বিশেষ খবর

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আধুনিক চর্চা ও চিকিৎসা, Be Your Own Doctor-৩ । পর্ব-১

ক্যাম্পাস ডেস্ক বিশেষ নিবন্ধ

অধ্যায় ১

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় যেসব শাক-সব্জি
শাক-সব্জিতে রয়েছে নানা এন্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ; যা মানবদেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।
ফুলকপি-বাঁধাকপিঃ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী সব্জির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বাঁধাকপি, ফুলকপি ও ব্রকোলি। এছাড়া সরিষার পাতাও একই শ্রেণিভুক্ত। এসবে রয়েছে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী উপাদান। তবে রোগ হওয়ার পর হঠাৎ করে এসব খাবার খেয়ে রোগ নিরাময়ের আশা করা ঠিক হবে না। দৈনন্দিন খাবারের তালিকায় এ ধরনের শাক-সব্জি রাখলে তা দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ও নিরাময়ে ভূমিকা রাখবে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।
রসুনঃ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে রসুন অত্যন্ত কার্যকর। এতে রয়েছে এলুসিন নামে একটি উপাদান, যা দেহের কোষগুলোকে বাইরের বিপদ থেকে নিরাপদ রাখতে সহায়তা করে। এতে বিভিন্ন ক্রনিক রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া সহজ হয়। প্রাকৃতিক এন্টিবায়োটিক হিসেবেও এটি কাজ করে।
পেঁয়াজঃ পেঁয়াজে রয়েছে কোয়ার্সেটিন নামে শক্তিশালী একটি এন্টিঅক্সিডেন্ট। এটি ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। লাল বা গোলাপি পেঁয়াজে রয়েছে এন্টিওসিয়ানিন নামে আরেকটি এন্টিঅক্সিডেন্ট। এছাড়া পেঁয়াজে বহু উপাদান রয়েছে, যা হৃদরোগ ও রক্তচাপসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমায়।
মাশরুমঃ মাশরুমের উপাদান দেহের জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার কাজে নিয়োজিত ‘টি’ কোষের কার্যমতা বৃদ্ধি করে। এটি ভাইরাস আক্রান্ত কোষ দূর করে। স্তন ক্যান্সারসহ বেশিরভাগ ক্যান্সারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ মতা গড়ে তুলতে সহায়তা করে মাশরুম।
টমেটোঃ লাইকোপেন নামে একটি ক্যান্সার প্রতিরোধী উপাদানের সবচেয়ে বড় উৎস হলো টমেটো। এটি প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর। এছাড়া এতে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন নামের এন্টিঅক্সিডেন্ট, যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।
বিটমূলঃ লাল রঙের বিটমূলে রয়েছে প্রচুর আয়রন। এটি দেহের রোগ প্রতিরোধের অন্যতম উপাদান শ্বেতকণিকা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। রক্ত পরিশোধন ও রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়াতেও বিটমূল ভূমিকা রাখে। এছাড়া এটি দেহের ক্যান্সারের জন্য দায়ী দূষিত পদার্থ দূর করতে সহায়তা করে।
পালং শাকঃ পালং শাকে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন, যা দেহে প্রচুর ভিটামিন এ তৈরি করে। এতে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এছাড়া বিভিন্ন খনিজ উপাদান ও ভিটামিন রয়েছে পালং শাকে। মিষ্টি আলুঃ সাধারণ আলুর তুলনায় কিছুটা লালাভ মিষ্টি আলু দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অনেক কার্যকর। এতে রয়েছে নানা এন্টিঅক্সিডেন্ট ও ক্যান্সার প্রতিরোধী উপাদান। এতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার ও ভিটামিন ই, যা ত্বকের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধেও কার্যকর।

তিনবেলার সুষম খাবার
সুস্থ থাকার প্রধান নিয়ামক সুষম খাবার। খাবারে শর্করা, আমিষ, চর্বি, ভিটামিন ও খনিজ লবণ পরিমাণমতো থাকলে সেই খাবারকে সুষম খাবার বলা হয়। খাবার শুধু সুষম হলেই চলবে না, খেতে হবে সময়মতো। দিনে তিনবার -সকাল, দুপুর ও রাতে পরিমাণমতো খাবার খেতে হবে।
সকালের খাবারঃ দিনের ভালো শুরুর জন্য সকালের খাবার খুব গুরুত্বপূর্ণ। সারা রাত ঘুমিয়ে থাকার পর সকালে পাকস্থলী খালি থাকে। ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে তাই খাবার খেতে হবে। খালি পেটে থাকা যাবে না। সবার খাদ্যাভ্যাস একরকম নয়। সকালে ভাত খায় অনেকে। এতে শর্করার প্রয়োজন পূরণ হয়। রুটি, পরোটা, খিচুড়ি, পাউরুটি কিংবা মুড়িও খাওয়া যায়। আমিষের জন্য সঙ্গে ডিম, ডাল, এক থেকে দুই টুকরা মাংস ও সব্জি খেতে হবে।
দুপুরের খাবারঃ সকালের খাবার ৮টার মধ্যে খেয়ে নিলে দুপুরের খাবার ২টার মধ্যে খেয়ে নেয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। দুপুরে এক কাপ ভাত কিংবা রুটির সঙ্গে ডাল, ডিম কিংবা এক থেকে দুই টুকরা মাছ অথবা মাংস ও সব্জি খেতে হবে। এতেই শরীরের পুষ্টি চাহিদা পূরণ হয়ে যাবে।
রাতের খাবারঃ রাতে অনেকের মধ্যে খাবার কম খাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। এটা আদৌ ঠিক নয়। রাত ৮টার মধ্যে রাতের খাবার খেতে হবে। রাতের খাবারে এক কাপ ভাত কিংবা রুটির সঙ্গে ডাল, ডিম কিংবা এক থেকে দুই টুকরা মাছ অথবা মাংস ও সব্জি খেতে হবে। অনেকেই মাছ কিংবা মাংস খেতে চান না। এই অভ্যাস থেকে সরে আসতে হবে। দিনের পর দিন মাছ-মাংস থেকে দূরে থাকলে রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যায়। শরীরে শক্তি কমতে শুরু করে। এজন্য নিয়মিত প্রাণিজ প্রোটিন খেতে হবে।
সারা দিনে কতটুকু পানিঃ আমাদের শরীরের সিংহভাগই পানি। শরীরের জন্য পানি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সারা দিনে দুই থেকে আড়াই লিটার পানি পান করা প্রয়োজন। এর বেশি পানি পান করলে অবশ্য তা শরীরের কোনো উপকারে আসে না। গরমের দিনে শরীর থেকে পানি বেশি বের হয়ে যায়। তাই এ সময় সারা দিনে তিন লিটার পানি পান করলেই প্রয়োজন মিটে যাবে।
মধ্য-সকাল ও বিকেলের খাবারঃ শুধু এই তিনবেলা খাবার খেলেই চলবে না। এর ফাঁকে মধ্য সকালে অর্থাৎ সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে ও বিকেলে হালকা নাস্তা করা শরীরের জন্য জরুরি। চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, প্রতি ৩ ঘণ্টা পরপর কিছু খেয়ে নেয়া ভালো। কারণ খাবার খাওয়ার ৩ ঘণ্টার মধ্যে হজম হয়ে যায়। এরপর পাকস্থলী খালি হয়ে যায় এবং গ্যাস জমতে শুরু করে। এজন্য মধ্য সকাল ও বিকেলের নাস্তা খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

শতায়ু দিতে পারে যে ৬টি খাবার
বিজ্ঞানীদের মতে, দীর্ঘায়ু লাভের সবচেয়ে বড় সহায়ক হতে পারে সঠিক পুষ্টিমানের খাবার। তাছাড়া কিছু মানুষ জিনগতভাবেই অনেক দিন বেঁচে থাকার সৌভাগ্য অর্জন করে। এর সাথে স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের বিষয়তো রয়েছেই। বহু খাবারের পুষ্টিগুণ বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা বেশ কিছু খাদ্য চিহ্নিত করেছেন, যেগুলো মানুষকে শতায়ু দিতে পারে।
এসপারাগাসঃ সুস্বাদু ও দারুণ উপকারী সব্জি। প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি ১২ এবং পটাশিয়াম রয়েছে। গোটা দেহের অতি গুরুত্বপূর্ণ কোষের ক্ষয় সারাতে ভালো কাজ করে এসপারাগাস।
বিনঃ বরবটি, শিম, মটরশুঁটিতে প্রোটিন থাকে। এসব উদ্ভিজ্জ প্রোটিন হৃদযন্ত্রের সুস্থতা ধরে রাখে। এতে হালকা ফ্যাট এবং উচ্চমাত্রার আঁশ রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার এক গবেষণায় বলা হয়- যেসব মানুষ নিয়মিত বিন খান, তারা দীর্ঘদিন বাঁচেন।
বেরিঃ আঙ্গুর, স্ট্রবেরি ইত্যাদি বেরি জাতীয় ফলে শক্তিশালী এন্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করতে দারুণ কাজ করে এগুলো।
ডার্ক চকোলেটঃ ডার্ক চকোলেট বহুগুণে গুণান্বিত। প্রতিদিন কয়েক কামড় চকোলেট হার্ট এটাকের ঝুঁকি ৬০ শতাংশ কমিয়ে দেয়।
রসুনঃ এটি বহু রোগের ওষুধ হিসেবে বিবেচিত। এতে রয়েছে এলুসিন, যা হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম সুষ্ঠু রাখে।
গ্রিন টিঃ গ্রিন টি এর এন্টিঅক্সিডেন্ট কয়েক ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধে দারুণ কার্যকর। সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি ত্বকে যে ক্ষতিসাধন করে, গ্রিন টি তা আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনে বলে মনে করেন গবেষকরা।

স্মার্ট হয়ে উঠতে ৫ খাবার
মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ও স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে যে খাবারগুলো, তা নিম্নরূপ।
তৈলাক্ত মাছঃ এখন অনেকেই খাবার-দাবারে শর্টকাট করতে চান। এ কারণে মাছের মতো কাঁটাযুক্ত খাবার, যা কিছুটা সময় ও মনোযোগের সঙ্গে খেতে হয়, এগুলো খাদ্য তালিকা থেকে চলে যাচ্ছে। আপনার যদি স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর ইচ্ছে থাকে তাহলে তৈলাক্ত বা চর্বিযুক্ত মাছই হওয়া উচিত প্রথম পছন্দ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চর্বিযুক্ত মাছে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড।
পাতাযুক্ত শাক-সব্জিঃ সব্জি খেতে অনেকেই অনীহা প্রকাশ করে। বিশেষ করে শিশুরা এটা খেতে চায় না। কিন্তু সবুজ শাক-সব্জিতে রয়েছে বহু ধরনের পুষ্টিগুণ; যা মস্তিষ্কের জন্যও অত্যন্ত দরকারি। পালং শাক ও এই ধরনের অন্যান্য শাকে রয়েছে এন্টিঅক্সিডেন্ট। এছাড়া রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি ও বিটা ক্যারোটিন। আর এগুলোতে রয়েছে ফোলেট নামে একটি উপাদান। এটি মস্তিষ্কে কোনো তথ্য গ্রহণ ও তা প্রক্রিয়াজাত করার গতি উন্নত করতে সহায়তা করে।
ডিমঃ ডিমে রয়েছে পরিপূর্ণ মিনারেল ও ভিটামিন। এতে রয়েছে প্রচুর আয়রন, আয়োডিন ও ভিটামিন বি ১২। আয়রন রক্তের লোহিত কণা তৈরিতে সহায়তা করে। এটি মস্তিষ্কে অক্সিজেন বহন করে নিয়ে যায়। আর অক্সিজেন মস্তিষ্ক উদ্দীপ্ত ও কর্মম রাখে।
গ্রিন টিঃ স্মার্টনেস বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন এক কাপ গ্রিন টি পান করা যেতে পারে। গবেষকরা জানিয়েছেন, গ্রিন টি মানসিক উদ্দীপনা বাড়াতে সহায়তা করে। চকোলেটঃ চকোলেটের একটি উপাদান ফেভনইডসে রয়েছে মস্তিষ্ক উদ্দীপ্ত করার ক্ষমতা। অল্প পরিমাণে ডার্ক চকোলেট খেলে তা আপনার মস্তিষ্কের নতুন নিউরন গজাতে সহায়তা করবে। আর এর ফলে মস্তিষ্কের স্মৃতি ধারণ ক্ষমতা বাড়বে। এছাড়া মস্তিষ্কের রক্তপ্রবাহ বাড়াতেও এটি সহায়তা করে।
এগুলো ছাড়াও মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ঠিক রাখার জন্য প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে।

পেটের মেদ কমাতে ৮ খাবার
গ্রিন টিঃ হালকা এ পানীয় দেহের বাড়তি মেদ ও পেটের চর্বি কমাতে খুবই কার্যকর। গ্রিন টি’তে রয়েছে বেশ কিছু প্রাকৃতিক উপাদান। ইজিসিজি নামের এ উপাদানগুলো মেদ কমাতে সহায়তা করে। রসুনঃ রসুন শুধু প্রাকৃতিক এন্টিবায়োটিক কিংবা রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণই করে না, এটি দেহের ওজন কমাতেও ভূমিকা রাখে। রক্তের শর্করা ও ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে রসুন দেহের মেদকে এনার্জিতে পরিণত করতে সহায়তা করে।
দারুচিনিঃ দারুচিনি মেদ কমাতে অত্যন্ত কার্যকর হিসেবে পরিচিত। এটি স্বাভাবিক খাবারের সঙ্গে মসলা হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এছাড়া আধা চাম-পরিমাণ দারুচিনি গুঁড়া এক গ্লাস পানিতে ৫ মিনিট ভিজিয়ে তাতে সামান্য মধু দিয়ে পান করা যায়। সকালে ও রাতে এটি নিয়মিত পান করে পেটের বাড়তি মেদ কমানো সম্ভব।
পুদিনা পাতাঃ খাবারে পুদিনা পাতা ব্যবহার করে পেটের বাড়তি মেদ কমানো সম্ভব। এক চাম-মধু, এক চিমটি গোলমরি-ও সামান্য পুদিনা পাতা বাটা এক কাপ গরম পানিতে দিয়ে রাখুন ৫ মিনিট। এ পানীয় প্রতিদিন পান করলে পেটের মেদ কমবে।
আপেলঃ আপেল শুধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় না, এটি পেটের বাড়তি মেদও কমায়। এতে রয়েছে পটাশিয়াম, ভিটামিনসহ অনেক খাদ্যপ্রাণ। আপেল খাওয়ার পর তা অনেকক্ষণ পেট ভর্তি থাকার অনুভূতি তৈরি করে। এতে বাড়তি খাওয়ার প্রবণতা কমে এবং দেহের মেদ কমানো সহজ হয়।
তরমুজঃ তরমুজের ৮২ শতাংশ পানি, যা পেটে গিয়ে বাড়তি ক্ষুধা কমায়। এতে রয়েছে শরীরের জন্য অত্যাবশ্যকীয় ভিটামিন সি। তাই পেটের মেদ কমানোর স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু খাবার খেতে চাইলে নিয়মিত তরমুজ খান।
কলাঃ কলাতে রয়েছে পটাশিয়াম ও অনেক ধরনের ভিটামিন। এটি একবার খেলে বাড়তি ক্ষুধা থেকে দূরে থাকা যায়। এ কারণে কলা খেলে অন্য খাবারের প্রবণতা কমে। এতে রয়েছে শরীরের বিপাক ক্ষমতা জোরদার করার উপাদান। এতে বিপাক প্রক্রিয়া দ্রুত হয় এবং বাড়তি ফ্যাট কমে।
ওমেগা থ্রিঃ যেসব খাবারে বেশি মাত্রায় ওমেগা থ্রি এবং কম মাত্রায় ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড রয়েছে সেসব খাবার দেহের বাড়তি মেদ কমাতে ভূমিকা রাখে। ওমেগা থ্রি যুক্ত খাবারের মধ্যে রয়েছে সামুদ্রিক মাছ ও মাছের তেল, আখরোট, বাদাম, তিসি ইত্যাদি।

স্ট্রোক কমায় যে খাদ্যগুলো
-কলা।
-সেদ্ধ আলু।
-টমেটোর রস।
-অল্প ফ্যাটের দই।
-স্পিনাক বা পালং শাক।
-চলবে

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আধুনিক চর্চা ও চিকিৎসা, Be Your Own Doctor-৩ বইটির
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ২৮৮, মূল্যঃ ২৮০ টাকা
প্রাপ্তিস্থানঃ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা অফিস
৩৩ তোপখানা রোড, ১৩ তলা, ঢাকা।
ফোনঃ ৯৫৫০০৫৫, ৯৫৬০২২৫


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ