বিশেষ খবর

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আধুনিক চর্চা ও চিকিৎসা, Be Your Own Doctor-৩ । পর্ব-২

ক্যাম্পাস ডেস্ক বিশেষ নিবন্ধ

॥ পূর্ব প্রকাশিতের পর -২ ॥

স্ট্রোক সারাতে ভেষজ
জিংকো বিলোবা নামে একটি গাছের ভেষজ নির্যাস স্ট্র্রোক আক্রান্ত রোগীর মস্তিষ্ক আবার কার্যক্ষম করে তুলতে সাহায্য করতে পারে। এক গবেষণায় এ দাবি করা হচ্ছে। চীনে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এবং অবসাদের চিকিৎসায় এই ভেষজ ওষুধ ব্যবহার করা হয়।
গবেষকরা জানান- চীনে ৩৩০ জন স্ট্রোক রোগীর ওপর ৬ মাস ধরে পরীক্ষামূলক চিকিৎসা চালিয়ে তারা দেখেছেন, অসুখের পর যাদের এই ওষুধ দেয়া হয়েছে, তাদের মস্তিষ্ক ভালো কাজ করতে পারছে। স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই ওই ৩৩০ জন রোগীকে এই ওষুধ খাওয়ানো হয় এবং রোগীদের গড় বয়স ছিল ৬৪। তাদের মধ্যে অর্ধেক রোগীকে এসপিরিন ট্যাবলেটের পাশাপাশি প্রতিদিন জিংকো বিলোবা দেয়া হয় আর বাকি অর্ধেককে শুধু এসপিরিন ট্যাবলেট খাওয়ানো হয়।
স্ট্রোকের সময় মস্তিষ্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোতে রক্তের সরবরাহ ঠিকমতো হয় না, যার ফলে স্মৃতি নষ্ট হয় এবং স্ট্রোক থেকে সেরে ওঠা রোগীদের গুছিয়ে ভাবা বা সঠিকভাবে সব কাজ করার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। গবেষকদের উদ্দেশ্য ছিল এটা দেখা যে- এসপিরিন বড়ির সঙ্গে জিংকো বিলোবা খাওয়ালে স্ট্রোকে আক্রান্ত মস্তিষ্কের ক্ষতি সামলে ওঠা সম্ভব হয় কিনা।
গবেষণায় আরো দেখা গেছে, জিংকো বিলোবা খাওয়ার পর রোগী কথা বলার জড়তা দ্রুত কাটিয়ে উঠতে এবং পেশির শক্তি অনেক দ্রুত ফিরে পেতে সক্ষম হয়েছে।

নিরামিষভোজীদের ৫ দারুণ অভ্যাস
প্রধান খাবার নিরামিষঃ প্রতিদিন আপনার খাদ্য তালিকার মূল উপাদানে নিরামিষ রাখার চেষ্টা করুন। এমনকি মনে-প্রাণে এটাকেই প্রধান খাবার বলে মেনে নিন। যেমন চিকেন উইথ ভেজিটেবল না বলে ভেজিটেবল উইথ চিকেন বলার চেষ্টা করুন। সব্জিকে আসল পদ বানিয়ে এর পাশাপাশি অন্যান্য খাবার মেনুতে নিন। প্রতিদিন প্লেটে একটি সব্জি মানে হৃদরোগের শঙ্কা ১১ শতাংশ কমে যাওয়া। তাই লাঞ্চ বা ডিনারে সব্জিতো থাকছেই, সঙ্গে হালকা প্রোটিন বা ফ্যাটের জন্যে আর কী কী খাবেন তা ঠিক করে নিন।
মাংস নয়, উদ্ভিজ্জ ফ্যাটঃ মাংস, পনির বা মাখন থেকে আমরা ডেইরিভিত্তিক ফ্যাট খেয়ে থাকি। খাদ্যের এই উপাদান গ্রহণে উদ্ভিদনির্ভর হয়ে যান। অলিভ অয়েল বা এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল ও বালসামিক ভিনেগারে রান্না করা সব্জি গ্রহণ করুন। উদ্ভিজ্জ ফ্যাট দেহের ওজন কমায় এবং আপনাকে সুস্থ রাখে। ত্বকে বয়সের ছাপ পড়াকে বিলম্বিত করে। প্রদাহজনিত সমস্যা থেকেও বাঁচিয়ে দেয়।
প্রোটিনের উৎস শুধু ডালঃ নানারকম ডাল, মটরশুঁটি বা শিমজাতীয় উদ্ভিদের বীচি প্রোটিনে পূর্ণ থাকে। এই প্রোটিন দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ করে এবং পেটে চর্বি জমতে দেয় না। হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও কমায়। ডালজাতীয় উদ্ভিদ থেকে পাওয়া প্রোটিনে বিশেষ ফাইবার রয়েছে, যা রক্তের গ্লুুকোজ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। এতে রয়েছে রেজিস্ট্যান্স স্টার্চ, যা সামান্য পরিমাণ ক্যালরি দেয়। দেহে এন্টি-অক্সিডেন্টের মাত্রা বাড়াতেও ডালের প্রোটিনের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
জাংক ফুড হোক নিরামিষপূর্ণঃ অনেকেই জাংক ফুডের ভক্ত। ওজন বাড়াতে এই অস্বাস্থ্যকর খাবারের জুড়ি নেই। কিন্তু জাংক ফুডকেও স্বাস্থ্যকর করে নিতে পারেন যদি রেসিপিতে সব্জি বেছে নেন। স্ন্যাকস খাওয়ার ইচ্ছা হলেই তাজা ফল, সবুজ সব্জি, বাদামজাতীয় খাবার ও বীজ থেকে তৈরি মাখন ইত্যাদি বেছে নিন। আলমন্ড বা নারকেলের দুধের মতো উদ্ভিজ্জ দুধ চেখে দেখুন। চকোলেটও খেতে পারেন যদি মিল্ক চকোলেট ছেড়ে ডার্ক চকোলেটের দিকে ঝুঁকতে পারেন।
ডেজার্টেও সবুজের প্রয়োগঃ আধুনিক শেফরা ডেজার্ট তৈরিতে নানা উদ্ভিজ্জ উপাদান যোগ করছেন এবং দারুণ স্বাদের সব রেসিপি দিচ্ছেন। ডেজার্টের জন্য তারা ডার্ক চকোলেট, টমেটো বা মাশরুম ব্যবহার করছেন। সৃষ্টিশীল রেসিপির মাধ্যমে তৃপ্তি আনছে সব্জি দিয়ে তৈরি ডেজার্ট।


পাতাকপির উপকারিতা
-পাকস্থলি ও অন্ত্রকে পরিষ্কার রাখে।
-শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে উজ্জীবিত করে।
-এন্টি-ব্যাকটেরিয়া এবং এন্টি-ভাইরাস হিসেবে কাজ করে।
-এন্টি-ক্যান্সার, এন্টি-অক্সিডেন্ট।
-মাংসপেশীকে শক্ত করে।
-ব্লাডকে পরিশোধন করে।
-এন্টি ফাঙ্গাস হিসেবে কাজ করে।
-চোখের দৃষ্টিশক্তি তীক্ষ করে।
-আয়রন ও সালফার সমৃদ্ধ।

রঙিন ফল-সব্জির উপকারিতা
স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পেঁয়াজ, টমেটোর মতো সব্জি যেমন খাওয়া প্রয়োজন- তেমন লেবু, আপেলের মতো ফলও খেতে হবে। সব চিকিৎসক, ডায়েটিশিয়ানরাই এই কথাগুলো বলে থাকেন। কারণ সব রঙের খাবারেরই রয়েছে নিজস্ব গুণ।
হলুদ ও কমলাঃ গাজর, কুমড়ো, হলুদ ক্যাপসিকাম, ভূট্টার মধ্যে প্রচুর পরিমাণ বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ, সি ও শক্তিশালী এন্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে।
সবুজঃ লেটুস, পালং শাক, শশা, পার্সলে, লেবু, বাঁধাকপিতে থাকা ফাইটোকেমিক্যাল শরীরে ফাইবারের ঘাটতি মেটায়। এসবের পটাশিয়াম হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে।
নীল ও বেগুনিঃ এই রঙের ফল, সব্জিই সবচেয়ে উপকারী যা অনেক সময়ই গুরুত্ব দেয়া হয় না। এর মধ্যে থাকে এন্থোসিয়ানিন নামক ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট, যা শরীরের পক্ষে অত্যন্ত উপকারী। কালো আঙুর, পাম, বেগুন অবশ্যই খান।
লালঃ লাল ফল বা সব্জির মধ্যে শক্তিশালী এন্টি-অক্সিডেন্ট রেজভেরেট্রল থাকে। তরমুজ বা টমেটোর মধ্যে থাকে লাইকোপেন যা শরীরের পক্ষে অত্যন্ত উপকারী। লাল ক্যাপসিকাম, বেদানা, লাল পেঁয়াজ অত্যন্ত উপকারী।
সাদাঃ সাদা খাবারে প্রিবায়োটিক থাকায় শরীরে ভালো ব্যাকটেরিয়া ও ইস্টের খেয়াল রাখে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ও রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে ফুলকপি, পেঁয়াজ, রসুন, মুলোর মতো সাদা সব্জি।

ফল নাকি ফলের রস
রোগবালাই, জ্বরজারি, দুর্বলতা? ভাবছেন শক্তি বাড়াতে, ভিটামিন পেতে হলে বেশি করে ফলের রস খাওয়া দরকার। গোটা বা আস্ত ফল খাওয়ার চেয়ে রস করে খেতে ঝক্কি কম, আরাম। বিশেষ করে শিশুদের খাওয়ানো সহজ। কিন্তু ফল খাওয়া ভালো নাকি ফলের রস?
প্রথমেই বলতে হয় ফলের খোসার কথা। ফলের খোসায় সূর্যের আলো পড়লে নানা রং তৈরি হয়। এই রঙিন খোসায় প্রচুর পরিমাণে ক্যারোটিন ও ফ্যাভনয়েড থাকে, যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। আপেল, স্ট্রবেরি, কমলা ইত্যাদি রঙিন ফলের খোসায় থাকে প্রচুর ভিটামিন। গোটা ফল খাওয়ার সময় আমরা এগুলো খোসাসহ খাই। কিন্তু রস তৈরি করলে খোসা ছাড়িয়ে নেয়া হয়। ফলে খোসার এসব গুরুত্বপূর্ণ উপাদান থেকে বঞ্চিত হই। দ্বিতীয়ত, ফলমূলে রয়েছে প্রচুর আঁশ বা ফাইবার; যা অন্ত্রের জন্য ভালো, উপকারী হৃদযন্ত্রের জন্যও। কিন্তু আমরা সাধারণত ফলের রসটা ছেঁকে নিয়ে শাঁস বা আঁশগুলো ফেলে দিই। তাই আঁশের পরিমাণ পাই কম। উপকারও অনেক কমে যায়।
ফলে এমনিতেই প্রাকৃতিক চিনির উপস্থিতি থাকে। রস তৈরির সময় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কিছু চিনি দেয়া হয়। তাই শরীরে প্রবেশ করে প্রয়োজনের অতিরিক্ত চিনি। এই অতিরিক্ত চিনি কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়ায়। দেহে মেদ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এছাড়া উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, স্ট্রোক ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকিতো আছেই। ফলের রসে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকিও বেশি। ফল তার খোসার ভেতরে থাকলে বেশ কিছুদিন পর্যন্ত জীবাণুমুক্ত থাকে। কিন্তু ফলের রস তৈরি করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জীবাণুর আক্রমণ ঘটে। তাই সঠিকভাবে সংরক্ষণ জরুরি হয়ে পড়ে। তবে যারা আস্ত ফল খেতে না পারেন, তারা রস খেতে পারেন। কিন্তু তা চিনি বা কৃত্রিম রংমুক্ত হলে ভালো হয়।
শিশুদের জন্য আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়েট্রিকসের নির্দেশনা অনুযায়ী ডায়রিয়া বা পানিশূন্যতা দূর করতে ফলের রস খাওয়া ঠিক নয়। ১ থেকে ৬ বছর বয়সী শিশুদের দিনে ৪ থেকে ৬ আউন্স এবং ৭ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিশুদের ৮ থেকে ১২ আউন্সের বেশি ফলের রস দেয়া যাবে না। বেশি রস খেলে বাচ্চাদের ডায়রিয়া, পেট ফাঁপা, পেটে ব্যথা, দাঁতের মাড়ি ক্ষয় হয়ে যাওয়া ইত্যাদি হতে পারে। আর ছোট্ট শিশুদের ফলের রস অবশ্যই ফিডারে বা বোতলে নয়, দিতে হবে বাটি-চামচ ব্যবহার করে।

হার্টের রোগে আমলকী
আমাদের দেশীয় ফল আমলকী। আকারে ছোট আর দামে সস্তা এই ফল পুষ্টিগুণে ভরপুর। আমলকীর ফল, পাতা ও ছাল ছোট শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ সবার জন্য উপকারী।
শরীরে ভিটামিন সি এর অভাব মেটাতে আমলকীর জুড়ি নেই। ভিটামিন সি এর অভাবে যেসব রোগ হয় যেমন স্কার্ভি, মেয়েদের লিউকরিয়া, অর্শ প্রভৃতি ক্ষেত্রে আমলকী খেলে উপকার পাওয়া যায়। আমলকী খেলে চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে। এছাড়া লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে দাঁত ও নখ ভালো রাখে।
হার্টের রোগীর জন্য নিয়মিত আমলকী খাওয়া খুবই উপকারী। হার্টের রোগীরা আমলকী খেলে ধরফরানি কমবে। টাটকা আমলকী খেলে তৃষ্ণা মেটে, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া বন্ধ করে, পেট পরিষ্কার করে। আমলকী খেলে মুখে রুচি বাড়ে। এছাড়া আমলকী ক্ষুধা বাড়ায় ও শরীর ঠান্ডা রাখে। এছাড়া পেটের পীড়া, সর্দি, কাশির জন্যও খুবই উপকারী। পিত্ত সংক্রান্ত যেকোনো রোগে সামান্য মধু মিশিয়ে আমলকী খেলে উপকার হয়। বারবার বমি হলে শুকনো আমলকী এক কাপ পানিতে ভিজিয়ে ঘণ্টা দুই পর সেই পানিতে একটু শ্বেত চন্দন ও চিনি মিশিয়ে খেলে বমি বন্ধ হয়।
আমলকী ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। নিয়মিত আমলকী খেলে ব্রণের দাগ দূর করে, সেই সঙ্গে দেয় সতেজ ও মসৃণ ত্বক। কাঁচা আমলকী বেটে চুলে লাগালে চুলের গোড়া শক্ত হয়, সেই সঙ্গে অকাল পক্বতা দূর হয়। এছাড়া চুল ঝরঝরে থাকে এবং চুলের রং কালো হয়। আমলকী বেটে নারিকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে নিয়মিত ব্যবহার করলে রাতে ভালো ঘুম হয় ও মাথা ঠান্ডা থাকে। রাতে আমলকীর সঙ্গে বহেরা ও হরীতকী মিশিয়ে পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে খালি পেটে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তিন থেকে চার গ্রাম শুকনো আমলকীর গুঁড়া এক চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে এক সপ্তাহ খেলে বহুমূত্র রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
আমলকী বেটে তার সঙ্গে সাদা চন্দন ভালোভাবে মিশিয়ে কপালে ম্যাসেজ করলে মাথাব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ৪-৫ গ্রাম আমলকী পাতার রসের সঙ্গে পরিমাণমতো চিনি মিশিয়ে এক মাস খেলে চিরতরে অম্লরোগ ভালো হয়ে যায়।
আমলকীতে রয়েছে আশ্চর্য সব ভেষজ গুণ। ত্বক, চুল ও চোখের যতœ থেকে শুরু করে ক্যান্সারের মতো রোগ প্রতিরোধেও ক্ষুদ্র আকৃতির এই ফল রাখতে পারে বিরাট ভূমিকা। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ আমলকীতে রয়েছে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসের ক্ষমতা। আমলকীর ফাইটো-কেমিক্যাল চোখের জন্য উপকারী। হজম ও দেহের চর্বি কমাতেও সাহায্য করে আমলকী।
আমলকী সাধারণত কাঁচা চিবিয়ে খাওয়া হয়। টক ও কষটে স্বাদের কারণে অনেকের কাছে আমলকী খেতে ভালো লাগে না। তারা চাইলে উপকারী এই ফল খেতে পারেন ভিন্ন উপায়েও।
অন্য অনেক ফলের মতো আমলকীও ব্লেন্ডার দিয়ে জুস বানিয়ে খাওয়া যায়। কুচি করে কেটে সামান্য পানি দিয়ে ব্লেন্ড করে সহজেই বানানো যায় আমলকীর জুস। কষটে স্বাদ দূর করার জন্য মেশাতে পারেন চিনি বা মধু।
লবণ আর লবণের রস মেখে রোদে শুকিয়েও খাওয়া যায় আমলকী। হজমের ঝামেলা পরিত্রাণের জন্য ভাতের সঙ্গে খেতে পারেন আচার বা চাটনি বানিয়ে।
যদিও এখন বছর জুড়েই আমলকী কিনতে পাওয়া যায়। তবে বছর জুড়ে ঘরেও সংরক্ষণ করে রাখা যায় ভেষজ এই ফল। মাঝারি আকারে কেটে মিনিট তিনেক পানিতে ফুটিয়ে নেয়ার পর লবণ, আদা কুচি, লেবুর রস ও সরিষার তেল মেখে রোদে শুকিয়ে সারাবছর সংরক্ষণ করা যায় আমলকী।
আমলকী খাওয়া যায় গুঁড়া করেও। সেজন্য আমলকী টুকরো করে শুকিয়ে নিতে হবে। পরে শুকনো টুকরা গুঁড়া করে বয়ামে রেখে খেতে পারবেন সারাবছর। এর সঙ্গে যুক্ত করে নিতে পারেন মধু ও মাখন। পানিতে চিনির সঙ্গে আমলকীর গুঁড়া মিশিয়ে খেতেও মন্দ লাগবে না। -চলবে

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আধুনিক চর্চা ও চিকিৎসা, Be Your Own Doctor-৩ বইটির
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ২৮৮, মূল্যঃ ২৮০ টাকা
প্রাপ্তিস্থানঃ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা অফিস
৩৩ তোপখানা রোড, ১৩ তলা, ঢাকা।
ফোনঃ ৯৫৫০০৫৫, ৯৫৬০২২৫


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ