয়োজন করা দুঃসাধ্য, সাধ যতটুকু আছে সাধ্য ততটুকু নেই। তবু আপনাদেরকে আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত দেখে আমরা খুব উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত বোধ করছি। বড় পরিসরে যাবার লক্ষ্য ও পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। সে লক্ষ্যে ক্যাম্পাস স্টাডি সেন্টার ভবন নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আপনাদের মতো দেশপ্রেমী ও কল্যাণকামী ব্যক্তিত্বের সাহচর্য ও সহযোগিতা পেলে খুব দ্রুতই এ ব্যতিক্রমী প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, ক্যাম্পাস অত্যাধুনিক বাংলাদেশ গড়তে চায়। নিম্নআয়ের বাংলাদেশকে শুধু উচ্চ মধ্যআয়ের দেশ হিসেবে নয়, আমরা দেশটাকে উন্নত দেশের সারিতে নিয়ে যেতে চাই। এ লক্ষ্যে ক্যাম্পাস পরিচালনা করছে সময়োপযোগী নানা কার্যক্রম। ক্যাম্পাস’র এসব কার্যক্রমে উদারপ্রাণ মহতী ব্যক্তিত্বদের সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

সংবর্ধনা ও সম্মাননার প্রতিক্রিয়া

কামরুল ইসলাম এফসিএ
এসোসিয়েশন এর নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট

সংবর্ধনা গ্রহণের জবাবে একাউন্টিং এলামনাই এসোসিয়েশন এর নয়া প্রেসিডেন্ট; জনতা ব্যাংক, ডিসিসিআই ও জেবিসিসিআই এর পরিচালক কামরুল ইসলাম বলেন- আমাদেরকে সংবর্ধিত করার জন্য ক্যাম্পাসকে ধন্যবাদ জানাই; এর কর্ণধার ড. হেলালকে জানাই হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা। ক্যাম্পাস’র কার্যক্রম দেখে আমি অত্যন্ত আশাবাদী। তারা স্টাডি সেন্টার ভবন নির্মাণের যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা বাস্তবায়ন হলে দেশ ও সমাজের একটা বিশাল কাজ হবে। আমাদের ন্যায় একাউন্টিং এলামনাইরা ক্যাম্পাস’র এ প্রকল্প বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে। জাতীয় লেভেলেও এ ধরনের কল্যাণকর বড় প্রকল্প উপস্থাপন করা যেতে পারে।
সাইফুল ইসলাম এফসিএ
আইসিএবি’র সাবেক প্রেসিডেন্ট
ব্যাচ-৩ এর অনন্য সফল কর্মযোগী, উদারপ্রাণ সমাজসেবী; ন্যায়নিষ্ঠ, মানবতাবাদী ও দেশপ্রেমী ব্যক্তিত্ব মোঃ সাইফুল ইসলাম এফসিএ। তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চার্টার্ড একাউন্টটেন্ট, দেশের শীর্ষস্থানীয় সিএ ফার্মের ফাউন্ডার, একই সঙ্গে কয়েকটি ব্যাংকের পরিচালক, সাউথ এশিয়ান ফেডেরেশন অব একাউন্ট্যান্টস এর প্রেসিডেন্ট, কনফেডারেশন অব এশিয়ান অ্যান্ড প্যাসিফিক একাউন্ট্যান্টস এর প্রেসিডেন্ট; ইনস্টিটিউট অব কস্ট একাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ এর আন্তর্জাতিক কমিটির প্রেসিডেন্ট; বিটিসিএল, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্চ, বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্পসহ বহু প্রতিষ্ঠানের পরিচালক-উপদেষ্টা- নীতিনির্ধারণের শীর্ষ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন।
একাউন্টিং পরিবারের গর্ব সাইফুল ইসলামকে সম্মাননার জবাবে তিনি বলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তাল ছাত্র-জীবনের কথা মনে হলে হেলালের কথা মনে পড়ে যায়। ও সেই সময়েও সর্বক্ষণ ব্যস্ত থাকত ছাত্র-কল্যাণ ও সমাজ-সেবামূলক বিভিন্ন কাজ নিয়ে। আল্লাহ কিছু কিছু মানুষকে আলাদা বিশেষগুণ দিয়ে পাঠান, ড. হেলাল সেরকম একজন মানুষ। ও-ই আমাদের সম্মাননা পাওয়ার যোগ্য।
জনাব সাইফুল তাঁর তুখোড় বক্তৃতায় বলেন- ক্যাম্পাস এখন জাতীয় পর্যায়ের অত্যন্ত পরিচিত প্রতিষ্ঠান, যা দেশ ও দশের জন্য গুরুদায়িত্ব পালন করে আসছে। আমরা ক্যাম্পাস কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত হব, যাতে এ প্রতিষ্ঠান দেশ ও জাতি-জাগরণে আরো দ্রুত এগিয়ে যেতে পারে। আমরা যারা সমাজে ভালো পজিশনে আছি, তারা ক্যাম্পাসকে সহযোগিতার ক্ষেত্রে মুক্তমনে উদারভাবে এগিয়ে আসব। আসুন, ক্যাম্পাসকে আমরা আন্তরিকভাবে মূল্যায়ন করি। আমিও ক্যাম্পাসর স্টাডি সেন্টার প্রকল্পের জন্য ৫ লক্ষ টাকার অনুদান ঘোষণা করছি।
জনাব সাইফুল আরও বলেন- ক্যাম্পাসর ন্যায় আমিও কোনো অন্যায়ের সাথে, দুর্নীতির সাথে আপোশ করি না। প্রফেসর হারুন স্যারের মতো শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের নির্দেশনা, পরিচালনা আমাদেরকে এতদূর এনেছে। আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় স্যারদের কাছ থেকে যা শিখেছি, কর্মজীবনে তা প্রয়োগ করছি আস্থার সাথে।
শাহ মোহাম্মদ মঈনউদ্দিন
ডিএমডি, আইএফআইসি ব্যাংক
স্মার্ট-সুদক্ষ ও চৌকস পেশাদার ব্যাংকার ব্যক্তিত্ব, শীর্ষস্থানীয় ও প্রথম সারির বেসরকারি ব্যাংক আইএফআইসি ব্যাংকের ডিএমডি এন্ড হেড অব বিজনেস শাহ মোহাম্মদ মঈনউদ্দিন সম্মাননার জবাবে বলেন- সত্যিকার অর্থে ক্যাম্পাস দেশের কল্যাণে ও জনউন্নয়নে কাজ করছে। তাই ক্যাম্পাসকে সহযোগিতা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। আমরা ক্যাম্পাসকে কম্পিউটার দিয়ে সাহায্য করতে পারি। ক্যাম্পাসর নিজ অফিসের জন্য, ডায়নামিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণার্থীদের প্র্যাকটিকেল ট্রেনিংয়ের জন্য, ডিজিটাল কর্মীদের পুরস্কার হিসেবে প্রদানের জন্য এসব কম্পিউটার ব্যবহৃত হতে পারে।
মোঃ মোসাদ্দেক-উল-আলম
জিএম, জনতা ব্যাংক

ব্যাংক ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনায় অভিজ্ঞ ও চৌকস ব্যক্তিত্ব, ব্যাংকিং পেশায় কর্মদক্ষতার পাশাপাশি সমাজকর্ম ও জনসেবায় আত্মনিবেদিত, জনতা ব্যাংকের কোম্পানি সেক্রেটারি ও জেনারেল ম্যানেজার, ১৯৭৯ সালে এইচএসসিতে বাণিজ্য বিভাগের রাজশাহী বোর্ডে ৫ম স্থান অধিকারী মোঃ মোসাদ্দেক-উল-আলম।
সম্মাননার জবাবে তিনি বলেন, সন্ত্রাস-দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংগ্রাম এবং অবিরাম সংস্কার আন্দোলন করে হেলাল সমাজে ব্যতিক্রমী আদর্শ স্থাপন করেছে। আজকের অনুষ্ঠানে ক্যাম্পাসর বিভিন্ন কার্যক্রম দেখে মুগ্ধ ও উচ্ছ্বসিত হয়েছি। ক্যাম্পাস’র এ আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ। স্টাডি সেন্টার প্রতিষ্ঠার যে উদ্যোগ ক্যাম্পাস নিয়েছে, তা বাস্তবায়িত হলে ছাত্র-যুবকদের আধুনিক বিশ্বের উপযোগী করে গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবে। তাই এ সেন্টার বাস্তবায়নে আমাদেরকেও সহযোগিতা করতে হবে।
মোঃ তসলীমুল ইসলাম
বাংলাদেশ সরকারের যুগ্মসচিব

সরকারের প্রতিভাবান যুগ্মসচিব ও সাবেক সফল ও সুদক্ষ জেলা প্রশাসক, বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক, চৌকস-জ্ঞানপিপাসু ও কল্যাণব্রতী ব্যক্তিত্ব, গণমানুষের সেবাকে জীবনের ব্রত নিয়ে বিভিন্ন মহতী কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত মোঃ তসলীমুল ইসলাম।
সম্মাননার জবাবে তিনি বলেন, হেলাল আমাদের ব্যাচের সতীর্থ-সবাইকে প্রতিবছর বিভিন্ন উপলক্ষে একত্রিত করার দুঃসাধ্য কাজ সফলভাবে করে আসছে। আজ হেলাল আমাদেরকে সম্মাননা জানাচ্ছে, এটি তার উদারতা। আসলে হেলাল মানবকল্যাণে, দেশের উন্নয়নে যে কাজ করছে -তাতে তাকেই আমাদের সম্মাননা দেয়া উচিত। লক্ষ্মীপুর জেলায়ও সে অনেক সমাজ-সেবামূলক কাজ করেছে। আমি নিজেও আমার নিজ এলাকায় অনেকগুলো মানব কল্যাণমূলক কাজ করেছি। মানবসেবা না করলে জীবন বৃথা, ভালো কিছু না করলে মৃত্যুর সাথে সাথে মানুষ এবং সমাজ তাকে ভুলে যায়; সেই চিন্তা-চেতনা থেকে আমি সকল এলামনাইকে ক্যাম্পাস কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাই। এভাবে একাউন্টিংকে আমরা আরো উজ্জীবিত করতে পারি। ক্যাম্পাস’র সাথে সক্রিয় সহযোগিতা আমাদেরকে সে উজ্জীবনের পথে নিয়ে যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
নারায়ণ চন্দ্র দেবনাথ
বাংলাদেশ সরকারের যুগ্মসচিব

বাগ্মীবক্তা, উদারপ্রাণ ও দেশপ্রেমী, সরকারের চৌকস যুগ্মসচিব এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ এর পরিচালক নারায়ণ চন্দ্র দেবনাথ বলেন- আমরা সবসময় ক্যাম্পাসর সাথে থাকব। হেলাল আমাদের আদর্শ; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একাউন্টিংয়ে অনার্স ও মাস্টার্স পাস করার পর হেলাল নিজের জন্য অনেক কিছু করতে পারত। কিন্তু সে মানবসেবার আদর্শ থেকে কিংবা সমাজকল্যাণের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়নি। ধৈর্যসহকারে লেগে থাকার কারণে তার জীবনে সাফল্য এসেছে। দেশ ও জাতিকে হেলাল ভালো কিছু দিতে পারবে -এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত। হেলাল সাকসেসফুল মানুষদেরকে সংবর্ধনা-সম্মাননা দিয়ে মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম, মানবপ্রেম ও কল্যাণ মানসিকতা বৃদ্ধি করছে; প্রকৃতপক্ষে হেলালই আমাদের সংবর্ধনা পাওয়ার যোগ্য।
দেওয়ান ওয়াসিকুল আলম মিল্টন
এসোসিয়েশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট

একাউন্টিং এলামনাই এসোসিয়েশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট, সরব ও চৌকস এলামনাই, পারসোনা গ্রুপ এর সিইও দেওয়ান ওয়াসিকুল আলম মিল্টন বলেন- আজ ক্যাম্পাস পত্রিকা অফিসে সব বন্ধু একত্রিত হতে পেরেছি -এটা মহাআনন্দের বিষয়। ক্যাম্পাসর চিত্তাকর্ষক এ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। ভবিষ্যতেও এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি। তিনি বলেন, ক্যাম্পাস স্টাডি সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হলে দেশ ও সমাজ উপকৃত হবে। অনেক খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানে আমাদের বন্ধুরা ভালো পজিশনে আছেন, ক্যাম্পাস স্টাডি সেন্টার গড়ে তোলার ব্যাপারে তারা সবাই এগিয়ে আসবেন বলে বিশ্বাস। ক্যাম্পাস’র কার্যক্রম বিশেষত স্টাডি সেন্টার প্রকল্পের রূপরেখা থেকে জ্ঞানলাভের এবং বড় চিন্তার খোরাক আছে।
শীষ হায়দার চৌধুরী
এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক

এসোসিয়েশনের জেনারেল সেক্রেটারি, সরকারের উপসচিব, বর্ণিল গুণাবলির কর্মযোগী ব্যক্তিত্ব শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন- সর্বক্ষেত্রেই ক্যাম্পাসর উপস্থাপনা খুবই চমৎকার, অতুলনীয়। আমাদের সবাইকে মনে রাখতে হবে- একাউন্টিং এলামনাই ভবন নিয়ে আমাদের যেমন চিন্তা রয়েছে, অনুরূপভাবে ক্যাম্পাস স্টাডি সেন্টার নিয়েও আমরা কাজ করব। কিন্তু গতানুগতিকভাবে করলে হবে না। ক্যাম্পাসর ডায়নামিক পরিকল্পনা আছে, গঠনমূলক স্বপ্ন আছে -যা বাস্তবায়নযোগ্য। ক্যাম্পাসর সবকিছুই অনন্য। ক্যাম্পাস আজ আমাদেরকে যে হৃদয়গ্রাহী অভিজ্ঞতা দিয়েছে, তজ্জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
হারুন-অর-রশীদ হাওলাদার
পরিচালক, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক
একাউন্টিং এলামনাই এসোসিয়েশনের নির্বাহী সদস্য, সরকারের পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের পরিচালক, উদারপ্রাণ ও দূরদর্শী চিন্তার ডায়নামিক ব্যক্তিত্ব হারুন-অর-রশীদ হাওলাদার বলেন- ক্যাম্পাসর আজকের আয়োজন অত্যন্ত আন্তরিকতাপূর্ণ, অভিজ্ঞতাপূর্ণ ও আনন্দে ভরপুর। চিত্তাকর্ষক এরূপ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদেরকে সংবর্ধিত করার জন্য ক্যাম্পাস পরিবারকে ধন্যবাদ। আমরা একাউন্টিং এলামনাইরা ক্যাম্পাসর সাথে একাত্ম হতে চাই, ক্যাম্পাস কার্যক্রমে যুক্ত হতে চাই। আমি ৫০,০০০ টাকায় ক্যাম্পাসর আজীবন সদস্য হলাম এবং এলামনাইগণকেও ক্যাম্পাসর অভিভাবক সদস্য হওয়ার আহ্বান জানাই।
সলিম উল্লাহ বাহাদুর এফসিএ
সিএফও, গ্রামীণ নিটওয়্যার

একাউন্টিং এলামনাইয়ের কার্যনির্বাহী সদস্য, গ্রামীণ নিটওয়্যার লিঃ এর সিএফও এবং কোম্পানি সেক্রেটারি, উদারপ্রাণ ও Polished Personality সলিম উল্লাহ বাহাদুর বলেন- এলামনাই এসোসিয়েশনের কার্যকরী পরিষদের সদস্যদের যে সংবর্ধনা ক্যাম্পাস দিয়েছে, তা অনেক বেশি আন্তরিক ও প্রাণস্পর্শী। মাল্টিডায়মেনশনাল প্রতিষ্ঠান ক্যাম্পাস’র সাথে বিভিন্ন কর্মসূচিতে একাউন্টিং এলামনাই এসোসিয়েশন সহজ-স্বচ্ছন্দে কাজ করলে জাতীয় পর্যায়ে আমাদের এ এসোসিয়েশনের পরিচয় ও গুরুত্ব দ্রুত বেড়ে যাবে বলে আমার বিশ্বাস।
মোঃ হাবিবুর মোরসালীন জামী
ইভিপি, ইউসিবিএল

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস-প্রেসিডেন্ট, বন্ধুবৎসল সংগঠক, উদারপ্রাণ ও নিষ্ঠাবান সমাজসেবী মোঃ হাবিবুর মোরসালীন জামী বলেন, একাউন্টিং এলামনাইদের জন্য অতীতেও ক্যাম্পাস’র আয়োজন ছিল মনোমুগ্ধকর; আর আজকের আয়োজনেতো নতুন মাত্রা রয়েছেই। ক্যাম্পাস-কর্মসূচি সচেতন সব মানুষকে সহজে আকর্ষণ করে। দেশ ও মানুষের কল্যাণে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে আমরা ক্যাম্পাস-কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করব।
ড. এম হেলাল
মহাসচিব, ক্যাম্পাস সমাজ উন্নয়ন কেন্দ্র
সম্পাদক, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা

অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক এবং সিএসডিসির মহাসচিব ড. এম হেলাল বলেন, ক্যাম্পাস স্বচ্ছতা- জবাবদিহি- সুশাসনের একাউন্টিং নীতিমালা অনুসরণ করে চলে এবং সমাজের সর্বক্ষেত্রে স্বচ্ছতা- জবাবদিহি- সুশাসন-সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও সুবিচার প্রতিষ্ঠায় বহুমুখী কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ক্যাম্পাস বিশ্বাস করে, ব্যক্তি-সমাজ ও জাতীয় জীবনে Accounting Philosophy বাস্তবায়ন করলে দেশ ও জাতিতে প্রতিষ্ঠিত হবে সুশাসন। তাই আসুন, সর্বক্ষেত্রে একাউন্টিংয়ের নীতি-দর্শন বাস্তবায়নের চিন্তা ও মনন নিয়ে দেশ ও জাতির উন্নয়ন-প্রগতিতে অবদান রাখায় প্রত্যয়ী হই; ব্যক্তি-সমাজ ও জাতীয় জীবনে গড়ে তুলি স্বচ্ছতা-জবাবদিহি ও সুশাসন, প্রতিষ্ঠা করি জ্ঞানভিত্তিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ এবং অত্যাধুনিক বাংলাদেশ।
কারণ আমরা যারা হিসাব বিজ্ঞান অধ্যয়ন করেছি, তারা নিজ নিজ অঙ্গনে যদি Accounting Philosophy এর বাস্তবায়ন না করি এবং রাজনীতিক ও রাষ্ট্রনায়কগণকে Accountability চর্চায় উদ্বুদ্ধকরণে ভূমিকা না রাখি, তাহলে আমাদের পঠন পূর্ণ হয় কী করে? আমরা প্রত্যেকে অন্যের অধিকারের প্রতি সচেতন থাকব, নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্যে হব জবাবদিহি, সর্বক্ষেত্রে থাকব স্বচ্ছ, দেশ ও জাতিতে প্রতিষ্ঠা করব সুশাসন। কেবল তাহলেই আলমা মার্টার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিংয়ে আমাদের পঠন ও অধ্যয়ন সার্থক ও সমার্থক হবে। সত্য-ন্যায় ও স্বর্গীয় সুন্দরের এরূপ মহানন্দের জগতে সবাইকে স্বাগত।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ